০৪:২৫ পি.এম
জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দিতে অবস্থিত দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যমুনা সার কারখানায় উৎপাদন আবার শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাত ৩টা ১০ মিনিটে এই সার কারখানা উৎপাদনে ফিরে আসে। গ্যাস সংকটের কারণে দীর্ঘ আট মাস ধরে কারখানাটিতে সার উৎপাদন বন্ধ ছিল।
কারখানা সূত্রে জানা যায়, ১৯৯০ সালে জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে দৈনিক ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দানাদার ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যমুনা সার কারখানা প্রতিষ্ঠা করা হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই কারখানায় যমুনা সার উৎপাদন অব্যাহত ছিল। কিন্তু গত কয়েক বছরে যান্ত্রিক ত্রুটি ও গ্যাস সরবরাহের অভাবে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।
আরও পড়ুন: সৌরশক্তিচালিত সেচে কৃষি খাতে ব্যয় কমছে, উৎপাদন বাড়ছে
২০২৩ সালের ১৫ জানুয়ারি থেকে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি কারখানাটির গ্যাসের চাপ কমিয়ে দেয়। এর ফলে অ্যামোনিয়া ও ইউরিয়া সার উৎপাদন সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যায়। এতে শ্রমিকদের কর্মহীন হয়ে পড়তে হয়।
গত বছর ২৩ ডিসেম্বর ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু হলেও অ্যামোনিয়া প্ল্যান্টে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় ৫ জানুয়ারি রাত থেকে আবার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।
সর্বশেষ ১৫ জানুয়ারি গ্যাস সংকটের কারণে যমুনা সার কারখানায় উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অবশেষে দীর্ঘ আট মাস পর মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাত ৩টা ১০ মিনিটে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম যমুনা সার কারখানাটি ফের উৎপাদনে যায়।
জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইলসহ উত্তরবঙ্গের ১৯ জেলায় প্রায় আড়াই হাজার সার ডিলারের মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে সার সরবরাহ করা হয়।
আরও পড়ুন: সদরপুরের মাঠে আমনের সবুজ ঢেউ, কৃষকদের প্রত্যাশা ও দুশ্চিন্তা
যদি উৎপাদন অব্যাহত থাকে, তবে দেশের ১৯ জেলায় সার সরবরাহ সম্ভব হবে। ফলে সার সংকট অনেকটাই কমে আসবে।
এ ব্যাপারে কারখানার উপমহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন জানান, চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি থেকে দেশের অন্যতম বৃহৎ যমুনা সার কারখানায় সার উৎপাদন বন্ধ ছিল। তবে গ্যাস সরবরাহ থাকায় মঙ্গলবার রাত থেকে ফের উৎপাদন শুরু হয়েছে। ফলে দেশের বিভিন্ন জেলায় সার সরবরাহ নিশ্চিত করা যাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন