ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৮ হাজার ৯৯টি ক্যাডার পদ শূন্য, দ্রুত নিয়োগের পরিকল্পনা: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী


৮ হাজার ৯৯টি ক্যাডার পদ শূন্য, দ্রুত নিয়োগের পরিকল্পনা: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

সংসদ ভবন, ৭ জুলাই, ২০২৬: দেশের বিভিন্ন ক্যাডারে বর্তমানে মোট ৮ হাজার ৯৯টি পদ শূন্য রয়েছে। এসব শূন্য পদ দ্রুত পূরণ করা এবং সরকারি চাকরিতে নিয়োগ কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করার জন্য সরকার স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।

তিনি সংসদে (কুড়িগ্রাম-১) আসনের বিরোধী দলের সদস্য (জামায়াতে ইসলামী) মো. আনোয়ারুল ইসলামের তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য প্রদান করেন।

মন্ত্রী বলেন, মেধা, সততা, দক্ষতা ও সৃজনশীলতার ভিত্তিতে নিয়োগ নিশ্চিত করার জন্য ইতোমধ্যে ৪৫তম, ৪৬তম ও ৪৭তম বিসিএসের লিখিত এবং মৌখিক পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। এছাড়া ৫০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার কার্যক্রমও সম্পন্ন হয়েছে। এসব কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর দ্রুত শূন্য পদগুলো পূরণ করা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

তিনি বলেন, শূন্য পদ পূরণ এবং দেশের বেকারত্ব হ্রাসে সরকার ৬ মাস, ১ বছর ও ৫ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, কর্মপরিকল্পনায় উল্লেখিত ‘স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে ৫ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগ’ উদ্যোগের বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের নিয়োগের সর্বশেষ অবস্থা, শূন্য পদের তথ্য এবং নিয়োগের অধিযাচন পাঠানোর জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

তিনি শেষ করে জানান, দ্রুততম সময়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং শূন্য পদের বিপরীতে নিয়োগ সম্পন্ন করতে সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করার জন্যও সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে অনুরোধ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে বিকল্প উৎস ব্যবহারের পরিকল্পনা: এ্যানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩৭ এম


ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে বিকল্প উৎস ব্যবহারের পরিকল্পনা: এ্যানি

সংসদ ভবন, ৭ জুলাই, ২০২৬ : সরকার বিকল্প উৎসের পানি ব্যবহারের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে, যা ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে সহায়ক হবে, জানালেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

আজ সংসদে সরকারি দলের সদস্য খায়রুল কবির খোকন (নরসিংদী-১)-এর তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্যটি প্রদান করেন।

মন্ত্রী বলেন, পানি সংকটাপন্ন এলাকা চিহ্নিতকরণ, অ্যাকুইফার ম্যাপিং এবং আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানির পরিমাণ, গুণগত মান ও নিরাপদ উত্তোলনসীমা নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, দেশব্যাপী ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখননের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ওপর নির্ভরশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

মন্ত্রী আরও জানান, অতিরিক্ত ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের কারণে পানির স্তর ক্রমাগত নিচে নেমে যাওয়ায় জাতীয় পানি সম্পদ পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ইসিএনডব্লিউআরসি) গত ২২ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে গেজেটের মাধ্যমে বরেন্দ্র অঞ্চলের চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ও রাজশাহী জেলার ২৫টি উপজেলার ২১৫টি ইউনিয়নের মধ্যে ১৫৩টি ইউনিয়নকে পানি সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করেছে।

এর মধ্যে ৪৭টি অতি উচ্চ, ৪০টি উচ্চ এবং ৬৬টি মধ্যম পানি সংকটাপন্ন এলাকা রয়েছে।

তিনি বলেন, ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, খাবার পানি ছাড়া নতুন নলকূপ স্থাপন ও ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন বন্ধ রাখা, বিদ্যমান নলকূপের মাধ্যমে শুধুমাত্র খাবার পানি সরবরাহ, ফসলের বহুমুখীকরণের মাধ্যমে দুই বছরের মধ্যে সেচে ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার পর্যায়ক্রমে বন্ধ করা এবং প্রাকৃতিক জলাশয় জনগণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত রাখাসহ বিভিন্ন বিধিনিষেধ ও করণীয় নির্ধারণ করা হয়েছে।

মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, সরকার বাস্তবায়নাধীন এসব উদ্যোগের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরশীলতা কমবে এবং দেশের পানি সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রশ্নফাঁস ও ডিজিটাল জালিয়াতি রোধে পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) (সংশোধন) বিল-২০২৬ পাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৪১ এম


প্রশ্নফাঁস ও ডিজিটাল জালিয়াতি রোধে পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) (সংশোধন) বিল-২০২৬ পাস

সংসদ ভবন, ৭ জুলাই, ২০২৬: প্রশ্নপত্র ফাঁস, ডিজিটাল কারসাজি, জাল সনদ এবং প্রযুক্তিনির্ভর অন্যান্য পরীক্ষা-সংক্রান্ত অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রেখে জাতীয় সংসদ আজ পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) (সংশোধন) বিল, ২০২৬ পাস করেছে।

এই বিলের মাধ্যমে দেশের পাবলিক পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা, বিশ্বাসযোগ্যতা এবং সুষ্ঠুতা রক্ষার লক্ষ্যেই এটি প্রণয়ন করা হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন যখন বিলটি উত্থাপন করেন, তখন কণ্ঠভোটে এটি পাস হয়।

বিলের মাধ্যমে পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) আইন, ১৯৮০-এর বিভিন্ন পুরোনো বিধানকে সংশোধন করা হয়েছে, যাতে সাইবার প্রযুক্তিনির্ভর পরীক্ষা জালিয়াতি এবং নতুন ধরনের অনিয়ম মোকাবিলার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ-সংবলিত বিবৃতিতে বলা হচ্ছে, প্রায় ৪৫ বছর আগে প্রণীত বিদ্যমান আইনটি নকল, প্রশ্নপত্র ফাঁস, জাল সনদ তৈরি এবং অন্যান্য পরীক্ষা-সংক্রান্ত অনিয়ম প্রতিরোধের জন্য করা হয়েছিল। তবে ডিজিটাল প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের কারণে আধুনিক কালের অপরাধ মোকাবিলায় আইনের অনেক বিধান অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

সংশোধনীতে প্রথমবারের মতো 'ডিজিটাল কারসাজি'-এর আইনি সংজ্ঞা যুক্ত করা হয়েছে। এর আওতায় পাবলিক পরীক্ষার ডাটাবেজে অননুমোদিত প্রবেশ, হ্যাকিং, তথ্য পরিবর্তন, সংশোধন, মুছে ফেলা অথবা গোপন করাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন সংযোজিত ধারা ৫-এ অনুযায়ী, ডিজিটাল কারসাজির অপরাধে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

প্রযুক্তির সহায়তায় নকল প্রতিরোধে ধারা ৩-এ সংযোজন করে, পরীক্ষা কর্তৃপক্ষের নিষিদ্ধ ঘোষিত ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে বা নেওয়ার চেষ্টা করে পরীক্ষা কক্ষে প্রবেশ এবং পরীক্ষা-সংক্রান্ত বৈধ নির্দেশনা ইচ্ছাকৃতভাবে লঙ্ঘনকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এই অপরাধে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

প্রশ্নপত্র এবং উত্তরপত্র ফাঁসের শাস্তি আরও কঠোর করতে বিদ্যমান ধারা ৮ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। পরীক্ষার আগে প্রশ্নপত্র বা উত্তরপত্র নিজের কাছে রাখা, প্রকাশ, প্রচার বা বিতরণ করলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

নতুন ধারা ৯এ-এর মাধ্যমে অনুমোদনহীন পরীক্ষাকেন্দ্র স্থাপন বা পরিচালনাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এ ধরনের কেন্দ্র পরিচালনায় জড়িত ব্যক্তি এবং জেনেশুনে অবৈধ পরীক্ষার জন্য নিজস্ব স্থাপনা ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া মালিকদের সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।

উত্তরপত্র মূল্যায়নে কারসাজি ঠেকাতে ধারা ১০এ সংযোজন করা হয়েছে। ইচ্ছাকৃতভাবে অতিরিক্ত বা কম নম্বর প্রদান অথবা এ ধরনের কার্যকলাপের মাধ্যমে পরীক্ষার ফল প্রভাবিত করার চেষ্টা করলে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

ধারা ১২এ-এর মাধ্যমে কোনো প্রতিষ্ঠান, সংগঠন বা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে পরীক্ষা-সংক্রান্ত অপরাধে সহায়তা করলে অথবা কর্মীদের যথাযথ তদারকি করতে ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে, সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল কর্মকর্তা যদি যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করেছেন অথবা অপরাধ সম্পর্কে অবগত ছিলেন না বলেই এটি প্রমাণ করতে পারেন, তবে তিনি দায়মুক্তি পাবেন।

অপ্রাপ্তবয়স্কদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে নতুন ধারা ১৩এ-তে বলা হয়েছে, এ আইনের অধীন অভিযুক্ত কোনো শিশুর বিচার শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী কিশোর বিচারব্যবস্থার আওতায় পরিচালিত হবে।

এছাড়া নতুন ধারা ১৩বি-তে সৎ উদ্দেশ্যে পরীক্ষা-সংক্রান্ত অপরাধের তথ্য প্রকাশকারী তথ্যদাতাদের (হুইসেলব্লোয়ার) দেওয়ানি, ফৌজদারি বা বিভাগীয় ব্যবস্থা থেকে আইনি সুরক্ষা দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।

সংশোধিত আইনে সব অপরাধকে আমলযোগ্য (কগনিজেবল) করা হয়েছে, যাতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আদালতের পূর্বানুমতি ছাড়াই ব্যবস্থা নিতে পারে। মহানগর এলাকায় মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং অন্যান্য এলাকায় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এই মামলার সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে বিচার করবেন।

নতুন ধারা ১৪এ-এর মাধ্যমে সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারি করে সংশোধিত আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় বিধিমালা প্রণয়নের ক্ষমতাও সরকারকে দেওয়া হয়েছে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ-সংবলিত বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ডিজিটাল প্রযুক্তি ও সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের মাধ্যমে পরিচালিত ক্রমবর্ধমান জটিল পরীক্ষা জালিয়াতি মোকাবিলা এবং দেশের পাবলিক পরীক্ষা ব্যবস্থায় আরও বেশি স্বচ্ছতা, বিশ্বাসযোগ্যতা ও ন্যায়সংগত পরিবেশ নিশ্চিত করতে এ সংশোধন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল’ উত্থাপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৪৩ এম


সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল’ উত্থাপন

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন আজ জাতীয় সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২৬’ উত্থাপন করেন। ছবি: ভিডিও স্ক্রিনশট

সংসদ ভবন, ৭ জুলাই, ২০২৬  : বগুড়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার আজ জাতীয় সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২৬’ উত্থাপন করেছে। এর মাধ্যমে কার্যকর না হওয়া ২০০১ সালের বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইনের পরিবর্তে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন। পরে বিলটি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ-সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়, ২০০১ সালের বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন একই বছরের ১৫ জুলাই সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হলেও তা কখনো কার্যকর করা হয়নি।

বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রশাসনিক ও একাডেমিক প্রস্তুতি চলমান থাকায় সরকার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ-সম্বলিত একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রস্তাবিত আইনের মাধ্যমে বিজ্ঞান, জীবন বিজ্ঞান, প্রকৌশল, প্রযুক্তি, কলা, সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসায় প্রশাসন, আইন, কৃষি, চিকিৎসাবিজ্ঞানসহ জ্ঞানের অন্যান্য উদীয়মান ক্ষেত্রে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ রেখে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিধান করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বগুড়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং এ অঞ্চলে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে খসড়া আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে।

এতে উল্লেখ করা হয়, বিদ্যমান ২০০১ সালের আইনের প্রায় ৯৫ শতাংশ বিধান সংশোধনের প্রয়োজন হওয়ায় সংশোধনের পরিবর্তে নতুন আইন প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়টি বগুড়া ও বৃহত্তর উত্তরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি গবেষণা, উদ্ভাবন এবং কারিগরি দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সরকার আশা করছে।

সরকারের মতে, এ বিশ্ববিদ্যালয় দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, কৃষি উন্নয়নে সহায়তা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

বিলের সঙ্গে সংযুক্ত বিবৃতিতে বলা হয়, উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে সহায়তার জন্য বগুড়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা সময়োপযোগী, প্রয়োজনীয় ও যৌক্তিক।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চামড়া খাত থেকে ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয়ের লক্ষ্য সরকারের: মুক্তাদির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৪৬ এম


চামড়া খাত থেকে ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয়ের লক্ষ্য সরকারের: মুক্তাদির

বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আজ সংসদে জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাব দেন। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

ঢাকা, ৭ জুলাই, ২০২৬  : বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আজ সংসদে বলেছেন, দেশীয় কাঁচা চামড়া থেকে উৎপাদিত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে বছরে ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি বলেন, 'বাংলাদেশে উৎপাদিত কাঁচা চামড়া থেকে তৈরি চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে বছরে ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত আয় করা সম্ভব।'

আজ জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রমের সভাপতিত্বে কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ বিধির অধীনে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের বিরোধীদলীয় সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর উত্থাপিত জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ তার চামড়া শিল্পের সম্ভাবনার মাত্র ০ দশমিক ২৬ শতাংশ কাজে লাগাতে পারছে। দীর্ঘদিনের বিদ্যমান সমস্যাগুলোর সমাধান করা গেলে উৎপাদন ও রপ্তানি ১২ থেকে ১৪ গুণ পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব।

তিনি বলেন, প্রায় ২০ বছর আগে বিদেশি ক্রেতাদের কমপ্লায়েন্স বা পরিবেশগত ও মান-সংক্রান্ত শর্ত কঠোর না থাকায় দেশের নন-কমপ্লায়েন্ট ট্যানারিগুলোও কাঁচা চামড়া রপ্তানি করতে পারত। কিন্তু বর্তমানে কমপ্লায়েন্স একটি প্রধান শর্তে পরিণত হওয়ায় কাঁচা চামড়া রপ্তানি মারাত্মক সংকটে পড়েছে।

মন্ত্রী বলেন, সাভার চামড়া শিল্পনগরীর কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগার (সিইটিপি) দক্ষ পেশাদার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালিত না হলে আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রমবর্ধমান কমপ্লায়েন্স মানদণ্ডের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা বাংলাদেশের চামড়া শিল্পের জন্য কঠিন হয়ে পড়বে।

তিনি বলেন, হাজারীবাগ থেকে সাভারে ট্যানারি স্থানান্তরের কাজ এখনো পুরোপুরি সম্পন্ন হয়নি, কারণ সেখানে গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশগত অবকাঠামো এখনও কার্যকরভাবে পরিচালিত হচ্ছে না।

মুক্তাদির বলেন, এসব মানদণ্ড পূরণে সরকার সিইটিপিকে পুরোপুরি কার্যকর করার উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি জানান, ২৫ হাজার ঘনফুট পানি পরিশোধনের সক্ষমতা নিয়ে সিইটিপি স্থাপন করা হলেও বর্তমানে এটি ১৪ হাজার ঘনফুটের বেশি পানি পরিশোধন করতে সক্ষম নয়।

স্থানীয় চামড়া শিল্পকে টেকসই ও প্রতিযোগিতামূলক করতে সরকার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দেবে। পাশাপাশি, ট্যানারিগুলোতে ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (ইটিপি) স্থাপন এবং লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপ (এলডব্লিউজি) সনদ গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, রপ্তানি আয়ের দিক থেকে বাংলাদেশের চামড়া শিল্প দ্বিতীয় বৃহত্তম খাত হলেও এলডব্লিউজি সনদের অভাবে সাভার চামড়া শিল্পনগরীর কারখানাগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) খ্যাতনামা আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোর কাছে চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি করতে পারছে না।

তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের প্রধান আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোর কাছে চামড়া রপ্তানির জন্য এলডব্লিউজ সনদ একটি বাধ্যতামূলক শর্ত। এই নিরীক্ষায় পরিবেশগত মান প্রতিপালন, রাসায়নিক ব্যবস্থাপনা এবং পণ্যের উৎস শনাক্তযোগ্যতা মূল্যায়ন করা হয়। ফলে প্রিমিয়াম বাজারে প্রবেশের জন্য এ সনদ অর্জন বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মন্ত্রী বলেন, দেশের চামড়া রপ্তানি ধারাবাহিকভাবে নিম্নমুখী। ২০০৯-১০ অর্থবছরে চামড়া রপ্তানি থেকে আয় ছিল ২২ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার, যা পাঁচ বছর পর বেড়ে ৪০ কোটি ডলারে পৌঁছায়। কিন্তু এরপর থেকে রপ্তানি দ্রুত কমতে শুরু করে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে তা নেমে আসে ১৮ কোটি ৩০ লাখ ডলারে এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আরও কমে দাঁড়ায় ১২ কোটি ৮০ লাখ ডলারে। চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে চামড়া রপ্তানি হয়েছে মাত্র ৯ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলারের।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%