০৮:৫৪ পি.এম
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দুটি জেলায় দুই গৃহবধূর ব্যাংক হিসাব থেকে অস্বাভাবিক অঙ্কের টাকা দেখানোর একটি ঘটনা ঘটেছে।
এক নারীর ব্যাংক হিসাবে প্রায় ৭৬০ কোটি রুপি এবং আরেকজনের হিসাবে প্রায় ৭৪০ কোটি রুপি দেখা যায়।
ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, প্রথম ঘটনাটি মুর্শিদাবাদ জেলার লালগোলা থানার কালিকাপুর গ্রামে ঘটেছে। সেখানে বাসিন্দা সেরিফা খাতুন সেন্ট্রাল ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার একটি শাখায় অর্থ তুলতে গিয়ে তার হিসাবে ৭,৫৯৬,৯৫১,৯৫১ দশমিক ১৬ রুপি (প্রায় ৭৫৯ কোটি ৬৯ লাখ রুপি) দেখতে পান।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
পরিবার সূত্রে জানা যায় যে, তামিলনাড়ুতে কর্মরত তার দেওর সেরিফা খাতুনের হিসাবে ৩ হাজার রুপি পাঠিয়েছিলেন। সেই টাকা তুলতে গিয়ে তিনি অস্বাভাবিক এই ব্যালেন্স দেখতে পান।
সেরিফা খাতুন জানান, তাদের পরিবার আর্থিকভাবে অসচ্ছল। পরিবারে সদস্যরা ভিনরাজ্যে শ্রমিকের কাজ করেন। হঠাৎ হিসাবে এত বিপুল অর্থ দেখে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে তিনি বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও লালগোলা থানায় জানান।
এ ঘটনার কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে পুলিশ ও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। তবে ব্যাংকের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
একই দিনে আলিপুরদুয়ার জেলার ফালাকাটা ব্লকের উত্তর ধুলাগাঁও গ্রামেও এমন একটি ঘটনা ঘটে। সেখানে সরকারি প্রকল্পের টাকা জমা হয়েছে কি না, তা জানতে ব্যাংকে গিয়ে হিসাবের বিবরণী নেন স্বপ্না বর্মন। সেখানে তার হিসাবে প্রায় ৭৪০ কোটি রুপি দেখানো হয়।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার সঙ্গে কথা বলে এবং পুনরায় হিসাব যাচাই করার পরামর্শ দেয়। পরে আবার ব্যালেন্স পরীক্ষা করলে দেখা যায়, তার হিসাবের অর্থ ৭৪০ কোটি রুপি নয়, আগের মতো মাত্র ২০২ রুপি।
স্থানীয় প্রশাসন ও ব্যাংক সূত্রের প্রাথমিক ধারণা হলো, দুটি ঘটনাই প্রযুক্তিগত ত্রুটি বা সার্ভার সমস্যার কারণে ভুল ব্যালেন্স প্রদর্শনের ফল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন