ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

. দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ত্বরান্বিত করতে কেনা হচ্ছে দুটি রিগ


. দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ত্বরান্বিত করতে কেনা হচ্ছে দুটি রিগ

গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রমকে জোরদার ও ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) জন্য আরও দুটি আধুনিক রিগ কেনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

রোববার (২৬ জুলাই) রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বাসসকে এ তথ্য জানিয়ে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. আবদুল মান্নান বলেন, দুটি আধুনিক অনুসন্ধান কূপ খনন রিগ কেনার একটি প্রস্তাব আমরা চূড়ান্ত করেছি। বর্তমানে বাপেক্সের বহরে পাঁচটি রিগ রয়েছে—বিজয়-১০, বিজয়-১১, বিজয়-১২, বিজয়-১৮ এবং আইপিএস-১। নতুন দুটি রিগ কেনা হলে বাপেক্সের মোট রিগের সংখ্যা সাতে উন্নীত হবে।

পেট্রোবাংলার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ২ হাজার হর্সপাওয়ারের একটি রিগ কেনার প্রস্তাব মূল্যায়ন পর্যায়ে রয়েছে। পাশাপাশি ১ হাজার ৫০০ হর্সপাওয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন আরেকটি রিগ সংগ্রহের জন্য একটি বিস্তারিত প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রস্তুত করা হচ্ছে। ডিপিপি চূড়ান্ত হওয়ার পর অনুমোদনের জন্য তা পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হবে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

দেশীয় উৎস থেকে প্রাকৃতিক গ্যাসের উৎপাদন বাড়াতে বাপেক্স বর্তমানে অনুসন্ধান, উন্নয়ন ও ওয়ার্কওভারসহ বিভিন্ন ধরনের কূপ খনন করে যাচ্ছে। বাপেক্সকে আরও শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে সম্প্রতি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্রতিষ্ঠানটির একটি মূল্যায়ন-সহ-উন্নয়ন কূপ এবং দুটি অনুসন্ধান কূপ খননের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে।

এই প্রকল্পের আওতায় বেগমগঞ্জ-৫ নম্বর মূল্যায়ন-সহ-উন্নয়ন কূপটি প্রায় ৩ হাজার ৫৫০ মিটার, বেগমগঞ্জ-৬ নম্বর অনুসন্ধান কূপটি প্রায় ৩ হাজার ৪০০ মিটার এবং সুনেত্রা-২ নম্বর অনুসন্ধান কূপটি প্রায় ৫ হাজার ৩০০ মিটার গভীর পর্যন্ত খনন করা হবে। গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেলে পরবর্তীতে কূপগুলোর পরীক্ষণ ও চূড়ান্ত কাজ সম্পন্ন করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদেশি কর্মীদের জন্য কঠিন বার্তা, এইচ-১বি ভিসায় পরিবর্তনের প্রস্তাব ট্রাম্প প্রশাসনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১৫ এম


বিদেশি কর্মীদের জন্য কঠিন বার্তা, এইচ-১বি ভিসায় পরিবর্তনের প্রস্তাব ট্রাম্প প্রশাসনের

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি দক্ষ কর্মীদের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিসা ‘এইচ-১ বি’ বন্ধ রাখার উদ্যোগ নিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। এই ‘এইচ-১ বি’ ভিসা কর্মসূচি অন্তত তিন বছরের জন্য স্থগিত করা এবং এর নিয়ম আরও কঠোর করার প্রস্তাব দিয়ে সিনেটে একটি বিল উত্থাপন করেছেন রিপাবলিকান সিনেটর টিম শিহি। যদি এই বিল পাস হয়, তাহলে বিদেশি কর্মী নিয়োগ, গ্রিন কার্ডের সুযোগ এবং পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে নেবার ক্ষেত্রেও বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি দক্ষ কর্মীদের জন্য এটি বড় ধাক্কার এক ইঙ্গিত। সবচেয়ে জনপ্রিয় ‘এইচ-১ বি’ ক্যাটাগরির ভিসা কর্মসূচিতে বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সমর্থনে রিপাবলিকান সিনেটর টিম শিহি সিনেটে ‘এন্ড এইচ-১বি অ্যাবিউজ অ্যাক্ট’ শীর্ষক একটি বিল উত্থাপন করেছেন।

প্রস্তাব অনুযায়ী, আগামী তিন বছরের জন্য নতুন কোনো এইচ-১ বি ভিসা ইস্যু করা হবে না। এই সময়কালীন পুরো কর্মসূচিটি পুনর্মূল্যায়ন করার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে আরও কঠোর শর্তে ভিসা চালু করা হয়।

বিলটির সমর্থকরা দাবি করেছেন যে, এইচ-১ বি কর্মসূচিটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রে দক্ষ কর্মীর ঘাটতি পূরণের জন্য চালু হলেও অনেক প্রতিষ্ঠান কম খরচে বিদেশি কর্মী নিয়োগ করতে গিয়ে মার্কিন নাগরিকদের চাকরির সুযোগ সীমিত করে দিচ্ছে। সিনেটর টিম শিহির ভাষায়, এই কর্মসূচির অপব্যবহার বন্ধ করে মার্কিন কর্মীদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া নতুন আইনের উদ্দেশ্য।

প্রস্তাবিত বিলে ট্রাম্প প্রশাসনের আগে ঘোষিত প্রতিটি এইচ-১ বি আবেদনের জন্য এক লাখ ডলার ফি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবও স্থান পেয়েছে। পাশাপাশি বর্তমানে সময়ে চলমান লটারি পদ্ধতি বাতিল করে বর্তমান বেতনভিত্তিক নির্বাচন পদ্ধতি চালুর প্রস্তাব রয়েছে।

এছাড়া তৃতীয় পক্ষের স্টাফিং এজেন্সির মাধ্যমে নিয়োগ, একাধিক প্রতিষ্ঠানে একসঙ্গে কাজের সুযোগ এবং এইচ-১ বি ভিসাধারীদের গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করার সুবিধা সীমিত বা বাতিল করা হতে পারে। পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে আনার সুযোগও বন্ধ হতে পারে।

শুধু কর্মী ভিসা নয়, বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্যও কঠোর অবস্থান নেয়া হয়েছে এই বিলে। অপশনাল প্র্যাকটিক্যাল ট্রেনিং বা ওপিটি কর্মসূচি বাতিল এবং নির্দিষ্ট এক্সচেঞ্জ ভিসাধারীদের কাজের অনুমতি প্রত্যাহারের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে ফেডারেল সরকারি সংস্থাগুলোতে অ-অভিবাসী ভিসাধারীদের নিয়োগে নিষেধাজ্ঞার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব পরিবর্তন কার্যকর হতে হলে এই বিলটি প্রথমে সিনেট, পরে প্রতিনিধি পরিষদে পাস হয়ে প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর লাভ করতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে খাদ্য মজুত ৩৪ লাখ টনে উন্নত করা হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২১ এম


দেশে খাদ্য মজুত ৩৪ লাখ টনে উন্নত করা হচ্ছে

॥ একেএম রাশেদ শাহরিয়ার ॥

ঢাকা, ২৭ জুলাই, ২০২৬ : দেশে খাদ্যশস্যের জন্য পর্যাপ্ত এবং অত্যন্ত সন্তোষজনক সরকারি মজুত এখন বিদ্যমান। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, ২৩ জুলাই ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত দেশের সরকারি গুদামগুলোতে চাল, গম এবং ধানসহ ফ্লোটিং মজুত মিলিয়ে মোট ২৩ লাখ ৭৪ হাজার ৭৬৩ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে।

বাংলাদেশে সাধারণত নিরাপদ খাদ্য মজুতের ন্যূনতম পরিমাণ ধরা হয় ১৩ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। বর্তমানে মজুত নিরাপদ সীমার চেয়ে প্রায় ১০ লাখ ২৪ হাজার টন বেশি, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত সুদৃঢ় থাকার প্রমাণ। এদিকে, বর্তমান বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশব্যাপী সরকারি খাদ্য সংরক্ষণাগারের ক্যাপাসিটি (ক্ষমতা ও মজুতের সার্বিক পরিমাণ) আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ৩৪ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ লক্ষ্য সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য ইতোমধ্যে খাদ্য মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করেছে।

খাদ্য অধিদপ্তরের চলতি বছরের ২৩ জুলাই পর্যন্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরকারি গুদামে বর্তমানে ১৯ লাখ ৬০ হাজার ৭৪৬ মেট্রিক টন চাল এবং ২ লাখ ৯৫ হাজার ৬৮৯ মেট্রিক টন গম মজুত রয়েছে। এছাড়া, ১ লাখ ৬৮ হাজার ৬০৫ মেট্রিক টন ধান মজুত রয়েছে, যা চালের আকারে হিসেব করে (১০০ কেজি বা ১০০ মণ ধান প্রসেসিং/ভাঙালে পরিমাপের ভিত্তিতে ৬৫ কেজি/মণ বা ৩৯.৬০ কেজি/মণ চাল পাওয়া যায়) মোট মজুতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আরও রয়েছে ফ্লোটিং চালের মজুত, যা ৮ হাজার ৭৩৫ মেট্রিক টনে দাঁড়িয়েছে।

চলতি ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ অভিযানে ২৩ জুলাই তারিখ পর্যন্ত সর্বমোট ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৪৩১ মেট্রিক টন ধান ও চাল সংগৃহীত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৪ লাখ ৫৯ হাজার ৪৯৮ মেট্রিক টন ধান, ৯ লাখ ৮৯ হাজার ৪২০ মেট্রিক টন সেদ্ধ চাল এবং ৭৬ হাজার ৮১৪ মেট্রিক টন আতপ চাল। এই সময়ের মধ্যে সর্বমোট ৫২৩ মেট্রিক টন গমও সংগৃহীত হয়েছে।

এদিকে, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম ২৩ দিনের মধ্যে (১ জুলাই ২০২৬ থেকে ২৩ জুলাই ২০২৬) মোট ৩ লাখ ২০ হাজার ৮শ’ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য দেশে আমদানি করা হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি পর্যায়ে আমদানি করা হয়েছে ১১ লাখ ৬৫ হাজার মেট্রিক টন, যার মধ্যে চাল ৭ লাখ ৮৩ হাজার টন এবং গম ৩ লাখ ৮২ হাজার টন। পাশাপাশি, বেসরকারি পর্যায়ে ৩ লাখ ৯ হাজার ১৫০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য আমদানি হয়েছে। এর মধ্যে চাল ২ লাখ ৯৪ হাজার টন এবং গম ১৫ হাজার ১৫০ টন। এই সময়ে খাদ্য সাহায্য হিসেবে কোনো আমদানির প্রয়োজন হয়নি।

খাদ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত দপ্তরগুলো থেকে জানানো হয়েছে, বাজারে খাদ্যদ্রব্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ বজায় রাখা, বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং সরকারি বিতরণ ব্যবস্থা নির্বিঘ্ন রাখার লক্ষ্যে খাদ্যশস্যের মজুত এবং সংগ্রহ অভিযান সফলভাবে তদারকি করা হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংগ্রহ অধিশাখার যুগ্মসচিব মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম চৌধুরী রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস’কে জানান, চলতি মৌসুমে আমাদের অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ অভিযান অত্যন্ত সফল ও সন্তোষজনকভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে। কৃষক ও চালকল মালিকদের সক্রিয় সহযোগিতায় এবং মন্ত্রণালয়ের সুসংহত ব্যবস্থাপনার ফলস্বরূপ আমরা লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী কাজ করতে সক্ষম হয়েছি।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সরকারি গুদামগুলোতে চাল ও গমের পর্যাপ্ত ও নিরাপদ মজুদ রয়েছে। এই মজুদ যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে অত্যন্ত মজবুত ভিত্তি যোগাবে। বাজারে চালের মূল্য স্থিতিশীল রাখার জন্য এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় সরকারি খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে আমরা প্রস্তুত রয়েছি। সাধারণ মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে খাদ্য মন্ত্রণালয় সবসময় সতর্ক ও তৎপর রয়েছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিটের (এফপিএমইউ) গবেষণা পরিচালক ফিরোজ আল মাহমুদ রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস’কে বলেন, সরকার জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। ক্রমবর্ধমান চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে মজুত এবং মজুতের ক্যাপাসিটি বাড়ানোর কাজ চলছে।

খাদ্য অধিদপ্তরের সার্বিক সংগ্রহ ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোঃ জামাল হোসেন সরকারি বার্তা সংস্থা বাসস’কে বলেন, খাদ্য নিরাপত্তার বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত সন্তোষজনক। সরকারি গুদামগুলোতে খাদ্যশস্যের পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করার পাশাপাশি আমরা তা সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও গুণগত মান বজায় রাখার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি।

তিনি আরও যোগ করেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকে স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল প্রক্রিয়ায় বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সংগ্রহ কেন্দ্রগুলোতে যেন কোনো প্রকার অনিয়ম না ঘটে এবং কৃষকরা যেন ন্যায্যমূল্য পান, সেই বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। এছাড়া সরকারি বিতরণ ব্যবস্থা (ওএমএস, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ইত্যাদি) সচল রাখতে গুদামগুলো থেকে নিয়মিত ও নির্বিঘ্নে খাদ্যশস্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে।

তিনি জানান, আগে আমাদের মজুত ক্যাপাসিটি ছিল ২৪ লাখ মেট্রিক টন, যা বর্তমানে বেড়ে ২৭ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করা হয়েছে।

বিএনপি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ‘ক্যাপাসিটি’ আগামী পাঁচ বছরে ৩৪ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, সেই লক্ষ্যে কাজ চলছে।

জামাল হোসেন বলেন, এতদিন নিরাপদ লক্ষ্যমাত্রা ধরা হত ১৩ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। তবে বর্তমান সরকার জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং ‘সোশ্যাল সেফটি নেটওয়ার্ক’ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে নিরাপদ খাদ্য মজুতের লক্ষ্যমাত্রা ১৬ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়ার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ থেকে ৫ পর্বতারোহীর ম র দেহ উদ্ধার করা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৬ এম


রাশিয়ার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ থেকে ৫ পর্বতারোহীর ম র দেহ উদ্ধার করা হয়েছে

ঢাকা, ২৭ জুলাই, ২০২৬ : রাশিয়ার সর্বোচ্চ পর্বত মাউন্ট এলব্রুস থেকে পাঁচজন বিদেশি পর্বতারোহীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তারা বসনিয়ার নাগরিক। রোববার রুশ কর্তৃপক্ষ এবং রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

এর আগে কর্তৃপক্ষ জানায়, সাত সদস্যের একটি পর্বতারোহী দলের মধ্যে প্রাথমিকভাবে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল এবং আরও তিনজনের সন্ধান পাওয়ার জন্য অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবর অনুযায়ী, স্থানীয় প্রসিকিউটর কার্যালয় জানায়, ‘তদন্তকারীদের তথ্য অনুযায়ী, ২৪ জুলাই সাত বিদেশি পর্বতারোহীর একটি দল মাউন্ট এলব্রুসে আরোহণ করছিল। পরদিন সন্ধ্যায় আবহাওয়ার দ্রুত অবনতি ঘটলে দলটি তাদের নির্ধারিত পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে যায়।’

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দলের একজন সদস্য নিচে নেমে এসে কর্তৃপক্ষকে জানান, ‘৫ হাজার ১০০ মিটার উচ্চতায় দলের দুজন সদস্য অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন।’

পরে উদ্ধারকারীরা আরও একজন জীবিত পর্বতারোহীকে খুঁজে পান। একই সাথে, আরও তিন পর্বতারোহীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বসনিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলমেদিন কোনাকোভিচ এই মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন এবং তিনি এ ঘটনার বিষয়কে ‘একটি বড় ধরনের ট্র্যাজেডি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় রাবি শিক্ষার্থীকে পদ্মায় ফেলে দেওয়ার হুমকি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৯ এম


প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় রাবি শিক্ষার্থীকে পদ্মায় ফেলে দেওয়ার হুমকি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক নারী শিক্ষার্থীকে প্রেমের প্রস্তাব দেওয়ার পর প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর ছুরি ও অস্ত্রের ভয় দেখানো এবং পদ্মা নদীতে ফেলে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের এক কর্মীর বিরুদ্ধে।

রোববার (২৬ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর দিয়ে শিক্ষার্থীটি লিখিত অভিযোগে এই তথ্যগুলো তুলে ধরেন।

অভিযুক্ত মহসিন আলম বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র এবং একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কর্মী। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীও একই বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গত ২২ জুলাই থেকে অভিযুক্ত মহসিন আলম ভুক্তভোগীকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত এবং হয়রানি করতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে তিনি প্রেমের প্রস্তাব দেন। তবে প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পরও মহসিন আলম বিরত না থেকে পুনরায় ভুক্তভোগীকে চাপ দিতে থাকেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, রোববার (২৬ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে অভিযুক্ত মহসিন ভুক্তভোগীকে জোরপূর্বক পদ্মা নদীর পাড়ে নিয়ে যান এবং আবার প্রেমের প্রস্তাব দেন। ভুক্তভোগী যখন পুনরায় প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেন, তখন অভিযুক্ত একটি ছুরি বের করে তাকে ভয় দেখান এবং তার কাছে পিস্তল রয়েছে বলেও হুমকি প্রদান করেন।

ভুক্তভোগী অভিযোগ করেছেন যে, ভয়ে কান্নাকাটি শুরু করায় অভিযুক্ত তাকে মেসের দিকে নিতে সম্মত হন। তবে পথিমধ্যে রুয়েট এলাকা থেকে আবারও পদ্মা নদীর পাড়ে নিয়ে গিয়ে তাকে নদীতে ফেলে দেওয়ার হুমকি দেন। দীর্ঘ সময় কান্নাকাটির পর তাকে মেসে পৌঁছে দেওয়া হয়। এরপর অভিযুক্ত ফোন করে আত্মহত্যার কথাও বলেন। এ ছাড়া অভিযুক্তের এক সহযোগী তাকে বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে চলে যাওয়ারও হুমকি দেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মহসিন আলমের মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কোন সাড়া দেননি।

রাবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী মন্তব্য করেন যে, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করা উচিত। যদি অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি-বিধান ও দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। একইসঙ্গে তদন্তের আগে কাউকে দোষী বা নির্দোষ হিসেবে চূড়ান্তভাবে বিবেচনা করা যাবে না। এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন যে, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী নিয়মিত কর্মসূচি পালন করেন না বা সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত নন। অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যাচাই করতে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান বলেন, সংস্কৃত বিভাগের একজন নারী শিক্ষার্থীর কাছ থেকে আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করা হয়েছে। সোমবার দুপুর ১২টায় অভিযুক্তকে ডাকা হয়েছে এবং অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%