১১:৫১ এম
মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের মৃত্যুতে দেখা যাচ্ছে যে, সবচেয়ে বেশি শোকাহত ইসরাইল। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, প্রেসিডেন্ট, মন্ত্রিসভার সদস্যসহ শীর্ষ নেতাগণ তাকে হারানোর পর শোক প্রকাশ করেছেন। কিন্তু, এর মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে যে, লিন্ডসে গ্রাহামের মৃত্যুতে ইসরাইল কেন এতটা আবেগ দেখাচ্ছে?
স্থানীয় সময় শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা যান যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য লিন্ডসে গ্রাহাম। তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করতে দেখা যায় ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে। তিনি বলেন, ইসরাইল তার অন্যতম সেরা বন্ধুকে হারিয়েছে।
এক বিবৃতিতে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, 'ইসরাইল ও আমেরিকার নিরাপত্তা যে একই সূত্রে গাঁথা, তা লিন্ডসে বুঝতেন।' তিনি আরও বলেন, 'ইসরাইল তার অন্যতম সেরা বন্ধুকে হারিয়েছে। আর আমেরিকা হারিয়েছে একজন মহান দেশপ্রেমিককে। আর আমি হারালাম আমার এক প্রিয় বন্ধুকে।'
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
এছাড়া, ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট, প্রতিরক্ষামন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটসহ অন্যান্য নেতারা গ্রাহামকে ইসরাইলের অকৃত্রিম বন্ধু হিসেবে স্মরণ করে পোস্ট করেছেন। তারা বলেছেন, গ্রাহাম ছিলেন ইসরাইলের অন্যতম শক্তিশালী সমর্থক।
দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে মার্কিন সিনেটে থাকা গ্রাহাম ছিলেন ইসরাইলের সবচেয়ে সোচ্চার সমর্থকদের মধ্যে। গাজা যুদ্ধ, ইরান ইস্যু কিংবা মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে সবসময় ইসরাইলের অবস্থানকে যথেষ্ট জোরালোভাবে সমর্থন জানিয়েছেন। ওয়াশিংটনে ইসরাইলের স্বার্থ রক্ষায় তিনি প্রভাবশালী কণ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
২০০৩ সালে ইরাকে মার্কিন আগ্রাসনের সমর্থক হিসেবে গ্রাহাম ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেয়ার দীর্ঘদিনের প্রবক্তা ছিলেন। প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে ইরানের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও ইসরাইলের নিরাপত্তা জোরদারের পক্ষে নিয়মিত অবস্থান নেন।
লিন্ডসে গ্রাহামের মৃত্যুকে ইসরাইলের কাছে নির্ভরযোগ্য রাজনৈতিক মিত্রকে হারানোর ঘটনা হিসেবে বিশ্লেষকরা দেখছেন। এই কারণে ইসরাইলের শীর্ষ নেতৃত্বের শোকবার্তায় বারবার উঠে এসেছে লিন্ডসে গ্রাহামের নাম।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন