ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে সম্মানজনক করতে কাজ করছে সরকার: মীর হেলাল


খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে সম্মানজনক করতে কাজ করছে সরকার: মীর হেলাল

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। খেলাধুলাকে শুধুমাত্র বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে নয়, বরং একটি সম্মানজনক পেশা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করাই সরকারের লক্ষ্য।

আজ বিকেলে চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে ‘চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান ক্রীড়া উৎসব-২০২৬’-এর ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল এসময় বলেন, তরুণদের খেলাধুলাকে ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নিতে সহায়ক করার লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে ক্রীড়া কার্ড চালু করেছে। পাশাপাশি, তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরি করতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-সহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগের ফলে দীর্ঘদিন ধরে স্থবির হয়ে থাকা দেশের ক্রীড়াঙ্গন আবারও প্রাণ ফিরে পাচ্ছে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

তিনি আরও বলেন, যুবসমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। এজন্য সরকার ক্রীড়াকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মাঠ, অবকাঠামো ও খেলোয়াড় উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান ক্রীড়া উৎসব-২০২৬-এর আহ্বায়ক ও সিজেকেএস কাউন্সিলর আবুল হাসেম বক্করের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিজেকেএস অ্যাড হক কমিটির সদস্য সচিব হাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন।

উদ্বোধনী ম্যাচে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন একাদশ ১-০ গোলে চট্টগ্রাম বন্দর ক্রীড়া সমিতি (সাদা) দলকে পরাজিত করে।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্বৃত্তের হামলায় নিহত কৃষকদল নেতার কবর জিয়ারতে উপস্থিত প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২৮ পি.এম


দুর্বৃত্তের হামলায় নিহত কৃষকদল নেতার কবর জিয়ারতে উপস্থিত প্রতিমন্ত্রী

বাগেরহাটে দুর্বৃত্তের হামলায় নিহত বারুইপাড়া ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি বাদল মোড়লের কবর জিয়ারত করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

শনিবার (৪ জুলাই) বিকেলে, বারুইপাড়া ইউনিয়নের আড়পাড়া গ্রামে অবস্থিত বাদল মোড়লের কবর জিয়ারত করেন তিনি। এসময়, বাগেরহাট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এটিএম আকরাম হোসেন তালিম, বিএনপি নেতা ফকির তারিকুল ইসলাম, আবুল কালাম আজাদ বুলু, নিয়াজ হোসেন শৈবালসহ বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কবর জিয়ারত শেষ করার পর, প্রতিমন্ত্রী নিহত বাদল মোড়লের বাড়িতে যান। সেখানে তিনি পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানান। প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার ও পরিবারের সদস্যদের সহায়তার আশ্বাস দেন।

উল্লেখ্য, ৯ জুন রাতে, বারুইপাড়া থেকে মোটরসাইকেলযোগে ফকিরহাট যাওয়ার পথে নিয়তির মাঠ এলাকায় দুর্বৃত্তের হামলায় নিহত হন কৃষক দল নেতা বাদল মোড়ল। বুধবার (১০ জুন) বিকেলে আড়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে নিহত কৃষকদল নেতা বাদলের দাফন সম্পন্ন হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফুটপাতে ঘুমিয়ে থাকা নারীকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩৩ পি.এম


ফুটপাতে ঘুমিয়ে থাকা নারীকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর বাজার এলাকায় ফুটপাথে ঘুমিয়ে থাকা এক নারীর ওপর ঘটে যাওয়া ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত খোকন (৫০)-কে আটক করেছে সদর দক্ষিণ মডেল থানা পুলিশ। এই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যাওয়ার পর জেলায় এক তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে আসার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ অভিযানে মাঠে নেমে অভিযুক্তকে আটক করে।

পুলিশের সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ জুন ভোরবেলা কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর বাজারের এলাকার একটি কনফেকশনারি দোকানের সামনে ফুটপাতে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটেছিল। কিন্তু শনিবার (৪ জুলাই) তারিখে সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে।

ভাইরাল হওয়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ভোর ৪টা ৮ মিনিটের সময় ফুটপাতে ঘুমিয়ে থাকা একজন মধ্যবয়সিনী নারীর কাছে সাদা শার্ট এবং লুঙ্গি পরা একজন ব্যক্তি এসে তাকে ধর্ষণ করছে। ঘটনার পরে অভিযুক্ত ব্যক্তি দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। কিছু সময় পর বাজারের একজন পাহারাদার ঘটনাস্থলে এসে নারীটিকে অবস্থা দেখতে পান।

ভিডিওটি বিশ্লেষণ করে পুলিশ সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর বাজারের সংলগ্ন দুর্গাপুর এলাকার দুলা মিয়ার ছেলে খোকন (৫০)-কে অভিযুক্ত হিসেবে শনাক্ত করে। স্থানীয় লোকজনের দাবি, তিনি এলাকায় জুয়া পরিচালনার সাথে যুক্ত এবং একজন পরিচিত চিহ্নিত জুয়াড়ি হিসেবে পরিচিত।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম জানান, ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং অভিযুক্তকে শনাক্ত করে। পরে শনিবার সন্ধ্যায় জেলার বরুড়া উপজেলার ঝলম এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

তিনি আরও জানান, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাকে রোববার কুমিল্লার আদালতে পাঠানো হবে।

এদিকে, সহকারী পুলিশ সুপার (সদর দক্ষিণ সার্কেল) মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস জানান, ভুক্তভোগী নারীর পরিচয় শনাক্ত করা, তার চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচতে থানায় বৃদ্ধ বাবা-মায়ের আশ্রয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩৬ পি.এম


নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচতে থানায় বৃদ্ধ বাবা-মায়ের আশ্রয়

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে বৃদ্ধ বাবা-মার ওপর শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন চালানোর অভিযোগে এক যুবককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

যুবকটির নাম আকরামুল ইসলাম (৩৪)। তিনি উপজেলার সাখুয়া ইউনিয়নের নওপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. সিরাজুল ইসলামের ছেলে। শনিবার (৪ জুলাই) এ নির্দেশনা দেন ত্রিশাল উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুর রহমান।

আদালতের নথি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালের বিবিধ ৫১/২৬ নম্বর মামলায় মাদক সেবন করে মারধরের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় আকরামুল ইসলামকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদেশ অনুযায়ী, তাকে ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে, আকরামুল ইসলামের ৮০ বছর বয়সী মা লুৎপুন্নাহার ত্রিশাল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, তার ছেলে দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত হয়ে বাড়িতে এসে তাকে এবং তার স্বামী সিরাজুল ইসলামকে মারধর করতেন। এছাড়া, ঘরবাড়ি ভাঙচুর, গালিগালাজ এবং নানাভাবে মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন।

ওসি মনসুর আহাম্মদের নেতৃত্বে, ত্রিশাল থানা পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আকরামুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে আদালত অভিযোগের সত্যতা পেয়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

ত্রিশাল থানার ওসি মনসুর আহাম্মদ জানান, ভুক্তভোগী লুৎপুন্নহার যখন ত্রিশাল থানায় লিখিত অভিযোগ করেন, তখন আমি বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) জানিয়েছি। পরে আকরামুল ইসলামকে হাজির করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঐতিহ্যবাহী মাদুর শিল্প বাঁচাতে সরকারি সহায়তা চায় সাতক্ষীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩৯ পি.এম


ঐতিহ্যবাহী মাদুর শিল্প বাঁচাতে সরকারি সহায়তা চায় সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী পরিবেশবান্ধব মাদুর শিল্প বর্তমানে বিলুপ্তির পথে। ন্যায্য দাম না পাওয়ার কারণে অনেকেই এ পেশা ত্যাগ করে দিচ্ছেন। তবে, অনেক মানুষ পিতৃপুরুষের ঐতিহ্য ধরে রাখতে এই শিল্পের সাথে জড়িয়ে আছেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিবেশবান্ধব এই শিল্পটি টিকিয়ে রাখার জন্য সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন।

জানা যায়, এককালে সাতক্ষীরা জেলা মাদুর শিল্পের জন্য বিখ্যাত ছিল। আশাশুনি উপজেলার বড়দল, কুল্যা এবং কাদাকাটি ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ‘মেলে ঘাস’ প্রচুর পরিমাণে জন্মাতো। স্থানীয় লক্ষাধিক মানুষের জীবনধারণের উৎস ছিল এই শিল্প।

দক্ষিণ খুলনার এক সময়ের বৃহত্তম হাট ছিল বড়দল। সেখানে প্রচুর মাদুর বিক্রি হতো পাইকারি দামে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ এসে এই হাটে মাদুরসহ বিভিন্ন সওদা করে নিয়ে যেতো। বুধহাটা হাটেও একসময় ব্যাপক মাদুর বিক্রি হতো। প্রতি রোববার বড়দল হাটে এবং শুক্রবার ও সোমবার বুধহাটা হাটে বসতো মাদুরের হাট। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মাদুর কারিগররা প্রতি সপ্তাহে তাদের তৈরি করা মাদুর এনে পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করতেন। এসব মাদুর চলে যেত খুলনা, যশোরসহ আশেপাশের বিভিন্ন জায়গায়। কিন্তু, এখন আর আগে মতো এসব হাটে প্রচুর মাদুর বিক্রি হয় না।

বর্তমানে খাটের ওপর তোষক, বিছানার চাদর এবং প্লাস্টিকের মাদুরের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় মাদুর শিল্পের কদর কমেছে। তবে, আশাশুনি ও তালা উপজেলার কিছু কিছু এলাকায় মানুষ পারিবারিক ঐতিহ্য রক্ষার জন্য এখনও মাদুর বোনার কাজে জড়িত রয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এই শিল্পটিকে টিকিয়ে রাখতে নারীদের অবদানই বেশি। আশাশুনি ও তালা উপজেলার প্রায় তিনশ পরিবারের আয়ের উৎস এই মাদুর বুনন। যদিও চাক্যচিক্য কমেছে, তাও মেলে ঘাসের মাদুর পরিবেশ বান্ধব। আর এই পরিবেশবান্ধব শিল্পটিকে টিকিয়ে রাখতে জরুরি সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা।

আশাশুনি উপজেলার বড়দল গ্রামের মাদুর কারিগর সুধীর মন্ডল বাসসকে জানিয়েছেন, "এই মাদুর বিক্রি করে সংসার চালাই। ছেলের লেখাপড়ার খরচ যোগাই। কিন্তু, বাইরে থেকে মাদুর আসার কারণে, আগের চেয়ে মাদুরের দাম কম পাচ্ছি। লাভ তেমন নেই। তাতেই এ পেশা ধরে রেখেছি। বয়স হয়েছে। এটা ছাড়া অন্য কিছু করতে পারি না।"

তিনি জানিয়েছেন, "মাদুর বুনে এখন আর আগের মতো লাভ নেই। মেলে ঘাস কিনতে হয় বাকীতে। মাদুর বেচে সেই মেলে ঘাসের দাম দিতে হয়। আগে প্রচুর মেলে বা পাতি উৎপাদন হতো, কিন্তু এখন আর হয় না।"

তিনি আরো বলেন, "একটি ছোট আকারের মাদুর তৈরি করতে খরচ হয় ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, বিক্রি হয় ৩০০ থেকে সর্বোচ্চ ৩৫০ টাকায়। বড় সাইজের মাদুর তৈরি করতে খরচ পড়ে যায় ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, যা বিক্রি হয় ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকায়। লাভ খুবই সীমিত। অল্প কিছু থাকে, সেই দিয়ে সংসার চালাতে হয়। বাড়িতে মাদুর তৈরি করে বড়দল বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করি।"

সুধীর মন্ডলের স্ত্রী সরলা রাণী মন্ডল জানিয়েছেন, "সংসারের কাজের পাশাপাশি আমি স্বামীর কাজে সহযোগিতা করি। তবে, এই পেশায় থেকে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।"

কচুয়া গ্রামের মাদুর ব্যবসায়ী লুৎফর মোড়ল জানিয়েছেন, "বড়দল, খাজরা, বাইনতলা সহ বিভিন্ন বাজার থেকে পাইকারি মাদুর কিনে সেটি সাতক্ষীরা, পাটকেলঘাটা ও খুলনায় বিক্রি করি। মাদুরের আগের মতো চাহিদা নেই। লাভও এখন খুবই কম।"

বিসিক শিল্পনগরী সাতক্ষীরার উপ-ব্যবস্থাপক গৌরব দাস বাসসকে বলেছেন, "বিসিক সাধারণত ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের নিয়ে কাজ করে। সাতক্ষীরার মাদুর শিল্পটি এক সময়ে অনেক নামকরা ছিল। মাদুর শিল্পকে আরো কিভাবে আধুনিকায়ন করা যায়, সে লক্ষ্যে আমরা প্রশিক্ষণ এবং ঋণ সহায়তার আওতায় আনতে পারি এবং এই মাদুর শিল্পের বাজার সম্প্রসারণ করেও কাজ করছি।

 

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%