ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মন্ত্রী বিদায়ের পর ত্রাণ বিতরণে বিশৃঙ্খলা, হুড়োহুড়ির অভিযোগ


মন্ত্রী বিদায়ের পর ত্রাণ বিতরণে বিশৃঙ্খলা, হুড়োহুড়ির অভিযোগ

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি চলে যাওয়ার পরপরই বন্যাদুর্গত মানুষের মধ্যে রহস্যজনকভাবে হুড়োহুড়ির সৃষ্টি হয়। এর ফলে দুটি ট্রাকে থাকা ত্রাণসামগ্রী বিশৃঙ্খলভাবে নিয়ে যাওয়ার একটি ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় একটি ব্যক্তি আহত হন।

বুধবার বিকেলে উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের বিশ্বেশ্বর হাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়ভাবে আলোচনার পাশাপাশি সমালোচনারও সৃষ্টি হয়েছে।

সূত্রে জানা যায়, ত্রাণমন্ত্রী এওচিয়া ইউনিয়ন পরিষদে ত্রাণ বিতরণ করার পর উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সে মধ্যাহ্নভোজ সারেন। এরপর তিনি বাজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সংলগ্ন সাংগু নদীর ভোর বাজার ঘাট থেকে নৌকায় বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেন এবং ধর্মপুর ইউনিয়নের বিশ্বেশ্বর হাটে পৌঁছান। সেখানে সংক্ষিপ্ত ভাবে বক্তব্য দেওয়ার পর তিনি কয়েকজনের হাতে প্রতীকীভাবে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

মন্ত্রী যখন ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন, ঠিক তখনই অপেক্ষমাণ বন্যাদুর্গতদের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে দুট ট্রাকে থাকা ত্রাণসামগ্রী নিতে লোকজন ভিড় করেন। বিশৃঙ্খলার মধ্যে স্থানীয় একজন আহত হন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন যুবক ট্রাকের ওপর উঠে ত্রাণের প্যাকেট নিচে থাকা মানুষের মধ্যে বিতরণ করছেন। এর পর, যখন ট্রাক দুটি এলাকা থেকে বের হওয়ার সময় ঘটে প্রভূতভাবে ত্রাণ নেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে হুড়োহুড়ি অব্যাহত থাকে।

সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোন্দকার মাহমুদুল হাসান বলেন, "ত্রাণসামগ্রী বাইরের কেউ নিয়ে যায়নি। যারা লাইনে অপেক্ষা করছিলেন, তারাই একপর্যায়ে বিশৃঙ্খলভাবে নিয়েছেন। এগুলো বাইরের কারও হাতে যায়নি।"

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
রামপুরায় গুলি ও হত্যা

ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৬ পি.এম


ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় নির্মাণাধীন একটি ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলি ও দু’জনকে হত্যার ঘটনার মামলা যুক্ত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ জন পুলিশের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রকাশ করা হয়েছে।

এছাড়া একজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং আরেক আসামিকে ২০ বছরের কারাদণ্ডের বিষয়টি রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর তিন সদস্যের বিচারকের সাক্ষরের পর বুধবার রায়টি প্রকাশিত হয়। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি শফিউল আলম ও বিচারপতি মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান (যিনি ইতোমধ্যে চানখাঁরপুলের মামলায় মৃত্যুদণ্ড পেয়েছেন), ডিএমপির খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম এবং রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমান অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এই তিন আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছে।

এছাড়া রায়ে রামপুরা থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে এবং তিনিও পলাতক আছেন। অন্যদিকে, রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি গ্রেপ্তার আছেন। বুধবার থেকে আগামী এক মাসের মধ্যে সাজাপ্রাপ্তরা আপিল করতে পারবেন।

রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময়ে নিরস্ত্র আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় বাহিনী ও ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের সমন্বিত, ব্যাপক ও পরিকল্পিত আক্রমণ করা হয়েছিল। আন্দোলন দমনের জন্য রামপুরায় সংঘটিত হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধগুলো রাষ্ট্রীয় নীতির একটি অংশ হিসেবেও আখ্যায়িত করা হয়েছে।

ট্রাইব্যুনালের পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরা সমন্বিতভাবে এই আন্দোলন দমনে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

রায়ে বলা হয়েছে, ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে ওয়্যারলেস মেসেজের মাধ্যমে তার অধীনস্তদের উসকানি দিয়েছেন এবং এই হত্যাকাণ্ড ও হতাহতের ঘটনায় প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করেছেন। অত্যন্ত নিষ্ঠুরভাবে গুলি করে দুইজনকে হত্যা করা হয়েছে।

ট্রাইব্যুনালের পর্যবেক্ষণে আরো বলা হয়, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি টেলিফোন আলাপচারিতার মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাদের আন্দোলন দমনে হেলিকপ্টার, ড্রোন ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ দেন।

রায়ে আরো বলা হয়েছে, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, তৎকালীন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন এবং তৎকালীন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমানকে নিয়ে গঠিত একটি কোর কমিটি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসভবনে বৈঠক করেছেন। সেখানে তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহারের নির্দেশনা পেয়েছেন এবং পরে সেই নির্দেশ পুলিশ ও ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের কাছে পৌঁছে দেন।

ট্রাইব্যুনালের মতে, পরে হাবিবুর রহমান বেতার বার্তার মাধ্যমে ডিএমপির সদস্যদের আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন।

রায়ে আরো বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই জুমার নামাজের পর বনশ্রী এলাকায় নিরস্ত্র আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে পুলিশ গুলি চালায়। এ সময় রামপুরা থানার কাছে ভাড়া বাসার গ্যারেজে দাঁড়িয়ে থাকা সাত বছর বয়সী মুসা খান এবং তার দাদি মায়া ইসলাম একটি গুলিতে আহত হন। গুলিটি মুসার মাথা ভেদ করে মায়ার তলপেটে আঘাত করে। ঘটনার আগে মুসা তার দাদিকে আইসক্রিম কিনে দেওয়ার জন্য বাইরে যাওয়ার অনুরোধ করেছিল। পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়েছে মনে করে তারা পঞ্চম তলা থেকে নিচে নেমে গ্যারেজে আসলে গুলিবিদ্ধ হন।

রায়ে আরো বলা হয়েছে, ঘটনার পর ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান রামপুরা থানায় গিয়ে অভিযানে ভূমিকার জন্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমানকে এক লাখ টাকা পুরস্কার দিয়েছেন।

ট্রাইব্যুনাল বলেছে, অভিযানের তত্ত্বাবধান করেন অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) রাশেদুল ইসলাম এবং ওসি মশিউর রহমান। তারা নিজেরাই ভুক্তভোগীদের লক্ষ্য করে গুলি চালান। গুলিবিদ্ধ হয়ে একটি নির্মাণাধীন ভবনের কার্নিশের নিচে আশ্রয় নেওয়া আমির হোসেনকে পরে এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া এবং এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকার আবারও গুলি করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি নিয়ে শিল্পকলায় চিত্রশিল্পীদের আর্ট ক্যাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৯ পি.এম


জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি নিয়ে শিল্পকলায় চিত্রশিল্পীদের আর্ট ক্যাম্প

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি তুলে ধরার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে শুরু হয়েছে একত্রিত তিন দিনের আর্ট ক্যাম্প। বুধবার সকাল ১১টায় একাডেমির জাতীয় চিত্রশালায় ‘ক্যানভাস ২৪: মুক্তির মহাকাব্য’ শিরোনামে এই আর্ট ক্যাম্পটি শুরু হয়।

আর্ট ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। এই ক্যাম্পে ৫৫ জন প্রবীণ ও তরুণ চিত্রশিল্পী অংশগ্রহণ করেছেন। এটি চলবে আগামী ১৭ জুলাই পর্যন্ত। প্রতিদিন সকালে ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকবে।

এই তিন দিনের আয়োজনে অংশগ্রহণকারী শিল্পীরা তাদের ক্যানভাসে তুলে ধরবেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস, আত্মত্যাগ, গণমানুষের প্রতিরোধ, স্বপ্ন এবং মুক্তির আকাঙ্ক্ষার বিভিন্ন দিক।

আয়োজকরা বিশ্বাস করেন, এই শিল্পকর্মগুলো কেবল একটি সময়কে স্মরণ করাবে না বরং সমকালীন বাংলাদেশের শিল্পচর্চায় ইতিহাস, স্মৃতি ও নাগরিক চেতনাকে নতুনভাবে চিন্তা করার একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি হিসেবেও বিবেচিত হবে।

অনুষ্ঠানে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, অতীতে ঘটে যাওয়া অনিয়ম ও অবিচারের পুনরাবৃত্তি যেন ভবিষ্যতে না ঘটে, সেই বিষয়ে সমাজকে সতর্ক থাকতে হবে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি, চেতনা এবং মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে শিল্পের মাধ্যমে ধারণ করতেই এই আয়োজন করা হয়েছে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি ১৫ জুলাইয়ের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, এই দিন থেকেই আন্দোলনের মূল গতিশীলতা গড়ে উঠতে শুরু করে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের, বিশেষত ছাত্রীদের অংশগ্রহণ আন্দোলনকে নতুন মাত্রা প্রদান করে এবং পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহে তা দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় বড় পরিবর্তনের পথে নিয়ে যায়।

তিনি বলেন, সেই সময়ের ঘটনা ও সংগ্রামের চেতনা সমাজে জীবন্ত রাখার গুরুত্বে শিল্প একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হতে পারে। তাই শুধুমাত্র ছবি আঁকাই নয়, বিভিন্ন শিল্পমাধ্যমের মাধ্যমে জুলাইয়ের অভিজ্ঞতা, ইতিহাস ও স্পিরিটকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন।

জাহেদ উর রহমান বলেন, শিল্পকলা একাডেমির এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য কেবল প্রদর্শনী আয়োজন নয়; বরং শিল্পের ভাষায় এমন একটি বার্তা প্রদান করা, যা সাধারণ মানুষ সহজেই বুঝতে পারে। একই সাথে তরুণ শিল্পীরা যেন দেশের প্রতিষ্ঠিত শিল্পীদের কাজ সম্পর্কে কাছ থেকে অভিজ্ঞতা লাভের ও শেখার সুযোগ পান, সেই প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক রেজাউদ্দিন স্টালিন। তিনি বলেন, জুলাইয়ের চেতনাকে শিল্পের মাধ্যমে ধারণ ও সংরক্ষণের লক্ষ্যেই এই আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের ৫৫ জন শিল্পী এই আর্টক্যাম্পে অংশগ্রহণ করেছেন। এখানে সৃষ্ট শিল্পকর্মগুলো পরবর্তীতে জাতীয় পর্যায়ে প্রদর্শনীর মাধ্যমে দর্শকদের সামনে তুলে ধরা হবে, যাতে জুলাইয়ের স্মৃতি শিল্পের ভাষায় আরও বিস্তৃত পরিসরে পৌঁছাতে পারে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আজহারুল ইসলাম শেখ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সম্মানিত অতিথি ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত শিল্পী মনিরুল ইসলাম এবং শিল্পী ও অধ্যাপক ড. আব্দুস সাত্তার। অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা ইরানের উপকূলীয় সামরিক স্থাপনায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০০ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা ইরানের উপকূলীয় সামরিক স্থাপনায়

যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইরানে।此次 লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে উপকূলীয় অঞ্চলের প্রতিরক্ষা ও ক্ষেপণাস্ত্র মজুদের মতো সামরিক স্থাপনা। মার্কিন সেনাবাহিনী এমনটাই জানিয়েছে। খবর এসেছে আনাদোলু এজেন্সির সহযোগিতায়।

হরমুজ প্রণালি ঘিরে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে তীব্র লড়াই চলছে ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে। এই লড়াইয়ে প্রতিদিন পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটছে। এতে ইরানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটছে এবং হতাহতদের সংখ্যাও বাড়ছে।

মার্কিন হামলাগুলো মূলত হরমুজ প্রণালীর নিকটবর্তী দক্ষিণ ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়েছে। অপরদিকে, ইরান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থাকা দেশগুলোকে লক্ষ্যমাত্রা করে হামলা চালাচ্ছে। পাশাপাশি, হরমুজ প্রণালিতে চলাচলের নির্দেশনা না মানা জাহাজগুলোর ওপরও হামলা করা হচ্ছে।

আজ বুধবার (১৫ জুলাই) মার্কিন সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, তারা ইরানের গ্রেটার টুনব দ্বীপে উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র-সংক্রান্ত স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা পরিচালনা করেছে। ওয়াশিংটনের দাবি, এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানোর ইরানের সক্ষমতা আরও দুর্বল করা।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ জানায়, হামলাটি শুরু হয় স্থানীয় সকাল ৬টা থেকে এবং এটি প্রায় ৯০ মিনিট ধরে চলে। সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে হামলাটি শেষ হয়।

সেন্টকমের বিবৃতিতে বলা হয়, এই অভিযানের সময় অত্যন্ত নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহার করে গ্রেটার টুনব দ্বীপে অবস্থিত উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সংরক্ষণাগার এবং ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলোতে আঘাত হানা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এসব হামলার ফলে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালানোর ইরানের সক্ষমতা আরও কমে গেছে। তবে, এ হামলার বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা ক্ষয়ক্ষতির তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ওরিয়েন্টেশনের দিনেই নবীন শিক্ষার্থীরা যবিপ্রবির বঞ্চনার শিকার!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২০ পি.এম


ওরিয়েন্টেশনের দিনেই নবীন শিক্ষার্থীরা যবিপ্রবির বঞ্চনার শিকার!

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের হাতে পরিচিতিমূলক বই 'একাডেমিক ক্যালেন্ডার' তুলে দিতে পারেনি।

এ অবস্থায়, একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন কমিটির প্রস্তুতি নিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন তুলছেন। মূলত, এই একাডেমিক ক্যালেন্ডার থেকে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার বিষয়ের পাশাপাশি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন দপ্তর সম্পর্কে পরিচিতি এবং নীতিমালা জানতে পারে।

বুধবার (১৫ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হওয়া সত্ত্বেও, সাধারণভাবে এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মকানুন, একাডেমিক কার্যক্রম, ক্যাম্পাস এবং বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার সঙ্গে পরিচিতি দেওয়ার নিয়ম রয়েছে।

এ উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের হাতে একাডেমিক সূচি, বিভাগ ও অনুষদের পরিচিতি, প্রশাসনিক কাঠামো, বিশ্ববিদ্যালয়ের সুযোগ-সুবিধাসংবলিত প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ পৃষ্ঠার একটি বই দেওয়া হয়ে থাকে, যা 'একাডেমিক ক্যালেন্ডার' নামে পরিচিত। কিন্তু এবারের ওরিয়েন্টেশনে শিক্ষার্থীদের হাতে সেই ক্যালেন্ডার তুলে দেওয়া সম্ভব হয়নি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের জন্য।

রসায়ন বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মুনিয়া খাতুন মন্তব্য করেছেন, 'একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমার মনে হয়, একাডেমিক ক্যালেন্ডার বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি দলিল। এটি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মকানুন, একাডেমিক কার্যক্রম ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য জানা যায়। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, ওরিয়েন্টেশনের দিনেও আমাদের হাতে একাডেমিক ক্যালেন্ডার তুলে দেওয়া হয়নি। বিষয়টি দায়িত্বহীনতার পরিচয় বহন করে।'

যবিপ্রবির একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন কমিটির সদস্যসচিব নিত্যানন্দ পাল জানান, একাডেমিক ক্যালেন্ডার ছাপানোর আগে সেটি একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদন নিতে হয়। কাউন্সিলে যদি কোনো ভুল বা সংশোধনের প্রয়োজন হয়, তখন তা ঠিক করে দেওয়া হয়। এবারের একাডেমিক ক্যালেন্ডারটি মাত্র দুই দিন আগে একাডেমিক কাউন্সিলে অনুমোদিত হয়েছে। তাই এখনো ছাপানোর কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, 'খুব দ্রুতই শিক্ষার্থীদের হাতে একাডেমিক ক্যালেন্ডার পৌঁছে দেওয়া হবে।'

একাডেমিক কাউন্সিলে অনুমোদন পেতে বিলম্বের কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে নিত্যানন্দ পাল বলেন, 'একাডেমিক কাউন্সিল কবে অনুষ্ঠিত হবে, সেটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিষয়। এ বিষয়ে আমাদের কোনো ভূমিকা নেই।'

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%