১১:৪২ এম
জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) জন্মতারিখ সংশোধনের ক্ষমতা নির্বাচন কমিশন (ইসি) মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে নির্ধারিত শিক্ষাগত সনদের ভিত্তিতে স্থানীয় পর্যায়েই বয়স সংশোধনের আবেদন নিষ্পত্তি করা যাবে।
এই তথ্যটি গত ২১ জুলাই অনুষ্ঠিত নির্বাচন কমিশনের ১২তম সভা শেষে জানিয়েছেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি এ বিষয়ে আরও জানান, এনআইডি-সংক্রান্ত সেবাকে আরও সহজ, দ্রুত ও নাগরিকবান্ধব করার উদ্দেশ্যে একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ভোটার এলাকা পরিবর্তন (মাইগ্রেশন) সম্পূর্ণ অনলাইনে করার প্রস্তাবও রয়েছে। এই সেবা গ্রহণ করতে নির্ধারিত ফি প্রদান করতে হবে, যা নতুন বিধিমালায় ঢুকিয়ে দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য
সিনিয়র সচিব বলেন, আইন অনুযায়ী প্রতি ১৫ বছর পর এনআইডি নবায়নের বিধান রয়েছে। এ জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদনকারীকে পারিবারিক তথ্য (ফ্যামিলি ট্রি) জমা দিতে হবে, যাতে তথ্য যাচাই করা আরও সহজ হয়। এনআইডি নবায়নের ক্ষেত্রেও নির্ধারিত ফি রাখা হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে এনআইডির জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন কেন্দ্রীয়ভাবে নিষ্পত্তি করা হলেও নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জেএসসি, এসএসসি, এইচএসসি বা সমমানের পাবলিক পরীক্ষার সনদে উল্লেখিত জন্মতারিখের ভিত্তিতে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা এসব আবেদন নিষ্পত্তি করতে পারবেন।
এদিকে, প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়াও আরও সহজ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন। নতুন ব্যবস্থায় আবেদনকারীদের বায়োমেট্রিক তথ্য সরাসরি অনলাইনে আপলোড করতে হবে। যদি তদন্তে তথ্য সঠিক পাওয়া যায় তবে কেন্দ্র থেকেই অনুমোদন দেওয়া হবে। এর ফলে নিবন্ধন প্রক্রিয়ার একটি ধাপ কমে যাবে এবং সেবা গ্রহণ আরও দ্রুত হবে।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন