ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ডোবা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজের দুই দিন পরে


ডোবা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজের দুই দিন পরে

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নে দুই দিন নিখোঁজ থাকার পর আবুল হোসেন (৩২) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রবিবার (১২ জুলাই) সকাল ৯টা নাগাদ উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মাজার রোড এলাকা থেকে আবুল হোসেনের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট মর্গে মরদেহটি পাঠানো হয়েছে।

নিহত আবুল হোসেন ছিলেন একলাশপুর ইউনিয়নের মৃত বাবুলের ছেলে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, আবুল হোসেনের ভাইয়েরা প্রবাসে রয়েছেন এবং তিনি বেকার ছিলেন। শুক্রবার রাতে তাঁর বাড়িতে এক ভাগ্নির বিয়ের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই রাত থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। রবিবার সকালে স্থানীয়রা বাড়ির পাশের একটি ডোবায় মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন। এরপর বেগমগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে।

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামসুজ্জামান বলেন, পরিবারের সদস্যদের দাবি অনুযায়ী, আবুল হোসেন মৃগী রোগে আক্রান্ত ছিলেন এবং শুক্রবার রাত থেকেই নিখোঁজ ছিলেন। দুই দিন পানিতে থাকার কারণে মরদেহ ফুলে গেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেয়ে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুণগত ও পরিকল্পিত জনসংখ্যা এক দেশে প্রধান সম্পদ ও শক্তি: রাষ্ট্রপতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৬ পি.এম


গুণগত ও পরিকল্পিত জনসংখ্যা এক দেশে প্রধান সম্পদ ও শক্তি: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন মানসম্মত শিক্ষা, আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং সুশাসন নিশ্চিতের মাধ্যমে দেশের জনসংখ্যাকে উৎপাদনশীল মানবসম্পদে রূপান্তরের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘গুণগত ও পরিকল্পিত জনসংখ্যা একটি দেশের প্রধান সম্পদ ও শক্তি। এটি উন্নয়নের ভিত্তি এবং সমৃদ্ধির চাবিকাঠি। অপরদিকে, অপরিকল্পিত ও অদক্ষ জনসংখ্যা একটি দেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।’

আজ দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন রাষ্ট্রপতি।

তিনি আরও বলেন, একটি জাতির প্রকৃত শক্তি তার জনসংখ্যার আকারের ওপর নির্ভর করে না, বরং জনগণের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দক্ষতা, কর্মসংস্থান ও উৎপাদনশীলতার ওপর নির্ভর করে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘অদক্ষ ও বেকার জনসংখ্যা শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, আবাসন, শ্রমবাজার, পরিবেশ, সামাজিক নিরাপত্তা এবং জনসেবার ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে, যা নতুন নতুন চ্যালেঞ্জের জন্ম দেয়।’

তিনি ভারসাম্যপূর্ণ জনসংখ্যা নিশ্চিত করা এবং এর গুণগত মান উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বাংলাদেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে অগ্রযাত্রার কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এ যাত্রার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

তিনি বলেন, ‘তার ঘোষিত ১৯ দফা সামাজিক-অর্থনৈতিক মুক্তি কর্মসূচির অন্যতম দফা ছিল ‘জনসংখ্যা বিস্ফোরণ রোধ’। ১৯৭৬ সালে তাঁর নেতৃত্বে জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদ গঠন এবং ‘জনসংখ্যা নীতি’ প্রণয়ন করা হয়।’

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, পরবর্তী সময়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া জনমিতিক লভ্যাংশের সর্বোচ্চ সুফল অর্জনের লক্ষ্যে পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচিকে বিশেষ গুরুত্ব দেন।

তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া শিক্ষায় নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেন। যার ফলে বাল্যবিবাহ কমে, সচেতনতা ও নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ ও পরিবার পরিকল্পনা গ্রহণের প্রবণতা বাড়ে।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। সীমিত ভূমি, প্রাকৃতিক সম্পদ ও অবকাঠামোর তুলনায় আমাদের জনসংখ্যার চাপ অত্যন্ত বেশি।

এর সঙ্গে দ্রুত নগরায়ণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব, পরিবেশগত ঝুঁকি, সীমিত বিনিয়োগ এবং পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের অভাব নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে।

এই বাস্তবতায় জনসংখ্যা ব্যবস্থাপনা কেবল পরিবার পরিকল্পনা বা স্বাস্থ্যখাতের বিষয় নয়, এটি অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সুশাসন, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ তরুণ এবং এই বিপুল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী দেশের সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা। অর্থনীতির ভাষায় যা জনমিতিক লভ্যাংশ।

জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর এবং চীনের মতো বহু দেশ এই সুযোগের যথাযথ ব্যবহার করে স্বল্প সময়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

আমাদের মনে রাখতে হবে, এই সুযোগ সীমিত সময়ের জন্য। তাই আজকের তরুণদের আগামী দিনের দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে হবে।

আর তা করতে না পারলে এই সম্ভাবনাই একসময় বেকারত্ব, দারিদ্র্য, সামাজিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

কাজেই মানসম্মত শিক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তিগত ও কারিগরি দক্ষতা, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা এবং টেকসই কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করা এখন সময়ের অপরিহার্য দাবি।

তিনি বলেন, ‘আমি আনন্দিত যে এ বছরের বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের প্রতিপাদ্য ‘তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি’ যা তারুণ্যের প্রত্যাশা ও জাতীয় অগ্রাধিকার সঙ্গে গভীরভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ।’

রাষ্ট্রপতি এ প্রতিপাদ্যকে বাস্তব কর্মপরিকল্পনায় রূপ দেওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এ যুগে বিশ্ব অর্থনীতি ও শ্রমবাজার দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে।

এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তরুণদের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল, গণিত, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা, গবেষণা এবং উদ্ভাবনী দক্ষতায় সমৃদ্ধ করে তুলতে হবে।

একই সঙ্গে সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা, সৃজনশীলতা, যোগাযোগ দক্ষতা, নেতৃত্ব, নৈতিকতা এবং কর্মসংস্কৃতির মতো জীবনদক্ষতারও বিকাশ ঘটাতে হবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিল্পখাত এবং শ্রমবাজারের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় গড়ে তুলে এমন শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে, যা তরুণদের দেশীয় ও বৈশ্বিক উভয় শ্রমবাজারের চাহিদা পূরণে সক্ষম করে।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, আমাদের সামনে এখনও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

প্রথমত, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমলেও মোট জনসংখ্যার বিশাল ভিত্তির কারণে প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু জন্মগ্রহণ করছে। ফলে দেশের মোট জনসংখ্যা এখনও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

দ্বিতীয়ত, মোট প্রজনন হার গত দেড় দশক ধরে প্রায় দুই দশমিক তিন-এ স্থির রয়েছে।

দীর্ঘমেয়াদে জনসংখ্যাকে স্থিতিশীল পর্যায়ে আনতে এ হারকে দুই এর কাছাকাছি নিয়ে আসা এবং তা ধরে রাখা একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় চ্যালেঞ্জ।

তৃতীয়ত, অশিক্ষিত ও পশ্চাৎপদ পরিবারে জন্মহার তুলনামূলক অনেক বেশি। পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমকে সেভাবে ঢেলে সাজাতে হবে।

চতুর্থত, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, বিয়ের গড় বয়স বৃদ্ধি এবং কিশোর-কিশোরীদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা আমাদের অন্যতম সামাজিক অগ্রাধিকার।

এ বিষয়ে পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, সরকার স্বাস্থ্যকে নাগরিকের মৌলিক অধিকার এবং জাতীয় উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করে।

‘সবার জন্য স্বাস্থ্য’ এবং ‘চিকিৎসার অভাবে কোনো মৃত্যু নয়’ নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পুষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং জনমিতিক লভ্যাংশের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে জনসংখ্যাকে উৎপাদনশীল মানবসম্পদে রূপান্তরের ক্ষেত্রে সরকারের সুস্পষ্ট অঙ্গীকার রয়েছে।

এই জাতীয় লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, উন্নয়ন সহযোগী, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম এবং সর্বস্তরের জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য।

রাষ্ট্রপতি বলেন, আমাদের সামনে চ্যালেঞ্জ যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে অপার সম্ভাবনা।

আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আজকের সঠিক সিদ্ধান্ত, সঠিক বিনিয়োগ এবং সঠিক পরিকল্পনাই আগামী দিনের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের ভিত্তি রচনা করবে।

পরিকল্পিত পরিবার, মানসম্মত শিক্ষা, আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং সুশাসন এই ছয়টি ভিত্তিকে সমান গুরুত্ব দিতে পারলেই জনসংখ্যা জাতীয় সম্পদে পরিণত হবে।

রাষ্ট্রপতি স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়ে সুস্থ জনগোষ্ঠী গড়ে তুলতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, ‘উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ডায়ালাইসিস সুবিধা চালুর সরকারের সিদ্ধান্তকে আমি আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই।’

এর আগে রাষ্ট্রপতি স্বাস্থ্য খাতের তৃণমূল পর্যায়ে অবদান রাখা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের মধ্যে ক্রেস্ট ও সনদপত্র বিতরণ করেন।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ও প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশে জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের প্রতিনিধি ক্যাথরিন ব্রিন কামকং। স্বাগত বক্তব্য দেন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. জিন্নাত রেহানা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘শেখ হাসিনা নিজে আসতে পারবেন না, ভারতকেই হ্যান্ডওভার করতে হবে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৬ পি.এম


‘শেখ হাসিনা নিজে আসতে পারবেন না, ভারতকেই হ্যান্ডওভার করতে হবে’

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণের বিষয়ে ব্যক্তিগতভাবে দেশে ফেরার সুযোগ নেই।

তিনি জানিয়েছেন, শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে আনতে হলে ভারত সরকারকেই আনুষ্ঠানিকভাবে হ্যান্ডওভার করতে হবে।

 

ভারতে আশ্রয় নেওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণের কোনো আইনি সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন, ‘শেখ হাসিনা ভারত সরকারের আশ্রয়ে নির্বাসনে আছেন। ব্যক্তিগতভাবে এসে স্বাধীনভাবে আত্মসমর্পণের কোনো আইনি সুযোগ নেই। নির্বাসনে থেকে তাঁকে দণ্ডিত হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েই আসতে হবে। আসতে হলে ভারত সরকারকেই তাকে বাংলাদেশ সরকারের কাছে হ্যান্ডওভার করতে হবে।’

এর আগে, শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা নিয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেছিলেন, ‘ডিসেম্বরে আসবেন, জানুয়ারিতে আসবেন– এটা আপনার ব্যাপার। কিন্তু আপনাকে তো আমরা কালকেই চাই। অতএব কোনো স্ট্যান্টবাজি করবেন না। এখানে আর কোনো অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করবেন না।’

গত বৃহস্পতিবার রাতে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে টেলিফোনে দেওয়া প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, আগামী ডিসেম্বরেই দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনার কথা। শুধু তিনি একাই নন, নির্বাসিত জ্যেষ্ঠ আওয়ামী লীগ নেতারাও তাঁর সঙ্গে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতা হারিয়ে দেশ ছাড়ার পর এই প্রথমবারের মতো কোনো আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে সরাসরি সাক্ষাৎকার দিলেন ৭৮ বছর বয়সী শেখ হাসিনা। এর আগে তিনি বিভিন্ন গণমাধ্যমের লিখিত প্রশ্নের উত্তর দিলেও সাক্ষাৎকার দেননি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিটফোর্ডের ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যা: ২১ জন আসামির বিচার শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৭ পি.এম


মিটফোর্ডের ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যা: ২১ জন আসামির বিচার শুরু

 রাজধানীর পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনের ভাঙারি ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যা মামলায় সজীব ব্যাপারীসহ ২১ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন ঢাকার একটি আদালত।

অভিযোগ গঠনের ফলে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে।

রোববার ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোসাদ্দেক মিনহাজ আসামিদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ গঠন করেন। পাশাপাশি মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ১৯ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত।

ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চের সহকারী শাহাদাত আলী বাসস’কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৯ জুলাই সন্ধ্যার সময়, মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেট-সংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে, পাকা রাস্তার ওপর একদল লোক ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে নৃশংসভাবে হত্যা করে।

এই ঘটনার পরের দিন, ১০ জুলাই, নিহতের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম বাদী হয়ে ১৯ জনের বিরুদ্ধে কোতয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এই মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১৫-২০ জনকে আসামি করা হয়।

নিহত সোহাগ কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পূর্ব নামাবাড়ি গ্রামের ইউসুফ আলী হাওলাদারের ছেলে। তিনি বহুদিন ধরে মিটফোর্ড এলাকার রজনী ঘোষ লেনে ব্যবসা করে আসছিলেন।

মামলাটি তদন্ত শেষে, একই বছরের ২৯ ডিসেম্বর, সজীব ব্যাপারীসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, কোতয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান।

২১ আসামির মধ্যে ১০ জন বর্তমানে কারাগারে আটক রয়েছে। তিন জন জামিনে মুক্ত এবং বাকি আট জন শুরু থেকে পলাতক রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাইবান্ধায় ঘুমন্ত চাচাকে গলা কেটে হত্যা করার অভিযোগ, পালিয়েছে ভাতিজা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৯ পি.এম


গাইবান্ধায় ঘুমন্ত চাচাকে গলা কেটে হত্যা করার অভিযোগ, পালিয়েছে ভাতিজা

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় ঘটে যাওয়া এক ঘটনায় অভিযোগ উঠেছে যে, ঘুমন্ত চাচাকে গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে ভাতিজার বিরুদ্ধে। ঘটনার পর অভিযুক্ত ভাতিজা পালিয়ে গেছেন।

রবিবার (১২ জুলাই) সকালে উপজেলার কেতকীরহাট এলাকার মাঝিপাড়া গ্রাম থেকে পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে। এর আগে শনিবার দিবাগত রাত প্রায় ২টার দিকে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।

নিহত শাহ জালাল (৫০) মৃত জংলু শেখের ছেলে, যিনি ওই গ্রামের বাসিন্দা। অভিযুক্ত গোলাম হোসেন (৩৫) একই গ্রামের মৃত জামাল উদ্দিনের ছেলে এবং তিনি পেশায় বাঁশশিল্পের কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানান, গোলাম হোসেন দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে চাচা শাহ জালালের সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব চলছিল। ঘটনাটি ঘটার সময় তিনি ঢাকায় অবস্থান করছিলেন, কিন্তু শনিবার বাড়িতে ফিরে আসেন। গভীর রাতে গোলাম হোসেন কৌশলে ঘরের দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ঘুমন্ত শাহ জালালের গলা কেটে দেন।

শাহ জালালের গোঙানির শব্দ শুনে তার স্ত্রী পারুল বেগম ঘটনাস্থলে এগিয়ে এলে গোলাম হোসেন পালিয়ে যান। ঘটনাস্থলেই শাহ জালালের মৃত্যু হয়। স্বজনদের অভিযোগ, হত্যাকাণ্ডের আগে যাতে কেউ এগিয়ে আসতে না পারে, সে কারণে অভিযুক্ত ব্যক্তি বাইরে থেকে কয়েকটি প্রতিবেশী বাড়ির দরজাও আটকে দিয়েছিলেন।

খবর পেয়ে রবিবার সকালের দিকে সাড়ে ৯টার সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে একটি ধারালো ছুরি জব্দ করে। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

ফুলছড়ি থানার ওসি দুরুল হোদা জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক বিরোধের কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটনাটি ঘটেছে। এখানে তদন্ত করা হচ্ছে এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%