ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তটিনী শাড়িতে নতুন রূপে ভক্তদের মুগ্ধ করলেন


তটিনী শাড়িতে নতুন রূপে ভক্তদের মুগ্ধ করলেন

ছোট পর্দার একটি বিশেষ জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিম সাইয়ারা তটিনী আবারও তার নতুন সাজে দর্শকদের নজর কাড়লেন। টকটকে লাল শাড়ি পরিধান, কপালে লাল টিপ এবং মিষ্টি হাসি নিয়ে ভক্তদের মন জয় করেছেন এই অভিনেত্রী।

সম্প্রতি, তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাতায় সোনালি নকশার লাল শাড়ি পরে কিছু ছবি প্রকাশ করেছেন। তার সঙ্গে ছিল লাল ব্লাউজ, হাতে লাল চুড়ি, গলায় অলংকার এবং খোঁপা করা চুল, যা তাকে একেবারে ঐতিহ্যবাহী সাজে উপহার দিয়েছে।

ঘরের ভেতরে তোলা ছবিগুলোতে কখনো তিনি মৃদু হাসিতে, কখনো চোখ নামিয়ে, আবার কখনো কানের কাছে হাত রেখে বিভিন্ন ভঙ্গিতে ধরা দিয়েছেন। ছবির সঙ্গে তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী গান 'ভালোবেসে সখী' যুক্ত করেছেন। গানের কথার সঙ্গে মিল রেখে তিনি ক্যাপশনে লিখেছেন, "আমার নামটি লিখো—তোমার মনের মন্দিরে।"Capture

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ছবি প্রকাশের পরপরই ভক্তদের ভালোবাসায় মন্তব্যের ঘর ভরে যায়। অল্প সময়ের মধ্যে পড়ে গেছে অসংখ্য পছন্দ, মন্তব্য ও শেয়ার। অনেক অনুরাগী রবীন্দ্রনাথের গানের লাইন ধার করে লিখেছেন, "আমার পরানে যে গান বাজিছে তাহার তালটি শিখো।"

তানজিম সাইয়ারা তটিনী তার স্বাভাবিক অভিনয় এবং স্নিগ্ধ উপস্থিতির কারণে ছোট পর্দায় ইতোমধ্যেই একটি আলাদা জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। বিভিন্ন সময় তিনি নান্দনিক সাজে ভক্তদের সামনে হাজির হয়েছেন এবং এবারও লাল শাড়ির মোহময় রূপে সবার নজর কেড়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টিফিন দিয়ে ফেরার পথে নিখোঁজ ডোবা থেকে উদ্ধার হলো মরদেহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২৯ পি.এম


টিফিন দিয়ে ফেরার পথে নিখোঁজ ডোবা থেকে উদ্ধার হলো মরদেহ

জামালপুরের মেলান্দহে নিখোঁজের তিন দিন পরে পুলিশের মাধ্যমে একটি ডোবা থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের পশ্চিম মাহমুদপুর দকলাবন এলাকা, যেখানে হারুন অর রশিদ ইসলামী মাদরাসা অবস্থিত, সেখানে একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত শহিদুল ইসলাম (৪৭) ছিলেন পশ্চিম মাহমুদপুর দকলাবন গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানিয়েছে, গত ২১ জুলাই সকালে শহিদুল ইসলাম তার সাত বছরের ছেলে আব্দুল্লাহর জন্য হারুন অর রশিদ ইসলামী মাদরাসায় সকালের খাবার দিয়ে আসেন। খাবার দেওয়ার পর টিফিন ক্যারিয়ার নিয়ে মাদরাসার পিছনের পথ ধরে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। তবে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনার সঙ্গে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো সাধারণ ডায়েরি (জিডি) বা লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়নি।

শুক্রবার সকালে কয়েকজন শিশু মাছ ধরতে গিয়ে ডোবায় একটি মরদেহ ভাসতে দেখে চিৎকার করতে শুরু করে। পরে স্থানীয় লোকজন এবং নিহতের পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান। খবর পেয়ে মেলান্দহ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম সম্পন্ন করে।

এ বিষয়ে মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম মাহমুদুল হক গণমাধ্যমকে বলেন, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, নিহত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে মৃগী রোগে ভুগছিলেন এবং পরিবারের সদস্যরা চিকিৎসার সম্পর্কিত কাগজপত্রও দেখিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লেবু দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে এক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টা ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩২ পি.এম


লেবু দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে এক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টা ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার

সুনামগঞ্জের ইসলামপুর-কদমতলী গ্রামের বাসিন্দা মতিন মিয়া (৬০) নামে এক বৃদ্ধকে ধর্ষণচেষ্টা ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

ওই প্রতিবন্ধী তরুণীকে বলেন, লেবু দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে যান মতিন মিয়া। পরে ১৪ জুলাই মঙ্গলবার সকালে নিজ এলাকার মানসিক প্রতিবন্ধী এক তরুণীকে লেবু দেওয়ার কথা বলে বাড়ির পাশে থাকা লেবু বাগানে নিয়ে যান তিনি। গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে তরুণীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে গ্রেপ্তার করে।

স্থানীয়দের মতে, মতিন মিয়া প্রভাবশালী হওয়ায় তিনি বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য চেষ্টা করছিলেন। এর আগেও তার বিরুদ্ধে একাধিক নারীর সাথে এমন ঘটনার অভিযোগ রয়েছে এবং তিনি কারাভোগ করেছেন।

এক যুবক যখন ওই তরুণীর চিৎকার শুনে এগিয়ে এসেছিল, তখন মতিন মিয়া তরুণীকে ছেড়ে দেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে গ্রামে মাতব্বররা তরুণীর পরিবারকে অর্থ দিয়ে বিষয়টি শালিসে নিষ্পত্তির চেষ্টা করেন, কিন্তু পরিবারের সদস্যরা এতে রাজি হননি এবং অভিযোগ দায়ের করেন। পরে মতিন মিয়া গ্রেপ্তার হন।

সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ জানান, মতিন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আগেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে এবং তিনি কারাভোগ করেছেন। শনিবার (২৫ জুলাই) তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে। এছাড়া তরুণীর জবানবন্দি রেকর্ড করার জন্য আদালতে হাজির করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২৯ বছর আগের প্রশ্নফাঁস আন্দোলনে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর ছবি নতুন করে ভাইরাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩৬ পি.এম


২৯ বছর আগের প্রশ্নফাঁস আন্দোলনে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর ছবি নতুন করে ভাইরাল

ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার প্রেক্ষিতে, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে যখন দেশজুড়ে আন্দোলন চলছে। ঠিক তখনই, প্রায় তিন দশক আগে তোলা একটি ছবি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে ছাত্র আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন বর্তমান এই শিক্ষামন্ত্রী।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর ২০২১ সালের একটি প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালে ওডিশার একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ছাত্রদের আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান।

সেই সময় তিনি অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের জাতীয় সম্পাদক ছিলেন। ছাত্রনেতা হিসেবে, তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। তখন তিনি সরকারের কোনো দায়িত্বে ছিলেন না।

ওই আন্দোলনের অন্যতম কর্মসূচি ছিল ভুবনেশ্বরে ওডিশা সচিবালয়ের সামনে বিক্ষোভ। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সেখানে প্রায় দেড় হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেন। পরে পুলিশ লাঠিচার্জ করার পর ধর্মেন্দ্র প্রধানও আহত হয়ে পড়েন। এমনকি তার একটি হাড় ভেঙে যাওয়া ছিল বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

প্রায় ২৯ বছর আগে ঐ আন্দোলনের ছবিগুলি এখন আবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। কারণ এই মুহূর্তে ভারতে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ধর্মেন্দ্র প্রধানের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা চলছে।

২০২৬ সালের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের পরে দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। ঘটনার তদন্ত, গ্রেপ্তার এবং পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিও জোরালো হয়েছে।

বিশেষ করে ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বাধীন চলমান আন্দোলনে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ অন্যতম প্রধান দাবি হিসেবে উঠে এসেছে।

এমন পরিস্থিতিতে ১৯৯৭ সালের সেই আন্দোলনের ছবি আবারও আলোচনায় এসেছে। অনেকেই বলছেন, যে ধর্মেন্দ্র প্রধান একসময় প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে রাজপথে আন্দোলন করেছিলেন, এখন একই ধরনের ঘটনায় তাকে কঠোর সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হত্যার পর নারী শ্রমিককে ধর্ষণ করেন রবিউল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৪১ পি.এম


হত্যার পর নারী শ্রমিককে ধর্ষণ করেন রবিউল

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে নির্মাণ শ্রমিক নয়নী রাজবংশী নামে এক নারীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার পরে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, খুনি ওই নারীকে ধর্ষণ করেন।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মির্জাপুর থানার পুলিশ রবিউল (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। শুক্রবার টাঙ্গাইল আদালতে রবিউলকে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন জানানো হলে, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

মির্জাপুর আমলী আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল মাজিস্ট্রেট সাগর তালুকদার তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন, বলেও নিশ্চিত করেছেন মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা, মির্জাপুর থানার উ-পপরিদর্শক (এসআই) ইসলাম। নয়নী রাজবংশী মির্জাপুর পৌর এলাকার আন্ধরা গ্রামের মরণ রাজবংশীর স্ত্রী।

পুলিশ সূত্র জানায়, নয়নী রাজবংশীর সঙ্গে জানু নামের রাজমিস্ত্রির এক সর্দারের পরকীয়া চলছিল। একদিন রবিউল এই অবৈধ সম্পর্কের দৃশ্য দেখে ফেলেন। রবিউল এবং নয়নী রাজবংশী একসঙ্গে ঢালাই কাজে হেলপার হিসেবে কাজ করতেন, ফলে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বেড়ে ওঠে।

রবিউল মাঝে মাঝে নয়নী রাজবংশীর বাড়িতে যাতায়াত করতেন। বিষয়টি তার স্ত্রী মিম ভালোভাবে নেননি, ফলে সন্দেহ বেড়ে যায় এবং তাদের মধ্যে নিয়মিত বাগবিতণ্ডা হতে থাকে।

গত কোরবানির ঈদের আগের দিন রবিউলের স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে যান। পরে তিনি আর স্বামীর বাড়িতে ফেরেননি। এর ফলে রবিউল নয়নী রাজবংশীর ওপর ক্ষুব্ধ হন এবং সুযোগ খুঁজতে থাকেন। ২১ জুলাই (মঙ্গলবার) রাত ১১টার দিকে রবিউল নয়নীর বাড়িতে গিয়ে ঘুম থেকে ডেকে তুলে নয়নীকে পুষ্টকামুরী দক্ষিণপাড়ায় কাদের মিয়ার বাড়িতে নিয়ে দৈহিক মিলনের চেষ্টা চালান। নয়নী এতে বাধা দিলে রবিউল তার ওপর চড়ে বসে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন এবং পরে ধর্ষণ করেন। এরপর মৃতদেহ পাখির মতো ঝোপের মধ্যে ফেলে দেয় বলে তার স্বীকারোক্তিতে উল্লেখ রয়েছে। রবিউল এক ছেলে ও এক কন্যা সন্তানের জনক।

বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত নয়নী বাড়িতে না ফেরায়, তাঁর মেয়ে টুম্পা রাজবংশী (৩০) রবিউলকে আসামি করে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। পরে পুলিশ তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে, নয়নীর সাথে তার অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে এমন সন্দেহে রবিউলের স্ত্রী চলে যান। এই ক্ষোভে মহিলাকে ডেকে নিয়ে দৈহিক মিলনের চেষ্টা করেন রবিউল। নয়নী বাধা দেওয়ায় হত্যার পর কাদের মিয়ার বাড়ির পাশে লৌহজং নদীতে মরদেহ ফেলে দেন। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাত দেড়টায় তিনি পুলিশকে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ নয়নী রাজবংশীর মরদেহ উদ্ধার করে।

মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাশেদ ফজল এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইসলাম জানান, রবিউল নয়নীকে হত্যার পর ধর্ষণের কথা মির্জাপুর আমলী আদালতের বিচারক সাগর তালুকদারের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকার করেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%