ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফিফা সভাপতির বিরুদ্ধে তদন্ত করবে না অলিম্পিক কমিটি এর কারণ


ফিফা সভাপতির বিরুদ্ধে তদন্ত করবে না অলিম্পিক কমিটি এর কারণ

আন্তর্জাতিক ফুটবলে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগের কারণে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি তুলেছিল ইউরোপীয় পার্লামেন্টের একদল আইনপ্রণেতা। বিশ্বকাপ শেষে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) কাছে ফিফা সভাপতির বিরুদ্ধে তদন্তের আবেদন জানিয়েছিল মানবাধিকারভিত্তিক প্রচারণা সংস্থা ফেয়ারস্কয়ার। তবে আইওসি যে আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করেছে, সেটা পরিষ্কার হয়েছে।

আইওসি এক বিবৃতিতে বিস্তারিত জানায়, ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগটি মূলত ফিফার শাসনব্যবস্থা, সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক এবং ফুটবলের নিয়ম বাস্তবায়নসংক্রান্ত সিদ্ধান্তের সঙ্গে সম্পর্কিত। উল্লেখ্য, এসব বিষয় আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির নৈতিকতা বিধির আওতাভুক্ত নয়। অর্থাৎ, অলিম্পিক কমিটির কাছে ফিফা বা তাদের কোনো কর্মকর্তার কর্মকাণ্ড তদন্তের এখতিয়ার নেই।

আইওসির এই বক্তব্য তখন এসেছে, যখন নরওয়ে ফুটবল ফেডারেশন (এনএফএফ) বালোগানের স্বয়ংক্রিয় একটি ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ফিফার নৈতিকতা কমিটিতে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়েরের বিষয়টি বিবেচনা করছে। এনএফএফ সভাপতি লিসে ক্লাভেনেস বিবিসিকে বলেন, ‘এই ঘটনায় তাদের সংস্থা গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছে। পরবর্তী বোর্ড সভায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

বিশ্বকাপে শেষ ষোলোর ম্যাচে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিরুদ্ধে ২-০ গোলের জয় প্রাপ্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্রাইকার ফোলারিন বালোগান লাল কার্ড দেখেছিলেন। তার ফলে পরের ম্যাচে বেলজিয়ামের বিপক্ষে নিষিদ্ধ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের কারণে সেই নিষেধাজ্ঞা ১২ মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। ফলে এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন ফিফা সভাপতি।

ফেয়ারস্কয়ার মানবাধিকারভিত্তিক প্রচারণা সংস্থা অভিযোগ করেছিল যে, ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে ফিফার নীতি লঙ্ঘন হয়েছে। সংস্থার দাবি, ট্রাম্পের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়ে ইনফান্তিনো অলিম্পিক সনদের রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার নীতি লঙ্ঘন করেছেন। উল্লেখ্য, ইনফান্তিনো ২০২০ সাল থেকে আইওসির সদস্য।

অলিম্পিক সনদের দ্বিতীয় ধারায় আলোচনা হয়েছে, আইওসি সদস্যরা কোনো সরকার, সংস্থা বা অন্য কোনো পক্ষের এমন নির্দেশনা গ্রহণ করতে পারবেন না, যা তাদের স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা ভোটদানে প্রভাব ফেলতে পারে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মহাসড়কে ইয়াবা ফেলে ঝগড়ায় মত্ত দুই কারবারি, কুড়িয়ে নিতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২৯ এম


মহাসড়কে ইয়াবা ফেলে ঝগড়ায় মত্ত দুই কারবারি, কুড়িয়ে নিতে

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকা হাজার হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট কুড়িয়ে নিতে স্থানীয়, পথচারী ও গাড়ি চালকদের দেখা গেছে। এই তথ্য থেকে এটা প্রতীয়মান হয়েছে যে অনেক ইয়াবা বিভিন্ন গাড়ির চাকার সঙ্গে পিষে গেছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে পৌরসভার নুনাছড়া এলাকার মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে এই ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, রাস্তায় হাজার হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায়। আমরা কয়েকজন মিলে প্রায় এক হাজারের অধিক ইয়াবা ট্যাবলেট রাস্তা থেকে কুড়িয়ে নিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি।

এদিকে, পুলিশ জানিয়েছে ১০০ থেকে ১৫০ পিস ইয়াবা ও একশ গ্রামের মতো গুঁড়া উদ্ধার করা হয়েছে।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী মোহাম্মদ জনি নামে এক যুবক জানান, দুপুর দেড়টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে হাজার হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট রাস্তায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখেছেন। তখন দুটি মোটরসাইকেলের মধ্যে দুইজন আরোহী ঝগড়া করছিল। এই সময় স্থানীয়রা তাদেরকে ধাওয়া দিলে তারা পালিয়ে যায়। পরে তাঁরা নীল প্লাস্টিকে মোড়ানো ১০-১২ প্যাকেট ইয়াবা ও শতাধিক ইয়াবার পিস কুড়িয়ে নিয়ে পুলিশকে বুঝিয়ে দেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক যুবক বলেন, তিনি নিজেই কুড়িয়ে দিয়েছেন প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ পিস ইয়াবা। তিনি জানান, জনি নামে এক যুবক অনেকগুলো প্যাকেট ও ইয়াবা কুড়িয়ে দিয়েছেন। কিন্তু পুলিশকে জনি কত পিস ইয়াবা দিয়েছে তা জানতে চাইলে পুলিশ বলেন, "আপনার কেন এত মাথাব্যাথা? তাছাড়া আপনি কেন এত তদন্ত করছেন?" এছাড়াও ঘটনাস্থল থেকে অনেক দূরে পুলিশ জনির কাছে থেকে ইয়াবাগুলো বুঝে নেয়।

এ বিষয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) অনিক। তিনি বলেছেন, "১০০ থেকে ১৫০ পিস ইয়াবা ও ১০০ গ্রামের মতো গুঁড়া উদ্ধার করেছি।"

এই বিষয়ে জানতে চাইলে সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) মুঠোফোনে কয়েকবার কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে সীতাকুণ্ড থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ আলমগীর জানিয়েছেন, "আমি শহরে আছি। ঘটনাস্থলে এসআই অনিক গিয়েছিল। তার তথ্য অনুযায়ী ধারণা করা হচ্ছে কোনো মাদক নিয়ন্ত্রণ সংস্থা মাদক কারবারিদের ধাওয়া দিলে তারা মাদক রেখে পালিয়ে যায়। ১০০ থেকে ১৫০ পিস ইয়াবা ও ১০০ গ্রামের মতো গুঁড়া উদ্ধার করা হয়েছে। থানায় গেলে বিস্তারিত জানতে পারব।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আওয়ামী লীগ নেত্রীর আ ত্ম হ ত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩৪ এম


আওয়ামী লীগ নেত্রীর আ ত্ম হ ত্যা

বরিশালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া মহিলা আওয়ামী লীগের একজন নেত্রী আত্মহত্যা করেছেন।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) দিবাগত রাতে যখন তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত শিলা ইসলাম (৩৫) ছিলেন আগৈলঝাড়া উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এবং গৈলা ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য। তার স্বামী শফিকুল ইসলাম মারুফ সেরনিয়াবাত একই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য। এটি উল্লেখযোগ্য যে, শিলা ছিলেন তার দ্বিতীয় স্ত্রী।

শিলা ইসলামের বাবার নাম আব্দুস সালাম হাওলাদার, যিনি সেরাল গ্রামের বাসিন্দা। তিনি জানান, কারণে-অকারণে শিলার স্বামী মারুফ সেরনিয়াবাত প্রায়ই তার মেয়ে শিলাকে মারধর করতেন। শুক্রবার বিকেল তিনটার সময় সেরাল গ্রামের ভাড়া করা বাসায় মারুফ তার মেয়ে শিলাকে অমানুষিক নির্যাতন করেন।

নির্যাতন সহ্য করতে পরUnable msg, শিলা ইসলাম ভাড়াটিয়া বাসার দরজা বন্ধ করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

পরবর্তীতে প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙে শিলা ইসলামকে উদ্ধার করেন এবং প্রথমে আগৈলঝাড়া উপজেলা হাসপাতালে, পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতের বেলা বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন উল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়। তদন্ত সাপেক্ষে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১০ লাখ টাকার বিনিময়ে মাদক কারবারিকে ছাড়, প্রত্যাহার ৪ পুলিশ কর্মকর্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪০ এম


১০ লাখ টাকার বিনিময়ে মাদক কারবারিকে ছাড়, প্রত্যাহার ৪ পুলিশ কর্মকর্তা

অভিযান চালিয়ে মাদকের বড় চালান জব্দ করার পর ১০ লাখ টাকা ঘুষের বিনিময়ে তা ধামাচাপা দেয়ার গুরুতর অভিযোগে, লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা থানার চার পুলিশ কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার (ক্লোজ) করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা পাওয়ার পর প্রাথমিক তদন্তে তাদের জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান সরকার বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। প্রত্যাহার হওয়া কর্মকর্তাদের নাম হলো, উপপরিদর্শক (এসআই) তুহিন, এসআই রিমন মিয়া, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল হাকিম এবং এএসআই লুৎফর রহমান।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ জুলাই দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাতীবান্ধা উপজেলার বোর্ডের হাট বাজার এলাকায় এক চিহ্নিত মাদক কারবারির বাড়িতে ওই চার কর্মকর্তা যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে একটি সাদা রঙের প্রাইভেটকার, একটি মোটরসাইকেল ও বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছিল।

তবে জব্দকৃত আলামত ও আসামিকে থানায় না নিয়ে, কৌশল পরিবর্তন করে ঘটনাস্থল থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে ভেলাগুড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে নিয়ে যান তারা। সেখানে দরকষাকষির একপর্যায়ে ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে মাদকের চালানসহ আসামিকে ছেড়ে দেয়া হয়। পরবর্তীতে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে পুলিশ কর্মকর্তাদের এই বৈঠকের দৃশ্য ছড়িয়ে পড়লে পুরো উপজেলায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এই চার কর্মকর্তার দলটি গত ১৮ জুলাই উপজেলার ভবানীপুর গ্রামে একইভাবে অপর একটি বিতর্কিত অভিযানে গেলে সেখানে স্থানীয় গ্রামবাসীর তোপের মুখে তারা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরপর দুটি অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিতর্কিত ঘটনার পর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখা শুরু হয়।

প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে, চার কর্মকর্তাকে হাতীবান্ধা থানা থেকে প্রত্যাহার করে লালমনিরহাট পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়। এছাড়া, ঘটনাটির বিস্তারিত অনুসন্ধানে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান সরকার বলেন, ‘চার পুলিশ কর্মকর্তাকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে, এটা সত্য। জেলা পুলিশের গঠন করা তদন্ত কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর সত্যতা মিললে কর্তৃপক্ষ বিভাগীয় ও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩২ কেজি গাঁজাসহ চার মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫৩ এম


৩২ কেজি গাঁজাসহ চার মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবায় পৃথক দুটি মাদকবিরোধী অভিযানে ৩২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই অভিযানের সময় একটি অটোরিকশাসহ চারজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) কসবা থানার বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে এসব গাঁজা উদ্ধার করেছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এসআই মো. মিনহাজুল ইসলামের নেতৃত্বে শাহপুর দক্ষিণ-পূর্বপাড়া কবরস্থানের পশ্চিম পাশে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই অভিযানে ১৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার হয়েছে এবং অভিযান চলাকালে ইসমাইল (৩২), মো. ইকবাল (২৭) এবং মো. মাহফুজ মিয়া (২৮) নামের তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এরপর, একই দিন ভোর ৫টা ১৫ মিনিটে এসআই মো. নিজাম উদ্দিনের নির্দেশনায় বায়েক ইউনিয়নের বায়েক চৌমুহনী এলাকায় অভিযান শুরু করা হয়। সেখানে জামাল মিয়া (৪২) নামে একজনের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ১৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। তারপর জামাল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, এই পৃথক দুটি ঘটনায় উদ্ধার করা গাঁজার মোট পরিমাণ ৩২ কেজি। গ্রেপ্তারকৃত চার আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%