ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নওগাঁয় একই পরিবারের ৫ জন খ্রিষ্টান ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণ


নওগাঁয় একই পরিবারের ৫ জন খ্রিষ্টান ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণ

নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার একটি পরিবার খ্রিষ্টান ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে। একই পরিবারের পাঁচ সদস্য সম্পূর্ণ নিজেদের ইচ্ছা ও ধর্মীয় অনুভূতির ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেন।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নওগাঁ জেলা আদালতে স্থানীয় আলেম ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে অ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে কালেমা পাঠ করে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হন তারা।

ইসলাম ধর্ম গ্রহণকারী সদস্যরা হলেন- ধামইরহাট উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের সোনাদিঘী এলাকার বাসিন্দা মি. পিউস মুর্মু (বর্তমান নাম- মো. আবু মুছা), তার স্ত্রী মাগ্দানিলা সরেন (মোসা. ফাতেমা বিবি) এবং তাদের তিন সন্তান আন্তনী মুর্মু (মো. হাসান), পিত্তর মুর্মু (মো. হুসাইন) ও ফুলমনি আন্না (মোসা. আমেনা)।

আরও পড়ুন: সৌদি আরবে গিয়ে ইসলাম গ্রহণ: সিস্টার ডেইজির জীবনের গল্প

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ইসলামের বিভিন্ন বিষয় ও জীবনব্যবস্থা সম্পর্কে জানার সুযোগ পেয়েছেন ওই পরিবারের সদস্যরা। ধীরে ধীরে ইসলামের জীবনদর্শন, আচার-অনুষ্ঠান ও নৈতিকতার প্রতি তাদের গভীর আগ্রহ জন্মায়। এরপর পরিবারের সবাই স্বেচ্ছায় ও সজ্ঞানে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন। ধর্মান্তরিত হওয়ার পর তারা নিয়মিত নামাজ আদায়সহ ইসলামের বিধি-বিধান মেনে চলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

এ বিষয়ে পরিবারের পক্ষে মোসা. ফাতেমা বিবি বলেন, "নিজেদের স্বাধীন সিদ্ধান্ত ও বিশ্বাস থেকেই আমরা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি। ইসলাম সম্পর্কে জানার পর আমরা এ ধর্মের প্রতি গভীরভাবে আকৃষ্ট হই। সবকিছু জেনেই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা আগামী দিনগুলোতে সমাজের সবার সঙ্গে মিলেমিশে ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করতে চাই।"

এদিকে একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের ইসলাম গ্রহণের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় কৌতূহল ও ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়। স্থানীয় মুসল্লিরা তাদের ইসলামিক জীবনযাপনে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ধামইরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী তাহমিনা সারমিন জানান, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন এবং ওই পরিবারটি সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে। ধর্মান্তরিত হওয়ার আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত না বললেও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের সংবিধানে প্রত্যেক নাগরিকের নিজ পছন্দের ধর্ম পালনের পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে। তাদের কাছে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করা শ্রেয় মনে হয়েছে বিধায় তারা এটি করেছেন এবং আইনি দিক থেকেও এতে কোনো বাধা নেই।

আরও পড়ুন: শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা পুত্রবধূর জন্য বাধ্যতামূলক নয়, জানুন ইসলামের বিধান

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক হাত নেই, তবুও শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন মাসুদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৬ পি.এম


এক হাত নেই, তবুও শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন মাসুদ

শারীরিক সীমাবদ্ধতা অনেকের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়ালেও, দৃঢ় ইচ্ছাশক্তি এবং দায়িত্ববোধ থাকলে সেই সীমাবদ্ধতাকে জয় করা সম্ভব। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ এমনই একটি উদাহরণ। এক হাতের প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও, শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা, ক্যাম্পাসের পরিবেশ এবং কল্যাণমূলক কাজে নিয়মিতভাবে সক্রিয় রয়েছেন তিনি।

আব্দুল্লাহ আল মাসুদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন সায়েন্স এন্ড লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। রাকসু নির্বাচনে ‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট’ থেকে পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে ৬ হাজার ১৬৩ ভোট পেয়ে তিনি জয়ী হন।

দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই শিক্ষার্থীদের সমস্যা নিয়ে কাজ শুরু করেছেন মাসুদ। ক্যাম্পাসের পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিচ্ছন্নতা, শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধি, মাদকবিরোধী অভিযান এবং পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগে তাকে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়। শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে নিজের দায়িত্ব পালনের পথে বাধা হিসেবে না দেখে বরং শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করার প্রেরণা হিসেবে নিয়েছেন তিনি।

সহপাঠী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মাসুদ নিজের শারীরিক সীমাবদ্ধতার কথা বিবেচনায় না এনে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। শিক্ষার্থীদের সমস্যা শুনে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি সমাধানের জন্যও কাজ করেন তিনি। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন প্রান্তে পরিবেশগত সমস্যা চিহ্নিত করা এবং সেগুলো নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন।

মাসুদের উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে, ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় অবস্থিত ড্রেন ও নর্দমাগুলোতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান, ক্যাম্পাসে অবস্থিত দোকানগুলোর খাবার মনিটরিং, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, দফায় দফায় মাদকবিরোধী অভিযান, ক্যাম্পাসে অপ্রয়োজনীয় ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণ, অতিথি পাখিদের নিবিড় পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন, খাবারের মূল্য তালিকা সংযোজন, মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে কীটনাশক ও ফগার মেশিন দিয়ে মশক নিধন কর্মসূচি।

এছাড়াও, শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন অধিকার আদায়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় সভা ও স্মারকলিপি প্রদান করেন বলেও তিনি জানান।

মাসুদের দায়িত্ব পালনের বিষয়টি শুধুমাত্র তার শারীরিক সক্ষমতার সঙ্গে তুলনা করার নয়; বরং প্রতিকূলতার মধ্যেও দায়িত্বের প্রতি তার আন্তরিকতার বিষয়টি শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলাদা দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাহিম হাসান বলেন, "অন্যান্য সম্পাদকের কাজের চাইতে মাসুদ ভাইয়ের কাজগুলো আমাদের আকৃষ্ট করেছে। এক হাতে কাজ করতে না পারা সত্ত্বেও আমাদের জন্য বিভিন্ন কল্যাণমূলক কাজ, বিশেষ করে খাবার মনিটরিং, মাদকবিরোধী অভিযান, এসব কাজ সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।"

জানতে চাইলে আব্দুল্লাহ আল মাসুদ বলেন, "শারীরিক সীমাবদ্ধতা আমার জন্য একটি বাস্তবতা। কিন্তু এটি যেন শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করার ক্ষেত্রে বাধা না হয়, সেটাই আমার চেষ্টা। আমাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, সেটি আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করতে চাই। শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন ও সমস্যাগুলো নিয়ে কাজ করাই আমার মূল লক্ষ্য।"

তিনি আরও বলেন, "আমি মনে করি, আমার এক হাত নয়; আমার দুই হাতই আছে। আমার সঙ্গে থাকা ২৮ হাজার শিক্ষার্থীর হাতই আমার হাত। তাদের ভালোবাসা, সহযোগিতা ও কৃতজ্ঞতাই আমাকে কাজের অনুপ্রেরণা দেয়। এর আগে একটি সংগঠনের সভাপতি হিসেবে শারীরিকভাবে চ্যালেঞ্জড মানুষদের নিয়েও কাজ করেছি। আর রাকসুর দায়িত্বকে আমি শিক্ষার্থীদের দেওয়া একটি আমানত মনে করি। সেই আমানত যথাযথভাবে রক্ষা করার অনুপ্রেরণাই আমাকে সবসময় কাজ করতে উৎসাহিত করে।"

কাজ করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পাওয়া কোনো স্মরণীয় অভিজ্ঞতা আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে মাসুদ বলেন, "শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতার মধ্যে সবচেয়ে বেশি নাড়া দিয়েছে মাদকসংক্রান্ত বিষয়টি। রাকসুর দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রক্টরিয়াল বডির সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে রাতে মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নিয়েছি। সেখানে গিয়ে দেখেছি, প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীও মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি প্রতিষ্ঠানে এত কম বয়সী শিক্ষার্থীদের মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি আগে এভাবে উপলব্ধি করিনি। কাছ থেকে বিষয়টি দেখার পর সত্যিই খুব খারাপ লেগেছে এবং শিক্ষার্থীদের নিয়ে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার তাগিদ অনুভব করেছি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগ ও রাড্ডা সেন্টারের হামলায় নাম আলোচনায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৭ পি.এম


ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগ ও রাড্ডা সেন্টারের হামলায় নাম আলোচনায়

রাজধানীর মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়া বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি সম্প্রতি পদত্যাগ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) তিনি জাতীয় সংসদে গিয়ে স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। এর আগে তাকে সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

যদিও রাড্ডা সেন্টারের সাম্প্রতিক ঘটনাটি আলোচনায় এসেছে, মিরপুরের স্থানীয় রাজনীতিতে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি দীর্ঘকাল ধরে পরিচিত একটি নাম।

ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ২০২৬ সালে বিএনপির মনোনয়নে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তার আসন সংরক্ষিত মহিলা আসন-২৩।

এর আগে তিনি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০২ সালে তার স্বামী সাইদুর রহমান নিউটন নিহত হওয়ার পর তিনি ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। ২০১৯ সালের সিটি নির্বাচনে ৮ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি প্রয়াত বিএনপি নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টুর ছোট বোন। তার স্বামী সাইদুর রহমান নিউটনও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং তিনি ঢাকা সিটি করপোরেশনের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন।

ছাত্রজীবনে মিষ্টি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজে পড়ার সময় তিনি ছাত্রদলের সঙ্গে যুক্ত হন এবং কলেজ ছাত্র সংসদের সহকারী সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

রাড্ডা সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের পর ‘সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেড’-এর নাম সামনে আসে। ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির সঙ্গে এই সমিতির পুরোনো সম্পর্ক ছিল।

জানা যায়, ২০০৬ সালে শাহআলী থানার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কমিশনার থাকাকালে মিষ্টি ওই সমিতির সভাপতি ছিলেন। ২০০৪ সালে রাড্ডা সেন্টারের জায়গাটি সমিতির নামে বরাদ্দ চেয়ে করা আবেদনের নথিতে তার নাম ও স্বাক্ষর ছিল।

তবে বর্তমানে সমিতির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন মিষ্টি। তিনি স্বীকার করেছেন, কমিশনার থাকাকালে সমিতির সভাপতি ছিলেন এবং জমি বরাদ্দের জন্য আবেদন করেছিলেন। তবে রাড্ডা সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেছেন।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে মিরপুর-১ নম্বরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র ও ভাঙার সরঞ্জাম নিয়ে সেখানে প্রবেশ করেন বলে জানা যায়। পরে ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে একটি পাকা ও তিনটি আধা পাকা ভবনসহ স্থাপনাটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

ঘটনার পর ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির নামও আলোচনায় আসে। তবে রাড্ডা সেন্টারে হামলা ও ভাঙচুরের সঙ্গে তার সরাসরি সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি এখনো তদন্তাধীন। বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাড্ডা সেন্টারের ঘটনা নিয়ে তদন্ত চলাকালীন বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর তিনি জাতীয় সংসদে গিয়ে স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই পদত্যাগের এই ঘটনাটি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে আবারও জাতীয় আলোচনায় নিয়ে এসেছে।

তবে তার পরিচয় শুধুমাত্র রাড্ডা সেন্টারের সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে নয়। মিরপুরের স্থানীয় বিএনপির রাজনীতি, সাবেক কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন, প্রয়াত বিএনপি নেতা নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টুর বোন এবং সাবেক কাউন্সিলর সাইদুর রহমান নিউটনের স্ত্রী—এসব বিষয় মিলিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রাজনীতিতে পরিচিত মুখ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফেরদৌসী মিষ্টির পদত্যাগ নিয়ে প্রতিক্রিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৭ পি.এম


ফেরদৌসী মিষ্টির পদত্যাগ নিয়ে প্রতিক্রিয়া

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার পরে তিনি স্পিকারের সঙ্গে দেখা করতে সংসদে যান।

স্পিকারের সঙ্গে কয়েক মিনিট অবস্থানের পর বের হয়ে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি সংসদ ভবনের টানেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমাকে স্পিকার ডেকেছেন, তার সঙ্গে দেখা করেছি। দল যে সিদ্ধান্ত নেবে তাই মেনে নেব।’

পদত্যাগ করেছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি কোনো উত্তর না দিয়ে দ্রুত সেখান থেকে চলে যান।

এর কিছুক্ষণ পর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয় যে, স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ও অতিরিক্ত প্রেস সচিবের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

উল্লেখ্য, ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে মিরপুর-১ নম্বরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। পরে ভারী যন্ত্র দিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির স্থাপনাও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠে। তবে তিনি হামলা ও ভাঙচুরের সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এশিয়ান গেমসের পদক নির্ধারণী ম্যাচ ৩ অক্টোবর, কোথায় হবে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৭ পি.এম


এশিয়ান গেমসের পদক নির্ধারণী ম্যাচ ৩ অক্টোবর, কোথায় হবে?

এশিয়ান গেমসের পুরুষ ক্রিকেটের সেমিফাইনালে পাকিস্তান বাংলাদেশকে পরাজিত করে ফাইনালের জন্য টিকিট অর্জন করেছে। অপরদিকে, ভারত শ্রীলঙ্কাকে পরাজিত করে স্বর্ণপদকের লড়াই নিশ্চিত করেছে।

এশিয়ার দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান আগামী ৩ অক্টোবর একে অপরের মুখোমুখি হবে। ম্যাচটি বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হবে।

একই দিনে, সকাল ৬টায় ব্রোঞ্জ পদকের জন্য বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা মাঠে নামবে। সেমিফাইনালে হেরে যাওয়ার পর দুই দলই হতাশ হলেও তাদের সামনে এখনও পদক নিয়ে দেশে ফেরার সুযোগ রয়েছে।

তবে, পদক নির্ধারণী ম্যাচগুলোর ক্ষেত্রে বৃষ্টির প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। যদি ফাইনাল বা তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ বৃষ্টি বা খারাপ মাঠের কারণে বাতিল হয়ে যায়, তাহলে কোয়ার্টার ফাইনাল বা সেমিফাইনালের ‘র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা দল জয়ী’ হওয়ার নিয়ম প্রযোজ্য হবে না।

যদি ফাইনাল ম্যাচ বাতিল হয়, তাহলে ভারত ও পাকিস্তানকে যৌথভাবে স্বর্ণপদক প্রদান করা হবে। একইভাবে, বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ বাতিল হলে দুই দলকেই যৌথভাবে ব্রোঞ্জপদক দেওয়া হবে।

একনজরে পদক নির্ধারণী ম্যাচের লাইনআপ

বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা, ৩ অক্টোবর বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টা

ভারত বনাম পাকিস্তান, ৩ অক্টোবর বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%