ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

টাঙ্গাইলে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীর অপহরণ ও হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ড


টাঙ্গাইলে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীর অপহরণ ও হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ড

টাঙ্গাইলে 'সামিয়া আক্তার' নামে এক তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরণের পরে হত্যার জন্য আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার রায় আদালত ঘোষণা করেছেন। বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ. ন. ম. ইলিয়াস এ রায় দেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামি সাব্বির মিয়া (২১) টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার দাড়িয়াপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে। টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট মো. ওমরাও খান দীপু জানান, সখিপুরের দাড়িয়াপুর গ্রামের রনজু মিয়ার মেয়ে সামিয়া আক্তার (৯) দাড়িয়াপুর উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ছিল। সামিয়া বিগত ২০২৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সকালে প্রাইভেট পড়া শেষে বাড়ি ফেরার পথে আসামি সাব্বির তাকে অপহরণ করে এবং পাশের একটি জঙ্গলে নিয়ে যায়। সেইসময় সামিয়া নিজের অজান্তে মুক্তি পেতে চেষ্টা করলেও, আসামি তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে এবং হত্যার পর লাশ গুমের উদ্দেশ্যে পাশের একটি ধানক্ষেতের ড্রেনে কাঁদামাটি দিয়ে ঢেকে রাখে। এরপর আসামি সাব্বির নিজের পরিচয় গোপন করে একটি ইমুআইডি থেকে ভয়েস এসএমএস-এর মাধ্যমে সামিয়ার বাবার কাছে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরের দিন ৭ সেপ্টেম্বর সামিয়ার বাবা রনজু মিয়া সখিপুর থানায় মামলা করেন। মামলার একদিন পর ৮ সেপ্টম্বর পুলিশ সেই ধানক্ষেতের ড্রেন থেকে সামিয়ার লাশ উদ্ধার করে। তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে ২০২৩ সালের ২৮ সেপ্টম্বর সাব্বিরকে পুলিশ গ্রেফতার করে। পরে সাব্বির আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে নিজের দোষ স্বীকার করে। ২০২৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দেয় পুলিশ। বিচার শেষে আদালত স্কুলছাত্রী সামিয়াকে হত্যার দায়ে আসামি সাব্বিরকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। בנוסף, অপহরণের দায়ে আসামিকে ১৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে শিশুকে আটক রাখার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একইসাথে, হত্যার পর লাশ গুমের চেষ্টা সহ মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে ফেলায় আসামিকে পাঁচবছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন বিচারক। আসামি পক্ষের আইনজীবী হিসেবে কাজ করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন (স্টেট ডিফেন্স)। রায়ের সময় আসামি উপস্থিত ছিলেন এবং বিচারক আসামির সামনে রায় পড়ে শোনান। পরে আসামিকে টাঙ্গাইল কারাগারে নেয়া হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় শিশুকে বলাৎকারের পর হত্যা, আসামির মৃত্যুদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৮ পি.এম


কুমিল্লায় শিশুকে বলাৎকারের পর হত্যা, আসামির মৃত্যুদণ্ড

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ৯ বছর বয়সী এক ছেলে শিশুকে বলাৎকারের পর হত্যার মামলায় এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

একই সঙ্গে আসামিকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশও দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) কুমিল্লার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে মামলার রায় ঘোষণা করেন কুমিল্লার জেলা ও দায়রা জজ এবং শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আব্দুল হান্নান।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন বুড়িচং উপজেলার পূর্ণমতি গ্রামের হারুনুর রশীদের ছেলে বিল্লাল হোসেন।

শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট বদিউল আলম সুজন জানান, ২০২৪ সালের বুড়িচং থানার মামলা নং-৫ এবং শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল মামলা নং-২৭১/২৬-এর বিচার শেষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)-এর ৯(২) ধারায় আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন।

তিনি জানান, মামলায় ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় প্রদান করে।

রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

কুমিল্লা আদালত পুলিশের পরিদর্শক মোহ সাদেকুর রহমান জানান, আদালতের জারি করা মৃত্যুদণ্ডের পরোয়ানার ভিত্তিতে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামী বিল্লাল হোসেনকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

পিপি বদিউল আলম সুজন আরো জানান, ঘটনাটি প্রথমে নিখোঁজের ডায়েরি হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছিল, তবে তদন্তে এটি একটি হত্যা মামলায় রূপ নেয়।

তদন্তে প্রমাণ মেলে যে শিশুটিকে বলাৎকারের পর হত্যা করা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর বুড়িচং উপজেলার পূর্ণমতি গ্রামের চা দোকানি আক্কাস মিয়ার ৯ বছর বয়সী ছেলে ইয়াসিন নিখোঁজ হয়।

পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাকে না পেয়ে ১ অক্টোবর বুড়িচং থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

চার দিন পর পুলিশ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে বুড়িচং উপজেলার মোকাম এলাকার একটি মাছের ঘের থেকে ইয়াসিনের মরদেহ উদ্ধার করে।

পরদিন ৬ অক্টোবর বিল্লাল হোসেন ও অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে বুড়িচং থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিল হলে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত এ রায় দেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্যাসিবাদী সরকার একটি দেশকে সুবিধা দিতে চিকিৎসাব্যবস্থা ধ্বংস করেছিল : প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২০ পি.এম


ফ্যাসিবাদী সরকার একটি দেশকে সুবিধা দিতে চিকিৎসাব্যবস্থা ধ্বংস করেছিল : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পূর্ববর্তী ফ্যাসিবাদী ও স্বৈরাচারী সরকার দেশের শিক্ষা ও চিকিৎসাব্যবস্থা সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছিল। এটি একটি বিশেষ দেশকে সুবিধা দিতে এবং একটি বিশেষ স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীকে খুশি করতে করা হয়েছিল বলে তিনি জানান। বুধবার তিনি জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে এই সমালোচনা করেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

কোনো দেশের নাম উল্লেখ না করে চিকিৎসা খাতের বেহাল দশা সম্পর্কে আলোকপাত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার স্ত্রী একজন পেশাদার চিকিৎসক হওয়ায়, চিকিৎসাব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বহু人的 বাস্তব অভিজ্ঞতা তিনি বৃদ্ধি পেয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, স্বৈরাচারী সরকার বাংলাদেশের চিকিৎসাব্যবস্থাকে পরিকল্পিতভাবে পঙ্গু করে অন্য কারও হাতে তুলে দিয়েছে।

তিনি বলেন, একটি বিশেষ দেশকে একচেটিয়া রোগী সরবরাহ এবং চিকিৎসা বাণিজ্যের সুবিধা দেওয়ার জন্য দেশের বড় হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য পরিষেবাকে অকার্যকর করে রাখা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী এ সময় বলেন, কোনো জাতিকে ধ্বংস করতে হলে, এর শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেওয়ার যে নীতি রয়েছে, বিগত স্বৈরাচারী সরকার সেই নীতিটি প্রয়োগ করেছে। একইভাবে দেশের চিকিৎসাব্যবস্থাকে পঙ্গু করে অন্য দেশের বাণিজ্যিক স্বার্থের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল, যার ফলে দেশের কোটি কোটি মানুষ সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

বর্তমান সরকার চিকিৎসা ও শিক্ষা খাতের আমূল পরিবর্তন করে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার জন্য পর্যায়ক্রমিকভাবে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়ার মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলেও তিনি জানান। এতে পূর্ববর্তী শেখ হাসিনা সরকারের নীতির স্পষ্ট ইঙ্গিত ফুটে ওঠে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা খাতের করুণ চিত্র তুলে ধরে তিনি উল্লেখ করেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিখ্যাত দেওয়াল লিখনের মধ্য দিয়ে কিভাবে একটি জাতিকে ধ্বংস করা যায়।

তিনি এ চরম ক্ষতির নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করেছেন। বর্তমান সরকার দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সঠিক ও আধুনিক মানবিক শিক্ষায় গড়ে তোলার জন্য কাজ শুরু করেছে। সরকারি উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষকদের যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখা হয়েছে এবং আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে শিক্ষা খাতে পর্যায়ক্রমিকভাবে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

বিরোধীদলীয় নেতার মন্তব্যকে সমর্থন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা বলেছেন যে, আমাদের চিকিৎসাব্যবস্থা একশত ভাগ অসুস্থ। তবে তিনি একে ১০১ ভাগ অসুস্থ হিসেবে উল্লেখ করেন। চলতি বাজেটে ১.২ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হলেও, আগামী পাঁচ বছরে তা জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

সরকারপ্রধান দেশের প্রান্তিক জনগণের চিকিৎসাসেবা সহজ করতে একটি বিশাল কর্মসূচির ঘোষণা করেছেন। তিনি জানান, স্বাস্থ্য খাতের সংস্কারের পাশাপাশি, সারা দেশে রোগ প্রতিরোধকে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য এক লাখ ‘হেলথকেয়ার কর্মী’ নিয়োগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে।

এছাড়া, গ্রামীণ অঞ্চলের শিশুদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকার পাঁচটি বিভাগে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালু করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এর ফলে দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের শিশুদের উন্নত চিকিৎসার জন্য আর রাজধানীদিগমুখী হওয়ার প্রয়োজন নেই। তারা বিভাগীয় পর্যায়েই বিশেষায়িত শিশু স্বাস্থ্যসেবা লাভ করতে পারবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৃষক হত্যা ও ট্রান্সফরমার চুরির অভিযোগে গাইবান্ধা থেকে আটক ১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২২ পি.এম


কৃষক হত্যা ও ট্রান্সফরমার চুরির অভিযোগে গাইবান্ধা থেকে আটক ১

রংপুরের পীরগঞ্জে কৃষক মফিজার রহমানকে হত্যা করার পর বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) সেচ পাম্পের ট্রান্সফর্মার চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গাইবান্ধা থেকে শহিদুল ইসলাম (৫৪) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

গ্রেপ্তার হওয়া শহিদুল ইসলাম গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার পুরান্দার এলাকার মফিজ উদ্দিন শেখের পুত্র।

বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে র‌্যাব-১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। এ ঘটনা ঘটার আগে, মঙ্গলবার রাতে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার জুনদহ বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে শহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব জানিয়েছে, পীরগঞ্জ উপজেলার বড় আলমপুর ইউনিয়নের উমরপুর গ্রামের কৃষক মফিজার রহমানের জমিতে বিএডিসির একটি গভীর নলকূপ ছিল। ট্রান্সফর্মারের নিরাপত্তার জন্য তিনি প্রতিদিন রাতে সেচঘরে অবস্থান করতেন।

গত ৭ মে সকালে প্রতিবেশী একজন মুঠোফোনে মফিজারের পরিবারকে ট্রান্সফর্মার চুরির খবর জানান। পরে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে সেচঘরের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ অবস্থায় দেখতে পান। ভিতরে গিয়ে তারা হাত-পা বাঁধা ও রক্তাক্ত অবস্থায় মফিজার রহমানের মরদেহ উদ্ধার করে।

র‌্যাবের বক্তব্য অনুযায়ী, ট্রান্সফর্মার চুরিতে বাধা দেওয়ায় দুর্বৃত্তরা কৃষক মফিজার রহমানকে হত্যা করে এবং ট্রান্সফর্মার নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনার পর নিহতের ভাই মনুয়ার হোসেন বাদী হয়ে পীরগঞ্জ থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পরে মামলাটির তদন্তে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে র‌্যাব।

তদন্তের এক পর্যায়ে শহিদুল ইসলামের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়ার পর মঙ্গলবার রাতে অভিযানে গিয়ে তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুয়া খেলায় বাধা দেওয়ার জেরে প্রবাসীর বাড়িতে আগুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২৬ পি.এম


জুয়া খেলায় বাধা দেওয়ার জেরে প্রবাসীর বাড়িতে আগুন

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার শেখরনগর ইউনিয়নের নয়ানগর গ্রামে জুয়া খেলার প্রতিবাদ করায় এক প্রবাসীর বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাত দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে আজ বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে ভুক্তভোগী শাবানা বেগম বাদী হয়ে শেখরনগর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায় যে, নয়ানগর গ্রামের প্রবাসী কাজী ইয়ানুরের স্ত্রী শাবানা বেগম (৩৯) প্রায় এক বছর আগে স্থানীয় রতন মণ্ডলের কাছ থেকে বসতবাড়িসহ জমি ক্রয় করেন। শর্ত ছিল, রতন মণ্ডলের মেয়ের এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হলে তারা বাড়িটি ছেড়ে ভারতে চলে যাবেন। ওই সময় পর্যন্ত শাবানা বেগমের অনুমতিতে রতন মণ্ডলের পরিবার বাড়িটিতে বসবাস করে আসছিল। ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, গত কয়েক মাস ধরে এলাকার কিছু বহিরাগত ব্যক্তি ওই বাড়িতে নিয়মিত জুয়া ও মাদকের আসর বসাতে থাকতো। এতে বাধা দিলে তারা রতন মণ্ডলকে বিভিন্নভাবে মানসিক ও শারীরিকভাবে হয়রানি করতো। ঘটে যাওয়া ঘটনার দিন রাতেও জুয়া ও মাদকের আসর বসাতে বাধা দেওয়া হলে ক্ষিপ্ত হয়ে অজ্ঞাতনামা কয়েকজন দুর্বৃত্ত রাত দেড়টার দিকে বাড়ির রান্নাঘরে আগুন ধরিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়। ঘরের লোকজনের চিৎকারে আশপাশের প্রতিবেশীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হলেও রান্নাঘরের বিভিন্ন মালামাল পুড়ে যায়। ভুক্তভোগী শাবানা বেগম বলেন, "জুয়াড়িরা পরিকল্পিতভাবে আমার বাড়িতে আগুন দিয়েছে। আমি ও আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। ভবিষ্যতে তারা আরও বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে। আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই।" এ বিষয়ে শেখরনগর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সঞ্জীব কুমার ঘোষ বলেন, "লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনার স্থান পরিদর্শন করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%