ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব নবীনদের বরণ করে নিল


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব নবীনদের বরণ করে নিল

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বেলা ১১টায় সংগঠনটির নিজস্ব কার্যালয়ে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারা নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেয়।

অনুষ্ঠানে রাবি প্রেসক্লাবের সভাপতি আশিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন কলা অনুষদের সাবেক ডিন ও প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ফজলুক হক, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক এস এম কামরুজ্জামান, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোজাম্মেল হোসেন বকুল, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মনির হোসেন মাহিন, ডালিম হোসেন শান্ত ও সফিকুল ইসলাম এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক মারুফ হোসেন মিশন।

এসময় জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক ড. এস এম কামরুজ্জামান নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সাংবাদিকতা বিভাগসহ বাইরের বিভাগ থেকে আজকের এই নবীন বরণ অনুষ্ঠানে যারা এসেছেন, তাঁদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ। যারা সাংবাদিকতা করেন, তাঁদের রাষ্ট্রের প্রতি অনেক বড় দায়িত্ব রয়েছে। সাংবাদিকতা করলে প্রথমদিন থেকেই বাস্তব দক্ষতা অর্জন করা যায়। পড়ালেখা শেষে কর্মক্ষেত্রে গেলে সেই দক্ষতার মূল্য আরও ভালোভাবে উপলব্ধি করা সম্ভব।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সাংবাদিকতা একটি অত্যন্ত কঠিন পেশা। ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কারণে এই পেশা আরও চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠেছে। দ্রুত সংবাদ প্রকাশের পাশাপাশি নির্ভুল তথ্য উপস্থাপন এখন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই সংবাদ প্রকাশের আগে অবশ্যই তথ্য যাচাই-বাছাই করতে হবে। আপনাদের কারণে যেন অকারণে কারও কোনো ক্ষতি না হয়, সেদিকে সবসময় খেয়াল রাখতে হবে।

রাবি প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ফজলুক হক বলেন, অনেক প্রতিকূলতা পেরিয়ে যারা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পাশাপাশি রাবি প্রেসক্লাবের নবীন বরণে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন, তাঁদের সবাইকে অভিনন্দন। ক্যাম্পাস জীবনে শুধু পড়াশোনার মধ্যেই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। নেতৃত্বের গুণ, যোগাযোগ দক্ষতা এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য সাংবাদিকতা একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

তিনি আরও বলেন, সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে সহশিক্ষা কার্যক্রমের কোনো বিকল্প নেই। যারা সাংবাদিকতা শিখতে বা এই পেশায় কাজ করার আগ্রহ রাখে, তাঁদের সবাইকে রাবি প্রেসক্লাবে এসে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধান আলোচকের বক্তব্যে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোজাম্মেল হোসেন বকুল বলেন, আমার গর্ববোধ হয়, যখন দেখি আমার শিক্ষার্থীরাই বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নানা দায়িত্ব পালন করছে। আমরা সাংবাদিকতা করব শুধু খবরের পেছনে দৌড়ানোর জন্য নয়; আমাদের সমাজকে চিনতে হবে, রাষ্ট্রকে চিনতে হবে। আমরা যদি কাঙাল হরিনাথকে না চিনি, যদি মোনাজাত উদ্দীনকে না চিনি, তাহলে সাংবাদিকতার শেকড়কেই চিনতে পারব না। তাই তাঁদের বিষয়ে জানতে হবে, তাঁদের নিয়ে আলোচনা করতে হবে এবং তাঁদের বই ও প্রতিবেদন নিয়ে চর্চা করা উচিত। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা বিষয় নিয়ে রিপোর্ট করতে হয়, তাই একজন সাংবাদিকের বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তৃত ধারণা থাকা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

তিনি আরও বলেন, নৈতিকতার জায়গা থেকে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে একটি অবক্সয় দেখা দিয়েছে। এখন মানুষ মানুষকে সম্মান দিয়ে কথা বলে না। লেখা কিংবা কথার মাধ্যমে অন্যের অসম্মান করার প্রবণতা বেড়েছে। কিছু দুর্নীতিগ্রস্ত গোষ্ঠী নিজেদের স্বার্থে গণমাধ্যমকে ব্যবহার করে। তাই কেউ যেন আমাকে ব্যবহার করে অন্য সুবিধা আদায় করতে না পারে কিংবা সমাজের ক্ষতিকর কোনো কাজে সম্পৃক্ত করতে না পারে, সেদিকে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। আমাকে এখানে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য প্রেসক্লাবকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

সমাপনী বক্তব্যে সভাপতি আশিকুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সাংবাদিকতা একটি অনন্য দক্ষতা। অ্যাকাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি আমরা নিজেদের আগ্রহ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কল্যাণে এই স্বেচ্ছাসেবী কাজ করি। সাংবাদিকতা করতে গিয়ে নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়। তবে ঐক্যবদ্ধভাবে সেগুলো মোকাবিলা করে আমরা নিজেদের অধিকারও আদায় করি।

তিনি আরও বলেন, আমি চাই তারাই সাংবাদিকতায় আসুক, যাদের সত্যিকারের আগ্রহ রয়েছে এবং যারা এটিকে নিজের ক্যারিয়ারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মনে করে। আজ যারা নবীন বরণে অংশ নিয়েছেন, ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার এই যাত্রায় আমরা আপনাদের সহযোগী, সহযাত্রী ও সহকর্মী হিসেবে পাশে থাকতে চাই এবং অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে চাই।

অনুষ্ঠানে প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের জিসানের সঞ্চালনায় সহসভাপতি মারুফ হোসেন মিশন ও মিরাজ আফ্রিদি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু ছালেহ শোয়েব, কোষাধ্যক্ষ ফজলে রাব্বি পরশ, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ফাহমিদুর রহমান ফাহিম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মীর তুহিন, দপ্তর সম্পাদক আবু বকর অনিক, ক্রীড়া সম্পাদক সৈয়দ মাহিনসহ কার্যনির্বাহী ও সাধারণ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

প্রসঙ্গত, এবারও সাংবাদিকতায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত আহ্বান জানায় প্রেসক্লাব। এতে প্রায় ২০০ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধন করেন। তাঁদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ৫০ জন শিক্ষার্থীকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে যা বললেন দীঘি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২৭ পি.এম


প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে যা বললেন দীঘি

শোবিজের দুনিয়ায় একাধিকবার প্রেমের গুঞ্জনে নাম জড়িয়েছে অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দীঘির। নিজের ব্যক্তিজীবন, ভালোবাসা ও সম্পর্ক নিয়ে এতদিন তিনি প্রকাশ্যে কোনো উত্তর দেননি। তবে এবার সেই প্রসঙ্গে তিনি মুখ খুলেছেন।

একটি পডকাস্টে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে দীঘি ব্যক্তিজীবন, ভালোবাসা ও সম্পর্ক প্রসঙ্গে খোলামেলা কথা বলেছেন। নায়িকার কাছে তার প্রেমজীবন সম্পর্কে জানতে চাইলে দীঘি জানান, "আমি কখনো প্রেমের সম্পর্কে জড়াইনি। এমনকি, সুযোগ থাকা সত্ত্বেও সচেতনভাবেই কোনো সম্পর্কে যাইনি।"

এক্ষেত্রে এর কারণটি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, "স্কুলজীবন থেকেই পরিবারের কড়া নজরদারিতে বড় হয়েছি। ক্লাস সিক্সে ওঠার পর থেকেই আমার চলাফেরায় বিভিন্ন ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। পরিবারের সদস্যরা নিয়মিত স্কুল কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে আমার খোঁজখবর নিতেন। এসএসসি পরীক্ষার পূর্ব পর্যন্ত মোবাইল ফোনও ব্যবহার করতাম না।"

দীর্ঘদিন এমন নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে বেড়ে ওঠার কারণে প্রেম করার মতো সুযোগ কিংবা মানসিক পরিসর কোনোটিই তৈরি হয়নি।

ক্যারিয়ারে একসময় তার সম্পর্কে কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি এবং পরে মুহাইমিন রাশিদ নামে এক তরুণের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে তিনি সেগুলোকে শুধুমাত্র গুঞ্জন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। দীঘি জানিয়েছেন, "তৌহিদ আফ্রিদি ও মুহাইমিন রাশিদের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জনের কোনো ভিত্তিই নেই। কারণ তাদের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল শুধুই বন্ধুত্বের।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিজের বক্তব্য স্থগিত রেখে নবীন শিক্ষার্থীকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ করে দিলেন ছাত্রদল নেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৩০ পি.এম


নিজের বক্তব্য স্থগিত রেখে নবীন শিক্ষার্থীকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ করে দিলেন ছাত্রদল নেতা

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজন করা ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব নিজে বক্তব্য থামিয়ে এক নবীন শিক্ষার্থীকে কথা বলার সুযোগ করে দেন।

বুধবার (১৫ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্মিত টিএসসি ভবনের অডিটোরিয়ামে এই ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও ওরিয়েন্টেশন বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)-এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনের সংসদ সদস্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ডা. মাহাবুবুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন।

অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে মঞ্চে বক্তব্য দিতে ওঠেন হাবিবুর রহমান হাবিব। তিনি নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রশ্ন রাখেন, আপনারা ছাত্রদলের কাছে কী প্রত্যাশা করেন, কেমন ছাত্ররাজনীতি চান? তার এই বক্তব্যের পরপরই এক নবীন শিক্ষার্থী মঞ্চে উঠেন। সঙ্গে সঙ্গে হাবিব নিজে তার স্থান ছেড়ে তাকে কথা বলার সুযোগ দেন।

নবীন শিক্ষার্থীটি ছাত্রদল নেতার কাছে তার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে যেমন সিট বাণিজ্য, দখলদার, চাঁদাবাজি, নেতাবাজি, অপসংস্কৃতি, এবং অপরাজনীতি হয়, আমাদের এই বিশ্ববিদ্যালয়ে যেন তা না হয়।

এরপর পুনরায় বক্তব্য শুরু করেন ছাত্রদল নেতা হাবিব। তিনি বলেন, আমাদের বিশ্বাস ‘আমি’ থেকে ‘আমরা’ এই দর্শনেই এগিয়ে যাবে আমাদের পথচলা। প্রিয় শিক্ষার্থীরা, আমি আপনাদের একটি প্রতিশ্রুতি দিতে চাই, ছাত্রদল এমন কোনো কাজ করবে না যাতে আপনাদের আতঙ্কিত হতে হয়। ছাত্রদল এমন কিছু করবে না যাতে আপনাদের ভয় লাগে। ছাত্রদল এমন কিছু করবে না যাতে আপনাদের আমাদের এড়িয়ে চলতে হয়। আমরা এমন রাজনীতি করতে চাই, যা আপনাদের আস্থা অর্জন করবে, আপনাদের পাশে থাকবে এবং আপনাদের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন ও ওরিয়েন্টেশন উপ-কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. আশরাফুল আলম। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে একটি করে ফোল্ডার, নোটবুক, কলম এবং অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রদান করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাইয়ের ৫৯ মামলায় নিরপেক্ষ তদন্ত শেষে চার্জশিট দেওয়া হবে: ডিবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৩৪ পি.এম


জুলাইয়ের ৫৯ মামলায় নিরপেক্ষ তদন্ত শেষে চার্জশিট দেওয়া হবে: ডিবি

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম বলেছেন, সংস্থার গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) জুলাই আন্দোলন সংশ্লিষ্ট ৫৯টি মামলায় প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেবে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জুলাই মামলার অগ্রগতির বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কথা বলেন।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, প্রতিটি মামলায় বিপুল সংখ্যক আসামি থাকায় তাদের অবস্থান, ভূমিকা এবং ফরেনসিক তথ্য-প্রমাণ যাচাই করে ধাপে ধাপে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

জুলাই আন্দোলনের ঘটনায় ডিবির তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে অতিরিক্ত কমিশনার আরও বলেন, ডিবিতে ৫৯টি মামলা তদন্ত করা হচ্ছে। প্রতিটি মামলায় আসামির সংখ্যা অনেক। তাদের অবস্থান শনাক্ত করা এবং কার কী অবস্থান ছিলো সেগুলো দেখার বিষয় আছে। ফরেনসিকের বিষয় আছে। সবকিছু নিয়ে ধাপে ধাপে কাজ করা হচ্ছে। এ আন্দোলনের প্রায় ৪০ জিবি ডাটা আছে। আমরা অত্যন্ত সিরিয়াসের সঙ্গে মামলাগুলো নিয়ে কাজ করছি। আইনের ভেতরে থেকে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রতিবেদন দেয়া হবে।

জুলাই আন্দোলন ঘিরে শুধুমাত্র ডিএমপিতেই শত শত মামলা ভুয়া হয়েছে। এমনও হয়েছে যে এক ঘটনায় তিনটা চারটা মামলা এবং এটা নিয়ে বিজনেস হয়েছে। যেহেতু দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবস্থা বা চার্জশিট করবেন। যারা মামলা বাণিজ্য করেছে তাদের তালিকা করে কোনো ব্যবস্থা নেবেন?

এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেসব মামলা হয়েছে আপনারা জানেন এ মামলাগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মামলা যে রকম আমরা এখানে দেখি আমাদেরকে বৃহৎ প্রচারে একটা মনিটরিং সেল আছে। ১৫ দিন পরপরই মামলাগুলো নিয়ে আলোচনা হয়। পুলিশ সদরদফতরেরও মনিটরিং সেল আছে। সেখানেও মামলাগুলো যাচাই-বাছাই হয়। কেউ যদি ভিন্ন উদ্দেশ্য নিয়ে মামলা করে থাকেন আমরা তাতে সায় দেব না। আমি আপনাদেরকে নিশ্চয়তা দিচ্ছি যে, মামলাগুলো সঠিকভাবে তদন্ত করে একমাত্র দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হবে।

মামলা তদন্তে কোনো সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, অনেকগুলো সমস্যা। একটা বিশাল ডাটা বিশ্লেষণের বিষয় আছে। আবার আসামির সংখ্যা অনেক। আবার একেক ঘটনায় একেক রকম আসামি করা হয়েছে। সব জিনিসগুলো যাচাই বাছাই করতে হচ্ছে। সঠিক জিনিসটা যেনো মামলায় উঠে আসে, আমরা সে চেষ্টা করছি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় উন্নয়ন প্রকল্প এখন নগরবাসীর ভোগান্তির কারণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৩৬ পি.এম


খুলনায় উন্নয়ন প্রকল্প এখন নগরবাসীর ভোগান্তির কারণ

খুলনায় ২ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকার সুয়ারেজ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে আধুনিক পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে নগরবাসীর দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এই উন্নয়নের প্রকল্প।

পাইপলাইন বসানোর পর নগরীর দুই শতাধিক অলিগলি ও উপ-সড়ক মাসের পর মাস খুঁড়ে রেখে দেয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। কোথাও ছয় মাস, কোথাও এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সড়ক সংস্কার না হওয়ার কারণে স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এ অবস্থার জন্য ভুক্তভোগীরা ওয়াসা এবং খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সমন্বয়হীনতাকে দায়ী করছেন।

খুলনা ওয়াসার সুয়ারেজ প্রকল্পের আওতায় নগরীর ১৫ থেকে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে প্রায় ২৭ হাজার বাড়িতে পয়োনিষ্কাশন সংযোগ দেয়া হবে। এই কাজের জন্য ২৫৫ কিলোমিটারের বেশি পাইপলাইন, সাড়ে ১২ হাজার ম্যানহোল, দুটি শোধনাগার এবং আটটি পাম্প স্টেশন নির্মাণের প্রকল্প চলছে। ইতোমধ্যে প্রায় ২১৫ কিলোমিটার পাইপলাইন এবং অধিকাংশ ম্যানহোলের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু পাইপ বসানো শেষ হওয়ার পর অনেক অলিগলি এবং উপ-সড়ক আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেয়া হয়নি।

নগরীর টুটপাড়া, দারোগাপাড়া, লবনচরা এলাকার বিভিন্ন সড়কে গিয়ে দেখা যায়, কোথাও ইট উঠে গেছে, কোথাও বড় বড় গর্ত দেখা যাচ্ছে। সামান্য বৃষ্টিতে সড়ক কাদায় পরিণত হচ্ছে, আবার শুকনো মৌসুমে ধুলাবালি উড়ছে। এই কারণে রিকশা ও ইজিবাইক, এমনকি জরুরি রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স চলাচলও বিঘ্নিত হচ্ছে।

টুটপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. আব্দুল করিমা বলেন, 'এক বছর ধরে রাস্তা খোঁড়া অবস্থায় পড়ে আছে। বৃষ্টি হলেই হাঁটুসমান কাদা হয়ে যায়। বয়স্ক মানুষ এবং শিশুদের নিয়ে বের হওয়া অত্যন্ত কষ্টকর। সড়কে রিক্সা চলাচল করতে পারছে না। ওয়াসার কাছে বারবার জানিয়েও কোন সমাধান পাচ্ছি না। তাই বাজারের ভারী ব্যাগ নিয়ে হেঁটে পার হওয়া রীতিমত দুর্ভোগ। ভোগান্তি থেকে কবে মুক্তি পাব জানি না।'

দারোগাপাড়া এলাকার গৃহিণী রাবেয়া খাতুন বলেন, 'বাসায় অসুস্থ শশুর আছেন। প্রায়ই তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হয়। তবে সড়কে রিক্সা কিংবা ইজিবাইক চলাচল না করায় আমাদের দুর্ভোগ যেন বাড়তেই চলেছে।'

খুলনা ওয়াসার প্রকল্প পরিচালক খান মোহাম্মদ সেলিম জানিয়েছেন, 'সুয়ারেজ প্রকল্পের মূল কাজ অনেকটাই সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু সড়ক পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে বরাদ্দের সীমাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। বিষয়টি সমাধানের জন্য প্রকল্প সংশোধনের (ডিপিপি) প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই অবশিষ্ট সড়ক সংস্কারের কাজ দ্রুত শুরু করা সম্ভব হবে। ইতোমধ্যে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে একাধিক দফা বৈঠক হয়েছে। যেসব সড়ক সিটি কর্পোরেশন করতে পারবে না, সেগুলো ওয়াসা নিজস্ব অর্থায়নে সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করবে। নগরবাসীর ভোগান্তি যত দ্রুত সম্ভব কমানো আমাদের লক্ষ্য।'

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, 'ওয়াসার প্রকল্পের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো সংস্কারের বিষয়ে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় চলছে। বরাদ্দের সীমাবদ্ধতার কারণে সব সড়কের কাজ একসঙ্গে করা সম্ভব হয়নি। ইতোমধ্যে প্রধান সড়কগুলোর সংস্কার সম্পন্ন হয়েছে। এখন পর্যায়ক্রমে অলিগলি ও উপ-সড়কগুলো সংস্কারের পরিকল্পনা রয়েছে। ওয়াসার প্রকল্প সংশোধন অনুমোদন হলে বাকি কাজও দ্রুত এগিয়ে নেয়া সম্ভব হবে। আমাদের লক্ষ্য, নাগরিকদের দুর্ভোগ যত দ্রুত সম্ভব দূর করা।'

খুলনা ওয়াসার সুয়ারেজ প্রকল্পটি ২০২৫ সালের মধ্যে শেষ হবার কথা ছিল। তবে বিভিন্ন জটিলতায় প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৭ সাল পর্যন্ত করা হয়েছে। কিন্তু নগরবাসীর প্রশ্ন হলো, প্রকল্প শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত তারা আর কতদিন ভাঙা সড়কের দুর্ভোগ ভোগ করবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%