ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মামলার জট কমাতে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার: আইনমন্ত্রী


মামলার জট কমাতে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার: আইনমন্ত্রী

সংসদ ভবন, ৭ জুলাই, ২০২৬ : দেশের আদালতগুলোতে মামলার জট কমানো এবং বিচার কার্যক্রমকে দ্রুততর করতে সরকারের পক্ষ থেকে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে, এ তথ্য জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

আজ সংসদে যশোর-৪ আসনের বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী’র সদস্য মো. গোলাম রছুলের এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এ তথ্য তুলে ধরেন।

আইনমন্ত্রী ড. আসাদুজ্জামান বলেন, বিচার ব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়াতে ইতোমধ্যে ৫৩৬টি বিচারকের পদ সৃষ্টির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এ ছাড়াও নতুন করে ১৫০ জন সিভিল জজ নিয়োগ দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে, এবং বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে আদালতের সহায়ক কর্মচারী নিয়োগ কার্যক্রমও বাস্তবায়িত হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

তিনি আরও জানান, সরকার সম্প্রতি ৬৫০টি সিভিল জজ ও সিনিয়র সিভিল জজ আদালত প্রতিষ্ঠা করেছে, সেই সাথে ৪০৬টি যুগ্ম জেলা জজ আদালত এবং ২০৪টি অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতও স্থাপন করা হয়েছে।

নবপ্রতিষ্ঠিত এসব আদালতের জন্য নতুন বিচারকের পদ সৃষ্টির বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনাধীন রয়েছে, এবং এ কার্যক্রম সম্পন্ন হলে মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

তিনি আরো বলেন, দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগে বর্তমানে মোট ৫,৬১,৪৪৪টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এর মধ্যে আপিল বিভাগে ৩৮,৭১৩টি, এবং হাইকোর্ট বিভাগে ৫,২২,৩৩১টি মামলা রয়েছে। গত ২০২৫ সালে আপিল বিভাগে ৭,৫৫৩টি এবং হাইকোর্ট বিভাগে ৫৫,৭৫৬টিসহ মোট ৬৩,৩০৯টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে।

মন্ত্রী আরো জানিয়েছেন, গত ৩১ মার্চ পর্যন্ত দেশের অধস্তন আদালতগুলোতে মোট ৪০,৭৮,৪৩২টি মামলা বিচারাধীন ছিল, যার মধ্যে ১৬,৯০,৪৪৩টি কিন্তু ২৩,৮৭,৯৮৯টি ফৌজদারি মামলা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। গত এক বছরে অধস্তন আদালতে মোট ২,৭৫,০৮৪টি মামলা নিষ্পত্তি সম্ভব হয়েছে, এর মধ্যে ৪৯,৭৩৩টি দেওয়ানি এবং ২,২৬,১১১টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

আইনমন্ত্রী বলেন, বিচারিক অবকাঠামো সম্প্রসারণ, বিচারক ও জনবল বৃদ্ধি এবং নতুন আদালত প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত সরকারের চলমান উদ্যোগগুলো সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে, মামলার জট উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে এবং বিচারপ্রার্থীরা আরো দ্রুত ন্যায়বিচার পাবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জেলেদের তথ্যভান্ডার হালনাগাদ করছে সরকার: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২৯ এম


জেলেদের তথ্যভান্ডার হালনাগাদ করছে সরকার: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

সংসদ ভবন, ৭ জুলাই, ২০২৬  : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, দেশের প্রকৃত জেলেদের জাতীয় তথ্যভান্ডার হালনাগাদের কাজ হচ্ছে এবং বর্তমানে নিবন্ধিত জেলেদের সংখ্যা ১৮ লাখ ৩ হাজার ৫৬৫ জন রয়েছে।

আজ জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের সদস্য মো. আবু তালিব (ঝিনাইদহ-৪)-এর লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য প্রকাশ করেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে দিনের অধিবেশন শুরু হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘জেলে নিবন্ধন ও পরিচয়পত্র নির্দেশিকা, ২০১৯’- এর আওতায় সারাদেশে জেলেদের তালিকা যাচাই-বাছাই ও হালনাগাদের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

তিনি জানান, দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঝিনাইদহ সদর (আংশিক) ও কালীগঞ্জ উপজেলার প্রকৃত জেলে শনাক্তকরণ এবং হালনাগাদ জেলে তালিকা প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে।

মন্ত্রী আরও জানান, অভ্যন্তরীণ জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি করার জন্য সরকার পরিত্যক্ত ও অকেজো বাওড়সহ অন্যান্য জলাশয় পুনরুদ্ধার করে মাছ চাষের আওতায় আনার পরিকল্পনা করেছে।

তিনি বলেন, সরকারের পরিকল্পনায় পরিত্যক্ত ও অকেজো বাওড় এবং অন্যান্য জলাশয় পুনরুদ্ধার করে সেখানে মাছ চাষ সম্প্রসারণের বিষয় রয়েছে। এই বিষয়টি নিশ্চিত করতে মৎস্য অধিদপ্তর ‘নির্বাচিত বাওড় এলাকায় কমিউনিটিভিত্তিক মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক একটি উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রস্তুত করেছে।

প্রস্তাবিত প্রকল্পের আওতায় পর্যায়ক্রমে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাগান্না বাওড় ও কালীগঞ্জ উপজেলার সারজাদ বাওড় ও মারজাদ বাওড় খনন ও পুনঃখনন, তিনটি মাছের অভয়াশ্রম স্থাপন, ৩০টি বিল নার্সারি প্রতিষ্ঠা, উন্নতমানের মাছের পোনা অবমুক্তকরণ এবং স্থানীয় উপকারভোগীদের অংশগ্রহণে জলাশয়গুলোর টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

মন্ত্রী জানান, প্রস্তাবিত প্রকল্পটির জন্য জনবল কমিটির সভা গত ২২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে অর্থ মন্ত্রণালয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে এটি প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) বিবেচনার অপেক্ষায় আছে।

তিনি আরও বলেন, অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং জলজ আবাসস্থলের উন্নয়নের লক্ষ্যে জলাশয় পুনরুদ্ধারের বিষয়ক আরেকটি প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চলছে।

সমীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে দেশের তিন পার্বত্য জেলা বাদে সব উপজেলার জন্য একটি প্রকল্প প্রণয়ন করা হবে বলেও সংসদকে জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নদীভাঙন রোধে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩১ এম


নদীভাঙন রোধে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

সংসদ ভবন, ৭ জুলাই, ২০২৬ : নদীভাঙন প্রতিরোধ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং নদীর তীর সংরক্ষণের জন্য সরকার ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে, বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

সংরক্ষিত মহিলা আসনের সরকারি দলের সদস্য সেলিনা সুলতানার তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, নদীভাঙন রোধ সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারের কর্মসূচি।

এ লক্ষ্যে পদ্মা ব্যারেজ, তিস্তা মহাপরিকল্পনা, নদীভাঙন প্রতিরোধ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি সংরক্ষণ, কৃষিজমির লবণাক্ততা হ্রাস এবং টেকসই পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় ২৫০ কিলোমিটার নদীতীর প্রতিরক্ষা কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে গত ৩১ মে পর্যন্ত ২০৬ কিলোমিটার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। একই সাথে ৪৩টি গ্রোয়েন অথবা স্পার নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে আরও ২৫০ কিলোমিটার নদীতীর প্রতিরক্ষা কাজ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে মোট ১ হাজার ৫০ কিলোমিটার নদীর তীর প্রতিরক্ষা কাজ এবং ৫০টি গ্রোয়েন অথবা স্পার নির্মাণ ও মেরামতের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

এছাড়া, মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ৯৩টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন এবং ৫৮টি প্রকল্প পরিকল্পনাধীন রয়েছে। এসব প্রকল্পের মাধ্যমে নদীর তীর সংরক্ষণ, নদী পুনরুজ্জীবন, সেচ এবং পোল্ডার পুনর্বাসন, বাঁধ নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণের কাজ বাস্তবায়ন হবে।

তিনি জানান, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) স্যাম্পল ভাইটাল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম (এসভিআরএস)-এর ২০২২ ও ২০২৩ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে প্রতিবছর গড়ে ৩ হাজার ৫০০টির বেশি পরিবার এবং ১৫ হাজারের বেশি মানুষ নদীভাঙনের কারণে বাস্তুচ্যুত বা উদ্বাস্তু হয়ে যাচ্ছেন। এ কারণে নদীভাঙন প্রতিরোধ ও নদীর তীর সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সরকার ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে, বলেন তিনি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৮ হাজার ৯৯টি ক্যাডার পদ শূন্য, দ্রুত নিয়োগের পরিকল্পনা: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩৩ এম


৮ হাজার ৯৯টি ক্যাডার পদ শূন্য, দ্রুত নিয়োগের পরিকল্পনা: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

সংসদ ভবন, ৭ জুলাই, ২০২৬: দেশের বিভিন্ন ক্যাডারে বর্তমানে মোট ৮ হাজার ৯৯টি পদ শূন্য রয়েছে। এসব শূন্য পদ দ্রুত পূরণ করা এবং সরকারি চাকরিতে নিয়োগ কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করার জন্য সরকার স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।

তিনি সংসদে (কুড়িগ্রাম-১) আসনের বিরোধী দলের সদস্য (জামায়াতে ইসলামী) মো. আনোয়ারুল ইসলামের তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য প্রদান করেন।

মন্ত্রী বলেন, মেধা, সততা, দক্ষতা ও সৃজনশীলতার ভিত্তিতে নিয়োগ নিশ্চিত করার জন্য ইতোমধ্যে ৪৫তম, ৪৬তম ও ৪৭তম বিসিএসের লিখিত এবং মৌখিক পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। এছাড়া ৫০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার কার্যক্রমও সম্পন্ন হয়েছে। এসব কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর দ্রুত শূন্য পদগুলো পূরণ করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, শূন্য পদ পূরণ এবং দেশের বেকারত্ব হ্রাসে সরকার ৬ মাস, ১ বছর ও ৫ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, কর্মপরিকল্পনায় উল্লেখিত ‘স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে ৫ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগ’ উদ্যোগের বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের নিয়োগের সর্বশেষ অবস্থা, শূন্য পদের তথ্য এবং নিয়োগের অধিযাচন পাঠানোর জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

তিনি শেষ করে জানান, দ্রুততম সময়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং শূন্য পদের বিপরীতে নিয়োগ সম্পন্ন করতে সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করার জন্যও সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে অনুরোধ করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে বিকল্প উৎস ব্যবহারের পরিকল্পনা: এ্যানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩৭ এম


ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে বিকল্প উৎস ব্যবহারের পরিকল্পনা: এ্যানি

সংসদ ভবন, ৭ জুলাই, ২০২৬ : সরকার বিকল্প উৎসের পানি ব্যবহারের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে, যা ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে সহায়ক হবে, জানালেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

আজ সংসদে সরকারি দলের সদস্য খায়রুল কবির খোকন (নরসিংদী-১)-এর তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্যটি প্রদান করেন।

মন্ত্রী বলেন, পানি সংকটাপন্ন এলাকা চিহ্নিতকরণ, অ্যাকুইফার ম্যাপিং এবং আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানির পরিমাণ, গুণগত মান ও নিরাপদ উত্তোলনসীমা নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, দেশব্যাপী ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখননের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ওপর নির্ভরশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

মন্ত্রী আরও জানান, অতিরিক্ত ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের কারণে পানির স্তর ক্রমাগত নিচে নেমে যাওয়ায় জাতীয় পানি সম্পদ পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ইসিএনডব্লিউআরসি) গত ২২ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে গেজেটের মাধ্যমে বরেন্দ্র অঞ্চলের চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ও রাজশাহী জেলার ২৫টি উপজেলার ২১৫টি ইউনিয়নের মধ্যে ১৫৩টি ইউনিয়নকে পানি সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করেছে।

এর মধ্যে ৪৭টি অতি উচ্চ, ৪০টি উচ্চ এবং ৬৬টি মধ্যম পানি সংকটাপন্ন এলাকা রয়েছে।

তিনি বলেন, ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, খাবার পানি ছাড়া নতুন নলকূপ স্থাপন ও ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন বন্ধ রাখা, বিদ্যমান নলকূপের মাধ্যমে শুধুমাত্র খাবার পানি সরবরাহ, ফসলের বহুমুখীকরণের মাধ্যমে দুই বছরের মধ্যে সেচে ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার পর্যায়ক্রমে বন্ধ করা এবং প্রাকৃতিক জলাশয় জনগণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত রাখাসহ বিভিন্ন বিধিনিষেধ ও করণীয় নির্ধারণ করা হয়েছে।

মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, সরকার বাস্তবায়নাধীন এসব উদ্যোগের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরশীলতা কমবে এবং দেশের পানি সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%