ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও লেবাননে ইস্রায়েলের প্রাণঘাতী হামলা


যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও লেবাননে ইস্রায়েলের প্রাণঘাতী হামলা

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার এক মাস না পেরোলেও লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে আবারও প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। নাবাতিয়েহ এলাকায় ড্রোন হামলায় চারজন নিহত হয়েছেন। বৈরুতের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, অব্যাহত ইসরাইলি হামলা যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নকে বাধাগ্রস্ত করছে। অন্যদিকে, সীমান্তজুড়ে ধ্বংসস্তূপ ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে বর্তমানে ঘরে ফিরতে পারছেন না বাস্তুচ্যুত লাখো মানুষ।

দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহ আল-ফাওকা এলাকায় একটি গাড়িতে ড্রোন হামলা চালিয়ে কয়েকজনকে হত্যা করে ইসরাইল। নিহতদের মধ্যে রয়েছে একটি সরকারি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, তার মা, এক গৃহকর্মী এবং সিরিয়ার এক নাগরিক।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম অনুযায়ী, তারা নিজ বাড়ির পরিস্থিতি দেখতে গেলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হন। ইসরাইলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, সীমান্তবর্তী নিরাপত্তা অঞ্চলের কাছে তাদের বাহিনীর জন্য হুমকি হয়ে ওঠা সন্দেহভাজনদের লক্ষ্য করেই এ হামলা চালানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

শুধু নাবাতিয়েহ নয়, একই দিনে বিনতে জুবেইল জেলার কৌনিন ও বারাআশিত এলাকাতেও বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। বারাআশিতে বেসামরিকদের জানাজার সময়েই নতুন করে হামলা হয়। কৌনিনের আবাসিক বাড়িঘর লক্ষ্য করে বোমা ফেলার অভিযোগ তুলেছে লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে মানুষ যাতে ফিরতে না পারে, সে জন্যই ধারাবাহিকভাবে বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করা হচ্ছে।

লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন্স বলেছেন, দক্ষিণাঞ্চলে ইসরাইলের দখল ও অব্যাহত হামলার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না। চুক্তি অনুযায়ী ইসরাইলের সেনা প্রত্যাহার, লেবাননের সেনাবাহিনীর মোতায়েন এবং সীমান্তে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার কথা থাকলেও বাস্তবে কোনো পক্ষই পুরোপুরি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেনি। তাই সীমান্ত পরিস্থিতি এখনো অস্থির রয়ে গেছে।

চলমান সংঘাতে দক্ষিণ লেবাননে ৯০ হাজারের বেশি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে বলে সরকারি জরিপে উঠে এসেছে। প্রায় ছয় লাখ মানুষ এখনো নিজ এলাকায় ফিরতে পারেননি। যারা ফিরেছেন, তারাও প্রতিদিন বিস্ফোরণের শব্দ আর নতুন হামলার আশঙ্কার মধ্যে বসবাস করছেন।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ থেকে শুরু হওয়া সর্বশেষ সংঘাতে দেশটিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৩১৯ জনে, আহত হয়েছেন ১২ হাজার ২০৩ জনেরও বেশি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৬ জেলায় বন্যার শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৩ পি.এম


১৬ জেলায় বন্যার শঙ্কা

তিস্তার সহ দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বেশ কিছু নদ-নদীর পানি আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টায় দ্রুত বাড়তে পারে। এতে তিস্তা নদী বিপৎসীমা অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে এবং ১৬ জেলার বিভিন্ন স্থানে স্বল্পমেয়াদি বন্যার পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের বৃষ্টিপাত ও নদ-নদীর পরিস্থিতি সংক্রান্ত পূর্বাভাসে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

এখন দেখুন, বর্তমানে দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। মঙ্গলবার সকাল ৯টার তথ্য অনুযায়ী, কোনো নদীর পানি পর্যবেক্ষণের আওতায় বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। ১২৭টি পানি সমতল পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের মধ্যে ৩৮টিতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে, ৮৬টিতে কমেছে এবং তিনটিতে অপরিবর্তিত রয়েছে।

এদিকে, ভারতের মেঘালয়ের মাওকিরওয়াতে ১৫৩ মিলিমিটার, আর কে এম সোহরায় ১৪১ মিলিমিটার, চেরাপুঞ্জিতে ১৩৩ মিলিমিটার এবং দক্ষিণ ত্রিপুরার সাবরামে ৫৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এটি বাংলাদেশের উজানের নদীগুলোর পানি বৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে গোমতী, মুহুরি, ফেনী, সেলোনিয়া, হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। এর ফলে বান্দরবান, কক্সবাজার, ফেনী, চট্টগ্রাম এবং খাগড়াছড়ির কিছু স্থানে নদীর পানি বিপৎসীমার উপরে প্রবাহিত হতে পারে। ফলে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এছাড়া, লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর নদীসংলগ্ন নিচু এলাকা সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার কিছু স্থানে নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রমও করতে পারে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যাপ্রবণ পরিস্থিতি উদ্ভব হতে পারে।

রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি আগামী তিন দিনে দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। এর মধ্যে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তিস্তা নদী বিপৎসীমা অতিক্রম করার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে নীলফামারী ও লালমনিরহাট জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এছাড়া, একই সময়ে ধরলা ও দুধকুমার নদী লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলার কিছু স্থানে সতর্ক সীমায় পৌঁছাতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হবার সম্ভাবনাও রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০৩ পি.এম


সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

আজ মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করেন। ছবি : পিএমও

ঢাকা, ৭ জুলাই, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করেছেন।

দেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ এলাকায় স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে মাঠপর্যায়ের সেনাসদস্যদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটান।

তিনি আজ সকাল ৯টা ২০ মিনিটে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৯ পদাতিক ডিভিশনের অধীনে ৮ বীর-এর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ এলাকায় আকস্মিকভাবে উপস্থিত হন। এরপর পুরো মহড়া এলাকা পায়ে হেঁটে পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী।

ছবি : পিএমও
ছবি : পিএমও

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ কথা জানান।

তিনি জানান, মহড়া চলাকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘ফার্ম বেস’-এর বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও ইউনিটের কমান্ডিং অফিসারের (সিও) কাছ থেকে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও কৌশলগত প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত হন।

প্রধানমন্ত্রী একজন কমান্ডারের মৌখিক অপারেশনাল নির্দেশনা (Verbal Order) মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সেনাসদস্যদের পরিচালিত একটি ‘রেইড’ (Raid) মহড়া প্রত্যক্ষ করেন।

এছাড়া যুদ্ধক্ষেত্রে সেনাসদস্যদের অবস্থান গ্রহণ, রণকৌশল, সমরাস্ত্রের ব্যবহার এবং বাস্তবধর্মী প্রশিক্ষণের বিভিন্ন দিক পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। সেনা বাঙ্কারে নেমে মহড়ায় অংশগ্রহণকারী অফিসার ও সেনাসদস্যদের সঙ্গে রণকৌশল নিয়ে মতবিনিময় করেন।

ছবি : পিএমও
ছবি : পিএমও

এমনকি গাছের পাতার আড়ালে ছদ্মবেশে অবস্থানরত সেনাসদস্যদের কাছে গিয়েও তাদের খোঁজখবর নেন এবং দায়িত্ব পালনে উৎসাহ প্রদান করেন বলেও জানান জাহিদুল ইসলাম রনি।

একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী মহড়ায় অংশগ্রহণকারী সেনাসদস্যদের জন্য প্রস্তুত করা তাৎক্ষণিক রান্না করা খাবার গ্রহণ করেন এবং তাদের সঙ্গে চা পান করেন। মাঠপর্যায়ে সেনাসদস্যদের সঙ্গে সরকারপ্রধান দীর্ঘ সময় কাটানোয় উপস্থিত সেনাসদস্যরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

ছবি : পিএমও
ছবি : পিএমও

জাহিদুল ইসলাম রনি জানান, পরে সেনা সদস্যদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন তারেক রহমান। 

সেখানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের জনগণ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওপর গভীর আস্থা রাখে।’ 

জাতীয় সংকট ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর গৌরবময় ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি পেশাদার প্রশিক্ষণ, শৃঙ্খলা ও সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

ছবি : পিএমও
ছবি : পিএমও

এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে গ্রেফতার ৫৯ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০৫ পি.এম


তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে গ্রেফতার ৫৯ জন

ঢাকা, ৭ জুলাই, ২০২৬: ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৫৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ জানানো হয়, বিভাগের বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে গতকাল সোমবার তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মো. রবিউল ইসলাম (৩২), হৃদয় (২৩), মো. রাশেদ (২৩), মো. শামীম ওরফে সাগর (২৫), মো. সাইফুল ইসলাম (২৮), মো. আকাশ খন্দকার ওরফে ভোদন (২৫), মো. মোতালেব হোসেন (৪১), মো. জাহিদ (২৩), মো. আকাশ খন্দকার ওরফে ভোদন (২৫), মো. সুমন (২৮), মো. শাহ আলম (২৮), মো. রাজু (২৮), সৈয়দ অর্পন শাহরিয়ার (২০), মো. আরিফ হোসেন (৩৬), মো. আকিব হোসেন (৩০), মো. মামুন (২৩), মো. আলম মিয়া (৩২), মো. টিপু (২৭), মাইনউদ্দিন ওরফে মানিক, মো. রাসেল, মো. মানিক, মোসা. সাথি আক্তার (২৮), মো. রহিদ, মো. ওয়াসিম, রাইয়ান তাসীন রাহিন (২৪), মো. আল-আমিন (২১), মো. সাকিব (২৬), মো. রিয়াজ (১৮), মো. ইউছুফ (৩০), মো. জাফর (২৭), মো. রিফাত (২০), মো. রায়হান (২৪), সোহেল খান (২৫), মো. তানজিল হাসান নয়ন (২১), মো. রিহান (১৯), মো. রহিদ, মো. রাব্বি (২৩), মো. শুভ (২০), মো. সাকিব হোসেন (২৪), পারভেজ (৩০), মো. সোহান (২২), সিয়াম (২০), মো. আলাউদ্দিন (৪০), মো. রাজু মোল্লা (৩০), খালেদ হোসেন ওরফে নিশাদ (২৬), মো. স্বপন (২২), মো. শিমুল (২২), মো. জুয়েল (৪০), মো. সোহান (২১), মো. জুয়েল মিয়া (২১), মো. মিজানুর রহমান (২২), মো. আলমগীর হোসেন (২৮), মো. আ. হামিদ (৫৪), মোসা. জরিনা বেগম (৫১), মো. রাসেল (২৮), মো. ফুয়াদ (৩২), মো. আকাশ খন্দকার ভোদন (২৫), মো. রুবেল (৩৩) ও ওমর ফারুক (২৭) রয়েছেন।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে তেজগাঁও থানায় ৪ জন, শেরেবাংলা নগর থানায় ১১ জন, মোহাম্মদপুর থানায় ২১ জন, আদাবর থানায় ১১ জন, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় ৭ জন ও হাতিরঝিল থানায় ৫ জন রয়েছে।

গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জঁ-পিয়েরে লাক্রোয়ার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

শান্তিমিশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ আরও জোরদারের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪২ পি.এম


শান্তিমিশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ আরও জোরদারের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সোমবার জাতিসংঘের ডিওপি-এর আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জঁ-পিয়েরে লাক্রোয়া দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। ছবি: পিআইডি

ঢাকা, ৭ জুলাই, ২০২৬ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সোমবার জাতিসংঘের ডিপার্টমেন্ট অব পিস অপারেশনস (ডিওপি)-এর আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জঁ-পিয়েরে লাক্রোয়া দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।

জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ এ বৈঠকে উভয় পক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ বলা হয়, বৈঠকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ পুলিশের অবদান, দ্রুত নিয়োজন সক্ষমতা যাচাই, কঙ্গো  মিশন থেকে বাংলাদেশি নারী এফপিইউ এর প্রত্যাহারের প্রেক্ষিতে নতুন মিশনে প্রতিস্থাপন, জাতিসংঘ সদরদপ্তর ও মাঠপর্যায়ে নীতি-নির্ধারণী পদে বাংলাদেশিদের নিয়োগ, আইপিও ডেপ্লয়মেন্ট এবং ভবিষ্যৎ বিশেষায়িত সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের দীর্ঘদিনের এক বিশ্বস্ত ও পরীক্ষিত অংশীদার। এ পর্যন্ত ২৬টি দেশের ২৭টি শান্তিরক্ষা মিশনে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। তিনি বলেন, অন্যতম শীর্ষ পুলিশ অবদানকারী দেশ (পিসিসি) হিসেবে বর্তমান এবং ভবিষ্যতের যে কোনো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ পুলিশের পেশাদারিত্ব ও কার্যকারিতা বাড়াতে নানামুখী বিনিয়োগ ও উচ্চতর প্রশিক্ষণ অব্যাহত রয়েছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের দ্রুত সাড়াদানের সক্ষমতাকে আরও জোরদার করতে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য দুটি ফর্মড পুলিশ ইউনিটের (এফপিইউ) র‌্যাপিড ডেপ্লয়মেন্ট লেভেল (আরডিএল) যাচাইকরণের প্রস্তাব ইতোমধ্যে জাতিসংঘ পুলিশ বিভাগে জমা দেওয়া হয়েছে। ইউনিট দুটি জাতিসংঘের মানদণ্ড অনুযায়ী আধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম, নিজস্ব রসদ ব্যবস্থাপনা এবং দক্ষ জনবলে সম্পূর্ণ সুসজ্জিত। মন্ত্রী এই যাচাইকরণ প্রক্রিয়াটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে ডিপার্টমেন্ট অব পিস অপারেশনস এর আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।

বৈঠকে মন্ত্রী অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে কঙ্গোর মোনুস্কো মিশন থেকে গত বছরের অক্টোবরে স্বল্প সময়ের নোটিশে ১৮০ সদস্যের বাংলাদেশি নারী এফপিইউ (বিএএনএফপিইই) প্রত্যাহারের বিষয়টি উত্থাপন করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, অন্যান্য মিশন যেমন সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক বা দক্ষিণ সুদানে বিভিন্ন দেশের মধ্যে আনুপাতিক হারে কমানো হলেও, কঙ্গোতে কেবল বাংলাদেশের পুরো ইউনিটটি প্রত্যাহার করা হয়েছে, যা সমতা ও ন্যায্যতার নীতি পরিপন্থী। বৈশ্বিক শান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দক্ষিণ সুদান, আবেয়ি বা সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে একটি নতুন বাংলাদেশি এফপিইউ মোতায়েনের জন্য তিনি আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেলকে অনুরোধ জানান।

শান্তিরক্ষা মিশনের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে বাংলাদেশের অবদান বাড়ানোর ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘ সদরদপ্তর এবং মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন মিশনসমূহের শীর্ষ নেতৃত্ব ও বিশেষায়িত পেশাদার পদে (পি-লেভেল এবং ডি- লেভেল) যোগ্য ও দক্ষ বাংলাদেশি পুলিশ কর্মকর্তাদের আরও বেশি সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ শান্তি মিশনের পরিবর্তিত চাহিদাকে ধারণ করতে সক্ষম এমন অত্যন্ত যোগ্য পুরুষ ও নারী কর্মকর্তা প্রদানে সর্বদা প্রস্তুত।

বৈঠকে জানানো হয়, ২০২৪ সালের জুন মাসে অনুষ্ঠিত সিলেকশন অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট টিম (এসএএটি) পরীক্ষায় ১০৭ জন কর্মকর্তা উত্তীর্ণ হলেও এখনো ৮৫ জন কর্মকর্তা নিয়োজনের অপেক্ষায় আছেন। সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ও কঙ্গোতে বাংলাদেশি ইন্ডিভিজুয়াল পুলিশ অফিসার (আইপিও)-এর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায়, সেখানে ফ্রেঞ্চ ও ইংরেজি ভাষায় দক্ষ এবং অপেক্ষমাণ কর্মকর্তাদের দ্রুত পদায়নের অনুরোধ জানানো হয়। একইসঙ্গে, বর্তমান তালিকার মেয়াদ আগামী ডিসেম্বরে শেষ হতে চলায়, আগামী সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর শেষ সপ্তাহে বাংলাদেশে পরবর্তী ‘সাট’ পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে জানিয়ে জাতিসংঘের প্রতিনিধিদলকে সময়োচিত সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়।

জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জঁ-পিয়েরে লাক্রোয়া বিশ্বশান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের পুলিশ সদস্যদের বীরত্বপূর্ণ অবদান, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

তিনি কঙ্গো মিশনের ভারসাম্য ও সমতার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনার আশ্বাস দেন এবং বাংলাদেশের উত্থাপিত যুক্তিসঙ্গত দাবিগুলো পূরণে ও বিশেষায়িত পুলিশ দল গঠনে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%