ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মুদি দোকানির বিরুদ্ধে শিশুকে চেতনানাশক খাইয়ে ধর্ষণের অভিযোগ


মুদি দোকানির বিরুদ্ধে শিশুকে চেতনানাশক খাইয়ে ধর্ষণের অভিযোগ

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে একটি শিশুকে (১০) চেতনানাশক খাইয়ে ধর্ষণের অভিযোগে শরিফুল ইসলাম (৫০) নামক একজন মুদি দোকানিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল সাড়ে চারটার সময় উপজেলার বিশ্বাস পাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগে শনিবার (১২ জুলাই) দুপুরে ওই দোকানির ভাড়া বাসায় ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে স্থানীয় কিছু লোকজন। ঘটনাটি এলাকাবাসীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত জনতা তাকে আটক করে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।

গ্রেপ্তারকৃত শরিফুল ইসলাম ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার শিবপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি কালিয়াকৈরের বিশ্বাস পাড়া এলাকায় একটি মার্কেটে মুদি দোকান চালান।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুর সাড়ে বারোটায় ওই শিক্ষার্থী বিস্কুট কেনার জন্য শরিফুলের দোকানে গিয়েছিলেন। পরে দোকানদার কৌশলে বিস্কুটের সঙ্গে চেতনানাশক খাইয়ে দোকানের পাশেই থাকা তার কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এদিকে এলাকার কয়েকজন যুবক বিষয়টি টের পেয়ে ওই ব্যবসায়ীর ঘরের দরজা খুলতে বলেন। তখন তিনি ওই শিক্ষার্থীকে বস্তার ভেতরে লুকিয়ে রাখেন। দরজা খুলতে দেরি করায় দরজা ভেঙে ওই শিক্ষার্থীকে বস্তার ভেতর থেকে উদ্ধার করে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় লোকজন স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়।

পরে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মীমাংসার চেষ্টা চালায় গ্রামের একটি মহল। তবে বিষয়টি এলাকাবাসীর মাঝে ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মঙ্গলবার সাড়ে চারটার সময় ওই দোকানদারকে পিটুনি দেয় এবং পুলিশে সোপর্দ করে।

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় প্রশাসনের তৎপরতা: বিভাগীয় কমিশনার

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম পিপিএম বার জানান, শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক মুদির দোকানদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রবাসীর স্ত্রী নিয়ে যুবক উধাও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২৫ পি.এম


প্রবাসীর স্ত্রী নিয়ে যুবক উধাও

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে একটি ঘটনায় প্রবাসী আমেরিকার স্ত্রীর যুবকের সঙ্গে উধাও হওয়ার ফলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এমতাবস্থায়, পলাতক গৃহবধূর সন্ধানদাতাকে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন তার স্বামী।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে গৃহবধূর পিতা সোনাইমুড়ী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। তিনি সোনাইমুড়ী উপজেলার বারগাঁও ইউনিয়নের মকিল্লা গ্রামের বড় বাড়ির বাসিন্দা জাকির হোসেন টিপু। এই বিষয়ে সোনাইমুড়ী থানার ওসি কবির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, ৬ বছর আগে সোনাইমুড়ী উপজেলার দেওটি ইউনিয়নের পিতম্বরপুর গ্রামের মোল্লা বাড়ির রুবেলের সাথে বারগাঁও ইউনিয়নের মকিল্লা গ্রামের নুসরাত জাহান জেনীর পারিবারিকভাবে বিবাহ হয়। ৪ বছর আগে রুবেল জীবিকার প্রয়োজনে আমেরিকাতে চলে যান। এরপর থেকে গৃহবধূ তার জেঠাতো বোন শারমিন আক্তার স্মৃতির মাধ্যমে তার খালাতো ভাই সিলেটে বাস করা মো. সজিবের সঙ্গে পরিচিত হন। এই পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে গভীর পরকীয়া প্রেম গড়ে ওঠে।

সম্প্রতি গৃহবধূ জেনী বাবার বাড়িতে মকিল্লায় বেড়াতে যান। সেখান থেকে ১০ জুলাই শপিংয়ের উদ্দেশ্যে পরকীয় প্রেমিক সজিবের সাথে পালিয়ে যান। তাদের যাওয়ার সময় ১২ ভরি স্বর্ণালংকার এবং ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা নগদসহ অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যান।

গৃহবধূর পিতা জাকির হোসেন টিপু বলেন, নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে আমরা বহু স্থানে খোঁজাখুঁজি করেছি।

আমেরিকা প্রবাসী রুবেল বলেন, আমরা উপার্জনের সব অর্থ তার পিছনে খরচ করেছি। সমস্ত টাকা এবং স্বর্ণালংকারও তার কাছে রইলো। সে আমাদের ধোঁকা দিয়ে পালিয়ে গেছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সোনাইমুড়ী থানার ওসি কবির হোসেন বলেছেন যে, আমরা ঘটনাটি তদন্ত করে যাচ্ছি। তথ্য অনুসন্ধানের ভিত্তিতে গৃহবধূকে উদ্ধারের জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চিকিৎসক ধীপ্রার মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২৭ পি.এম


চিকিৎসক ধীপ্রার মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের নির্দেশ

রাজধানীর ধানমন্ডিতে চিকিৎসক ডা. নাফিসা তাবাসসুম ধীপ্রার মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তে নতুন মোড় এসেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন ও অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য তার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান এ আদেশ প্রদান করেন। মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) মরদেহ উত্তোলন ও ময়নাতদন্তের অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন করলে তা মঞ্জুর করা হয়।

আদালতের আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে— ডা. নাফিসা তাবাসসুম ধীপ্রাকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে। পাশাপাশি যথাযথ চিকিৎসা না দিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে মৃত্যুবরণ করতে বাধ্য করার অভিযোগও রয়েছে। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য ময়নাতদন্ত অপরিহার্য বলে আদালত উল্লেখ করেন।

আদেশে আরও বলা হয়, ধীপ্রার মৃত্যুর পরে ন্যায়বিচারের পথ বাধাগ্রস্ত করতে ময়নাতদন্ত ছাড়া ৫ জুন দ্রুত রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে。

তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান আদালতের কাছে মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন, সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত, ময়নাতদন্ত সম্পন্ন এবং পরবর্তীতে ধর্মীয় বিধান অনুসারে পুনরায় দাফনের অনুমতি চান।

আদালত আবেদন ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ১৭৬(২) ধারার ক্ষমতাবলে আবেদনটি মঞ্জুর করে। একই সঙ্গে ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ঢাকা সিভিল সার্জন, তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন।

ডা. নাফিসা তাবাসসুম ধীপ্রার মৃত্যু ঘটে ৪ জুন। পরবর্তীতে তার স্বজন, বন্ধু ও সহপাঠীরা দাবি করেছেন, মৃত্যুর কারণ হিসেবে প্রচারিত 'কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট'-এর ব্যাখায় অসঙ্গতি রয়েছে।

স্বজনদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ধীপ্রা তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। মৃত্যুর আগে তিনি টানা তিন দিন একটি কক্ষে আটক ছিলেন এবং যথেষ্ট খাবারও পাননি। মৃত্যুর দুই দিন আগে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যা লিখেছিলেন, তাতে তার ওপর চলা নির্যাতনের কথা উল্লেখ ছিল বলেও মামলায় বলা হয়েছে।

এ ঘটনার পর গত ১৬ জুন নিহত চিকিৎসকের স্বজন মো. মশিউর রহমান শাহ দণ্ডবিধির ৩০৪(ক), ১৯৩, ১৯৭, ২০১, ১০৯ ও ৩৪ ধারায় অবহেলাজনিত মৃত্যু, নির্যাতন ও ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের মাধ্যমে আলামত গোপনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

মামলায় আসামি করা হয়েছে ধীপ্রার স্বামী ডা. রহমত রশিদ সিয়াম, শ্বশুর বারডেম হাসপাতালের কার্ডিয়াক বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. মোহাম্মদ আব্দুর রশীদ, শাশুড়ি সিদ্দিকা সুলতানা, শ্বশুরের জামাতা এবং ব্যঙ্গাত্মক ওয়েবসাইট 'ইয়ার্কি'র সম্পাদক সিমু নাসেরসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে।

তদন্ত সংশ্লিষ্টদের ধারণা, মরদেহের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ধীপ্রার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে এবং মামলার তদন্তে নতুন তথ্য-উপাত্ত সামনে আসতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুদ্ধ চলাকালে মার্কিন সেনাদের ওপর নজরদারি করেছে ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩০ পি.এম


যুদ্ধ চলাকালে মার্কিন সেনাদের ওপর নজরদারি করেছে ইরান

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান তীব্র সংঘাতের প্রেক্ষাপটে মার্কিন সামরিক বাহিনীর জন্য এক বড় সাইবার নিরাপত্তা বিপর্যয় উঠে এসেছে। যুদ্ধ চলাকালে সরাসরি ওই অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের মোবাইল নেটওয়ার্ককে হ্যাক করে মার্কিন সেনা এবং সামরিক ঠিকাদারদের অবস্থান ও গতিবিধি নজরদারি করেছে ইরান। লন্ডনভিত্তিক একটি প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস বুধবার (১৪ জুলাই) এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনটি মূলত 'মোবাইল সার্ভেইল্যান্স মনিটর' নামের একটি বিশেষ গবেষণা প্রকল্পের টেলিযোগাযোগ-সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণের উপরে ভিত্তি করে প্রস্তুত করা হয়েছে। এই বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদনটি প্রকাশ করছে সংবাদমাধ্যমটি, তবে এটি প্রকাশ্যে আসার পর যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতাদের মাঝে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা ও গোয়েন্দা খাতের নীতিপ্রণেতারা এখন আশঙ্কা করছেন যে আন্তর্জাতিক রোমিং ব্যবস্থা এবং স্মার্টফোনভিত্তিক বিজ্ঞাপন প্রযুক্তির ফলে মার্কিন সামরিক সদস্যরা প্রতিপক্ষের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়ে যেতে পারেন।

আধুনিক প্রযুক্তির যুগে, যেকোনো স্থানে অবস্থান নেওয়ার পর স্মার্টফোনের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্টের মাধ্যমে তাঁদের ট্র্যাক করা খুব সহজ হয়ে উঠেছে। একটি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা ইতিমধ্যে বেশ কিছুদিন ধরেই এ বিষয়ে সন্দিহিত ছিলেন। তাদের ধারণা, ইরান অথবা তাদের সহযোগী মিত্র গোষ্ঠীগুলো আন্তর্জাতিক রোমিং চুক্তির ত্রুটিগুলি প্রতিস্থাপন করেছে। এই প্রযুক্তিগত ফাঁকফোকর ব্যবহার করে মার্কিন সেনাদের অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়।

সংশ্লিষ্ট নজরদারির পদ্ধতি শুধুমাত্র নেটওয়ার্ক হ্যাকিং পর্যন্ত সীমাবদ্ধ ছিল না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শীর্ষ মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরান-সহযোগী সামরিক গোষ্ঠীগুলি অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত মোবাইল বিজ্ঞাপন তথ্যের ভাণ্ডার ব্যবহার করেছে। তারা ইরাকের কুর্দি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে কর্মরত মার্কিন সেনাদের মোবাইল ফোনের অবস্থান অনুসরণে এই বিজ্ঞাপন প্রযুক্তির সুবিধা নিয়ে কাজ করেছে।

বিশ্বখ্যাত সাইবার নিরাপত্তা গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিটিজেন ল্যাবের জ্যেষ্ঠ গবেষক গ্যারি মিলার এই বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে বলেছেন, ইরানের কাছে যেকোনো মোবাইল ব্যবহারকারীর অবস্থান শনাক্ত করার প্রযুক্তি অত্যন্ত আধুনিক এবং শক্তিশালী। মোবাইল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহারকারীদের ও সামরিক বাহিনীকে নিয়মিত অনুসরণ করা হচ্ছে, এতে সাইবার বিশেষজ্ঞদের অবাক হওয়ার কিছুই নেই।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যুদ্ধের ময়দানে শারীরিক লড়াইয়ের তুলনায় সাইবার ও ডিজিটাল নজরদারির যুদ্ধ অনেক বেশি কার্যকরী হয়ে উঠছে। একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন বা আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধার মাধ্যমেই হারানো দক্ষতায় মার্কিন সেনাদের সুরক্ষিত তথ্য চলে যাচ্ছে, যা ভবিষ্যতে সমরাস্ত্র নীতিতে এবং সেনা মোতায়েন প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন আনবে। এই ঘটনার পর ওয়াশিংটনে মার্কিন সামরিক বাহিনীর স্মার্টফোন ব্যবহারের নীতিমালা কঠোর করতে দাবি ওঠেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল সংসদে পাস হলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩৩ পি.এম


বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল সংসদে পাস হলো

জাতীয় সংসদে বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্দেশ্যে বিলটি পাস করা হয়েছে। ২০০১ সালের ‘বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন’ রহিত করে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল–২০২৬’ সংসদে পাস হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জাতীয় সংসদে বিলটি পাসের জন্য আলোচনা শুরু করেন। এর আগে, বিরোধী দলের একাধিক সংসদ সদস্য বিলটি বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও জনমত যাচাইয়ের কথা উল্লেখ করেন।

আলোচনার পর তাদের উত্থাপিত প্রস্তাবগুলো কণ্ঠভোটে নাকচ হয়। পরে বিধিটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।

এর আগে, ২০০১ সালে বিএনপি সরকারের সময় বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইনটি বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। তবে সেটি কার্যকর হয়নি।

নতুন আইনের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে শিক্ষামন্ত্রী উল্লেখ করেন, ২০০১ সালের ১৫ জুলাই বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন গেজেট আকারে প্রকাশিত হলেও তা কার্যকর হয়নি। বর্তমানে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম চালু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বাস্তবতা বিবেচনা করে, বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি universidad পরিবর্তন করে নতুন নতুন ক্ষেত্র যেমন বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, প্রকৌশল, কারিগরি, কলা, সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসা প্রশাসন, আইন, কৃষি ও চিকিৎসা বিজ্ঞান ইত্যাদিতে শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। এছাড়া, নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%