ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘আব্বু, আমাকে কয়টা নাম্বার দিন’-পরীক্ষার খাতায় সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী


‘আব্বু, আমাকে কয়টা নাম্বার দিন’-পরীক্ষার খাতায় সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী

ছবি-ফেসবুক থেকে নেওয়া

 

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায়, এক শিক্ষার্থী পরীক্ষার খাতায় নম্বর চেয়ে শিক্ষককে ‘আব্বু’ সম্বোধন করেছে। সপ্তম শ্রেণির ওই ছাত্রীর উত্তরপত্রটির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনার পাশাপাশি স্থানীয় শিক্ষাব্যবস্থার মান নিয়েও অনেকেই নানা প্রশ্ন তুলছেন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) এ নিয়ে পরীক্ষার খাতার ছবিসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের দেওয়া একটি ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল হয়েছে।

এই পোস্টে দেখা যায়, শিক্ষার্থী তার পরীক্ষার খাতায় ভুল ও শুদ্ধ বানান লিখে লিখেছে, ‘স্যার, সত্যি কথা বলতে আজকে শিখবো, কালকে শিখবো, এরকম করে সময় চলে গেছে। কিছু শেখা হয়নি। তাই পরীক্ষার খাতায় কিছু লিখতে পারলাম না। বলছিলাম কী স্যার, আপনাকে আব্বু ডাকলাম। দয়া করে আমাকে কয়টা নাম্বার দিন। আব্বু, আব্বু, আব্বু...আব্বু, আমাকে কয়টা নাম্বার দিন।’

উত্তরপত্রটি শেয়ার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই শিক্ষক লেখেন, ‘আমার স্কুলের সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীর অবস্থা দেখুন।’

তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, ‘শিক্ষার বর্তমান বাস্তবতা তুলে ধরার উদ্দেশ্যেই উত্তরপত্রটি শেয়ার করেছি। কাউকে হেয় করা আমার উদ্দেশ্য ছিল না। শিক্ষার্থীদের শেখার ঘাটতি দূর করতে সবার সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।’

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

এ বিষয়ে হাতিয়া উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি আ ন ম হাসান বলেন, ‘একটি উত্তরপত্র দেখে পুরো শিক্ষাব্যবস্থার মূল্যায়ন করা ঠিক হবে না। তবে এমন ঘটনা অবশ্যই উদ্বেগজনক। শিক্ষার্থীদের মৌলিক দক্ষতা বাড়াতে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষা প্রশাসনকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লুটপাটের সুযোগ দিতে ছাত্র-জনতা রক্ত দেয়নি: নাহিদ ইসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২৯ এম


লুটপাটের সুযোগ দিতে ছাত্র-জনতা রক্ত দেয়নি: নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম (এমপি) মন্তব্য করেছেন যে, "আমরা পরিবর্তনের জন্য জীবন দিয়েছি, রক্ত দিয়েছি। এক দলকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে আরেক দলকে লুটপাটের সুযোগ করে দিতে বাংলাদেশী ছাত্র-জনতা রক্ত দেয়নি।"

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেলে টাঙ্গাইলের সখীপুরে জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ পাঁচ দফা দাবিতে আয়োজিত ‘জুলাই পদযাত্রা’ শেষে এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, "আপনারা ভয় পাবেন না। বিগত সময়ে একটি দলের শাসনে মানুষ স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারত না। কথা বললেই জেলে নেয়া হতো, গুম করা হতো এবং হয়রানির শিকার হতে হতো। এখন আবার বাংলাদেশকে একদলীয় শাসনের দিকে নেয়ার চেষ্টা চলছে।"

তিনি অভিযোগ করেন, সংসদে ও সংসদের বাইরে তাদের কথা বলতে দেয়া হচ্ছে না। হামলা ও ভয়ভীতি দেখিয়ে রাজনৈতিক কার্যক্রম সংকুচিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। নাহিদ ইসলাম বলেন, "আওয়ামী লীগ ও প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের দাবি জানাই। নিরপরাধ ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানি, লুটপাট ও হামলা বন্ধ করতে হবে।"

 

কর্মসংস্থান বিষয়ে নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, "বিএনপি দেশে কোটি মানুষের কর্মসংস্থান তৈরির কথা বলেছিল। কিন্তু গত চার মাসে তারা উল্লেখযোগ্য কোনো কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারেনি। এবারের বাজেটেও কর্মসংস্থান তৈরির কোনো সুস্পষ্ট রূপরেখা নেই।"

বক্তব্যে তিনি জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিলম্ব, লোডশেডিং, বিদ্যুৎ ও নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি, জ্বালানি তেলের মূল্য না কমানো, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, সীমান্ত হত্যা এবং ভারতের পুশইন ইস্যুতে সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন। একই সঙ্গে পুলিশ ও প্রশাসনের উদ্দেশে দলীয় আনুগত্য পরিহার করে পেশাগত নিরপেক্ষতা ও মর্যাদা রক্ষার আহ্বান জানান তিনি।

বিরোধীদলীয় এই চিফ হুইপ বলেন, "গত রাতে সাভারে জুলাই পদযাত্রায় ককটেল হামলা চালিয়ে কর্মসূচি বানচালের চেষ্টা করা হয়েছে।" এ সময় সখীপুরে পদযাত্রায় মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের জন্য তিনি স্থানীয়দের ধন্যবাদ জানান।

একই অনুষ্ঠানে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর পুশইন সংক্রান্ত বক্তব্য ও কার্যক্রমকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি বলে মন্তব্য করেন। এ সময় এনসিপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সালাউদ্দিন হায়দারসহ সখীপুর উপজেলা এনসিপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খাগড়াছড়িতে আধিপত্যের লড়াই, ইউপিডিএফ–জেএসএস গোলাগুলিতে নিহত ৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫০ এম


খাগড়াছড়িতে আধিপত্যের লড়াই, ইউপিডিএফ–জেএসএস গোলাগুলিতে নিহত ৩

খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার ২ নম্বর চেঙ্গী ইউনিয়নের মধুমঙ্গলপাড়ায় আঞ্চলিক সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ-প্রসীত) ও জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) মধ্যে সংঘটিত গোলাগুলির ফলে তিনজন নিহত হওয়ার খবর জানিয়েছে পুলিশ। সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

পানছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফেরদৌস ওয়াহিদ তিনজন নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করে জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়, এবং এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন প্রাণ হারান।

ওসি বলেছেন, নিহতদের পরিচয় এখনো নির্ধারণ করা যায়নি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে খবর পেয়ে। মরদেহ উদ্ধার এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক মাস ধরে পানছড়ি এলাকায় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (সন্তু গ্রুপ) ও ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (প্রসীত গ্রুপ)-এর মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে থেমে থেমে সংঘর্ষ সম্পর্ক প্রভাব ফেলছে।

গোলাগুলির পূর্বে, গত ২৪ জুন খাগড়াছড়ির দীঘিনালা ও রামগড় উপজেলার পৃথক দুটি স্থানে সংঘটিত গোলাগুলির ঘটনায় ইউপিডিএফ (প্রসীত)-এর দুটি সদস্য প্রাণ হারান। রামগড় উপজেলার প্রেমতলা এলাকায় নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘটিত গোলাগুলিতে ববিন ত্রিপুরা (৩২) নিহত হন এবং একই ঘটনায় মংসানু মারমা ওরফে জীবন (২৯) আহত হন বলে দাবি করে ইউপিডিএফ। ওই সময় ঘটনাস্থল থেকে নিরাপত্তাবাহিনী একটি একে-৪৭ রাইফেল উদ্ধার করে।

একই দিন দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়া ইউনিয়নের মুড়োপাড়া এলাকায় গুলিতে ইউপিডিএফ সদস্য সুজন চাকমা (৪৮) নিহত হন। ইউপিডিএফ সংগঠনটি ঘটনার জন্য জনসংহতি সমিতিকে দায়ী করে। তাদের দাবি, জেএসএসের সশস্ত্র সদস্যরা তাদের কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে ছিল।

চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে পার্বত্য অঞ্চলে সংঘর্ষ, সশস্ত্র তৎপরতা ও আধিপত্যের দ্বন্দ্বে অন্তত তিনজন নিহত এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেন্টমার্টিনে জোয়ারের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি, আতঙ্কে দ্বীপবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫২ এম


সেন্টমার্টিনে জোয়ারের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি, আতঙ্কে দ্বীপবাসী

স্থানীয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং বসবাসকারীদের নিরাপদে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

টানা ভারী বর্ষণে দেশের একমাত্র প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপ সেন্টমার্টিনে জোয়ারের পানির উচ্চতা বেড়ে গেছে। এই কারণে দ্বীপের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়েছে। উত্তাল বঙ্গোপসাগরের বড় বড় ঢেউ উপকূলে আছড়ে পড়ার ফলে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) থেকে টানা তিন দিন ধরে কক্সবাজার, টেকনাফ ও সেন্টমার্টিনে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। এদিকে, একই সঙ্গে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত দমকা হাওয়া সাগরকে আরও উত্তাল করে তুলেছে। মাঝে মাঝে বাতাসের দিক পরিবর্তিত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্যমতে, জোয়ারের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় দ্বীপের নিচু এলাকার অনেক বাড়ি ও ঘরে পানি ঢুকে পড়েছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে অধিকাংশ মানুষ ঘরেই অবস্থান করছেন। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ বিনা কারণে বাইরে বের হচ্ছেন না। সাগর উত্তাল থাকায় মাছ ধরতে যেতে পারছেন না জেলেরা, যার ফলে তাদের জীবিকা ব্যাহত হচ্ছে।

সেন্টমার্টিন দ্বীপের একজন স্থানীয় বাসিন্দা আবু তালেব উল্লেখ করেন, টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টি ও উত্তাল সাগরের কারণে বঙ্গোপসাগরের পানির উচ্চতা আগের তুলনায় আনুমানিক ৪ থেকে ৫ ফুট বেড়ে গেছে। বড় বড় ঢেউ একের পর এক দ্বীপের চারপাশে আছড়ে পড়ছে। একই সঙ্গে ভারী বৃষ্টির কারণে দ্বীপের বিভিন্ন নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে। অনেক স্থানে হাঁটুসমান পানি জমে যাওয়ায় স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

তিনি আরও যোগ করেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে অধিকাংশ বাসিন্দা নিজ নিজ ঘরে অবস্থান করছেন। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। সাগর উত্তাল থাকায় জেলেরা মাছ ধরতে যেতে পারছেন না। যদি দীর্ঘ সময় ধরে বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়া অব্যাহত থাকে, তাহলে দ্বীপের বাসিন্দাদের দুর্ভোগ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।

সেন্টমাটিন সাভিস ট্রলার সমবায় সমিতির সভাপতি আব্দুর রশিদ জানান, গত বৃহস্পতিবার থেকে মঙ্গলবার বিকাল পর্যন্ত ট্রলার চলাচল বন্ধ রয়েছে। সতর্ক সংকেত কেটে গেলে পুনরায় ট্রলার চলাচল শুরু হবে।

সেন্টমার্টিনের চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম জানিয়েছেন, দ্বীপে অনেক বাড়ি ও ঘর ডুবে গেছে। এ ছাড়া বৈরী আবহাওয়ার কারণে টেকনাফ-সেন্টমার্টিনে নৌযান চলাচলও বন্ধ রয়েছে। ফলে দ্বীপে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সংকট দেখা দিয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস. এম. অনীক চৌধুরী জানিয়েছেন, ট্রলার চলাচল বন্ধ রয়েছে। টানা ভারী বৃষ্টির কারণে সেন্টমার্টিনে বঙ্গোপসাগরের পানির উচ্চতা বেড়েছে। বৈরী আবহাওয়া ও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং বাসিন্দাদের নিরাপদে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সীমান্তের ওপারে সংঘাত, এপারে থমকে জীবিকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৩ এম


সীমান্তের ওপারে সংঘাত, এপারে থমকে জীবিকা

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের রাখাইনে নতুনভাবে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার পর টেকনাফ সহ বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তেও বিজিবি তাদের টহল এবং নজরদারি জোরদার করেছে।

বাংলাদেশ সীমান্ত পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক থাকলেও মিয়ানমারের অভ্যন্তরে নতুন করে জান্তা বাহিনী এবং আরাকান আর্মির মধ্যে তীব্র সংঘাত শুরু হওয়ায় সীমান্তবাসীর মধ্যে আতঙ্ক কাটেনি। নিরাপত্তাজনিত কারণে নাফ নদীতে মাছ ধরা বন্ধ থাকায় জীবিকার একমাত্র পথ হারিয়ে টেকনাফের কয়েক হাজার জেলে চরম সংকটে পড়েছেন। এদিকে, নতুন করে যেকোনও ধরনের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে স্থল ও জলসীমান্তে বিজিবি এবং কোস্ট গার্ড সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে টেকনাফের নাইট্যংপাড়া সীমান্তে গিয়ে দেখা যায়, নাফ নদীর তীরে সারি সারি মাছ ধরার ট্রলার এবং নৌকা নোঙর করে রাখা হয়েছে। গভীর নদীতে যাওয়ার অনুমতি না পাওয়ায় অনেকে তীরের কাছাকাছি মাছ ধরার চেষ্টা করছেন, তবে তাতে আশানুরূপ মাছ পাওয়া যাচ্ছে না।

নাইট্যংপাড়ার জেলে আব্দুল মালেক বলেন, 'টেকনাফ সীমান্তবর্তী মিয়ানমারে আবারও গোলাগুলি শুরু হওয়ায় নিরাপত্তার কারণে আমাদের নদীতে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। এতে মাছ ধরার ওপর নির্ভরশীল শত শত জেলে পরিবার চরম দুর্ভোগে পড়েছে। দুই দিন আগেও ওপারে ভারী গোলাগুলি এবং বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।'

সৈয়দ হোসেন নামের আরেক জেলে জানান, মিয়ানমারে চলমান গোলাগুলি এবং বিমান হামলার কারণে তারা চরম অনিশ্চয়তা এবং ভয়ের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তারা সরকারের কাছে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে নিরাপদে মাছ ধরার অনুমতি দেওয়ার জন্য দাবি করেন।

সীমান্ত সূত্র জানায়, গত বুধবার টেকনাফ সংলগ্ন মিয়ানমারের অভ্যন্তরে বিমান হামলা চালায় দেশটির জান্তা বাহিনী। এরপর থেকে ওপারের রাখাইন রাজ্যে থেমে থেমে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ চলছে। ওপারে সংঘাতের প্রভাব যেন এপারে না পড়ে, সেজন্য বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো ঝুঁকি নিতে চাচ্ছে না। বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও নাফ নদীতে তাদের টহল এবং নজরদারি জোরদার করেছে কোস্ট গার্ড। একইভাবে স্থলসীমান্তে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি।

টেকনাফ কোস্ট গার্ড স্টেশনের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আরাফাত হোসেন বলেন, 'মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষের বিষয়ে কোস্ট গার্ড সার্বক্ষণিক অবগত রয়েছে। সম্ভাব্য রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ এবং যেকোনও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য নাফ নদী এবং সীমান্তবর্তী জলসীমায় টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং ড্রোন পর্যবেক্ষণ জোরদার করা হয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোস্ট গার্ড ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত রয়েছে।' তিনি সীমান্তবাসীকে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।

বিজিবির রামু সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, 'সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে বিজিবির সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্কতা এবং পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। এখন পর্যন্ত নতুন করে কোনো অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেননি।'

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের রাখাইনে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার পর টেকনাফের পাশাপাশি বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তেও বিজিবি তাদের টহল ও নজরদারি জোরদার করেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%