১১:৪১ পি.এম
নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ বা শিডিউল এখনও ঠিক করা হয়নি। ভোটার তালিকার জন্য পার্লামেন্ট সেক্রেটারিয়েটে আমাদের অনুরোধ পাঠানো হয়েছে, তবে তালিকা এখনও আমরা পাইনি। ভোটার তালিকা পাওয়ার পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ বা তফসিল ঘোষণা করা হবে।
তিনি সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব বিষয় উল্লেখ করেন।
আখতার আহমেদ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য একটি আচরণবিধি এবং আইন সংশোধনের প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। এই প্রস্তাবে দ্বৈত নাগরিকত্ব এবং ঋণখেলাপি বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। খসড়াটি আইন মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময়সীমা সম্পর্কে তিনি মন্তব্য করেন যে, সাধারণত তফসিল ঘোষণা থেকে নির্বাচনের তারিখ পর্যন্ত ৪৫ দিনের ব্যবধান থাকে। ভোটার তালিকা হালনাগাদ ও অন্যান্য প্রস্তুতির জন্য ‘ব্যাকওয়ার্ড ক্যালকুলেশন’ বা উল্টো গণনা করে সময় নির্ধারণ করা হয়। আমাদের প্রয়োজনীয় ইকুইপমেন্ট এবং ভোটকেন্দ্র সব প্রস্তুত আছে। ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাট-অফ পয়েন্ট প্রয়োজনে বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে। আমরা প্রস্তুতি নিয়ে রাখছি যাতে ঘোষণা আসার পর সঙ্গে সঙ্গেই কাজ শুরু করতে পারি।
ইসি সচিব জানান, এনআইডি সংশোধনের জন্য কোনো নির্দিষ্ট এসওপি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। বয়স সংশোধন করার ক্ষেত্রে অনেক সময় দেখা যায় যে, আবেদনকারী যে বয়স দাবি করছেন, তাতে তিনি সাত-আট বছর বয়সে ভোটার হয়েছেন, যা আইনত এবং যৌক্তিকভাবে অসম্ভব। এছাড়া, একজনের ছবি ও তথ্য ব্যবহার করে অন্যজনের ভোটার হওয়ার মতো জালিয়াতির ঘটনাও দেখা যাচ্ছে। এনআইডি, পাসপোর্ট এবং জন্ম নিবন্ধনের তথ্যের মধ্যে সামঞ্জস্য ধরে রাখা জরুরি।
তিনি বলেন, বয়স সংশোধনের ক্ষেত্রে যেমন- জেএসসি, পিএসসি বা এসএসসি সার্টিফিকেট অনুযায়ী সংশোধন করা যাবে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, অনেকেই বেশি বয়সে বয়স কমিয়ে এসএসসি পাস করেছেন। এখন নিবন্ধনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে গেলে দেখা যাচ্ছে যে, তিনি সাত-আট বছর বয়সে ভোটার হয়েছেন।
রাজনৈতিক দলগুলোর অডিট রিপোর্ট সম্পর্কিত তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, রাজনৈতিক দলগুলোর অডিট রিপোর্ট জমার শেষ সময় ছিল ৩১ জুলাই। যেহেতু ৩১ জুলাই একটি শুক্রবার ছিল, তাই ২ আগস্ট পর্যন্ত আমরা রিপোর্ট গ্রহণ করেছি। ৫৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৩৮টি দল তাদের অডিট রিপোর্ট জমা দিয়েছে। এছাড়া, ১৩টি দল সময় বৃদ্ধির আবেদন করেছে এবং আটটি দল কোনো তথ্য প্রদান করেনি। যারা সাড়া দেয়নি, তাদের আইন অনুযায়ী নোটিশ প্রদান করা হবে।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন