ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাকসুর মেয়াদ শেষের পথে, প্রতিশ্রুতির কতটা বাস্তবায়ন হলো?


রাকসুর মেয়াদ শেষের পথে, প্রতিশ্রুতির কতটা বাস্তবায়ন হলো?

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (রাকসু) নির্বাচন দীর্ঘ ৩৬ বছর পর অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনের ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন আশাবাদ সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যাশা ছিল যে নির্বাচিত ছাত্রসংসদ শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন সমস্যাগুলো সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক, প্রশাসনিক ও শিক্ষার্থীসেবামূলক কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।

কিন্তু দায়িত্ব গ্রহণের প্রায় ১১ মাস পর প্রশ্ন উঠেছে, রাকসু কতটা সফল হয়েছে? নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতিগুলোর কতটুকু বাস্তবায়িত হয়েছে? শিক্ষার্থীরা কি তাদের কার্যক্রমে সন্তুষ্ট? দলীয় বা লেজুড়ভিত্তিক রাজনীতির ঊর্ধ্বে থাকার যে অঙ্গীকার করা হয়েছিল, বাস্তবে রাকসু কতটা তা ধরে রাখতে পেরেছে?

নির্বাচনের আগে বিভিন্ন প্যানেলের ইশতেহারে আবাসন সংকট নিরসন, পরিবহন ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, প্রশাসনিক ডিজিটালাইজেশন, গবেষণা সহায়তা বৃদ্ধি, হলের খাবারের মানোন্নয়ন, সাংস্কৃতিক বিকাশ ও শিক্ষার্থী কল্যাণসহ নানা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। ফলে দীর্ঘদিন পর নির্বাচিত ছাত্রসংসদকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশাও ছিল অনেক বেশি।

আরও পড়ুন: চুয়েটের অচলাবস্থা নিরসনে তদন্ত কমিটি গঠনের উদ্যোগ

গত বছরের ১৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত রাকসু নির্বাচনে ২৩টি পদের মধ্যে ২০টিতে জয় পায় ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট’। তাদের মূল নির্বাচনী ইশতেহার ছিল ‘১২ মাসে ২৪ সংস্কার, ৭টি হ্যাঁ ও ৭টি না’। অন্যদিকে, স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচিত বর্তমান সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারের ইশতেহারে পূর্ণাঙ্গ আবাসিকতা, আধুনিক মেডিকেল সেন্টার, প্রশাসনিক ডিজিটালাইজেশন, হল ডাইনিংয়ের মানোন্নয়ন ও পূর্ণাঙ্গ টিএসসিসি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার ছিল।

নির্বাচনের পর শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা ছিল যে এসব প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাকসু একটি কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক ছাত্রসংসদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

যেসব উদ্যোগ দৃশ্যমান

দায়িত্ব গ্রহণের প্রায় ১১ মাসে রাকসুর বেশ কিছু উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের নজরে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে রাকসুর উদ্যোগে প্রশাসনের সহযোগিতায় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণযন্ত্র স্থাপন, বিভিন্ন হলের পাঠকক্ষে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণযন্ত্র স্থাপন, বিশুদ্ধ পানির ফিল্টার বসানো, ক্যাম্পাসে প্রথমবারের মতো ফার্মেসি চালু, নারী উদ্যোক্তা মেলা ও থিসিস প্রণোদনা।

আরও পড়ুন: ইবি প্রশাসনের চার পদে নতুন পরিচালক নিয়োগ

এছাড়া বিদেশি শিক্ষকদের অংশগ্রহণে সেমিনার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল নিরাপত্তা, তথ্য যাচাই, অ্যাপ তৈরি, ওয়েবসাইট তৈরি ও গবেষণা পদ্ধতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। জুলাই ম্যারাথন, বিনামূল্যে আইইএলটিএস প্রস্তুতি, খেলাধুলার আয়োজন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভেন্যুর ফি কমানোর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

এসব উদ্যোগকে অনেক শিক্ষার্থী ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তবে তাঁদের অনেকে মনে করছেন, নির্বাচনে অন্যতম বড় প্রতিশ্রুতি ছিল আবাসন সংকট নিরসন। সেই তুলনায় দৃশ্যমান অর্জন এখনো সীমিত।

যেসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয়নি

রাকসুর আলোচিত প্রতিশ্রুতিগুলোর অধিকাংশই এখনো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। দীর্ঘদিনের অন্যতম দাবি ছিল আবাসন সংকটের সমাধান অথবা অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য ভাতা চালু করা। এ ছাড়া বাসের ট্রিপ ও রুট ব্যবস্থাপনা, মেডিকেল সেন্টারের সংস্কার, অন-ক্যাম্পাস চাকরির সুযোগ এবং পূর্ণাঙ্গ টিএসসিসি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতিও ছিল।

আরও পড়ুন: ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের তারিখ ঘোষণা

নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত করা, নারী শিক্ষার্থীদের অধিকার সুরক্ষা, অপরাধ দমন, মেস নীতিমালা প্রণয়ন, গবেষণা অনুদান ও বৃত্তি বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া প্রশিক্ষক নিয়োগ, হলগুলোর ইন্টারনেট সমস্যার সমাধান এবং প্রশাসনিক ডিজিটালাইজেশনের মতো প্রতিশ্রুতিগুলোর বেশির ভাগই এখনো আংশিক বাস্তবায়নের পর্যায়ে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য।

প্রত্যাশা ও হতাশা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া

রাকসুর ১১ মাসের কার্যক্রম নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। একাংশের মতে, নির্বাচনের সময় যেভাবে উচ্চাভিলাষী প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, বাস্তব অগ্রগতির সঙ্গে তার বড় ব্যবধান রয়েছে।

সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী আরিফ আলবী বলেন, দীর্ঘদিন পর ছাত্রসংসদ নির্বাচন হওয়ায় শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা অনেক ছিল। কিন্তু ১১ মাস পেরিয়ে গেলেও পরিবহন, আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা কিংবা হলের খাবারের মানে দৃশ্যমান কোনো পরিবর্তন হয়নি। শিক্ষার্থী হিসেবে মনে হয়, ইশতেহারের অনেক প্রতিশ্রুতিই বাস্তবায়িত হয়নি। অন্তত হলের খাবারের মান ভালো হবে, এমন আশা ছিল। কিন্তু সে জায়গায়ও আমরা হতাশ। বাকি সময়ে রাকসু নেতারা তাদের ইশতেহারগুলো কতটুকু বাস্তবায়ন করতে পারবেন, সেটাই এখন মুখ্য বিষয়।

আরও পড়ুন: ইবির সমাবর্তন ২ ফেব্রুয়ারি, রেজিষ্ট্রেশনের তারিখ ও ফি নির্ধারণ

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মো. ফেরদৌস বলেন, রাকসু নির্বাচনকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের অন্যতম প্রত্যাশা ছিল, নির্বাচিত প্রতিনিধিরা আবাসন সংকট নিরসন, নিরাপদ ক্যাম্পাস বিনির্মাণ, মানসম্মত খাবার নিশ্চিতকরণ এবং নারী শিক্ষার্থীদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখবেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, নির্বাচনের প্রায় ১১ মাস অতিক্রান্ত হলেও ছাত্রসংসদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা ইশতেহার অনুযায়ী বেশ কিছু ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে পুরোপুরি ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছেন।

আইন বিভাগের শিক্ষার্থী জিহাদ হোসেন বলেন, রাকসুর কার্যক্রম দেখে মনে হয়েছে, তারা শিক্ষার্থীদের ইশতেহারের চেয়ে দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নেই বেশি মনোযোগী। প্রায় ১১ মাস হয়ে গেলেও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির উল্লেখযোগ্য অংশ এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।

তবে আরেক অংশের শিক্ষার্থীর মতে, দীর্ঘদিন পর ছাত্রসংসদ পুনরায় কার্যক্রম শুরু করায় প্রশাসনিক জটিলতা, আর্থিক সীমাবদ্ধতা ও নীতিগত অনুমোদনের কারণে সব প্রতিশ্রুতি অল্প সময়ে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়।

প্রশাসনিক ও আর্থিক সীমাবদ্ধতা

আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে চুয়েট অধ্যাপক আরাফাতকে শিক্ষার্থীদের অবাঞ্চিত ঘোষণা

বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারের অনেক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য বড় অঙ্কের বাজেট, সিন্ডিকেটের অনুমোদন ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। ফলে এসব প্রতিশ্রুতির অনেকগুলো এককভাবে রাকসুর পক্ষে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়।

তাদের মতে, দীর্ঘদিন ছাত্রসংসদ অকার্যকর থাকায় বাস্তবতার তুলনায় কিছু নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল বেশ উচ্চাভিলাষী। ফলে প্রত্যাশা ও বাস্তবতার মধ্যে একটি ব্যবধান তৈরি হয়েছে।

বছরজুড়ে বিতর্ক

রাকসুর ১১ মাসের কার্যক্রমে বিভিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলোচনা-সমালোচনাও হয়েছে। বিতর্কিত মন্তব্য, হুমকি ও রাজনৈতিক অবস্থানসহ বিভিন্ন ঘটনায় আলোচনায় ছিলেন রাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার।

আরও পড়ুন: মহানবী (সা.)-কে কটূক্তির অভিযোগে জাবি শিক্ষার্থী সাময়িকভাবে বহিষ্কার

আম্মার বলেন, আমি এখন শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি। আমার শিক্ষার্থীরা আমাকে কীভাবে দেখছে, সেটাই মূল বিষয়। তারা যদি আমার কোনো কর্মকাণ্ডকে ভুল হিসেবে দেখে, তাহলে আমি দুঃখিত। কে কী দেখছে, কোনো সুশীল সমাজ, এমপি-মন্ত্রী কিংবা রাজনৈতিক দল কীভাবে দেখছে—সেটা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়।

এছাড়া রাকসুর ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের নিউজ সংগ্রহ করে ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। সাংস্কৃতিক সম্পাদক জাহিদ হাসান জোহাকে শহীদজননী জাহানারা ইমাম সম্পর্কে অশোভন মন্তব্যের অভিযোগেও সমালোচনার মুখে পড়তে হয়।

লেজুড়ভিত্তিক রাজনীতি থেকে কতটা মুক্ত রাকসু

নির্বাচনের আগে বিভিন্ন প্যানেলই ক্যাম্পাসে লেজুড়ভিত্তিক ছাত্ররাজনীতির বাইরে গিয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচিত জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারও একই অঙ্গীকার করেছিলেন।

তবে গত ১১ মাসে বিভিন্ন ইস্যুতে রাকসুর অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। একাংশের অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ইস্যুতে ছাত্রসংসদের অবস্থান দলীয় প্রভাবমুক্ত বলে মনে হয়নি। প্রশাসনের কিছু সিদ্ধান্তেও তারা প্রত্যাশিত দৃঢ়তা দেখাতে পারেনি বলে অভিযোগ রয়েছে।

অনেক শিক্ষার্থীর মতে, ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেল থেকে ভিপি, এজিএসসহ অধিকাংশ প্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ায় তাদের কিছু কার্যক্রমে দলীয় অগ্রাধিকারের প্রতিফলন দেখা গেছে।

ওপরদিকে, রাকসু নেতাদের দাবি, তারা দলীয় পরিচয়ের বাইরে গিয়ে শিক্ষার্থীদের স্বার্থেই কাজ করছেন। বিভিন্ন সিদ্ধান্তে প্রশাসনিক বাস্তবতা ও সীমাবদ্ধতাও বিবেচনায় নিতে হয়েছে বলে জানান তারা।

যা বলছেন ছাত্রসংসদ নেতারা

রাকসু নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা, হতাশা ও বাস্তবতা সম্পর্কে জানতে চাইলে রাকসুর সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, লাল ফিতার দৌরাত্ম্যের কারণে অনেক কাজ নির্ধারিত সময়ে করা সম্ভব হচ্ছে না। আগের উপাচার্যের সময়ে অনেক বিষয় গুছিয়ে ফেলেছিলাম। কিন্তু নতুন উপাচার্য দায়িত্ব নেওয়ার পর সেগুলো নিয়ে আবার নতুন করে কাজ শুরু করতে হয়েছে।

নিজের ইশতেহার বাস্তবায়নের বিষয়ে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে যেসব সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিলাম, সেগুলোই ইশতেহারে তুলে ধরেছি। আমি কোনো অবাস্তব প্রতিশ্রুতি দিইনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অঙ্গ ও দপ্তর যদি সমন্বিতভাবে কাজ করত, তাহলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করা সম্ভব হতো।

তিনি বলেন, আমার ইশতেহারের অধিকাংশ প্রতিশ্রুতিই দীর্ঘমেয়াদি। আবাসন, মেডিকেল সেবার উন্নয়ন ও শিক্ষক মূল্যায়নের মতো বিষয়গুলো নিয়ে আলাদাভাবে কাজ করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আম্মার বলেন, আলোচনা-সমালোচনা থাকলেও প্রতিবছর রাকসু নির্বাচন হওয়া উচিত। রাকসু থাকলে শিক্ষার্থীদের কোনো নির্দিষ্ট ছাত্রসংগঠন বা দলের ওপর নির্ভর করতে হবে না। যখন রাকসু থাকবে না, তখন শিক্ষার্থীরা বুঝবে রাকসু কেন দরকার ছিল।

রাকসুতে শিবির-সমর্থিত ‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোটের’ নির্বাচিত সহ-সভাপতি (ভিপি) মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, রাকসুকে শতভাগ সফল করার জন্য আমরা চেষ্টা করছি। আমরা আমাদের ইশতেহারের প্রায় ৭৩ শতাংশ কাজ সম্পূর্ণ করতে পেরেছি, আর বাকিটা করতে পারিনি।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের বড় চাহিদাগুলোর মধ্যে অন্যতম অনাবাসিক ভাতা। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৩৫ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ২০ হাজারই অনাবাসিক। এ ছাড়া অনেক অসচ্ছল শিক্ষার্থী বিভাগীয় ফি, মেসের ভাড়া এমনকি খাবারের টাকাও জোগাড় করতে পারছেন না। আমরা অনাবাসিক ভাতার বিষয়ে কাজ করার কথা বলেছিলাম। তবে এটি বাস্তবায়নে প্রশাসনের সহযোগিতা প্রয়োজন। প্রশাসন বিষয়টিকে গুরুত্ব দিলে শিক্ষার্থীদের এই হতাশা অনেকটাই দূর করা সম্ভব হতো।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অসহযোগিতাকে দায়ী করে জাহিদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাদের চরমভাবে অসহযোগিতা করেছে। প্রথমে যেমন অসহযোগিতা করেছে, এখন সেটা আরও বেড়ে গেছে। অনাবাসিক ভাতা, মেডিকেল সংস্কার ও ডাইনিংয়ে খাদ্য ভর্তুকির ব্যাপারে আমরা প্রশাসনকে বারবার বলেছি। কিন্তু প্রশাসন এসব ব্যাপারে বারবার “ইগনোর পলিসি” অবলম্বন করছে। বিশেষ করে অনাবাসিক ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের ভাতা দেওয়ার ব্যাপারে কোনো ভ্রুক্ষেপই করছে না। দুই মাস ধরে রাকসুর কোনো অধিবেশন হচ্ছে না। এটা প্রতিনিধিদের জন্য চরম ভোগান্তির।

লেজুড়ভিত্তিক ছাত্ররাজনীতি থেকে রাকসু কতটা মুক্ত—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা রাকসুকে দলীয় লেজুড়বৃত্তি থেকে মুক্ত রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। আমরা ছাত্রশিবিরের প্যানেল থেকে নির্বাচিত হলেও আমাদের কাজগুলো দল-মত নির্বিশেষে সবার জন্য ছিল। কোনো দল বা মতকে আমরা বলিনি যে তাদের কোনো সেবা দেওয়া হবে না।

রাকসুর ১১ মাসের পথচলায় যেমন কিছু দৃশ্যমান উদ্যোগ রয়েছে, তেমনি অপূর্ণ প্রতিশ্রুতি নিয়েও রয়েছে প্রশ্ন ও হতাশা। শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা, প্রশাসনিক বাস্তবতা এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দাবির সমন্বয়েই ছাত্রসংসদের কার্যক্রমের মূল্যায়ন নিয়ে আলোচনা চলছে। মেয়াদের বাকি সময়ে বড় প্রতিশ্রুতিগুলোর কতটা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়, এখন সেদিকেই নজর শিক্ষার্থীদের।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াতের সংকট সমাধানে প্রস্তাব, সরকার অবহেলা করছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:২০ পি.এম


জামায়াতের সংকট সমাধানে প্রস্তাব, সরকার অবহেলা করছে

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি সংকট সমাধানের জন্য বিরোধী দলের পক্ষ থেকে সরকারকে বারবার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। চলমান সংকটের সমাধান করতে বিরোধী দল নিজেদের খরচে এক্সপার্ট নিয়োগ করে তাদের মতামত ও পরামর্শ সরকারকে প্রস্তাব আকারে পৌঁছে দিয়েছে। তবে সরকার বিরোধী দলের সেই প্রস্তাবগুলো নিয়ে কোনো ভ্রুক্ষেপ করেনি।

তিনি উল্লেখ করেন, জামায়াতসহ বিরোধী দল সরকারকে সহযোগিতা করতে চায়, কিন্তু সরকার বিরোধী দলের বিরোধীতা করছে শুধুমাত্র বিরোধীতার স্বার্থে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় ঝিনাইদহে সাংগঠনিক সফরের সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে তিনি এসব কথা বলেন।

সংসদের বিরোধী দলের ছায়া মন্ত্রীসভা সরকারের সহযোগিতা করছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে মিয়া গোলাম পরওয়ার জানান, বিরোধী দলে বসার পর থেকে তারা সরকারকে বিভিন্ন সংকট মোকাবিলায় অন্তত ৩৮টি প্রস্তাবনা দিয়েছেন। ওই প্রস্তাবনাগুলো সরকারের সহযোগিতা করার জন্যই দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সরকার জামায়াতসহ বিরোধী দলের কোনো প্রস্তাবনা এখন পর্যন্ত গ্রহণ করেনি। সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধী দলের অসহযোগিতার যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা হাস্যকর।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বিএনপি অকৃতজ্ঞ। ২০০১ সালের নির্বাচনের পর আধিপত্যবাদী শক্তিকে ঠেকাতে সবকিছু বিবেচনা করে তারা পাঁচ বছর বিএনপির সঙ্গে ছিল। দেশের কল্যাণের স্বার্থে এবং আধিপত্যবাদী শক্তি মোকাবিলা করার জন্য জামায়াত তখন বিএনপিকে সমর্থন করেছিল। এর আগে বিএনপি ৯১ সালে সরকার গঠন করেছিল এবং সেখানেও জামায়াত বিএনপিকে সহযোগিতা ও সমর্থন দিয়েছিল। কিন্তু সরকার গঠন করার পর বিএনপি জামায়াতের তৎকালীন কেন্দ্রীয় আমিরকে কারাগারে পাঠিয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা, রাজশাহী, খুলনায় তাদের কর্মীদের শহিদ করা হয়েছিল। ক্যাম্পাসগুলোতে ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা জামায়াতের শিবিরের ছেলেদের হত্যা করেছিল। তারা বারবার বিএনপিকে সহযোগিতা করতে চেয়েছে। তিনি চ্যালেঞ্জ করেন, এখনো বিএনপি জামায়াতকে নিয়ে বিরোধীতার স্বার্থে বিরোধীতা করছে। বিএনপি অকৃতজ্ঞ দল। বিএনপির এই বিরোধীতা অনেকটা সেই প্রবাদের মতো- ‘নেই কাজ তো খই ভাজ।’

সরকারের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, বিএনপি এখন বলছে যে জামায়াত নাকি আওয়ামী লীগকে মাঠে নামতে ইন্ধন দিচ্ছে। সরকার, গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থাকা অবস্থায় নিষিদ্ধ একটি দলের কর্মীরা ঢাকাসহ সারাদেশে মিছিল করলো কিভাবে? সরকার এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে না জানিয়ে তাদের ইন্ধন না থাকলে এমন একটি কর্মসূচি কোনো রাজনৈতিক দল পালন করবে, এটা কখনো হয়? এটা কি সম্ভব? তিনি চ্যালেঞ্জ করে বলেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে জামায়াতের কোনো যোগাযোগ বা আঁতাতের খবর থাকলে তা প্রকাশ করুন। বিরোধীতা করতে হবে তাই, বিরোধীতা করবেন না।

এর আগে ঝিনাইদহ শহরের হামদহ এলাকায় ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত শিক্ষা শিবিরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। অনুষ্ঠানে ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের আমির ও ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মোহাম্মদ আবু বকর, জেলা সেক্রেটারি আব্দুল আওয়াল, কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজাসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফিফা আসিয়ান কাপে প্রথমার্ধে 'ছন্নছাড়া' ফুটবল খেলে বাংলাদেশ হজম করল ২ গোল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:২০ পি.এম


ফিফা আসিয়ান কাপে প্রথমার্ধে

বাংলাদেশ দল ফিফা আসিয়ান কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে। প্রথমার্ধে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা নিজেদের সেরাটা প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে ১৩৬ নম্বরে অবস্থান করা দলের বিপক্ষে প্রথমার্ধেই বাংলাদেশ দুই গোল হজম করে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ম্যাচের শুরু থেকেই মালয়েশিয়া অনেকটা গোছানো এবং আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে। শুরুতে বাংলাদেশ ছিল ছন্নছাড়া। ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে কর্নার থেকে আসা বলটি গোলবার বরাবর শট নিয়েছিলেন মালয়েশিয়ার আক্রমণভাগের একজন ফুটবলার।

বাংলাদেশের গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণ কোনোমতে তা টোকা দিয়ে বাইরে পাঠিয়ে দেন। এরপরও মালয়েশিয়ার আক্রমণভাগের ফুটবলাররা একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে। তাদের আটকাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে বাংলাদেশের রক্ষণভাগ। কিন্তু ম্যাচের ১৮তম মিনিটে গোলবার অক্ষত রাখা সম্ভব হয়নি।

মাঝমাঠ থেকে সতীর্থের বাড়ানো বল নিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন মালয়েশিয়ার ১০ নম্বর জার্সিধারী ফরোয়ার্ড আরিফ আইয়ান। তিনি আলতো করে টোকা দিয়ে বাংলাদেশের গোলরক্ষককে পরাস্ত করে দলকে লিড এনে দেন।

ম্যাচের ৩৮তম মিনিটে তপু বর্মণের ভুলের কারণে বাংলাদেশ আরও একটি গোল হজম করে। এ সময় তপুর দেওয়া ভুল পাশে বল পেয়ে যান মালয়েশিয়ার সেরা তারকা আরিফ আইমান।

সুযোগ কাজে লাগাতে তিনি ভুল করেননি। নিজের দ্বিতীয় গোল করার সঙ্গে ব্যবধানও দ্বিগুণ করেন আরিফ। প্রথমার্ধ শেষ হয় ২-০ গোল ব্যবধানে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চলাচলকারীদের জন্য হাইওয়ে পুলিশের নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:২১ পি.এম


ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চলাচলকারীদের জন্য হাইওয়ে পুলিশের নির্দেশনা

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চলাচলরত যাত্রী ও চালকদের জন্য হাইওয়ে পুলিশ জরুরি নির্দেশনা প্রদান করেছে, যাতে তারা পর্যাপ্ত সময় নিয়ে ভ্রমণ করতে পারেন। আজ একটি সেতুর জরুরি মেরামতকাজের কারণে ঢাকামুখী লেনে যান চলাচলে ধীরগতি সৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর একটা থেকে বেলা দুইটা ৩০ মিনিট পর্যন্ত আলিপুরা সেতুর ঢাকামুখী লেনে এই মেরামতকাজ পরিচালিত হবে। নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুর রহিম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপির স্টাফ অফিসার তারিক লতিফ এক বার্তার মাধ্যমে জানিয়েছেন, কাজ চলাকালীন দাউদকান্দি সেতুর পর আলিপুরা অংশে ঢাকামুখী লেনে যানবাহনের চলাচলে স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হতে পারে। তাই এই পথে যাতায়াতকারীদের হাতে অতিরিক্ত সময় রেখে রওনা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

মেরামতকাজ চলাকালে মহাসড়কের ওই অংশে যান চলাচল যতটা সম্ভব স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। সাময়িক এই অসুবিধার তথ্য দ্রুত পৌঁছাতে এবং অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে হাইওয়ে পুলিশ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনসিএলে আট বিভাগের স্কোয়াড ঘোষণা, অধিনায়কের নাম প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:২১ পি.এম


এনসিএলে আট বিভাগের স্কোয়াড ঘোষণা, অধিনায়কের নাম প্রকাশ

জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) এর ২৮তম সংস্করণ আগামী ৩ অক্টোবর মাঠে গড়াবে। নতুন মৌসুমে আটটি বিভাগীয় দলের স্কোয়াড চূড়ান্ত করা হয়েছে। জাতীয় দলের হয়ে খেলা এবং বর্তমানে জাতীয় দলের আশপাশে থাকা একাধিক ক্রিকেটারদের নিয়ে গঠন করা হয়েছে এই দলগুলো।

মোহাম্মদ মিঠুন খুলনা বিভাগের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তার দলে রয়েছেন জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার এনামুল হক বিজয়, নুরুল হাসান সোহান ও আফিফ হোসেন ধ্রুব। মিঠুন, বিজয় ও সোহানের পাশাপাশি দলে আছেন ইমরানুরজ্জামান, আজিজুল হাকিম তামিম এবং নাহিদুল ইসলামদের মতো পরিচিত মুখ।

ঢাকার অধিনায়ক হিসেবে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন দায়িত্ব পালন করবেন। তার দলে জাতীয় দলের হয়ে খেলা নাঈম শেখ ও জিসান আলম অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। উইকেটের পেছনে অঙ্কনের সঙ্গে থাকবেন আশিকুর রহমান শিবলী।

চট্টগ্রাম বিভাগেও জাতীয় দলের পরিচিত মুখের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শাহাদাত হোসেন, মাহমুদুল হাসান জয় ও শামীম হোসেন পাটোয়ারী দলের সদস্য। উইকেটরক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইরফান শুক্কুর ও সাব্বির হোসেন সিকদার। ইয়াসির আলী রাব্বির নেতৃত্ব দেওয়ার কথা থাকলেও জাতীয় দলের সঙ্গে থাকার কারণে কিছু ম্যাচে অংশ নিতে পারছেন না তিনি।

সিলেটের অধিনায়ক জাকির হাসান। তার দলে রয়েছেন অমিত হাসান, তৌহিদুল ইসলাম ফেরদৌস, আশরাফুল হাসান রিয়াদ ও নাবিল সামাদ। রংপুরের নেতৃত্ব দেবেন আকবর আলী, যার দলে ব্যাটার হিসেবে রয়েছেন অনিক সরকার সেতু, জাহিদ জাভেদ ও নবিন ইসলাম।

ময়মনসিংহের অধিনায়ক রকিবুল হাসান। এই দলে জাতীয় দলের সাবেক ও বর্তমান পর্যায়ের পরিচিত ক্রিকেটার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও মুনিম শাহরিয়ার অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। রাজশাহীর অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রীতম কুমার। এই দলে অভিজ্ঞ সাব্বির রহমান রুম্মান ও সানজামুল ইসলাম রয়েছেন। বরিশালের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইফতেখার হোসেন ইফতি।

এবারের এনসিএলে আটটি বিভাগীয় দল একে অপরের বিপক্ষে সাতটি করে ম্যাচ খেলবে। চার দিনের এই প্রতিযোগিতায় মোট ২৮টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে সাত রাউন্ডে। ৩ অক্টোবর শুরু হয়ে আসরের শেষ রাউন্ড ১৭ নভেম্বর শুরু হবে। উদ্বোধনী রাউন্ডে খুলনা বরিশালের বিপক্ষে, চট্টগ্রাম রাজশাহীর মুখোমুখি হবে, সিলেট ময়মনসিংহের বিপক্ষে এবং বর্তমান রংপুরের প্রতিপক্ষ ঢাকা।

বরিশাল বিভাগ

অধিনায়ক: ইফতেখার হোসেন ইফতি

স্কোয়াড: ইফতেখার হোসেন ইফতি, জাওয়াদ আবরার, মোঃ রাফসান আল মাহমুদ, মোহাম্মদ সালমান হোসেন ইমন, অভি আহমেদ নোবেল, হাফিজুর রহমান, আব্দুল্লাহ শিফাত, মোঃ শামসুল ইসলাম অনিক, মোঃ তানভীর ইসলাম, মঈন খান , মইনুল ইসলাম, মোজাম্মেল হাসান শাকিল, তৌহিদুল ইসলাম রাসেল, মোঃ শহিদুল ইসলাম ও রুয়েল মিয়া।

চট্টগ্রাম বিভাগ

অধিনায়ক: ইরফান শুক্কর

স্কোয়াড: ইরফান শুক্কুর, শাহাদাত হোসেন, মাহমুদুল হাসান জয়, সাদিকুর রহমান, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, তাসামুল হক, সাব্বির হোসেন সিকদার,

হাসান মুরাদ, আশরাফুল হাসান রোহান, মোঃ রুবেল, আহমেদ শরীফ, ফাহাদ হোসেন, ইরফান হোসেন, এনামুল হক আশিক ও মোঃ শাহ পরান সোহেল।

ঢাকা বিভাগ

অধিনায়ক: মাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া অঙ্কন

স্কোয়াড: মাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া অঙ্কন, জিসান আলম, মোঃ মার্শাল আইয়ুব ও নাঈম শেখ, আশিকুর রহমান শিবলী, আরিফ আহমেদ, তৈবুর রহমান পারভেজ, মোঃ ইয়াসিন হোসেন , আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, মোঃ এনামুল হক, মোঃ সুমন খান, আনিসুল ইসলাম ইমন, সালাউদ্দিন শাকিল, রিপন মন্ডল ও তৌফিক আহমেদ।

খুলনা বিভাগ

অধিনায়ক: মোহাম্মদ মিঠুন

স্কোয়াড: মোহাম্মদ মিঠুন, এনামুল হক বিজয়, নুরুল হাসান সোহান, আফিফ হোসেন ধ্রুব, আজিজুল হাকিম তামিম, কালাম সিদ্দিকী এলিন, সামিউন বাশির রাতুল, ইমরানুজ্জামান, নাহিদুল ইসলাম, শেখ পারভেজ জীবন, টিপু সুলতান, রাকিব হাওলাদার, সফর আলী, আব্দুল হালিম ও মেহেদী হাসান রানা।

ময়মনসিংহ বিভাগ

অধিনায়ক: রকিবুল হাসান

স্কোয়াড: রকিবুল হাসান, আব্দুল মজিদ, মোঃ ফাহিম, রনি চৌধুরী, মোঃ আল আমিন, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মুনিম শাহরিয়ার, খালিদ হাসান, মোঃ মাহফিজুল ইসলাম, আরিফুল ইসলাম, আরিফুল হাকিম রনি, আবু হায়দার রনি, আসাদুল্লাহ হিল গালিব, মোঃ আল আমিন হোসেন ও রিজান হোসেন।

রাজশাহী বিভাগ

অধিনায়ক: প্রীতম কুমার

স্কোয়াড: প্রীতম কুমার, সাব্বির রহমান রুম্মান, মেহেরব হাসান অহিন, হাবিবুর রহমান সোহান, সাব্বির হোসেন, নাঈম আহমেদ, শাখীর হোসেন শুভ্র, সানজামুল ইসলাম, নিহাদুজ্জামান, ওয়াসি সিদ্দিক, রহিম, একরামুজ্জামান, শফিকুল ইসলাম, আলী মোহাম্মদ ওয়ালিদ ও মোহর শেখ অন্তর।

রংপুর বিভাগ

অধিনায়ক: আকবর আলী

স্কোয়াড: আকবর আলী, অনিক সরকার সেতু, জাহিদ জাভেদ, নোবিন ইসলাম ,আলাউদ্দিন বাবু, মিম মোসাদ্দেক, আবু হাসিম, স্বাধীন ইসলাম, ইকবাল হোসেন, মাহমুদুল হাসান লিমন , হাসিবুল হোসেন সিয়াম, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মেহেদী হাসান, চৌধুরী মোঃ রিজওয়ান ও শাহরিয়ার আল আমিন।

সিলেট বিভাগ

অধিনায়ক: জাকির হাসান

স্কোয়াড: জাকির হাসান, অমিত হাসান, তৌহিদুল ইসলাম ফেরদৌস, আশরাফুল হাসান রিয়াদ, মুবিন আহমেদ দিশান, সৈকত আলী, মোঃ তানভীর হোসেন সজীব, আসাদুল্লাহ আল গালিব, শাহানুর রহমান, নাঈম আহমেদ, নাবিল সামাদ, নাঈম হোসেন সাকিব, তোফায়েল আহমেদ রায়হান, মহিউদ্দিন তারেক ও অনিক দেববর্মা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%