বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
১২:০৯ পি.এম
জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) কারিতাস বাংলাদেশ প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ২৫ আগস্ট তারিখ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।
পদের নাম হলো: ক্রেডিট অফিসার (সিএমএফপি)।
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: প্রার্থীদের এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় পাস করতে হবে, কিন্তু স্নাতক পাস প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
অন্যান্য যোগ্যতা: প্রার্থীর মধ্যে গ্রাম বা প্রত্যন্ত অঞ্চলে দরিদ্র মানুষের সঙ্গে কাজ করার মানসিকতা থাকতে হবে।
অভিজ্ঞতা: অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই। তবে মাঠ পর্যায়ে ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমে বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকার প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
চাকরির ধরন: ফুলটাইম।
কর্মক্ষেত্র: মাঠ পর্যায়ে।
প্রার্থীর ধরন: নারীরা এবং পুরুষেরা উভয়ই আবেদন করতে পারবে।
বয়সসীমা: প্রার্থীর বয়স ২৩ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে হতে হবে।
সংক্ষিপ্ত দায়িত্ব ও কর্তব্যসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- প্রার্থীকে ১৮-২০ টি নিয়মিত সমিতি এবং ৪০০-৪৫০ জন নিয়মিত সদস্য নিয়ে কাজ করতে হবে। ঋণ বিতরণ ও ঋণ আদায় এই ক্ষেত্রে ১০০% নিশ্চিত করতে হবে।
- সমিতি থেকে আদায়কৃত সঞ্চয় এবং ঋণের কিস্তি ব্রাঞ্চ অফিসে দৈনিক ভিত্তিতে জমা দিতে হবে। ঋণের আবেদন ফরম পূরণ ও ঋণ বিতরণের জন্য সুপারিশ করতে হবে।
- সদস্যদের পাস বই ও সমিতির রেজুলেশন নিশ্চিত করতে হবে। প্রার্থীকে যোগাযোগ দক্ষতা থাকতে হবে এবং স্মার্ট মোবাইল ফোন চালাতে পারদর্শী হতে হবে।
কর্মস্থল হলো: সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলা।
বেতন: শিক্ষানবীশকালে সর্বসাকুল্যে ২০,০০০ (বিশ হাজার টাকা)।
অন্যান্য সুবিধার অন্তর্ভুক্ত: চাকরি স্থায়ীকরণের পরে সংস্থার নিয়ম অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ সুবিধা যেমন: পিএফ, গ্র্যাচুইটি, ইন্সুরেন্স স্কীম, হেলথ কেয়ার স্কীম এবং বছরে দুটি উৎসব ভাতা প্রদান করা হবে। চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী ছুটি প্রাপ্তি সুবিধা থাকছে। কর্মদক্ষতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে উচ্চতর পদে পদোন্নতির সুযোগও রয়েছে।
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদনের জন্য এখানে ক্লিক করতে পারেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের ৫০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বসেছে।
দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, সহপাঠ্য এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়।
জানা গেছে, উচ্চ পর্যায়ের মার্কিন প্রতিনিধি দলটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন এক্সিলারেট এনার্জির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও চিফ কমার্সিয়াল অফিসার অলিভার সিম্পসন এবং ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের সভাপতি ও ইউএস চেম্বার অব কমার্সের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রাষ্ট্রদূত (অব.) অতুল কেশপ।
বৈঠক শেষে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রতিনিধি দল এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন মুখপাত্র যৌথভাবে সাংবাদিকদের ব্রিফ করবেন।
এসময় তারা বৈঠকের বিস্তারিত আলোচনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে গণমাধ্যমকে অবহিত করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের কালীগঞ্জের বিল্লাল মাঝি নামে এক ব্যক্তি তার বন্ধু হাবিবুরের চিকিৎসার জন্য কলকাতায় গিয়েছিলেন। চিকিৎসা শেষে ফিরে আসার পথেই বুকে ব্যথার কারণে বিল্লাল মাঝির মৃত্যু ঘটে। পরেরদিন, তার বন্ধু হাবিবুরও মারা যান।
মৃত বিল্লাল মাঝির বয়স ৫০ বছর। তিনি গাজীপুরের কালীগঞ্জ থানার জামালপুর ইউনিয়নের কাপাইশ গ্রামের করম আলী মাঝির পুত্র এবং হাবিবুর রহমানের বয়স ৫৭ বছর। তিনি একই জেলার কাপাসিয়া থানার ফুলবাড়িয়া গ্রামের আসাম উদ্দিনের সন্তান।
এ ব্যাপারে জানানো হয়েছে যে, বিল্লাল মাঝি প্রায় ২৫ দিন আগে তার বন্ধু হাবিবুর রহমানকে চিকিৎসায় সহযোগিতা করার উদ্দেশ্যে ভারতীয় কলকাতায় গিয়েছিলেন। কলকাতার ঠাকুর পুকুর ক্যানসার হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার পরে, তারা ৯ আগস্ট বাড়ির পথে রওনা দেন। কলকাতা থেকে ফেরার সময় হঠাৎ করে বিল্লাল মাঝি বুকে ব্যথা অনুভব করেন। এরপর, তাকে এমআর ভাঙ্গুর ডিস্ট্রিক্ট স্পেশালাইজড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তারপর, তার বন্ধু হাবিবুর রহমানও শোকের কারণেই মারা যান। বর্তমানে, দুইজনের মরদেহ এমআর ভাঙ্গুর ডিস্ট্রিক্ট স্পেশালাইজড হাসপাতালে রয়েছে।
বিল্লাল মাঝির মেয়ে আফরোজা আক্তার বলেন, "দুই বন্ধু একসাথে মৃত্যুবরণ করেছেন। আমি সরকারের সহযোগিতা কামনা করছি, যেন তাদের দেশের মাটিতে দাফন করতে পারি।"
এ বিষয়ে জামালপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খাইরুল আলম মন্তব্য করেন, "লাশদুটি আনার জন্য ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। আমি দাবি জানাচ্ছি, সরকার যেন দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে।"
গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া বলেন, "তাদের পরিবার থেকে এখনো কেউ আমাদের সাথে যোগাযোগ করেননি। যোগাযোগ হলে আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করা হবে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কলম্বিয়ায় এক ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে অভিযান এখন শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। সোমবার (১০ আগস্ট) ৭ দশমিক ৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে ইতিমধ্যে ২৬৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন ৩ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ৫০০ মানুষ।
বুধবার (১২ আগস্ট) উদ্ধারকর্মীরা ভূমিকম্পের পর ৭২ ঘণ্টার বিশেষ সময়সীমার কাছাকাছি পৌঁছেছেন। সাধারণভাবে, ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা ব্যক্তিদের জীবিত উদ্ধারের জন্য এই সময়কে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে ৭২ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও উদ্ধারকর্মীরা জীবিত কাউকে উদ্ধারের আশা পুরোপুরি ত্যাগ করছেন না।
চলতি শতাব্দীর কলম্বিয়ায় আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পে ৯ হাজার ৫৫০টির বেশি ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত পেরেইরা ও কালি শহর। পেরেইরায় ৮৩ জন এবং কালিতে ৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
কালির মেয়র আলেহান্দ্রো এদের বলেছেন, উদ্ধার অভিযান বর্তমানে শেষ পর্যায়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে তারপরও জীবিত কাউকে উদ্ধারের সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও সময় গড়ানোর সাথে সাথে সেই সম্ভাবনা কমছে।
পেরেইরায় ধসে পড়া একটি বেকারির নিচে একজন ফেরিওয়ালা আটকে আছেন বলে বিশ্বাস করা হচ্ছে। কম্পন শনাক্তকারী যন্ত্রে সেখান থেকে জীবনের সম্ভাব্য সংকেত পাওয়ার পর তার স্বজনরা নতুন করে আশার আলো দেখতে শুরু করেছেন।
উদ্ধারকর্মীরা ডাকে ওই ব্যক্তি ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে শব্দ করে সাড়া দিয়েছেন বলেও সংবাদের ভিত্তিতে জানা গেছে। তার জীবিত উদ্ধারে জোর প্রচেষ্টা চলছে।
কালিতেও রাত জেগে উদ্ধারকাজ অব্যাহত রেখেছেন কর্মীরা। ক্রেন, প্রশিক্ষিত কুকুর ও আধুনিক যন্ত্রপাতির পাশাপাশি অনেক স্থানে খালি হাতেই তারা ধ্বংসাবশেষ সরাচ্ছেন। জীবনের কোনও সংকেত পাওয়া যায় কি না, সেই শুনানির জন্য নির্দিষ্ট সময় পরপর পুরো এলাকা নীরব করে দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন দেশটির সাধারণ নাগরিকরা। বিভিন্ন স্থান থেকে পানি, খাবার ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে দুর্গত এলাকায় সাহায্য পৌঁছে দিচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবকেরা। রক্তদানের কেন্দ্রগুলোতেও দীর্ঘ সারি দেখা গেছে।
ভূমিকম্পে ধ্বংস হওয়া হাসপাতাল, স্কুল, ঘরবাড়ি ও অবকাঠামো পুনর্নির্মাণের জন্য জরুরি তহবিল গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র তিন দিনের মাথায় এই মারাত্মক দুর্যোগের সম্মুখীন হয়েছেন।
প্রেসিডেন্ট বলেন, "এটি বিশাল মাত্রার এক বিপর্যয়।" বর্তমানে সরকারের প্রধান লক্ষ্য নিখোঁজদের খুঁজে বের করা।
ভূমিকম্পে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় অর্থনৈতিক জরুরি অবস্থাও ঘোষণা করেছেন তিনি। তবে তার আওতায় কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
নতুন সরকারের জন্য এই ভূমিকম্প একটি বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। কম সরকারি ব্যয় ও কঠোর নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় আসা দে লা এসপ্রিয়েলার সরকার এখন একসঙ্গে উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্গঠনের বিশাল কাজ সামলাতে হচ্ছে। সূত্র: আল-জাজিরা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘকাল ধরে চলতে থাকা জনবল সংকট, চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব, ওষুধ ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা, সেবার মান নিয়ে অসন্তুষ্টি এবং দুর্নীতির নানা অভিযোগে ভোগান্তির শিকার হওয়া এক ভঙ্গুর স্বাস্থ্য খাত বর্তমান সরকার উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত হয়েছে। বিশেষ করে, হামের প্রাদুর্ভাব মারাত্মক হয়ে উঠেছে। আর ডেঙ্গু তো এখন প্রতিদিনের সঙ্গী হয়ে গেছে।
অন্যদিকে, সংক্রামক রোগের বিস্তার রোধ, এবং দীর্ঘদিনের জটিলতা কাটিয়ে স্বাস্থ্যসেবা গতিশীল করার চ্যালেঞ্জগুলোর মুখোমুখি হয়েছে বর্তমান সরকার। এই সময়ের মধ্যে গত ছয় মাসের সাফল্য এবং ব্যর্থতার বিষয় নিয়ে হিসাব-নিকাশ চলছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের দাবি অনুযায়ী, স্বাস্থ্য খাতকে ঢেলে সাজানোর জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে। হাসপাতালগুলো পরিদর্শন, অনিয়ম বিষয়ে লাইসেন্স স্থগিত করা এবং চিকিৎসাসেবায় তদারকি বৃদ্ধি করে সরকার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে। স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে হাসপাতালগুলোর সেবার মান উন্নয়ন, চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগ দেওয়া, জরুরি ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করার উদ্দেশ্য রয়েছে। এটি ইতিহাসের সর্বোচ্চ বরাদ্দও রয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও পূর্বাবস্থায় জানিয়েছেন যে, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রতিটি উপাদানকে যথাযথভাবে ব্যবহার করে জনস্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য কাজ চলছে। তার মতে, জনগণ ইতোমধ্যে এসব উদ্যোগের সুফল পেয়ে যাচ্ছেন।
তিনি উল্লেখ করেন যে, চিকিৎসক এবং অবকাঠামোর অভাবের কারণে হাসপাতালে রোগীর ভিড় লেগেই থাকে। ৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রায় ২৫০ রোগী আসছেন। খাবার ৫০ জনের জন্য পাওয়া যায়, বাকিরা বলেন, খাবার নেই। তিনি সমস্যার সমাধানের জন্য প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, স্বাস্থ্য খাতের উন্নতির জন্য টিমওয়ার্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে টিমওয়ার্কের প্রতিটি অংশকে উন্নত করে তোলা। সাধারণ মানুষের জন্য সুবিধা বাড়ছে। সকল চিকিৎসক এবং নার্স হাসপাতালগুলোতে উপস্থিত রয়েছেন। সাড়ে ৫ মাসে বা এর বেশি কিছু নিয়ে কাজ করেছেন? সফ্টওয়ার রুমে যাচ্ছেন, দেখে নেবেন কোথাও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ নেই। রোগীরা খুবই সন্তুষ্ট।
তবে, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, চিত্রটি আশাব্যঞ্জক নয়। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. বেনজির আহমেদের মতে, ছয় মাস পরিবর্তনের জন্য যথেষ্ট সময় নয়, কিন্তু এই সময়ের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে স্পষ্ট এবং উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যায়নি। স্বাস্থ্য খাতকে কাঙ্ক্ষিত অবস্থানে নিয়ে আসার জন্য এখনো স্পষ্ট কোনো রোডম্যাপ নেই।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হচ্ছে, স্বাস্থ্য খাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তনের জন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা, নির্ধারিত লক্ষ্য এবং কার্যকর পরিকল্পনা প্রয়োজন।
সরকারের প্রথম ছয় মাসে স্বাস্থ্য খাতকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উদ্যোগগুলো সাধারণ মানুষের প্রত্যাশাকে সন্তুষ্ট করার জন্য এখন প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় প্রতিফলিত হওয়া উচিত। স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধুমাত্র রোগীদের উন্নতি নয়, চিকিৎসকদের উন্নতির ওপরও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতি নির্ভর করে। তাই চিকিৎসকদের জীবনমান এবং সুরক্ষার ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ