ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যুক্তরাষ্ট্র শর্ত না মানা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী খুলবে না : ইরান


যুক্তরাষ্ট্র শর্ত না মানা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী খুলবে না : ইরান

ঢাকা, ১০ আগস্ট, ২০২৬ : যুদ্ধের কারণে ক্ষতিপূরণ দেওয়াসহ একাধিক দাবি যুক্তরাষ্ট্র মেনে না নেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া হবে না বলে রোববার জানিয়েছেন ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস (আইআরজিসি)।

বার্তা সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে খবরটি প্রকাশিত হয়েছে।

বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালীতে ইরানের কার্যত অবরোধ মিত্র দেশগুলোর মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, বিশ্ববাজারে অস্থিরতা বাড়িয়েছে এবং জ্বালানির দামও বৃদ্ধি পেয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রোববার বলেছেন, তেহরানের সঙ্গে সংঘাতে মার্কিন প্রশাসন অপেক্ষাকৃত সংযত পন্থা অবলম্বন করছে। তার বক্তব্যের মধ্যে ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে, অর্থনৈতিক চাপের মাধ্যমে ইরানকে নতি স্বীকারে বাধ্য করার বিষয়ে তিনি আশাবাদী।

ইরান যুদ্ধের পরও হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখতে চায় এবং এই পথ দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের কাছ থেকে টোল নেয়ার পরিকল্পনা করছে। নিজেদের নির্ধারিত পথ এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে—এমন অভিযোগে ইরান নিয়মিত জাহাজে হামলা চালাচ্ছে।

যুদ্ধের আগে জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত থাকা এই জলপথে হামলার কারণে এপ্রিলে ঘোষিত যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ে। পরে মধ্যস্থতাকারীরা উভয় পক্ষকে জুনে স্বাক্ষরিত একটি সমঝোতার শর্তে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান। ওই সমঝোতায় শান্তি আলোচনা শুরুর একটি পথনকশা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

ইরানের তাসনিম সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল শনিবার হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য কিছু শর্ত দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ রাখা, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা অবরোধ প্রত্যাহার, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা, জব্দ করা সম্পদ মুক্ত করা এবং যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়া।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

এসব শর্ত জুনের সমঝোতায় থাকা বিষয়গুলোর সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। ওই সমঝোতায় ইরানের পুনর্গঠনের জন্য ৩০ হাজার কোটি ডলারের একটি তহবিল গঠনের বিধান ছিল।

ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস রোববার বলেছে, ‘শত্রুপক্ষ আমাদের সব শর্ত মেনে না নেওয়া পর্যন্ত’ অবরোধ বজায় রাখা তাদের কৌশল। তারা আরও বলেছে, ‘হরমুজ প্রণালী এখন আমাদের কাছে শুধু একটি জলপথ নয়, এটি কার্যত যুদ্ধক্ষেত্র।’

হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় যুক্তরাষ্ট্রে ভোক্তাদের জন্য জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়েছে। নভেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে থাকায় বিষয়টি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য রাজনৈতিক চাপ তৈরি করেছে। তবে রোববার অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আশাবাদ প্রকাশ করেছেন।

ইরানের সঙ্গে তার কৌশল সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, ‘‌‌‌‌আমরা বিষয়টি খুব বেশি সামনে আনছি না’।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের সঙ্গে আলোচনা করছি। আমরা শুধু ইরানের পরিস্থিতি দেখছি—সেখানে ব্যাপক মূল্যস্ফীতি চলছে এবং তাদের হাতে কোনো অর্থ নেই।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাইয়ে চীনে মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ৫ শতাংশে নেমে এসেছে, পূর্বাভাসের নিচে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:০৯ পি.এম


জুলাইয়ে চীনে মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ৫ শতাংশে নেমে এসেছে, পূর্বাভাসের নিচে

ঢাকা, ১০ আগস্ট, ২০২৬ : চীনে গত মাসে ভোক্তা পণ্যের দাম প্রত্যাশার থেকে কম বৃদ্ধি পেয়েছে।

রোববার প্রকাশিত সরকারি তথ্যে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটি দীর্ঘস্থায়ী মূল্যহ্রাসের চাপের মুখোমুখি হচ্ছে।

বেইজিং থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবরটি জানিয়েছে।

চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, মূল্যস্ফীতির প্রধান সূচক যাকে ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) বলা হয়, জুলাইয়ে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ০ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ব্লুমবার্গের জরিপ অনুসারে পূর্বাভাস ছিল ০ দশমিক ৮ শতাংশ।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এটি জানুয়ারির পর থেকে সবচেয়ে ধীরগতির মূল্যবৃদ্ধি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যে পথে আপা হেঁটেছিলেন, সেই পথে আপনারাও হাঁটছেন: ডা. শফিকুর রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১২ পি.এম


যে পথে আপা হেঁটেছিলেন, সেই পথে আপনারাও হাঁটছেন: ডা. শফিকুর রহমান

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, যে পথে আপা হেঁটেছিলেন, আপনারাও এখন সেই পথে হাঁটছেন। আপা যাওয়ার আগে বলতেন, 'আমি পালাই না, অমুকের মেয়ে পালায় না'। কিন্তু এখন কী হলো? শেষ পর্যন্ত তিনিও পালিয়েছেন।

তিনি বলেন, বাচ্চারা স্লোগান দিয়েছিল 'পালাইছে রে পালাইছে'। এই পথে যারাই হাঁটবে, তাদেরকে পালাতে হবে। এই পথ পালানোর পথ। এই পথে হাঁটলে আপনি মক্কা যেতে পারবেন না, আপনি দিল্লি চলে যাবেন। এই পথের শেষ ঠিকানা দিল্লি। এ দেশের মানুষ দিল্লির খবরদারি বাংলাদেশের ওপর চায় না। আমরা কোনো আধিপত্যবাদ মানবো না।

সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়ায় কাজী আজহার আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের আমির এসব কথা বলেন। শিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারী ও জামায়াত কর্মী সালাউদ্দিন হত্যার বিচার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদে এ জনসমাবেশের আয়োজন করা হয়।

শফিকুর রহমান বলেন, আমরা কোনো অপশক্তির কাছে মাথা নত করবো না। ইনশাআল্লাহ, মজবুত কদমে মাথা উঁচু করে যতদিন বেঁচে থাকবো, মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকতে চাই। বিড়াল হিসেবে বাঁচতে চাই না। বেড়ালের জীবন আমাদের জীবন হবে না, ইনশাশাল্লাহ। আপনারা প্রস্তুত আছেন তো? প্রস্তুত থাকবেন। লড়াই চলছে, লড়াই চলবে। ইনশাআল্লাহ, হকের বিজয় হবে, ইনশাআল্লাহ, ১৮ কোটি মানুষের বিজয় হবে।

গণভোট প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, গণভোটে আপনারা রায় দিলেন। সরকারের এখন যারা আছেন, তারাও বলছিলেন রায় দেন। আমি পরিষ্কার বলছি, গণভোট না মানলে শুধু না হবেন না, একসময় নাই হয়ে যাবেন। জনতার রায়কে অগ্রাহ্য, অপমান করে অতীতে কেউ টিকে নাই, শান্তি পায় নাই, সম্মান পায় নাই, ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে পারে নাই। আপনাদের মজলুম থাকা একেবারেই অনুচিত। আমরা চাই, আপনারা ঠিক পথে ফিরে আসুন। জনগণের সংস্কার সাধন করুন, ফ্যাসিবাদের রাস্তা বন্ধ করুন, মানবিক এবং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের রাস্তা খুলে দিন। যদি খুলে দেন, আমরা বিরোধী দল হিসেবে আপনাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো।

ক্ষমতার লোভ নিয়ে সতর্ক করে তিনি বলেন, ক্ষমতা কারও কোমরের নিচে চিরস্থায়ী নয়। আল্লাহ যাকে পছন্দ করেন, ক্ষমতায় বসান। এবং যখন উঠিয়ে নিতে চান, তখন উঠিয়ে নেন।

ফ্যাসিবাদকে ভাইরাসের সঙ্গে তুলনা করে শফিকুর রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদ একটা রোগ। এটা নির্দিষ্ট কোনো দলের সাথে থাকে না, এটা এক প্রকার ভাইরাস। এটা যেখানেই ভর করে, তারাই ফ্যাসিবাদী। এক ফ্যাসিবাদীকে তাড়িয়ে জনগণ আরেক ফ্যাসিবাদী চায় না।

২০২৪ সালের আন্দোলনের কথা স্মরণ করিয়ে তিনিও বলেন, ভাই-বোনেরা রাস্তায় নেমে এসেছিলেন। মা ১০ মাসের শিশুসন্তান নিয়ে রাস্তায় নেমে এসেছিলেন। হয়তো আবার আমাদেরকে রাস্তায় নামতে হবে। যাদের জন্য প্রয়োজনে একবার নয়, শতবার নামবো ইনশাআল্লাহ। যত সময় আল্লাহ জীবন দিয়ে রেখেছেন, যত সময় নামার শক্তি দিয়ে আল্লাহ রাখবেন, তত সময় জাতির প্রয়োজনে অবশ্যই নামবো। আমরা কাপুরুষ নই, আমরা দুর্বল নই। কাপুরুষ তারা- যারা অপরাধ করে, যারা দখল বাণিজ্য করে, যারা নিরীহ মানুষের কাছ থেকে চাঁদা তোলে, যারা মা-বোনদের ইজ্জত লুণ্ঠন করে। সেই ব্যক্তি যে হোক, আমার সন্তান হলেও সে কাপুরুষ।

সবার নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, আমরা দেখতে চাই আমাদের শিশুরা নিরাপদ, আমাদের মেয়েরা নিরাপদ, আমাদের মায়েরা নিরাপদ, আমাদের যুবকরা নিরাপদ, আমাদের বয়স্করা নিরাপদ। সকল ধর্মের মানুষ নিরাপদ, সকল বর্ণের মানুষ নিরাপদ, এ দেশের সকল ভাষার মানুষ নিরাপদ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সব ধ্বংস করে গেছে ফ্যাসিবাদী সরকার, এখন পুনর্গঠনের পালা: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২২ পি.এম


সব ধ্বংস করে গেছে ফ্যাসিবাদী সরকার, এখন পুনর্গঠনের পালা: প্রধানমন্ত্রী

দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময়ে ফ্যাসিবাদী সরকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতিসহ সব ক্ষেত্র ধ্বংস করে গেছে এবং এখন এসব পুনর্গঠনের পালা বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এসডিজি ভিলেজ পাইলট প্রোগ্রামের আওতায় তিনটি এসডিজি গ্রামের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

এদিন দেশে প্রথমবারের মতো টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) ভিলেজ পাইলট প্রোগ্রামের আওতায় তিনটি গ্রামের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। পাইলট কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত গ্রামগুলো হলো- দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগর, খুলনার দাকোপ উপজেলার পানখালী এবং রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার মিতিংগাছড়ি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতিসহ সব ক্ষেত্র ধ্বংস করে গেছে ফ্যাসিবাদী সরকার। এখন এসব খাত পুনর্গঠনের পালা। সেই লক্ষ্যেই বর্তমান সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক ও কল্যাণ রাষ্ট্র হিসেবে গড়তে চায় সরকার। আমরা মনে করি, দেশ পুনর্গঠনের এই যাত্রা পথে অবশ্যই এসডিজির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা অনস্বীকার্য।

তারেক রহমান বলেন, কোনও এক মন্ত্রণালয় বা বিভাগের পক্ষে এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব নয়। এজন্য সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ‘কাউকে পেছনে ফেলে নয়’ এই মূলনীতির সঙ্গে বর্তমান সরকারের জননীতিরও মিল রয়েছে। সব শ্রেণি-পেশা তথা জনগণের স্বার্থ নিশ্চিতকরার লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের নীতি হলো, ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এসডিজি ভিলেজ পাইলট প্রোগ্রামের মাধ্যমে সমন্বিত উন্নয়নের একটি কার্যকর মডেল তৈরি করা হবে।

তারেক রহমান আরও বলেন, বাংলাদেশ যেভাবে মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্টগোল-এমডিজি বাস্তবায়নে সাফল্যের পরিচয় দিয়েছিল, একইভাবে সাস্টেইন্যাবল ডেভেলপমেন্ট গোল-এসডিজি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ যথাযথভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন করে চলছে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি আরবে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশির মৃত্যু, প্রধানমন্ত্রীর শোক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৩৫ পি.এম


সৌদি আরবে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশির মৃত্যু, প্রধানমন্ত্রীর শোক

ঢাকা, ১০ আগস্ট, ২০২৬ : সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে একটি কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১৬ জন বাংলাদেশি নাগরিকের মর্মান্তিক মৃত্যুর কারণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী এক শোক বার্তায় শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং তাদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানান, প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়ে সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিচ্ছেন। তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং রিয়াদস্থ বাংলাদেশ মিশনকে নির্দেশ দিয়েছেন সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে নিহতদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য।

তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে দ্রুত সময়ের মধ্যে নিহতদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, গতকাল রোববার রিয়াদে একটি সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ আগুনের কারণে ১৬ জন বাংলাদেশি প্রাণ হারান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%