বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৬:৪২ পি.এম
জেলার বদলগাছী উপজেলায় উপকারভোগীদের জন্য সেলাই মেশিন, খেলার সামগ্রী, কৃষি প্রণোদনার বীজ, অর্থ এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বেঞ্চ সরবরাহ করা হয়েছে।
এ সব সামগ্রী বিতরণ করা হয় অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায়।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে উপকারভোগীদের মাঝে এসব সামগ্রী বিতরণ করেন নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলগাছী) আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হুদা বাবুল।
এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য বলেন, ‘সরকার শিক্ষা, ক্রীড়া ও আত্মকর্মসংস্থানের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করছে। এসব সহায়তা মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান ছনি অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন।
এ সময় উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২ জুলাই ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে আজ মন্ত্রিপরিষদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার, বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ ভবনের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে বৈঠকটি শুরু হয়। বৈঠকের সময়কাল ৫টা ৫৫ মিনিট পর্যন্ত ছিল।
প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি মো. সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ এই তথ্যটি জানান।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি একটি সংবাদ সম্মেলন করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের হেজাজ এলাকায় একটি ক্যাফের ভেতরে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে যে বিস্ফোরণে কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ খবর প্রকাশিত হয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানার বরাতে রয়টার্সের কাছে।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আল-আখবারিয়া জানায়, বিস্ফোরণের প্রকৃতি তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়। এখন পর্যন্ত এটা জানা যায়নি যে, এটি বিস্ফোরক, গ্যাস লিক নাকি অন্য কোনো কারণে ঘটেছে। নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থল ঘিরে তদন্ত শুরু করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুসারে, বিস্ফোরণের পরপরই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। জরুরি উদ্ধারকারী দল ও অ্যাম্বুলেন্স দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে এ পর্যন্ত নিহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি এবং এই ঘটনার দায় কেউ বা কোনো গোষ্ঠী স্বীকারও করেনি।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দামেস্কে একাধিক নিরাপত্তা-সংক্রান্ত ঘটনা ঘটেছে। গত মে মাসে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে একটি গাড়িবোমা বিস্ফোরণে অন্তত একজন সেনা নিহত হন এবং ২০ জনের বেশি আহত হন।
একই মাসে রাজধানীর আরেকটি এলাকায় একটি খালি বাসে বিস্ফোরণে পাঁচজন বেসামরিক ব্যক্তি আহত হন। এসব ঘটনার পর রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হলেও বিচ্ছিন্ন বিস্ফোরণের ঘটনা এখনও পুরোপুরি থামেনি।
সর্বশেষ বিস্ফোরণের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তথ্য জানতে তদন্ত চলছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তদন্ত শেষ হলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে。
তথ্যসূত্র: সানা ও রয়টার্স
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের টেকনাফে বিজিবির সদস্যদের উপস্থিতি দেখতে পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যাওয়ার পর একটি ফেলে রাখা ইজিবাইক থেকে দুই কেজি ক্রিস্টাল মেথ আইস, দেশি-বিদেশি অস্ত্র এবং গুলি উদ্ধার করেছে বিজিবি।
বৃহস্পতিবার ভোর ৪ টা দিকে টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের সাবরাং বাজার সংলগ্ন এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয় বলে জানান, বিজিবির টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া।
তবে পাচারকারীরা পালিয়ে যাওয়ার কারণে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি বলে জানানো হয়েছে।
লে. কর্নেল হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, বৃহস্পতিবার ভোররাতে সাবরাং ইউনিয়নের ডেইলপাড়া-মুন্ডার ডেইল সড়ক দিয়ে মাদকদ্রব্য, দেশি-বিদেশি অস্ত্র ও গুলির একটি চালান পাচারের খবর পাওয়ার পর বিজিবির সদস্যরা বিশেষ অভিযান চালান। এক পর্যায়ে সন্দেহজনক কয়েকজন ব্যক্তিকে একটি ইজিবাইকযোগে সাবরাং বাজার থেকে মেরিন ড্রাইভ সড়কের দিকে আসতে দেখে বিজিবি সদস্যরা তাদের থামার জন্য নির্দেশ দেন। এর পরই বিজিবির সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা দ্রুত ইজিবাইকটি সড়কে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
পরে ইজিবাইকটি তল্লাশি করে চালকের আসনের নিচে বিশেষ কৌশলে লুকানো অবস্থায় আনুমানিক ১০ কোটি টাকা মূল্যমানের ২ কেজি ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার করা হয়। এসময় ইজিবাইকটির ছাদের ভেতরে লুকানো অবস্থায় উদ্ধার করা হয় ১ টি জি-৩ রাইফেল, ১ টি দেশীয় তৈরী বন্দুক, ১ টি ম্যাগাজিন এবং ১৩ টি গুলি।
তিনি আরও জানান, উদ্ধার করা মাদক, অস্ত্র ও গুলির চালান পাচারের সাথে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্য বিজিবির তথ্য সংগ্রহের কাজ অব্যাহত রয়েছে।
উদ্ধার করা মাদক, অস্ত্র ও গুলি টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং মামলা করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন, লে. কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বছরের পর বছর বিশ্ব ফুটবল শাসন করেছেন তারা দুজন মিলে।
ইতিহাসের অন্যতম সেরা ও তুমুল আলোচিত দ্বৈরথ উপহার দিয়েছেন লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।
ব্যক্তিগত ও দলীয় শিরোপার লড়াইয়ে দুজনই বিশ্ব ফুটবলে আধিপত্য বিস্তার করেছেন।
একই সঙ্গে একের পর এক রেকর্ড গড়ে বদলে দিয়েছেন আধুনিক ফুটবলের মানদণ্ড।
সর্বকালের সেরা ফুটবলার (গোট) কে; এই বিতর্কের মধ্যেই ফুটবল বিশ্বের অনেক কিংবদন্তি দুই তারকার প্রভাব নিয়ে নিজেদের মতামত জানিয়েছেন।
সেই তালিকায় আছেন সাবেক জার্মান গোলরক্ষক অলিভার কানও।
আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসি এবং পর্তুগিজ মহাতারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে ঘিরে ঐতিহাসিক এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন তিনি।
বিশ্বকাপ চলাকালীন সময়ে মেসি ও রোনালদোকে নিয়ে তুলনা আবারও নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
তবে কানের মতে, প্রায় দুই দশকজুড়ে চলা এই প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিশেষত্ব ছিল মাঠের পারফর্মেন্সে, কথার লড়াইয়ে নয়।
জি৫-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে একমাত্র গোলরক্ষক হিসেবে বিশ্বকাপের গোল্ডেন বল জেতা কান বলেন, 'ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও লিওনেল মেসি প্রায় দুই দশক ধরে একে অপরকে আরও ভালো হতে অনুপ্রাণিত করেছে।
তারা এখনও যে মানের ফুটবল খেলছে, তা সত্যিই অসাধারণ।
তাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা কখনো কথার লড়াই ছিল না, বরং মাঠের পারফরম্যান্সের মাধ্যমে।
প্রতি মৌসুমেই তারা একে অপরকে নিজেদের সীমা ছাড়িয়ে যেতে বাধ্য করেছে।'
তিনি আরও বলেন, এমন ধারাবাহিকতা ও শ্রেষ্ঠত্বের প্রতিদ্বন্দ্বিতা ভবিষ্যতে আর দেখা নাও যেতে পারে।
কান বলেন, 'সম্ভবত ফুটবল আর কখনোই এত দীর্ঘ সময় ধরে একই মানের ধারাবাহিকতা ও উৎকর্ষের এমন প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখবে না।'
প্রায় নয় বছর স্পেনে মুখোমুখি লড়েছেন মেসি ও রোনালদো।
বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে এল ক্লাসিকোকে তারা রূপ দিয়েছিলেন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা দ্বৈরথে।
যদিও এখন দুজনেরই পথ ভিন্ন, তবুও তাদের তুলনা থেমে নেই।
২০২৬ বিশ্বকাপে এই দুই মহাতারকা কেবল ফাইনালেই মুখোমুখি হতে পারে।
ফলে শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে এখনও আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন মেসি ও রোনালদো।
এই আসরে ৬ গোল করে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে উঠে গেছেন মেসি।
সব মিলিয়ে বিশ্বকাপে তার গোলসংখ্যা এখন ১৯।
২০২২ সালে জেতা শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্যেও লড়ছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
অন্যদিকে, নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে ১০ গোল পূর্ণ করেছেন রোনালদো।
এই আসরে করা দুই গোলের সুবাদে তিনি বিশ্বকাপে পর্তুগালের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতাও হয়েছেন।
ক্যারিয়ারের একমাত্র অপূর্ণ বড় শিরোপা বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নও এখনও বাঁচিয়ে রেখেছেন তিনি।
শেষ ষোলোতে ৩ জুলাই ভোরে টরন্টো স্টেডিয়ামে ক্রোয়েশিয়ার মুখোমুখি হবে পর্তুগাল।
অন্যদিকে ৪ জুলাই মায়ামি স্টেডিয়ামে কেপ ভার্ডের বিপক্ষে খেলবে আর্জেন্টিনা।
এদিকে ক্যারিয়ারে ১,০০০ গোলের মাইলফলক স্পর্শের দৌড়ও এই ঐতিহাসিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার শেষ বড় অধ্যায়গুলোর একটি হতে পারে।
বর্তমানে রোনালদোর মোট গোল ৯৭৪টি, আর মেসির গোলসংখ্যা ৯১৬।
সবশেষে, অলিভার কানের মন্তব্য যেন ফুটবল বিশ্বের বহু কিংবদন্তির বিশ্বাসকেই আরও জোরালো করে।
ভক্তদের অন্তহীন তুলনা ও বিতর্কের বাইরে, মেসি ও রোনালদোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা অনন্য হয়ে থাকবে এই কারণে যে, তারা প্রায় দুই দশক ধরে একে অপরকে ছাড়িয়ে যাওয়ার লড়াইয়ে পুরো ফুটবলের মানই নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।
ধারাবাহিকতা, প্রতিযোগিতার মান এবং অসাধারণ পারফরম্যান্সের যে দৃষ্টান্ত তারা স্থাপন করেছেন, তা ভবিষ্যতে ছুঁয়ে ফেলা যে কোনো ফুটবলারের জন্যই হবে বড় চ্যালেঞ্জ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ