ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পটুয়াখালীতে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করা হয়েছে, ধ্বংস করা হয়েছে


পটুয়াখালীতে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করা হয়েছে, ধ্বংস করা হয়েছে

পটুয়াখালী, ২০ জুলাই, ২০২৬ : বাউফল উপজেলার মৎস্য বিভাগ অভিযান চালিয়ে ১৫০টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করেছে। পরবর্তীতে এসব জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

আজ সোমবার বিকেল ৪টার দিকে বাউফল উপজেলা মৎস্য অফিসের প্রধান ফটকের সামনে জব্দকৃত জালগুলো পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

উপজেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন বর্ষাপ্লাবিত ধানক্ষেত, বিল ও খালে পরিচালিত অভিযানের অংশ হিসেবে এসব নিষিদ্ধ জাল জব্দ করা হয়। ১৫০টি জালের আনুমানিক বাজারমূল্য ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

এই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা (ডিএফও) তপন মজুমদার, বাউফল উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এম. এম. পারভেজ এবং নৌপুলিশের সদস্যরা।

মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহারের ফলে দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও জলজ জীবের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। এই অভিযানের উদ্দেশ্য হল মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং প্রাকৃতিক জলাশয়ে মাছের অবাধ বিচরণ ও প্রজনন নিশ্চিত করা, যার জন্য এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুবির এফএমআরটি ডিসিপ্লিনের হ্যাচারিতে দেশীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪১ পি.এম


খুবির এফএমআরটি ডিসিপ্লিনের হ্যাচারিতে দেশীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে

খুলনা, ২০ জুলাই, ২০২৬ : খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি)-এর রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন সেন্টারের অর্থায়নে ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি (এফএমআরটি) ডিসিপ্লিনের হ্যাচারিতে উৎপাদিত দেশীয় প্রজাতির টেংরা ও শিং মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে।

এফএমআরটি ডিসিপ্লিন পরিচালিত ‘জিন ব্যাংক ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রিসার্চ ক্যাপাবিলিটি এনহ্যান্সমেন্ট অব স্মল ইন্ডিজিনাস ফিশ স্পিসিজ’ শীর্ষক সাব-প্রকল্পের আওতায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন সংলগ্ন পুকুরে প্রথমে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।

খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আজ এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এরপর পর্যায়ক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য জলাশয়েও দেশীয় প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।

সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান অনুষ্ঠানটিতে দেশীয় ক্ষুদ্র মাছের জিনগত বৈচিত্র্য সংরক্ষণ, টেকসই প্রজনন প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং গবেষণাভিত্তিক মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনায় এ ধরনের প্রকল্পের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আরও অনেকে, যেমন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. হারুনর রশীদ খান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. নূরুন্নবী, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান, এফএমআরটি ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের মুখ্য গবেষক প্রফেসর ড. মো. গোলাম সরোয়ার, খানজাহান আলী হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. মো. খসরুল আলম, খান বাহাদুর আহছানউল্লা হলের প্রভোস্ট প্রফেসর শরীফ মোহাম্মদ খানসহ ডিসিপ্লিনের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) আবু সালেহ মো. পারভেজ এবং এস্টেট শাখা প্রধান এস এম মোহাম্মদ আলী সহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নওগাঁয় ধ্বংস করা হলো ১৬ হাজার ৬১ বোতল ফেন্সিডিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪২ পি.এম


নওগাঁয় ধ্বংস করা হলো ১৬ হাজার ৬১ বোতল ফেন্সিডিল

নওগাঁ, ২০ জুলাই ২০২৬ : নওগাঁ জেলা প্রশাসন বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিল ধ্বংস করেছে। আজ দুপুর ১টার দিকে নওগাঁ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে রোলার ব্যবহার করে এই মাদক দ্রব্য ধ্বংস করা হয়।

এই সময় নওগাঁ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ভারপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট (মালখানা) আরেফিন রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মনিরুল ইসলামসহ পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, কয়েক বছর ধরে জেলার বিভিন্ন এলাকার মাদককারবারিদের কাছ থেকে এই ফেন্সিডিলগুলো জব্দ করে রাখা হয়েছিল। মামলার পরে এসব বোতল মালখানায় সংরক্ষণ করা হয়েছিল। আজ জেলা ফায়ার সার্ভিস টিমের সহযোগিতায় এসব মাদক ধ্বংস করা হলো।

নওগাঁ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ভারপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট (মালখানা) আরেফিন রহমান বলেন, ২০১৫ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত (৬ বছর) ১৫১টি মামলায় এই মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছিল। মোট ১৬ হাজার ৬১ পিস ফেন্সিডিল ছিল। আজ সবার উপস্থিতিতে এসব মাদক ধ্বংস করা হলো।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাতক্ষীরার জলাবদ্ধতা নিরসনে ঘের মালিকদের প্রতি প্রশাসনের সতর্কতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪৫ পি.এম


সাতক্ষীরার জলাবদ্ধতা নিরসনে ঘের মালিকদের প্রতি প্রশাসনের সতর্কতা

সাতক্ষীরা, ২০ জুলাই, ২০২৬ : টানা ২০ দিনের বৃষ্টির ফলে সাতক্ষীরা পৌরসভাসহ সদর উপজেলার নিম্নতল অঞ্চল ব্যাপক জলাবদ্ধতার কবলে পড়েছে। জলাবদ্ধতার কারণে ইটাগাছা এলাকার বাসিন্দাদের চলাচল করতে হচ্ছে ভেলায়। বাজার করা, গবাদিপশুর খাবার সংগ্রহ করা, শিশুদের স্কুলে নিয়ে যাওয়া কিংবা অন্যান্য জরুরি কাজ সবকিছুই করতে হচ্ছে ভেলায়।

এদিকে জলাবদ্ধতার জন্য স্যানিটেশন ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ভেঙে পড়েছে। কিছু বাড়ি ডুবে গেছে। ফলে পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়েছে। পৌরসভার অচল হয়ে পড়া ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং শহরতলিতে পরিকল্পনাহীনভাবে মাছের ঘের গড়ার কারণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে বলে বিভিন্ন ভুক্তভোগী জানান।

অতিবৃষ্টির কারণে জেলায় দুই শতাধিক মৎস্য ঘেরে কোটি টাকার মাছ ভেসে গেছে বলে অভিযোগ রয়েছে ঘের মালিকদের। এছাড়া, ৬ হাজার হেক্টর জমির আউশ ধান ও সবজির ক্ষেত প্রবল বর্ষণে তলিয়ে গেছে।

সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিকার আলী রিপন বাসসকে জানান, গত ১ জুলাই থেকে ২০ জুলাই ভোর ৬ টার মধ্যে জেলায় মোট ৪৬৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা পৌরসভার ইটাগাছা এলাকার বাসিন্দা ও জেলা নাগরিক কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব আলীনুর খান বাবুল বলেন, অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকার কারণে প্রতিবছর জলাবদ্ধতার কারণে জনদুর্ভোগ বাড়ছে। পৌরসভার মধ্যে কোনো মৎস্য ঘের করার নিয়ম নেই; তবুও কিছু ব্যক্তি আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে মৎস্য ঘের করে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে রেখেছে। এ কারণে পৌরসভার এক তৃতীয়াংশ পানির নিচে রয়েছে।

তিনি মন্তব্য করেন, শহরের পানি নিষ্কাশনের জন্য যথাযথ ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকার পাশাপাশি নদী-খাল খনন ও দখলের পরিকল্পনার অভাবের কারণে মানুষ বছরের পর বছর জলাবদ্ধতায় ভুগছে। ইতোমধ্যে টানা বর্ষণের ফলে পৌরসভার ইটাগাছা, কামান নগর, কুখরালী, রসুলপুর, মেহেদিবাগ, মধু মোল্লার ডাঙ্গী, বকচরা, বাঁকাল, পলাশপোল, রইচপুর, পুরাতন সাতক্ষীরা, রাজার বাগান, বদ্দিপুর কলোনি, ঘুটির ডাঙ্গী এবং কাটিয়া মাঠ পাড়াসহ নিম্নাঞ্চলের বিস্তৃত এলাকা তলিয়ে গেছে। জলাবদ্ধতায় সাতক্ষীরার নিম্নাঞ্চলের হাজার হাজার পরিবার আটকা পড়েছে।

আলীনুর খান বলেন, কিছু লোক পানি নিষ্কাশনের পথে বাধা দিয়ে পরিকল্পনাহীনভাবে মৎস্য ঘের প্রতিষ্ঠা করার ফলে এবং নদী ও খালের নেভাচ্চন করার জন্য জলাবদ্ধতা ঘটেছে।

বদ্দীপুর কলোনি এলাকার বাসিন্দা জবেদা খাতুন মন্তব্য করেন, বিগত এক যুগ ধরে তারা জলাবদ্ধতার শিকার। বৃষ্টি হলেই এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। রান্না-বান্না করতে সমস্যা হয়। ছেলে-মেয়েরা বিদ্যালয়ে যেতে পারে না। পৌরসভার মধ্যে বসবাস করেও তারা কোনো নাগরিক সেবা পাচ্ছেন না।

রইচপুর এলাকার বাসিন্দা শাহিনুর রহমান জানান, রইচপুরের নিম্ন অংশে একাধিক মাছের ঘের রয়েছে। এই ঘেরগুলোর কারণে পানির নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা নেই, ফলে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এই অবস্থা থাকার কারণে পানির গুণগত মান খারাপ হয়ে ঘরে ঘরে চর্মরোগ দেখা দিয়েছে।

জেলা নাগরিক অধিকার উন্নয়ন কমিটির সহ-সভাপতি ডা. আবুল কালাম বাবলা জানান, শহরের মধ্যে বাবরের বাইরে ভবন নির্মাণ এবং শহরতলিতে যত্রতত্র মৎস্য ঘের তৈরি জলাবদ্ধতার মূল কারণ। জলাবদ্ধতার কারণে স্কুল-কলেজে যাওয়া ছাত্র-ছাত্রীরা বিপাকে পড়ছে। জলাবদ্ধতা দূর করার জন্য খালগুলো গভীর করে খনন এবং খাল থেকে জাল-যন্ত্র অপসারণের সুপারিশ করেছেন তিনি।

সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রুহুল আমিন জানান, অতিবৃষ্টির কারণে জেলার ৬৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয় জলাবদ্ধতার মধ্যে পড়েছে। এর মধ্যে আশাশুনি উপজেলায় ২০টি, কলারোয়ায় ১০টি, তালায় ১টি, শ্যামনগরে ১২টি এবং সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় ২০টি বিদ্যালয় জলাবদ্ধতার কারণে বিপর্যস্ত হয়েছে। বিদ্যালয়ের চেয়ার ও বেঞ্চ ডুবে যাওয়ায় ক্লাস চালানো খুব কঠিন হয়ে পড়েছে। তবুও শিশুদের কথা চিন্তা করে শিক্ষকেরা কষ্ট করে হলেও ক্লাস পরিচালনা করছেন। সদর উপজেলার বাগডাঙ্গি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস পরিচালনা করতে পারেননি শিক্ষকেরা।

জেলা মৎস্য অফিসার জিএম সেলিম বাসসকে জানান, বৃষ্টির পানিতে জেলার দুই শতাধিক মৎস্য ঘের ভেসে গেছে, যার আনুমানিক ক্ষতি প্রায় কোটি টাকা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সাইফুল ইসলাম জানান, জেলায় ৬ হাজার হেক্টর আউশ ধানের ক্ষতি হয়েছে এবং কিছু সবজির ক্ষেত পচে গেছে।

সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ জানান, ইতোমধ্যে পানি নিষ্কাশনের জন্য নেট-পাটা অপসারণসহ পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হচ্ছে। তিনি জানান, চিংড়ি চাষের স্বার্থে খালে নেট-পাটা বসিয়ে যারা পানি প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করছেন, তাদের তা স্বেচ্ছায় অপসারণ করতে হবে। অন্যথায় প্রশাসন আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।

তিনি বলেন, কিছু ঘের মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে যে, তারা চিংড়ি চাষের জন্য খালের স্বাভাবিক গতিপথ বাধাগ্রস্ত করে লাখো মানুষের দুর্ভোগের কারণ হয়েছে। তাদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হচ্ছে, আপনারা তাড়াতাড়ি নিজেদের দায়িত্বে ঘের ও খালের অবৈধ বাঁধ এবং নেট-পাটা খুলে দিতে হবে। যদি খালের পানি প্রবাহে বাধাসৃষ্টির কোনো তথ্য বা প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা নেবে এবং আইনগতভাবে যা প্রয়োজন তা সম্পন্ন করবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাতক্ষীরা সীমান্তে ভারতীয় মালামালসহ একজন আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪৭ পি.এম


সাতক্ষীরা সীমান্তে ভারতীয় মালামালসহ একজন আটক

সাতক্ষীরা, ২০ জুলাই, ২০২৬ : জেলায় আজ সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া উপজেলার সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযানকালে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, ওষুধ, গাঁজা ও নেশাজাতীয় সিরাপ প্রভৃতি জব্দ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় মো. আল আমিন বিশ্বাস (৩১) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বিজিবি।

আজ সোমবার সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া উপজেলার ঘোনা, মাদরা, ভোমরা, কাঁকডাঙ্গা, বৈকারী ও ঝাউডাঙ্গা বিওপির আওতাধীন বিভিন্ন সীমান্ত থেকে এসব মালামাল জব্দ করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ঘোনা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল সাতক্ষীরা সদর উপজেলার দাঁতভাঙ্গা নামক স্থান হতে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, মাদরা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল কলারোয়া উপজেলার রাজপুর ও উত্তর ভাদিয়ালী নামক স্থান হতে ১৯৯ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় উইন কোরেক্স সিরাপ ও ২১ বোতল ভারতীয় ইস্কাফ সিরাপ, ভোমরা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কানপাড়া নামক স্থান হতে ১১ বোতল ভারতীয় উইন কোরেক্স সিরাপ, বৈকারী বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল একই উপজেলার গরির মাঠ নামক স্থান হতে ৫৫ বোতল ভারতীয় উইন কোরেক্স সিরাপ এবং ঝাউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্প এর পৃথক দু’টি আভিযানিক দল হঠাৎগঞ্জ ও চায়নার মোড় নামক স্থান হতে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ জব্দ করে।

এছাড়া, কাঁকডাঙ্গা বিওপি বিশেষ আভিযানিক দল কলারোয়া উপজেলার গেড়াখালি নামক স্থান হতে ভারতীয় ওষুধ এবং কাঁকডাঙ্গা মোড় নামক স্থানে হতে মো. আল আমিন বিশ্বাস নামের এক ব্যক্তিকে ভারতীয় ইয়াবা ও গাঁজা সহ হাতেনাতে আটক করে। আটককৃত মো. আল আমিন বিশ্বাস জেলার কলারোয়া উপজেলার হঠাৎগঞ্জ গ্রামের মৃত মনসুর আলী বিশ্বাসের ছেলে।

জব্দকৃত এসব ভারতীয় মালামলের সর্বমোট বাজার মূল্য আনুমানিক আট লাখ ৮৮ হাজার টাকা বলে বিজিবি সূত্রে জানা যায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বিজিবি’র সাতক্ষীরা ব্যাটেলিয়নের (৩৩ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান জানান, জব্দকৃত ভারতীয় মালামাল সাতক্ষীরা কাস্টমসে জমা দেয়া হয়েছে। এছাড়া, জব্দকৃত মাদকদ্রব্য সাতক্ষীরা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে সাধারণ ডায়েরী করে পরবর্তীতে জনসম্মুখে ধ্বংসের নিমিত্তে বিজিবি স্টোরে জমা রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%