১০:৫৫ এম
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করেছেন যে, আগামী দিনগুলোতে ইরানের ওপর হামলা অব্যাহত থাকবে এবং এটি আরও তীব্র হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, তেহরান যদি আলোচনার টেবিলে ফিরে না আসে, তাহলে আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র সেখানে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুগুলোতে হামলা শুরু করবে।
‘আমরা তাদের ওপর অত্যন্ত কঠিন আঘাত হানছি। উপকূল বরাবর, জলসীমার ধারে তাদের যা কিছু আছে, তার প্রতিটি জিনিসের ওপর আমরা আঘাত হানছি। আমি ‘যথেষ্ট হয়েছে’ কোন সময় বলব না, যতক্ষণ না তারা এটা চালিয়ে যাবে,’ ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প একথা বলেন।
জ্বালানি সেক্টরগুলোতে হামলা চালানো হবে কিনা জানতে চাইলে ট্রাম্প উত্তর দেন, ‘আমি স্থাপনাগুলোতে হামলা শেষের দিকে রেখে দিচ্ছি। তবে শেষ পর্যন্ত আমরা তাতে হামলা চালাবই।’
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
তিনি আরও বলেন, ‘আজ রাতে আমরা তাদের ওপর খুব কঠোর আঘাত হানব। আগামীকাল রাতেও আমরা তাদের ওপর খুব কঠোর আঘাত হানব। পরের রাতেও আঘাত হানব, তারপর আগামী সপ্তাহে তাদের জন্য পরিস্থিতি সত্যিই খুব খারাপ হবে, কারণ আগামী সপ্তাহে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর পালা আসবে। আগামী সপ্তাহে আসবে সেতুগুলোর পালা। আমরা তাদের সমস্ত বিদ্যুৎকেন্দ্র অচল করে দেব এবং তাদের সমস্ত সেতু ভেঙে দেব, যদি না তারা আলোচনায় বসে।’
দিনের শুরুতে, ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী দিয়ে পাঠানো সমস্ত পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপের পরিকল্পনাটি বাতিল করেন এবং এর পরিবর্তে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ চুক্তি সম্পাদনের পথ বেছে নেন।
কৌশলগত এই জলপথটি পাহারা দেয়ার জন্য ট্রাম্পের ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাবের একদিন পরই এই পরিকল্পনা পরিবর্তনটি এলো।
‘মধ্যপ্রাচ্যের নেতৃত্বের সঙ্গে অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনার ভিত্তিতে, আমি ২০ শতাংশ মার্কিন প্রতিপূরণ ফি-কে বিভিন্ন উপসাগরীয় রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে করা বাণিজ্য ও বিনিয়োগ চুক্তিতে পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি,’ তিনি মঙ্গলবার ট্রুথ সোশ্যাল-এ একটি পোস্টে একথা বলেন।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
ট্রাম্প উপসাগরীয় দেশগুলোর পক্ষ থেকে কোনো সরাসরি প্রতিশ্রুতির কথা নির্দিষ্ট করে বলেননি, তিনি শুধু বলেছেন যে, বিনিয়োগ হবে ব্যাপক, তবে একই সাথে তা তাদের এবং তাদের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত মঙ্গলজনক হবে।
ট্রাম্প আরও বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন যে একটি চুক্তি করা ছাড়া ইরানের কোনো বিকল্প নেই। তিনি যোগ করেন যে, সাক্ষাৎকারের মাত্র এক ঘণ্টা আগে মার্কিন প্রতিনিধিরা ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগে ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন