ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অজুর পর যে দোয়া পড়লে জান্নাতের আট দরজা খোলার সুসংবাদ


অজুর পর যে দোয়া পড়লে জান্নাতের আট দরজা খোলার সুসংবাদ

পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতা ইসলামের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। একজন মুমিনের জীবনে শারীরিক এবং আত্মিক পবিত্রতার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। নামাজ আদায় এবং কোরআন তিলাওয়াতসহ বিভিন্ন ইবাদতের জন্য অজু একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল হিসেবে বিবেচিত হয়।

রাসুলুল্লাহ (সা.) অজুর পর একটি বিশেষ দোয়া পাঠের ফজিলত বর্ণনা করেছেন। হাদিস অনুযায়ী, যে ব্যক্তি সুন্দরভাবে অজু করার পর কালিমায়ে শাহাদাত পাঠ করেন, তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেওয়ার সুসংবাদ রয়েছে। তিনি ইচ্ছামতো যেকোনো দরজা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবেন।

অজুর পর পড়ার দোয়া

আরও পড়ুন: সৌদি আরবে গিয়ে ইসলাম গ্রহণ: সিস্টার ডেইজির জীবনের গল্প

উচ্চারণ: আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহু।

অর্থ: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মদ (সা.) তাঁর বান্দা ও রাসুল।

দোয়াটির সঙ্গে কিছু বর্ণনায় আরও পড়া হয়েছে, উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাজআলনি মিনাত তাওয়াবিনা ওয়াজআলনি মিনাল মুতাতাহহিরিন।

অর্থ: হে আল্লাহ, আমাকে তাওবাকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন এবং পবিত্রতা অর্জনকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন।

আরও পড়ুন: শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা পুত্রবধূর জন্য বাধ্যতামূলক নয়, জানুন ইসলামের বিধান

হাদিসের বর্ণনা

হজরত উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি সুন্দরভাবে অজু করার পর এই দোয়া পাঠ করবে, তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেওয়া হবে। সে ইচ্ছামতো যেকোনো দরজা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে।

সূত্র: সহিহ মুসলিম, হাদিস নম্বর ২৩৪; জামে তিরমিজি, হাদিস নম্বর ৫৫।

অতএব, অজু সম্পন্ন করার পর এই দোয়া পাঠ করা একজন মুসলিমের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল। নিয়মিতভাবে এই আমলটি করার মাধ্যমে মহান আল্লাহর কাছে পবিত্রতা এবং জান্নাত লাভের আশা করা সম্ভব।

আরও পড়ুন: অন্যের গোপন তথ্য ফাঁসের শাস্তি ঘোষণা করলেন আল্লাহ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবা তদারকিতে ৫৪ কর্মকর্তার মাঠে নামা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৭ পি.এম


হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবা তদারকিতে ৫৪ কর্মকর্তার মাঠে নামা

দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোর স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনসেবার গুণগত মান নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে হাসপাতাল পরিদর্শন ও মনিটরিংয়ের জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ৫৪ কর্মকর্তা দায়িত্ব পেয়েছেন।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের প্রশাসন-১ শাখা থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর জারি করা এক অফিস আদেশের মাধ্যমে এসব কর্মকর্তাদের দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ, বিশেষায়িত, জেনারেল, জেলা ও উপজেলা হাসপাতাল পরিদর্শনের দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, অতিরিক্ত সচিব, যুগ্মসচিব ও উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দিষ্ট হাসপাতাল এবং বিভিন্ন জেলা ও বিভাগের হাসপাতাল তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কিছু কর্মকর্তাকে একটি জেলার পাশাপাশি অন্য জেলার হাসপাতালের অতিরিক্ত দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে।

আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাদের আওতাধীন জেলা, উপজেলা ও হাসপাতালের জনবল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, চিকিৎসা সরঞ্জাম, অবকাঠামো উন্নয়ন, নিরাপত্তা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল প্রধানের সঙ্গে সমন্বয় করে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।

তাদের হাসপাতালগুলোর চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ডিজিটাল হাজিরা নিয়মিত তদারকি করতে হবে। উপস্থিতি সংক্রান্ত তথ্য ও প্রতিবেদনও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করতে হবে।

এছাড়া, জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে টিকাদান কর্মসূচি, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের অগ্রগতি নিশ্চিত করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ভূমিকা রাখতে বলা হয়েছে।

অফিস আদেশে মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য, প্রবীণ স্বাস্থ্যসেবা ও পুষ্টি কার্যক্রমসহ জনস্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে অংশগ্রহণ ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার নির্দেশনাও রয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে উদ্ভাবনী ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে উৎসাহিত ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে বলা হয়েছে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়মিত জেলা, উপজেলা ও হাসপাতাল পরিদর্শন করতে হবে। পরিদর্শনের সময় পাওয়া সমস্যা, পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

প্রতিটি পরিদর্শনের পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করে প্রতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যে নির্ধারিত শাখায় পাঠাতে হবে। একই সঙ্গে প্রত্যেক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রতি মাসে কমপক্ষে একটি পরিদর্শন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।

অফিস আদেশের তালিকায় দেখা যায়, অতিরিক্ত সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রশাসন, উন্নয়ন, বিশ্বস্বাস্থ্য, হাসপাতাল, জনস্বাস্থ্য, আর্থিক ও অডিট, বাজেট ও নার্সিংসহ বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় হাসপাতাল ও বিভাগভিত্তিক তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট, জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালসহ গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতাল ও বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের জন্য পৃথক তদারক কর্মকর্তা নির্ধারণ করা হয়েছে।

যুগ্মসচিব ও উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দেশের বিভিন্ন জেলার হাসপাতালগুলোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে জেলা পর্যায়ের হাসপাতালের পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রে উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালও তদারকি করা।

আদেশ অনুযায়ী, কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য প্রশাসন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। পরিদর্শনের মাধ্যমে হাসপাতালের বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া এবং স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করাই এ ব্যবস্থার অন্যতম উদ্দেশ্য।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, নির্ধারিত দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়মিত দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে পালন করতে হবে। আদেশটি জারির তারিখ থেকে কার্যকর হয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের এ উদ্যোগের ফলে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সরাসরি হাসপাতাল পরিদর্শনের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবার বাস্তব চিত্র, জনবল উপস্থিতি, চিকিৎসা সরঞ্জামের ব্যবহার, অবকাঠামোগত সমস্যা ও ব্যবস্থাপনার ঘাটতি সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে পরিদর্শন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার পথও সুগম হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লির ছাত্র আন্দোলনে গ্রেপ্তার শারজিল ইমাম ৭ দিনের জামিনে মুক্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৮ পি.এম


দিল্লির ছাত্র আন্দোলনে গ্রেপ্তার শারজিল ইমাম ৭ দিনের জামিনে মুক্ত

২০২০ সালের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণের কারণে উত্তর-পূর্ব দিল্লির দাঙ্গার বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের মামলায় কারাগারে বন্দী শারজিল ইমাম সাত দিনের অন্তর্বর্তী জামিনে তিহার কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। এই সাময়িক জামিন দিল্লির একটি আদালত তাকে প্রদান করেছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) থেকে শুরু করে আগামী ১০ অক্টোবর পর্যন্ত তার জামিন কার্যকর থাকবে। এই জামিনের উদ্দেশ্য হলো দিল্লি ও বিহারে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া তার দুই চাচাতো ভাইয়ের বিয়েতে অংশগ্রহণ করা।

কারকারদুমা আদালত শারজিলকে নির্দেশ দিয়েছেন যে, ১০ অক্টোবর সন্ধ্যায় তাকে আবার কারা কর্তৃপক্ষের কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাকে পুনরায় কারাগারে ফিরতে হবে।

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় শারজিলের বিরুদ্ধে বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনসহ বিভিন্ন ধারায় মামলা চলমান রয়েছে। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে তিনি আইনি প্রক্রিয়ার সময় কারাগারে অবস্থান করছেন।

এর আগে ৩০ সেপ্টেম্বর দিল্লি হাইকোর্ট একই মামলায় শারজিল ইমামের নিয়মিত জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয়। একই সঙ্গে মামলার আরেক আসামি উমর খালিদের নিয়মিত জামিনের আবেদনও নাকচ করা হয়।

সুতরাং, সাত দিনের এই অন্তর্বর্তী জামিন শারজিলের জন্য সাময়িক স্বস্তি প্রদান করলেও মামলার আইনি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। ১০ অক্টোবর জামিনের মেয়াদ শেষ হলে তাকে আবার তিহার কারাগারে ফিরে যেতে হবে।

উল্লেখ্য, শারজিল ইমাম একজন শিক্ষার্থী এবং ছাত্র আন্দোলনকারী। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধিতায় তিনি সক্রিয়ভাবে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছেন। ২০১৯ সালের শেষের দিকে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনবিরোধী আন্দোলনে তিনি সক্রিয় ছিলেন। বিশেষ করে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২০ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি ওই আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ২০২০ সালের দিল্লি দাঙ্গার বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের মামলাসহ বিভিন্ন মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সূত্র: মিল্লাত টাইমস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির নেতাকে গুলি করে হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৮ পি.এম


খুলনায় পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির নেতাকে গুলি করে হত্যা

খুলনার দিঘলিয়াতে মো. নাসিমুল গনি নামে পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির (জনযুদ্ধ) এক নেতাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ফরমাইশখানা এলাকায় এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় নাসিম বাড়ির সামনে চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। হঠাৎ করে একটি মোটরসাইকেলে করে দুইজন ব্যক্তি সেখানে উপস্থিত হয়। তারা দোকানে ঢুকে নাসিমকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি করে দ্রুত পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে তার পরিবারের সদস্যরা দ্রুত এসে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবির সিদ্দিকী শুভ্র জানিয়েছেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে নিহত নাসিমের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অ্যাসল্টসহ মোট ৮টি মামলা রয়েছে। এছাড়া প্রাথমিক পর্যালোচনায় তার পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টি (জনযুদ্ধ)-এর সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে।

তিনি আরও জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান শুরু হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৯০ দিন জামাতে নামাজ আদায় করা ৩২ শিশু-কিশোরকে বাইসাইকেল উপহার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫১ পি.এম


৯০ দিন জামাতে নামাজ আদায় করা ৩২ শিশু-কিশোরকে বাইসাইকেল উপহার

ফেনীর ছাগলনাইয়ায় ৯০ দিন টানা জামাতে নামাজ আদায় করায় ৩২ জন শিশু-কিশোরকে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য ছিল শিশু-কিশোরদের নামাজের প্রতি আগ্রহী করে তোলা এবং নিয়মিত মসজিদে গিয়ে জামাতে নামাজ আদায়ের অভ্যাস গড়ে তোলা।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ছাগলনাইয়া উপজেলার পাঠাননগর ইউনিয়নের উত্তর হরিপুর কুতুব উল্লাহ ভূঁইয়া জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির উদ্যোগে বিজয়ী শিশু-কিশোরদের হাতে বাইসাইকেল তুলে দেওয়া হয়।

মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও গোল্ডেন ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল বিডির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম হেলালী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কমিটির সহসভাপতি ছালেহ আহাম্মদ মজুমদার।

প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফেনীর ডুমুরিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা মুফতি সামছুদ্দোহা নূরী। আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন আলহাজ্ব মাওলানা কাজী শহীদ উল্লাহ, মাওলানা নুরুল করিম, মাওলানা আবদুল মতিন মজুমদার ও হাফেজ মাওলানা মো. আরমান।

অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আবু তালেব হাজারী সবুজ, মো. সিরাজ উল্লাহ পারভেজ ও সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোতালেব মজুমদারসহ অন্যান্যরা।

আয়োজকরা জানান, শিশু-কিশোরদের ছোটবেলা থেকেই নামাজের প্রতি উৎসাহিত করা এবং মসজিদমুখী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। টানা ৯০ দিন জামাতে নামাজ আদায়ের শর্ত পূরণ করায় ৩২ জনকে পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করা হয়।

বাইসাইকেল উপহার পেয়ে শিশু-কিশোরদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা যায়। এ সময় তাদের অনেকে ভবিষ্যতেও নিয়মিত জামাতে নামাজ আদায় করার পাশাপাশি অন্যদেরও নামাজের প্রতি উৎসাহিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।

স্থানীয়রা এ উদ্যোগকে শিশু-কিশোরদের ধর্মীয় অনুশীলন ও নৈতিক মূল্যবোধ গঠনে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন। তাদের মতে, এ ধরনের আয়োজন শিশুদের নিয়মিত নামাজ আদায়ে উৎসাহিত করার পাশাপাশি মসজিদকেন্দ্রিক সামাজিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে ভূমিকা রাখবে।

মসজিদ পরিচালনা কমিটির এ উদ্যোগ স্থানীয় এলাকায় শিশু-কিশোরদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%