ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু


চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে একটি পরিবারের তিনজনের মৃত্যু ঘটেছে। মৃতদের মধ্যে শিশু এবং দুই নারী রয়েছেন।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে সদর উপজেলার বারঘোরিয়া-বাদুরতলা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

মৃতদের মধ্যে রয়েছেন বাদুরতলা এলাকার মোহাম্মদ ভিখুর স্ত্রী হাসিনা বেগম, হাসিনা বেগমের ভাতিজি (ভাইয়ের মেয়ে) আশা খাতুন এবং তার মেয়ে মিম।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

স্থানীয় বাসিন্দা ও মৃতদের স্বজনরা জানিয়েছেন, সকালে বাড়িতে একটি লোহার মই বৃষ্টিতে ভিজে বিদ্যুৎতায়িত হয়ে ছিলো। ওই মই দিয়ে ওঠার সময় আশা খাতুন ও তার মেয়ে মিম বিদ্যুস্পৃষ্ট হন। আশার প্রাণ রক্ষা করতে এগিয়ে আসলে হাসিনা বেগমও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত তিন জনের মরদেহ উদ্ধার করছে। তিনি আরও জানান, এই ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলামের ভিডিও ফাঁসের প্রক্রিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩৬ পি.এম


জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলামের ভিডিও ফাঁসের প্রক্রিয়া

সম্প্রতি ফাঁস হওয়া একটি ভিডিও নিয়ে সমালোচনার মুখে বিবৃতি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও সাতক্ষীরা–৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এক বিবৃতিতে তিনি ভিডিওতে থাকা তরুণীকে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেন। একই সাথে, এই ভিডিও ফাঁসের ঘটনায় তিনি অভিযোগ করেছেন যে, তার ব্যক্তিগত গাড়িচালক এই ঘটনার জন্য দায়ী।

বিবৃতিতে তার বক্তব্য হুবহু তুলে ধরা হলো:

আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী এই মর্মে বর্ণনা করছি যে, গত ১৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে আমার প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা বেগম, দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মারিয়াম বেগম এবং মারিয়াম বেগমের মামা মো. ওবায়দুল্লাহকে নিয়ে আমার ব্যক্তিগত গাড়িযোগে মগবাজারস্থ মো. মাছুম বিল্লাহর ব্যবসায়ী অফিসে যাই। সেখানে আমরা আনুমানিক সোয়া এক ঘণ্টা অবস্থান করি।

জোহরের নামাজের আগে গাড়িচালক গাড়ি দেখার কথা বলে বাইরে যায়। বেশ কিছু সময় পর সে দ্রুত রুমে ফিরে এসে আমাদের সতর্ক থাকতে বলে আবার চলে যায়। কিছুক্ষণ পর সে পুনরায় ফিরে এসে দরজা খুলতে বললে, আমার দ্বিতীয় স্ত্রী মারিয়াম দরজা খুলে দেন।

সাথে সাথে ৫ থেকে ৭ জন অপরিচিত লোক রুমে ঢুকে আমাদের উপস্থিতির কারণে কৈফিয়ত দাবি করে। তারা আমাদের ব্যাগ ও পকেট তল্লাশি করে নিচে ৩-৪টি ঠিকাদারের দোকানে নিয়ে যায় এবং ১ লাখ টাকা দাবি করে। তাদের দাবি অনুযায়ী টাকা দেওয়ার পর, তারা আমাদের সম্মানজনকভাবে সেখান থেকে যাওয়ার সুযোগ দেয়।

ইতোমধ্যে আমাদের গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহকে খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যায়নি। এরপর আমরা বাসায় চলে আসি। রাত আনুমানিক ১০টার দিকে গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ আমাকে ফোন করে জানায় যে, মগবাজারের চাঁদাবাজদের হাত থেকে গাড়ি ছাড়াতে হলে আমার কাছে ৫ লাখ এবং আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর ভাই মো. মাছুম বিল্লাহর কাছে ১০ লাখ টাকা দিতে হবে।

তবে প্রকৃত ঘটনা হলো, এই সমস্ত চক্রান্তের মূল নায়ক ছিল আমাদের গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ। গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহর দুলাভাইয়ের সাথে আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মো. মাছুম বিল্লাহর দীর্ঘ সময় ধরে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব চলছিল।

অতীতে তাদের সম্পর্ক বেশ খারাপ হলেও, বর্তমানে বাহ্যিক উন্নতি হলেও অভ্যন্তরীণ বিরোধ শেষ হয়নি। গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ চক্রান্ত করে আমাকে, আমার দ্বিতীয় স্ত্রী এবং আমার শ্বশুরের গাড়ি জিম্মি করে লাখ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে নিজ স্বার্থ হাসিল করতে চেয়েছিল।

পরবর্তীতে জনাব মাছুম বিল্লাহ বুদ্ধিমত্তার সাথে পরদিন রাত প্রায় ১২টার দিকে এক আত্মীয়ের (থানার চাকরিরত এসআই আমিনুর) সহায়তায় বিমানবন্দর সড়ক এলাকা থেকে গাড়ি ও গাড়িচালককে উদ্ধার করে বাসায় নিয়ে আসেন।

সেখানে গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহকে মারধর করা হলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে হুমকি দেয় সে দেখে নেবে এবং আমার স্ত্রীর জীবন তার হাতের মুঠোয় রয়েছে।

গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ হিংসা ও স্বার্থের বশবর্তী হয়ে পূর্বে ওই অফিস কক্ষে থাকা সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে ধারণকৃত আমাদের স্বামী-স্ত্রীর গোপন ভিডিও ফুটেজ মিডিয়ায় প্রচার করে তার হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার অপচেষ্টা চালিয়েছে।

যা সম্পূর্ণ বেআইনি, হিংসাত্মক, চক্রান্তমূলক এবং আমার অথবা আমাদের চরিত্র হননের সামিল।

আমি এবং আমরা গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহর এহেন চক্রান্তের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং চরিত্র হননের মতো অপকর্মের জন্য তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এইচএসসির সময়সূচির ক্ষেত্রে ভুয়া বিজ্ঞপ্তি, সতর্কতা দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩৮ পি.এম


এইচএসসির সময়সূচির ক্ষেত্রে ভুয়া বিজ্ঞপ্তি, সতর্কতা দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তনের নামে ছড়ানো বিজ্ঞপ্তিকে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি সম্পূর্ণ ভুয়া, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হিসেবে জানিয়েছে।

এ সম্পর্কিত শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য বিশ্বাস বা শেয়ার না করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এবং বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানুর সই করা এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়টি জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির নামে একটি ভুয়া বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হচ্ছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, আগামী ২৭ জুলাই ২০২৬ তারিখ থেকে পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তবে এ দাবির কোনো সত্যতা নেই।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, প্রচারিত ওই বিজ্ঞপ্তির সঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম কিংবা বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির কোনো সম্পর্ক নেই।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, পরীক্ষা-সংক্রান্ত যে কোনো সিদ্ধান্ত, নির্দেশনা বা বিজ্ঞপ্তি শুধুমাত্র শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত হয়। এ অবস্থায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত কোনো তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়া বিশ্বাস বা শেয়ার না করার জন্য আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি সবাইকে অনুরোধ করেছে।

এছাড়াও গুজব এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বানও জানানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আবাসিক মাদরাসার কক্ষে ঝুলছিল ছাত্রীর মরদেহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৪৩ পি.এম


আবাসিক মাদরাসার কক্ষে ঝুলছিল ছাত্রীর মরদেহ

বরিশালের এক আবাসিক মাদরাসার কক্ষ থেকে পুলিশ এক ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে।

সোমবার (২০ জুলাই) রাতের ঘটনা গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামের সীমান্তবর্তী কাসেমাবাদ এলাকায় ঘটেছে।

নিহত জান্নাতুল ফেরদাউস (১১) নওগাঁর আত্রাই থানার নালুয়া গ্রামের বাসিন্দা সৌদিপ্রবাসী মো. সান্টুর কন্যা। শিশুকাল থেকে সে গৌরনদীর কাসেমাবাদ গ্রামের তার নানা বাড়িতে বসবাস করে আসছিল।

স্থানীয় সূত্রে খবর পেয়ে জানা যায়, গেরাকুল গ্রামের বাসিন্দা শিক্ষক জহুরুল ইসলাম আকনের কাসেমাবাদ এলাকার বাড়ি ভাড়া নিয়ে গত বছরের নভেম্বর মাসে ‘মিফতাহুল জান্নাহ্ হিফজুল কোরআন মডেল মহিলা মাদরাসা’ নামে একটি আবাসিক প্রতিষ্ঠান খোলে দক্ষিণ পিঙ্গলাকাঠী গ্রামের বাসিন্দা মো. আবু ইউসুফ খন্দকার। দুইজন নারী শিক্ষিকা দিয়ে ১৫ জন ছাত্রীকে নিয়ে ওই প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে।

রাতের যে সময় জান্নাতুল নামের সেই ছাত্রী রহস্যজনকভাবে গলায় ফাঁস দেয় আত্মহত্যা করে। তবে কেন সে গলায় ফাঁস দিল তা জানা যায়নি।

জান্নাতের মা সুবর্না বেগম জানান, প্রবাসে স্বামী থাকার কারণে তিনি দুই মেয়েকে নিয়ে বাবা বাড়ি কাসেমাবাদ গ্রামে থাকছেন। আবাসিক ওই মাদরাসার নাজেরা বিভাগে তার মেয়ে জান্নাতুল ফেরদাউস পড়াশোনা করছিল।

মাদরাসার একাধিক ছাত্রী জানিয়েছেন, সোমবার সন্ধ্যার পর মাদরাসার একটি কক্ষ ভিতর থেকে বন্ধ দেখে তারা সন্দেহ করেন। পরে জানালার গ্লাস দিয়ে তারা ভিতরে কেউ জানালার গ্রিলের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে রয়েছে তা দেখতে পান। এ সময় তারা চিৎকার শুরু করলে স্থানীয় লোকজন ও মাদরাসার দায়িত্ব বিধানকারী ওই দুই শিক্ষিকা দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করেন। তাৎক্ষণিক তারা ওই ছাত্রীকে নামানোর পর দেখতে পান সে (জান্নাতুল) মারা গেছে। পরবর্তীতে স্থানীয়রা থানা পুলিশকে খবর দেন।

এ বিষয়ে গৌরনদী মডেল থানার কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি থানায় আনা হয়েছে। পাশাপাশি পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন, রাজধানীতে একদিনে ১৩৮৬ মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৪৬ পি.এম


ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন, রাজধানীতে একদিনে ১৩৮৬ মামলা

ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে একদিনে ১ হাজার ৩৮৬টি মামলা দায়ের করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। একই সময়ে ৩৯৪টি যানবাহন ডাম্পিং করা হয়েছে এবং ৩১৪টি যানবাহন রেকার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) নিয়াজ মেহেদী জানিয়েছেন, সোমবার (২০ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে এসব মামলা করা হয়।

তিনি আরও বলেন, ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে সর্বোচ্চ ২৯৯টি মামলা দায়ের করা হয়। এরপর গুলশান বিভাগে ২৫১টি, তেজগাঁও বিভাগে ১৮০টি মামলা, উত্তরা বিভাগে ১৭৪টি, ওয়ারী বিভাগে ১৬৬টি, মিরপুর বিভাগে ১৫৩টি, লালবাগ বিভাগে ৯৪টি এবং রমনা বিভাগে ৬৯টি মামলা হয়।

অভিযানে ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ৪টি বাস, ২টি ট্রাক, ১টি কাভার্ডভ্যান, ৪টি সিএনজি ও ১২টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৬৯টি মামলা পরিচালিত হয়েছে। ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ১৩টি বাস, ৬টি ট্রাক, ১টি কাভার্ডভ্যান, ১৩টি সিএনজি ও ৪১টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৯৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ৩৫টি বাস, ৪টি ট্রাক, ১৭টি কাভার্ডভ্যান, ৮২টি সিএনজি ও ১০৭টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৯৯টি মামলা রয়েছে। ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ২৩টি বাস, ১৭টি ট্রাক, ১৭টি কাভার্ডভ্যান, ২০টি সিএনজি ও ৩৬টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে মোট ১৬৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ৫টি বাস, ১টি ট্রাক, ৭টি কাভার্ডভ্যান, ৩৬টি সিএনজি ও ৭১টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৮০টি মামলা তৈরি হয়েছে। ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ৮টি বাস, ১০টি ট্রাক, ১৭টি কাভার্ডভ্যান, ১২টি সিএনজি, ৪৯টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৫৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৯টি বাস, ৭টি ট্রাক, ৮টি কাভার্ডভ্যান, ৩০টি সিএনজির বিরুদ্ধে ৫২টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৭৪টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ২০টি বাস, ৬টি ট্রাক, ১২টি কাভার্ডভ্যান, ৪৮টি সিএনজি ও ৭১টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৫১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ডিএমপির এই কর্মকর্তা আরও জানান, রাজধানীতে ট্রাফিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%