ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সড়কে যান চলাচল নিয়ে ডিএমপির জরুরি নির্দেশ


সড়কে যান চলাচল নিয়ে ডিএমপির জরুরি নির্দেশ

ঢাকা মহানগরে শব্দদূষণ কমানোর উদ্দেশ্যে নীরব (সাইলেন্ট) এলাকায় অপ্রয়োজনীয় হর্ন বাজানো নিরুৎসাহিত করার জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ নতুন নির্দেশনা দিয়েছেন।

এর উদ্দেশ্যে, নীরব এলাকায় স্পষ্ট সাইনবোর্ড স্থাপন করা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্য এবং সমন্বিত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে।

রোববার (১৯ জুলাই) রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর, আধুনিক এবং নাগরিকবান্ধব করার লক্ষ্য নিয়ে ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সে ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় ডিএমপি কমিশনার এইসব নির্দেশনা উপস্থাপন করেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

সভায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, যানজট নিরসন, সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, ট্রাফিক আইন বাস্তবায়ন, প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং জনসেবার মানোন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের সময় বিভিন্ন সমস্যা, চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাব্য সমাধানগুলো তুলে ধরেন ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তারাও।

ডিএমপি কমিশনার তাঁদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনার পর কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার জন্য সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি নাগরিকদের আরও উন্নত, মানসম্মত এবং জনবান্ধব ট্রাফিকসেবা প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ বলেন, শব্দদূষণ শুধুমাত্র পরিবেশের জন্য নয় বরং, জনস্বাস্থ্যের জন্যও একটি গুরুতর হুমকি। এ জন্য নীরব এলাকায় সুস্পষ্ট সাইনবোর্ড স্থাপন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় হর্ন বাজানো নিরুৎসাহিত করা অতীব জরুরি।

এ সভায় ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমানসহ ট্রাফিক বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সমুদ্রসৈকতে বর্তমানে একটি বিরল প্রজাতির মৃত সামুদ্রিক মাছ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৮ এম


সমুদ্রসৈকতে বর্তমানে একটি বিরল প্রজাতির মৃত সামুদ্রিক মাছ

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে বর্তমানে একটি বিরল প্রজাতির মৃত সামুদ্রিক মাছের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। ‘ইউনিকর্ন লেদারজ্যাকেট’ বা ‘ফাইলফিশ’ নামে পরিচিত মাছটি দেখা যায় রোববার (১৯ জুলাই) বিকেলের দিকে কুয়াকাটার চর গঙ্গামতি সৈকতে, যেখানে স্থানীয় বাসিন্দারা এটি দেখতে পান। পরে খবর ছড়িয়ে পড়লে সেখানে মাছটি দেখতে ভিড় করেন স্থানীয় মানুষ এবং পর্যটকেরা।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল জলিল তার অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে বলেন, মোটরসাইকেলে করে চর গঙ্গামতি এলাকায় যাওয়ার সময় সৈকতের বালুচরে তিনি অস্বাভাবিক আকৃতির একটি মৃত মাছ পড়ে থাকতে লক্ষ্য করেন। মাছটি গভীর সমুদ্র থেকে রাতের জোয়ারের পানিতে ভেসে এসেছে।

স্থানীয় পর্যটন ও পরিবেশকর্মী কে এম বাচ্চু মন্তব্য করেন, ‘আমাদের এলাকায় আগে কখনো এমন মাছ দেখা যায়নি। সম্ভবত এটি গভীর সমুদ্র থেকে জোয়ারের পানিতে উপকূলে চলে এসেছে। এটি আসলেই একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা।’

ব্লু-অ্যাকশন ফান্ডের অর্থায়নে ডাব্লিউসিএস ও ওয়ার্ল্ডফিশের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান মাছটিকে ‘ইউনিকর্ন লেদারজ্যাকেট’ বা ‘ফাইলফিশ’ হিসেবে শনাক্ত করেন। তিনি বলেন, এটি একটি বিরল প্রজাতির মাছ, যা গভীর সমুদ্রে বসবাস করে। পরিবেশগত পরিবর্তন, ঝড়ো আবহাওয়া, সাগরের স্রোতের অস্বাভাবিকতা কিংবা অসুস্থতার কারণে মাঝে মাঝে এ ধরনের মাছ উপকূলে মৃত অবস্থায় ভেসে আসতে পারে। তবে এমন ঘটনা সত্যিই বিরল।

বিশেষজ্ঞদের তথ্য অনুযায়ী, মাছটির বৈজ্ঞানিক নাম হল Aluterus monoceros। এর শরীর চ্যাপ্টা, চামড়া মোটা ও খসখসে হওয়ায় একে ‘লেদারজ্যাকেট’ বলে অভিহিত করা হয়। মাথার ওপর একটি সরু কাঁটা রয়েছে, যা এই প্রজাতির অন্যতম বৈশিষ্ট্য। সাধারণত গভীর সমুদ্রের প্রবাল ও পাথুরে এলাকার বাসিন্দা হিসেবে এদের পরিচিতি রয়েছে। এরা খাদ্য হিসেবে শৈবাল, স্পঞ্জ, জেলিফিশ, ছোট ক্রাস্টেশিয়ান, চিংড়ি, শামুক এবং অন্যান্য তলদেশীয় অমেরুদণ্ডী প্রাণী খেয়ে থাকে।

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে, মাছটি ফাইলফিশ প্রজাতির। উপকূলে এ ধরনের বিরল সামুদ্রিক প্রাণী ভেসে আসলে তা সংরক্ষণ ও গবেষণার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা দরকার।

সম্প্রতি কুয়াকাটা উপকূলে একের পর এক বিরল সামুদ্রিক প্রাণী ও মাছের ভেসে আসার ঘটনা গবেষকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধি, স্রোতের পরিবর্তন এবং আবহাওয়ার বৈরী প্রভাবের সঙ্গে এসব ঘটনার সম্ভাব্য সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নিয়ে আরও গবেষণার প্রয়োজন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্জেন্টিনার হারের শোক, দুই সমর্থকের মৃত্যু; আইসিইউতে আরও একজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০৫ এম


আর্জেন্টিনার হারের শোক, দুই সমর্থকের মৃত্যু; আইসিইউতে আরও একজন

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার স্পেনের কাছে পরাজয়ের পর দেশজুড়ে একটি গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এই শিরোপা হাতছাড়া হওয়ার ধাক্কা সহ্য করতে না পারায়, রাজধানী বুয়েনস আইরেসে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে দুজন প্রবীণ সমর্থকের মৃত্যু ঘটেছে। এর পাশাপাশি, আরও একজন গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আর্জেন্টিনার জরুরি চিকিৎসা সেবা সংস্থা (সামে) এবং স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্য অনুসারে, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে মনসেরাত এলাকার একটি বাসা থেকে জরুরি সেবায় ফোন করা হয়। সেখানে ৬৭ বছর বয়সী এক সমর্থক হৃদরোগে আক্রান্ত হন। চিকিৎসকরা ঘটনাস্থলেই তাকে সিপিআর (কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন) দেন, তবে শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

এর আগে, বিকেল ৫টা ৩৯ মিনিটে ৮৮ বছর বয়সী আরেক সমর্থকের শ্বাসকষ্ট শুরু হলে তার মেয়ে জরুরি সেবায় যোগাযোগ করেন। প্রাথমিকভাবে সিপিআর দেয়ার পরে তাকে ডুরান্ড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসা চলাকালীন প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পরে তিনি মৃত্যু বরণ করেন।

এদিকে, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ২২ মিনিটে ৭২ বছর বয়সী আরেক ব্যক্তি হঠাৎ বুকে তীব্র ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। বর্তমানে তিনি আলভারেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ)-তে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বুয়েনস আইরেসের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

ফাইনাল শেষ হওয়ার পর, রাজধানীর ওবেলিস্ক চত্বরে জড়ো হওয়া সমর্থকদের মধ্যে হতাশা থেকে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। এসময়, ৪৭ বছর বয়সী এক ব্যক্তি প্রায় ১৩ ফুট উঁচু থেকে পড়ে গিয়ে বাঁ পায়ের হাড় ভেঙে গুরুতর আহত হন।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইনফোবে জানাচ্ছে, পরাজয়ের হতাশায় অনেক সমর্থক অতিরিক্ত মদ্যপান করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এছাড়া, সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি, ধাক্কাধাক্কি এবং পড়ে গিয়ে আহত হওয়ার একাধিক ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে।

বিশ্বকাপ ফাইনালের পর, বুয়েনস আইরেসজুড়ে শোকের আবহ বিরাজ করছে। স্থানীয় প্রশাসন ও জরুরি চিকিৎসা সেবা সংস্থাগুলো পরিস্থিতি শান্ত রাখতে এবং সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ময়লার ডাস্টবিন নিয়ে বিরোধ, গুলিবিদ্ধ পরিচ্ছন্নকর্মী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১০ এম


ময়লার ডাস্টবিন নিয়ে বিরোধ, গুলিবিদ্ধ পরিচ্ছন্নকর্মী

রাজধানীতে ময়লার ডাস্টবিন নিয়ে বিরোধের জেরে গুলিবিদ্ধ হন একজন পরিচ্ছন্নকর্মী।

রোববার (১৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে নতুনবাজার ও বারিধারা সড়কের ময়লার ডাস্টবিনের সামনে এ মারাত্মক ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধ হওয়া মো. তৌহিদ (২৮) হলেন নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার কাকুরিয়া মাছিমা গ্রামের আবুল হাশেমের ছেলে। বর্তমানে তিনি রাজধানীর ভাটারা থানার কোকাকোলা টেকবাড়ি-বারিধারা এলাকায় বসবাস করছেন।

তৌহিদের সহকর্মী কামরুল তথ্য দেন যে, নতুন বাজার-বারিধারা এলাকায় ময়লার ডাস্টবিন ব্যবহার নিয়ে স্থানীয় ‘হেলাল গ্রুপ’-এর সঙ্গে কয়েক দিন ধরে বিরোধ চলছিল। রোববার রাতে ডাস্টবিনের সামনে হঠাৎ অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজন গুলি চালালে তৌহিদের পায়ে গুলি লাগে।

পরে সহকর্মীরা তৌহিদকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) পাঠাতে হয়।

এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক গণমাধ্যমকে বলেন, ঢামেকের জরুরি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চিকিৎসকরা তাঁকে পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করেন। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দীর্ঘ ২২ বছরেও কাটেনি লালমাই কারিগরি স্কুলের সংকট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১৬ এম


দীর্ঘ ২২ বছরেও কাটেনি লালমাই কারিগরি স্কুলের সংকট

মুক্তবাংলা কারিগরি উচ্চ বিদ্যালয়। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবস্থান কুমিল্লার লালমাই উপজেলার সীমান্তবর্তী তাজের ভোমরা গ্রামে। ২২ বছর পরেও প্রতিষ্ঠানটিতে একটি পাকা ভবন নেই, হয়নি এমপিওভুক্তও। নানা সমস্যায় ধুঁকছে প্রতিষ্ঠানটি। এসব কারণে তিনশো শিক্ষার্থী থেকে কমে এখন এটি দেড়শতাধিক শিক্ষার্থী দাঁড়িয়ে রয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও স্কুল জানাচ্ছে, কুমিল্লার লালমাই, নাঙ্গলকোট ও লাকসামের সীমান্তবর্তী তাজের ভোমরা গ্রামে ২০০৪ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করা হয়। বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন গ্রামের তরুণ উদ্যোক্তা সৈয়দ খোরশেদ আলম। ৩৫ শতক জমি দান করেছেন গ্রামের দানবীর মাওলানা ওসমান গনি। আরেক দানবীর আবদুল হালিম মজুমদার পরবর্তীতে আরো ১৪ শতক জমি দান করেন। স্কুলটির আশপাশে চার কিলোমিটার অঞ্চলে কোন উচ্চ বিদ্যালয় না থাকায় সৈয়দ খোরশেদ আলম এই প্রতিষ্ঠানটি স্থাপন করেন। তবে, স্কুলটি এমপিওভুক্ত না হওয়ায় শিক্ষকরা সংরক্ষণ করা যাচ্ছে না। প্রধান শিক্ষক বিনা বেতনে স্কুলটি ধরে রেখেছেন।মাত্র নামমাত্র বেতনে কয়েকজন শিক্ষক দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে ভবন না থাকার কারণে শিক্ষার্থী সংখ্যা কমে গেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্কুল মাঠে পানি জমে আছে। শিক্ষার্থীরা পানি মাড়িয়ে স্কুলে প্রবেশ করছেন। স্কুলটির টিনের দোচালা ভবন রয়েছে। ঘর ও বারান্দার চাল থেকে পানি পড়ছে। বারান্দাও পানিতে ডুবে রয়েছে। শিক্ষার্থীরা সেখানে ইটের ওপর দিয়ে হাঁটছেন। ক্লাসের ভেতরে পানি পড়ায় বই ও খাতা ভিজে যাচ্ছে। পর্যাপ্ত লাইট না থাকায় অন্ধকার কক্ষে শিক্ষার্থীরা ক্লাস করছেন। পানি পড়ে কক্ষের মেঝে যেন ধানের চাষের জমি হয়ে গেছে।

প্রধান শিক্ষক সৈয়দ খোরশেদ আলম বলেন, টিনের ঘরে মোট ৫টি কক্ষ রয়েছে। একটি কক্ষে আমরা শিক্ষকরা বসি। বাকি চারটি কক্ষে ৫টি শ্রেণির ক্লাস হচ্ছে। এক কক্ষে দুইটি শ্রেণিকে একসাথে বসিয়ে ক্লাস নেওয়া হচ্ছে।

লালমাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মাদুল্লাহ বলেন, আমাদের উপজেলায় আর কোনো কারিগরি স্কুল নেই। স্কুলটি এমপিওভুক্ত হলে এবং ভবন হলে শিক্ষার মান আরো উন্নত হবে। কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে দেশের কর্মসংস্থান বাড়বে। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করবো।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%