শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৩৬ পি.এম
সরকার কর্তৃক সরকারি কর্মচারীদের জন্য জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন এই বেতন স্কেল ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে বলে গণ্য করা হবে। এর ফলে, ১ জুলাই থেকে গেজেট প্রকাশের তারিখ পর্যন্ত সময়ের বেতন বকেয়া হিসেবে সরকারি কর্মচারীরা পাবেন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) নতুন বেতন স্কেলের গেজেট প্রকাশিত হয়। এর পূর্বে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন-১ অনুবিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়।
গেজেট অনুযায়ী, নতুন বেতন স্কেল সম্পূর্ণরূপে কার্যকর না করে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। ৯ম গ্রেড ও তদূর্ধ্ব এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য বেতন বৃদ্ধির হার আলাদাভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন বেতন স্কেলে নির্ধারিত বেতন এবং ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত বা প্রাপ্য বর্তমান বেতনের পার্থক্যের ৪০ শতাংশ ৯ম গ্রেড ও তদূর্ধ্ব এবং ৫০ শতাংশ ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত প্রদান করা হবে।
পরবর্তী ধাপে ১ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত ওই পার্থক্যের ৭০ শতাংশ ৯ম গ্রেড ও তদূর্ধ্ব এবং ৭৫ শতাংশ ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের প্রদান করা হবে।
এরপর ১ জুলাই ২০২৭ থেকে জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ অনুযায়ী বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি বা ইনক্রিমেন্টসহ মূল বেতন শতভাগ কার্যকর হবে।
নতুন পে-স্কেল ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর ধরা হলেও গেজেট প্রকাশ হয়েছে সেপ্টেম্বরে। ফলে, ১ জুলাই থেকে গেজেট প্রকাশের তারিখ পর্যন্ত সময়ের জন্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া পাওনা তৈরি হবে।
গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে, ১ জুলাই ২০২৬ থেকে আদেশ জারির তারিখ পর্যন্ত সময়ের বেতন কর্মচারীরা বকেয়া হিসেবে প্রাপ্য হবেন। তবে, এ সময়ে নতুন বেতন স্কেলের সঙ্গে সমন্বয় করে যে অর্থ পরিশোধ করা হবে, সেখান থেকে আগে পাওয়া বিশেষ সুবিধার অর্থ সমন্বয় করা হবে।
নতুন পে-স্কেলের আওতায় পেনশনভোগীদের জন্যও ধাপে ধাপে বর্ধিত সুবিধা দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।
২০ হাজার ১ টাকা ও তদূর্ধ্ব বিদ্যমান নিট পেনশনের ক্ষেত্রে নতুন বেতন স্কেল অনুযায়ী নিট পেনশন বৃদ্ধির ৪০ শতাংশ ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত দেওয়া হবে। আর ১ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিদ্যমান নিট পেনশনের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির ৫০ শতাংশ প্রদান করা হবে।
২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত দ্বিতীয় ধাপে এই হার যথাক্রমে ৭০ শতাংশ ও ৭৫ শতাংশ হবে। ১ জুলাই ২০২৭ থেকে জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ অনুযায়ী পূর্ণ হারে নিট পেনশন প্রদান করা হবে।
অবসরপ্রাপ্ত ও আজীবন পারিবারিক পেনশনভোগীরাও ১ জুলাই ২০২৬ থেকে গেজেট প্রকাশের তারিখ পর্যন্ত সময়ের নিট পেনশন বকেয়া হিসেবে পাবেন।
নতুন পে-স্কেল কার্যকর হলেও অন্যান্য ভাতা তাৎক্ষণিকভাবে নতুন হারে প্রদান করা হবে না। উৎসব ভাতা, বাংলা নববর্ষ ভাতাসহ অন্যান্য সব ভাতা ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে যে হারে প্রাপ্য ছিল, সেই হারেই ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত প্রদান করা হবে।
২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে নতুন বেতন স্কেলে নির্ধারিত হারে ভাতাদি প্রদান করা হবে।
জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ কার্যকর হওয়ার তারিখ থেকেই বিশেষ সুবিধা বিলুপ্ত হয়েছে বলে গণ্য হবে। ১ জুলাই ২০২৬ থেকে গেজেট জারির তারিখ পর্যন্ত যেসব কর্মচারী বিশেষ সুবিধা পেয়েছেন, তা নতুন পে-স্কেলের আওতায় প্রাপ্য বকেয়া বেতন থেকে সমন্বয় করা হবে।
তবে, ১ জুলাই ২০২৬ তারিখে যারা অবসর-উত্তর ছুটিতে ছিলেন, তারা অবসর-উত্তর ছুটি শেষ না হওয়া পর্যন্ত ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে যে হারে বিশেষ সুবিধা পেতেন, সেই হারেই তা পাবেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উল্লেখ করেছেন যে, যদি অভিন্ন ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ এবং সনদায়ন ব্যবস্থা কার্যকরভাবে চালু করা হয়, তাহলে দেশের তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে তাদের গ্রহণযোগ্যতা ও স্বীকৃতি বৃদ্ধি পাবে।
তিনি শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) গভর্নিং বডির তৃতীয় সভায় সভাপতিত্বকালে এই মন্তব্য করেন।
তারেক রহমান বলেন, এনএসডিএ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার ভিত্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তির আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে চাহিদা বৃদ্ধির জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের যুবসমাজের দক্ষতা উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি। যদিও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে অনেক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, তবে যথাযথ সমন্বয়ের অভাবে এসব প্রশিক্ষণ ও সনদ অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। এর ফলে, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তরুণ প্রজন্ম কাঙ্ক্ষিত স্বীকৃতি পাচ্ছে না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এনএসডিএ’র গভর্নিং বডিকে অল্প সময়ের মধ্যে একটি ছোট কমিটির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়ন করে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনতে হবে।
তিনি অভিন্ন সিলেবাসের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদানের ব্যবস্থা করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় এনএসডিএ’র প্রশাসনিক কাঠামো, জনবল ও কার্যাবলি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়। এছাড়া জাতীয় দক্ষতা উন্নয়নসংক্রান্ত নীতি ও কৌশলপত্র, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি, খাতভিত্তিক দক্ষতার চাহিদা বিশ্লেষণ এবং স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়।
এ সময় প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন, সনদায়ন এবং সনদের পারস্পরিক স্বীকৃতির বিষয়েও আলোচনা করা হয়।
সভায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল, এনএসডিএ’র নির্বাহী চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণের জন্য জাপান যাওয়ার আগে নতুন সমস্যা দেখা দিয়েছে ভারতীয় পুরুষ ক্রিকেট দলের। দলের কিছু ক্রিকেটার এখনও সঠিক মাপের কিট না পাওয়ার কারণে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। এই সমস্যার সমাধানের জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) ভারতীয় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (আইওএ) কিট প্রস্তুতকারী সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।
পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ভারতীয় দলের জাপানের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা ছিল রবিবার ভোরে এশিয়ান গেমসের জন্য। তবে দলের কিছু ক্রিকেটারের কিটের মাপ সংক্রান্ত সমস্যা এখনও পুরোপুরি সমাধান হয়নি। আইওএর একটি সূত্র জানায়, বেশিরভাগ ক্রিকেটারের সমস্যার সমাধান হয়েছে এবং বাকি কিটগুলোও দ্রুত পাঠানো হচ্ছে।
জাপান সফরের সময় ভারতীয় ক্রিকেটারদের দুটি ভিন্ন জার্সি পরিধান করতে হবে। ২২ সেপ্টেম্বর, স্বাগতিক জাপানের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ভারতের প্রচলিত জার্সিতে খেলবেন শ্রেয়স আইয়াররা। এরপর ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে এশিয়ান গেমসের ম্যাচগুলোতে অংশগ্রহণ করবেন তারা, যেখানে ব্যবহার করতে হবে এশিয়ান গেমসের অফিসিয়াল কিট।
আইওএর ওই কর্মকর্তা জানান, ক্রিকেটারদের কিটের মাপ নিয়ে সমস্যা ছিল। বেশিরভাগ সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে এবং কিছু কিট এখনও বাকি রয়েছে। দ্রুত সেগুলোও পাঠানো হবে।
এদিকে নাগোয়ায় ভারতীয় অ্যাথলেটদের থাকার ব্যবস্থা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। এই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বিসিসিআই পুরুষ ক্রিকেট দলের জন্য আলাদা হোটেলের ব্যবস্থা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে ভারতীয় নারী ক্রিকেট দল আইওএর নির্ধারিত হোটেলেই অবস্থান করবে।
এশিয়ান গেমস শুরু হওয়ার আগেই ক্রিকেটারদের আবাসন ও মাঠের পরিকাঠামো নিয়ে বিসিসিআই আপত্তি জানিয়েছিল। ক্রিকেটারদের জন্য পাঁচতারকা হোটেল এবং আলাদা কক্ষের ব্যবস্থা না থাকায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো কিটের মাপ সংক্রান্ত সমস্যা।
দল জাপানের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে বাকি কিটের সমস্যার সমাধান হয় কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সরকার নতুন বেতন-ভাতার প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য। এই প্রজ্ঞাপনটি শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) অর্থ বিভাগের পক্ষ থেকে জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারিত বাড়তি মূল বেতনের ৪০ শতাংশ পাবেন। অন্যদিকে, ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পাবেন বাড়তি মূল বেতনের ৫০ শতাংশ।
তবে, নতুন এই বেতন কাঠামোর আওতার বাইরে কিছু শ্রেণির ব্যক্তি, কর্মচারী ও শ্রমিক রাখা হয়েছে। এ কারণে তারা এই আদেশ অনুযায়ী বাড়তি বেতন-ভাতা লাভ করবেন না।
প্রজ্ঞাপনের আওতার বাইরে থাকা শ্রেণিগুলো হলো—
বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস: এই সার্ভিসে নিয়োজিত ব্যক্তিরা নতুন আদেশের আওতায় আসবেন না।
প্রতিরক্ষা সার্ভিস: প্রতিরক্ষা প্রাক্কলন থেকে বেতন পাওয়া বেসামরিক কর্মচারী ছাড়া প্রতিরক্ষা সার্ভিসের কর্মচারীরা নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় অন্তর্ভুক্ত নন।
পুলিশ ও বিজিবি: পুলিশ বাহিনী এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে (বিজিবি) কর্মরত কর্মচারীরাও এই আদেশের আওতার বাইরে থাকবেন।
রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক: পণ্য উৎপাদনশীল রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান শ্রমিক (চাকরির শর্তাবলী) আইন, ২০১৮-এর ধারা ২-এর দফা (ঘ)-তে সংজ্ঞায়িত শ্রমিকরা নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় আসবেন না।
শিক্ষানবিশ ও প্রশিক্ষণার্থী: শিক্ষানবিশ (অ্যাপ্রেন্টিস) বা প্রশিক্ষণার্থী (ট্রেইনি) হিসেবে নিয়োজিত ব্যক্তিরা নতুন বেতন কাঠামোর সুবিধা পাবেন না।
আউটসোর্সিং কর্মী: আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োজিত ব্যক্তিরাও এই আদেশের আওতার বাইরে থাকবেন।
দৈনিকভিত্তিক সাময়িক শ্রমিক: দৈনিক ভিত্তিতে সাময়িক শ্রমিক নিয়োজিতকরণ নীতিমালা, ২০২৫-এর আওতায় নিয়োজিত শ্রমিকরা নতুন বেতন কাঠামোর সুবিধা পাবেন না।
চুক্তিভিত্তিক ও খণ্ডকালীন কর্মী: চুক্তি অথবা খণ্ডকালীন ভিত্তিতে নিয়োজিত ব্যক্তিরাও এই আদেশের আওতাভুক্ত নন।
এদিকে, সাধারণ সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট শ্রেণির জন্য পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করার পরিকল্পনা রয়েছে। সাধারণত সাধারণ পে-স্কেলের গেজেটের সঙ্গে অথবা তার পরপরই জুডিশিয়াল সার্ভিস ও অন্যান্যদের জন্য পৃথক প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হাম ও হামের উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। এই সময়ের মধ্যে নতুন করে ১ হাজার ২০ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, শনিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা পর্যন্ত নিশ্চিত হামে একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং সন্দেহজনক হামে ৪ জন মারা গেছে।
এখন পর্যন্ত, গত ১০ এপ্রিল থেকে হাম-সংক্রান্ত রোগে মোট মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৫৩ জনে পৌঁছেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ