বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৬:৪৪ পি.এম
ঢাকা, ২ জুলাই ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে আজ মন্ত্রিপরিষদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার, বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ ভবনের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে বৈঠকটি শুরু হয়। বৈঠকের সময়কাল ৫টা ৫৫ মিনিট পর্যন্ত ছিল।
প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি মো. সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ এই তথ্যটি জানান।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি একটি সংবাদ সম্মেলন করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের হেজাজ এলাকায় একটি ক্যাফের ভেতরে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে যে বিস্ফোরণে কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ খবর প্রকাশিত হয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানার বরাতে রয়টার্সের কাছে।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আল-আখবারিয়া জানায়, বিস্ফোরণের প্রকৃতি তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়। এখন পর্যন্ত এটা জানা যায়নি যে, এটি বিস্ফোরক, গ্যাস লিক নাকি অন্য কোনো কারণে ঘটেছে। নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থল ঘিরে তদন্ত শুরু করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুসারে, বিস্ফোরণের পরপরই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। জরুরি উদ্ধারকারী দল ও অ্যাম্বুলেন্স দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে এ পর্যন্ত নিহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি এবং এই ঘটনার দায় কেউ বা কোনো গোষ্ঠী স্বীকারও করেনি।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দামেস্কে একাধিক নিরাপত্তা-সংক্রান্ত ঘটনা ঘটেছে। গত মে মাসে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে একটি গাড়িবোমা বিস্ফোরণে অন্তত একজন সেনা নিহত হন এবং ২০ জনের বেশি আহত হন।
একই মাসে রাজধানীর আরেকটি এলাকায় একটি খালি বাসে বিস্ফোরণে পাঁচজন বেসামরিক ব্যক্তি আহত হন। এসব ঘটনার পর রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হলেও বিচ্ছিন্ন বিস্ফোরণের ঘটনা এখনও পুরোপুরি থামেনি।
সর্বশেষ বিস্ফোরণের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তথ্য জানতে তদন্ত চলছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তদন্ত শেষ হলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে。
তথ্যসূত্র: সানা ও রয়টার্স
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের টেকনাফে বিজিবির সদস্যদের উপস্থিতি দেখতে পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যাওয়ার পর একটি ফেলে রাখা ইজিবাইক থেকে দুই কেজি ক্রিস্টাল মেথ আইস, দেশি-বিদেশি অস্ত্র এবং গুলি উদ্ধার করেছে বিজিবি।
বৃহস্পতিবার ভোর ৪ টা দিকে টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের সাবরাং বাজার সংলগ্ন এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয় বলে জানান, বিজিবির টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া।
তবে পাচারকারীরা পালিয়ে যাওয়ার কারণে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি বলে জানানো হয়েছে।
লে. কর্নেল হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, বৃহস্পতিবার ভোররাতে সাবরাং ইউনিয়নের ডেইলপাড়া-মুন্ডার ডেইল সড়ক দিয়ে মাদকদ্রব্য, দেশি-বিদেশি অস্ত্র ও গুলির একটি চালান পাচারের খবর পাওয়ার পর বিজিবির সদস্যরা বিশেষ অভিযান চালান। এক পর্যায়ে সন্দেহজনক কয়েকজন ব্যক্তিকে একটি ইজিবাইকযোগে সাবরাং বাজার থেকে মেরিন ড্রাইভ সড়কের দিকে আসতে দেখে বিজিবি সদস্যরা তাদের থামার জন্য নির্দেশ দেন। এর পরই বিজিবির সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা দ্রুত ইজিবাইকটি সড়কে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
পরে ইজিবাইকটি তল্লাশি করে চালকের আসনের নিচে বিশেষ কৌশলে লুকানো অবস্থায় আনুমানিক ১০ কোটি টাকা মূল্যমানের ২ কেজি ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার করা হয়। এসময় ইজিবাইকটির ছাদের ভেতরে লুকানো অবস্থায় উদ্ধার করা হয় ১ টি জি-৩ রাইফেল, ১ টি দেশীয় তৈরী বন্দুক, ১ টি ম্যাগাজিন এবং ১৩ টি গুলি।
তিনি আরও জানান, উদ্ধার করা মাদক, অস্ত্র ও গুলির চালান পাচারের সাথে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্য বিজিবির তথ্য সংগ্রহের কাজ অব্যাহত রয়েছে।
উদ্ধার করা মাদক, অস্ত্র ও গুলি টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং মামলা করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন, লে. কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বছরের পর বছর বিশ্ব ফুটবল শাসন করেছেন তারা দুজন মিলে।
ইতিহাসের অন্যতম সেরা ও তুমুল আলোচিত দ্বৈরথ উপহার দিয়েছেন লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।
ব্যক্তিগত ও দলীয় শিরোপার লড়াইয়ে দুজনই বিশ্ব ফুটবলে আধিপত্য বিস্তার করেছেন।
একই সঙ্গে একের পর এক রেকর্ড গড়ে বদলে দিয়েছেন আধুনিক ফুটবলের মানদণ্ড।
সর্বকালের সেরা ফুটবলার (গোট) কে; এই বিতর্কের মধ্যেই ফুটবল বিশ্বের অনেক কিংবদন্তি দুই তারকার প্রভাব নিয়ে নিজেদের মতামত জানিয়েছেন।
সেই তালিকায় আছেন সাবেক জার্মান গোলরক্ষক অলিভার কানও।
আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসি এবং পর্তুগিজ মহাতারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে ঘিরে ঐতিহাসিক এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন তিনি।
বিশ্বকাপ চলাকালীন সময়ে মেসি ও রোনালদোকে নিয়ে তুলনা আবারও নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
তবে কানের মতে, প্রায় দুই দশকজুড়ে চলা এই প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিশেষত্ব ছিল মাঠের পারফর্মেন্সে, কথার লড়াইয়ে নয়।
জি৫-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে একমাত্র গোলরক্ষক হিসেবে বিশ্বকাপের গোল্ডেন বল জেতা কান বলেন, 'ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও লিওনেল মেসি প্রায় দুই দশক ধরে একে অপরকে আরও ভালো হতে অনুপ্রাণিত করেছে।
তারা এখনও যে মানের ফুটবল খেলছে, তা সত্যিই অসাধারণ।
তাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা কখনো কথার লড়াই ছিল না, বরং মাঠের পারফরম্যান্সের মাধ্যমে।
প্রতি মৌসুমেই তারা একে অপরকে নিজেদের সীমা ছাড়িয়ে যেতে বাধ্য করেছে।'
তিনি আরও বলেন, এমন ধারাবাহিকতা ও শ্রেষ্ঠত্বের প্রতিদ্বন্দ্বিতা ভবিষ্যতে আর দেখা নাও যেতে পারে।
কান বলেন, 'সম্ভবত ফুটবল আর কখনোই এত দীর্ঘ সময় ধরে একই মানের ধারাবাহিকতা ও উৎকর্ষের এমন প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখবে না।'
প্রায় নয় বছর স্পেনে মুখোমুখি লড়েছেন মেসি ও রোনালদো।
বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে এল ক্লাসিকোকে তারা রূপ দিয়েছিলেন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা দ্বৈরথে।
যদিও এখন দুজনেরই পথ ভিন্ন, তবুও তাদের তুলনা থেমে নেই।
২০২৬ বিশ্বকাপে এই দুই মহাতারকা কেবল ফাইনালেই মুখোমুখি হতে পারে।
ফলে শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে এখনও আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন মেসি ও রোনালদো।
এই আসরে ৬ গোল করে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে উঠে গেছেন মেসি।
সব মিলিয়ে বিশ্বকাপে তার গোলসংখ্যা এখন ১৯।
২০২২ সালে জেতা শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্যেও লড়ছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
অন্যদিকে, নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে ১০ গোল পূর্ণ করেছেন রোনালদো।
এই আসরে করা দুই গোলের সুবাদে তিনি বিশ্বকাপে পর্তুগালের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতাও হয়েছেন।
ক্যারিয়ারের একমাত্র অপূর্ণ বড় শিরোপা বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নও এখনও বাঁচিয়ে রেখেছেন তিনি।
শেষ ষোলোতে ৩ জুলাই ভোরে টরন্টো স্টেডিয়ামে ক্রোয়েশিয়ার মুখোমুখি হবে পর্তুগাল।
অন্যদিকে ৪ জুলাই মায়ামি স্টেডিয়ামে কেপ ভার্ডের বিপক্ষে খেলবে আর্জেন্টিনা।
এদিকে ক্যারিয়ারে ১,০০০ গোলের মাইলফলক স্পর্শের দৌড়ও এই ঐতিহাসিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার শেষ বড় অধ্যায়গুলোর একটি হতে পারে।
বর্তমানে রোনালদোর মোট গোল ৯৭৪টি, আর মেসির গোলসংখ্যা ৯১৬।
সবশেষে, অলিভার কানের মন্তব্য যেন ফুটবল বিশ্বের বহু কিংবদন্তির বিশ্বাসকেই আরও জোরালো করে।
ভক্তদের অন্তহীন তুলনা ও বিতর্কের বাইরে, মেসি ও রোনালদোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা অনন্য হয়ে থাকবে এই কারণে যে, তারা প্রায় দুই দশক ধরে একে অপরকে ছাড়িয়ে যাওয়ার লড়াইয়ে পুরো ফুটবলের মানই নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।
ধারাবাহিকতা, প্রতিযোগিতার মান এবং অসাধারণ পারফরম্যান্সের যে দৃষ্টান্ত তারা স্থাপন করেছেন, তা ভবিষ্যতে ছুঁয়ে ফেলা যে কোনো ফুটবলারের জন্যই হবে বড় চ্যালেঞ্জ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোباد) বলেছেন, ইসলামের পবিত্র নিদর্শন ও ধর্মীয় প্রতীকসমূহের মর্যাদা রক্ষা করা প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানি দায়িত্ব।
তিনি আরো বলেন, পবিত্র কালেমা খচিত পতাকা বা ইসলামের অন্যান্য ধর্মীয় প্রতীককে ঘিরে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি, অবমাননা কিংবা রাজনৈতিক অপব্যবহার কাম্য নয়। এ ধরনের যেকোনো অপচেষ্টা সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এবং জাতীয় ঐক্য বিনষ্টের কারণ হতে পারে। আলেম-ওলামা, শিক্ষাবিদ, তরুণ সমাজ এবং সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মানুষকে সচেতনতা বৃদ্ধিতে সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলার সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ‘পবিত্র কালেমা খচিত পতাকার সম্মান রক্ষায় আমাদের করণীয়’ শীর্ষক উলামায়ে কেরামের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ধর্মমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। মহান আল্লাহ তায়ালা ও তাঁর প্রিয় রাসূল হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রদর্শিত জীবনাদর্শের বাইরে ইসলামে নতুন কোনো মতবাদ, বিশ্বাস কিংবা অনুশীলনের স্থান নেই।’
মন্ত্রী বলেন, ধর্মীয় সব বিষয়ে পবিত্র কোরআন ও সহিহ সুন্নাহর আলোকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সা.)-এর আদর্শের বাইরে নতুন কোনো মতবাদ প্রতিষ্ঠার অপচেষ্টা দেশের মুসলিম উম্মাহ কখনো মেনে নেবে না; ঐক্যবদ্ধভাবে তা প্রতিহত করবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মুফতি মুহাম্মদ মুহিবুল্লাহিল বাকী নদভীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কওমি মাদ্রাসা, ইসলামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মুহতামিম, শায়খুল হাদিস, খতিব, মুফতি এবং বিশিষ্ট আলেম-ওলামাগণ অংশগ্রহণ করেন। সভায় পবিত্র কালেমা খচিত পতাকার মর্যাদা সংরক্ষণ, জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ়করণ, ইসলামের সঠিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ সমাজে প্রতিষ্ঠা এবং ধর্মীয় বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মতামত ও সুপারিশ উপস্থাপন করা হয়।
আলোচনায় অংশগ্রহণকারী দেশের বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন ও মুফাসসিরগণ বলেন, ধর্মপ্রাণ যুবসমাজ আন্তরিক ধর্মীয় অনুভূতি থেকে কালেমা খচিত পতাকা বহন করলেও পরবর্তীকালে একটি বিশেষ মহল এ বিষয়টিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং অপব্যাখ্যার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তারা বলেন, কোথাও কোথাও কালেমা খচিত পতাকাকে অনুপযুক্তভাবে ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানোর ঘটনাও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে ধর্মপ্রাণ যুবসমাজকে সতর্ক থাকতে হবে এবং ইসলামের পবিত্র প্রতীকসমূহের যথাযথ মর্যাদা রক্ষায় সবাইকে সচেতন ভূমিকা পালন করতে হবে।
বক্তারা আরো বলেন, দেশের শান্তি, সম্প্রীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতা বিনষ্টের উদ্দেশ্যে কোনো মহল যদি ধর্মীয় প্রতীককে ব্যবহার করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চায়, তবে আলেম সমাজ ও সচেতন মুসলিম জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে তা মোকাবিলা করবে। তাঁরা জাতীয় স্বার্থ, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও ইসলামের সুমহান আদর্শ সমুন্নত রাখতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সংলাপ অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ড. ওয়ালীয়ুর রহমান খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মাওলানা আব্দুল হামিদ (পীর সাহেব, মধুপুর), মাওলানা মিজানুর রহমান সাঈদ, অধ্যাপক মিজানুর রহমান (পীর সাহেব, দেওনা), মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা মনির হোসাইন কাসেমী, মাওলানা মোসাদ্দেক বিল্লাহ মাদানী, মাওলানা মহিউদ্দিন ইকরাম, মুফতি হারুন ইজহার, মুফতি আজহারুল ইসলাম, মাওলানা মীর ইদ্রিস, মুফতি শরিফ উল্লাহ, মুফতি ইমাদুদ্দিন, মুফতি মোহাম্মদ আলী, মাওলানা এজহারুল হক, মাওলানা মাহমুদুল হাসান গুণবী, মাওলানা আহমদ রফিকসহ দেশের বিশিষ্ট আলেম-ওলামাবৃন্দ।
সভায় বক্তারা ধর্মীয় মূল্যবোধ, নৈতিকতা, সামাজিক সম্প্রীতি, শান্তি ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম আরো গতিশীল ও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে আলেম সমাজ ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মধ্যে নিয়মিত মতবিনিময়, সমন্বয় এবং যৌথ উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান, যাতে ইসলামের সঠিক শিক্ষা ও মানবকল্যাণের বার্তা সমাজের সর্বস্তরে আরো কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়া যায়। অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি, মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি, অগ্রগতি এবং সব ধরনের ষড়যন্ত্র, বিভেদ ও অস্থিতিশীলতা থেকে দেশকে হেফাজতের জন্য বিশেষ দোয়া এবং মন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ