ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দেশের ৫ জেলায় বন্যার ঝুঁকি


দেশের ৫ জেলায় বন্যার ঝুঁকি

সাগরে সৃষ্টি হওয়া লঘুচাপ এবং বৃষ্টির কারণে দেশের উত্তরের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বেড়ে যাওয়ার ফলে ৫ জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে জানানো হয়েছে বৃষ্টিপাত ও নদ-নদীর পরিস্থিতি এবং পূর্বাভাস সম্পর্কিত এসব তথ্য।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি কমেছে। তবে আগামী তিন দিনে এসব নদীর পানি আবারও বৃদ্ধি পেতে পারে। কয়েকটি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

এদিকে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলে গত ২৪ ঘণ্টায় কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে, অন্যদিকে সুরমা নদীর পানি কমেছে। আগামী তিন দিনে উভয় নদীর পানি বাড়তে পারে। তবে আগামী ২৪ ঘণ্টায় সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার সুরমা-কুশিয়ারা নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকতে পারে।

এ ছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা-পদ্মা নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এই প্রবণতা আগামী পাঁচ দিন অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়া জেলার কিছু স্থানে সতর্ক সীমা স্পর্শ করতে পারে। এর ফলে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

অন্যদিকে, ফেনী, মুহুরি, গোমতী ও সেলোনিয়া নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। আগামী এক দিন এসব নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও পরবর্তী দুই দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশেষ অভিযানে যাত্রাবাড়ী থেকে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৮ পি.এম


বিশেষ অভিযানে যাত্রাবাড়ী থেকে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এ তথ্যটি জানালেন।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন- আরমান (৩২), মিনহাজুর রহমান (২৬), ফারুক (২৭), ইমদাদ উল্লাহ সাদ, শেখ রবিউল ইসলাম (২৭), বিশাল ভুইয়া (২৯), সুমন (৩৪), বিলাল হোসেন (৩৫), সাদ্দাম (২৭), রাফি হাসান (২৫) ও লিং মেং (৪১)।

নিয়াজ মেহেদী আরও বলেন, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তারদের মধ্যে নিয়মিত মামলাসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত অপরাধী রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হামের উপসর্গে আক্রান্ত আরও এক শিশুর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১২ পি.এম


হামের উপসর্গে আক্রান্ত আরও এক শিশুর মৃত্যু

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে এক শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। এই সময়ের মধ্যে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে মোট এক হাজার ১৩ শিশু।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে উল্লিখিত এই তথ্যটি পাওয়া যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে এই সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

গবেষণাটি উল্লেখ করে যে, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গে মৃত্যু ঘটেছে মোট ৬৮৫ শিশুর। এই সময়ের মধ্যে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৯৫ শিশু। অর্থাৎ হাম এবং হামের উপসর্গের কারণে এই সময়ে মোট ৭৮০ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়েছে ১৪০ শিশু, এবং এ সময়ের মধ্যে হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৮৭৩। সবমিলিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ১৩ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে আজকের দিনের মধ্যে হাসপাতাল গুলোতে ভর্তি হয়েছে মোট ৯৮ হাজার ৬০০ হাম রোগী, যাদের মধ্যে ৯৫ হাজার ৩১ জন চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টিকি-টাকার লড়াইয়ে কারা এগিয়ে, আর্জেন্টিনা নাকি স্পেন, আলোচনা তীব্র হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৪ পি.এম


টিকি-টাকার লড়াইয়ে কারা এগিয়ে, আর্জেন্টিনা নাকি স্পেন, আলোচনা তীব্র হচ্ছে

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালের দিকে ধীরে ধীরে উত্তেজনা অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে। ফুটবলপ্রেমীদের আলোচনার কেন্দ্রে একটি প্রশ্ন ভেসে উঠেছে, সেটি হলো টিকি-টাকার লড়াইয়ে এগিয়ে কে অবস্থান করছে, আর্জেন্টিনা না স্পেন?

টিকি-টাকার প্রসঙ্গ উঠলেই সর্বপ্রথম মনে আসে স্পেনের নাম। ছোট ছোট নিখুঁত পাসের মাধ্যমে, প্রতিপক্ষকে বলের দখলে চাপে রেখে এবং ধৈর্যের সঙ্গে আক্রমণ গড়ে তোলার দর্শনের ভিত্তিতে লা রোহা একসময় বিশ্ব ফুটবলে শক্তিশালী আধিপত্য স্থাপন করেছিল। বর্তমান বিশ্বকাপে অবশ্য, স্পেন আবারও পুরোনো সেই ফুটবল দর্শন নিয়ে ফাইনালে পৌঁছেছে।

কিন্তু তাদের মনে রাখতে হবে বর্তমান বিশ্বের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে, যারা এবারের টুর্নামেন্টে অসাধারণ পাসিং ফুটবল উপহার দিয়ে চলেছে। এই কারণে টিকি-টাকার জনক স্পেন এবার তাদের অভিজাত স্থান থেকে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে যাচ্ছে, এদিকে লা আলবিসেলেস্তেরাও বেশ শক্তিশালী।

টুর্নামেন্টের পরিসংখ্যানের আলোকে দেখা যাচ্ছে, সর্বাধিক সফল পাস আর্জেন্টিনা দিয়েছে। তারা এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ২০৭টি সফল পাস সম্পন্ন করেছে। শুধু বলের দখল নয়, সেই পাসগুলিকে কার্যকর আক্রমণে রূপ দিতে সক্ষম হয়েছে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। ফাইনালের পূর্বে তাদের গোল সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯টি। উল্লেখযোগ্য, তারা ছয়বার তাদের শট পোস্ট বা ক্রসবারে লেগেছে, যা ধারাবাহিক আক্রমণে আধিপত্যের প্রমাণ।

অন্যদিকে, সফল পাসের ক্ষেত্রে স্পেনও খুব বেশি পিছিয়ে নেই। তারা ৪ হাজার ১৮টি সফল পাস সম্পন্ন করেছে। তবে তাদের নজর আক্রমণের চেয়ে ক্রমবর্ধমান সফল রক্ষণে। পুরো টুর্নামেন্টে স্প্যানিশরা মাত্র একটি গোল হজম করেছে এবং ছয়টি ম্যাচে প্রতিপক্ষকে গোলশূন্য রেখেছে, যা শক্তিশালী ক্লিন শিটের দৃষ্টান্ত।

সংখ্যার বিচারে, আক্রমণে নিশ্চিতভাবেই এগিয়ে আর্জেন্টিনা এবং রক্ষণে স্পেন একচেটিয়া শক্তিশালী। ফলে বিশ্বকাপের ফাইনালে দেখা যাবে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে কার্যকর আক্রমণভাগের সাথে সবচেয়ে শক্তিশালী রক্ষণভাগের লড়াই।

ফুটবলীয় দর্শনের দিক থেকেও দুই দলের মধ্যে অত্যন্ত সাদৃশ্য রয়েছে। উভয় দলই বলের দখল ধরে রেখে ছোট ছোট পাস দিয়ে খেলা নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করে। তবে পার্থক্যটি দেখা যাবে ফাইনাল থার্ডে। আর্জেন্টিনা তুলনামূলকভাবে দ্রুত আক্রমণ গড়ে তুলতে সক্ষম হয় এবং সুযোগ পেলেই ফিনিশিংয়ে মনোযোগ দেয়। অন্যদিকে, স্পেন ধীরগতিতে বল ঘোরানোর মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে ক্লান্ত করে ফাঁকা স্থান তৈরির মাধ্যমে আক্রমণ সাজায়।

সমগ্রতার দিকে, বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে আলোচনা কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে টিকি-টাকার দুটি ভিন্ন রূপের কথোপকথন। আর্জেন্টিনার গতিশীল ও কার্যকর আক্রমণ কি স্পেনের দুর্ভেদ্য রক্ষনভাগ ভেঙে ফেলতে পারবে, নাকি তারা ঐতিহ্য ধরে রেখে টিকি-টাকার শ্রেষ্ঠত্ব আবারও প্রমাণ করবে লা রোহা? সেই উত্তর মিলবে মহারণের ৯০ মিনিটে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উত্তাল বঙ্গোপসাগরে নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরছে হাজারো ফিশিং ট্রলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৮ পি.এম


উত্তাল বঙ্গোপসাগরে নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরছে হাজারো ফিশিং ট্রলার

মাত্র ১০ দিনের ব্যবধানে ফের বঙ্গোপসাগরে দুর্যোগের কবলে পড়েছেন জেলেরা। সাগরে লঘুচাপের কারণে আবহাওয়া বিভাগ মোংলাসহ দেশের চারটি সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করেছে।

এই অবস্থায় উত্তাল সাগরে টিকতে না পেরে অনেক ফিশিং ট্রলার গত তিনদিন ধরে সুন্দরবনসহ বাগেরহাটের বিভিন্ন স্থানে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। যার ফলে তারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

এর মধ্যে বাগেরহাটের অনেক ফিশিং ট্রলারও সুন্দরবনে আশ্রয় নিয়েছে। তার মধ্যে সুন্দরবনের মেহেরআলী খালে অবস্থান নেওয়া ‘এফবি সখিনা’ ট্রলারের মাঝি মোশারেফ হোসেন তার বর্তমান পরিস্থিতি কথা জানিয়েছেন। শুক্রবার বিকালে মোবাইল ফোনে তিনি বলেন, বিশাল বিশাল ঢেউ ও তীব্র ঝড়ো বাতাস বইতে থাকায় সাগরে টিকতে না পেরে গত তিনদিন ধরে তারা মেহেরআলী খালে আছেন।

সুন্দরবনের কটকা খালে আশ্রয় নেওয়া আরেক একটি ফিশিং ট্রলারের মাঝি নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, সাগর খুবই উত্তাল। প্রবল বেগে ঝড়ো বাতাসের সঙ্গে হালকা মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হচ্ছে। এই অবস্থায় হাজারো ফিশিং ট্রলার সাগরে টিকতে না পেরে তিনদিন ধরে মেহেরআলী, আলোরকোল, ভেদাখালী, নারিকেলবাড়ীয়া, কটকা, কচিখালীসহ সুন্দরবনের বিভিন্ন খালে নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছেন। আবার অনেক ফিশিং ট্রলার উপকূলের মৎস্য বন্দরে চলে গেছে।

শরণখোলা ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি মো. আবুল হোসেন জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে উত্তাল সাগরে মাছ ধরতে না পেরে গত তিনদিন ধরে বাগেরহাটসহ বিভিন্ন জেলার হাজারের বেশি ফিশিং ট্রলার নিরাপদ আশ্রয়ে আছে। সাগরে মাছ আহরণে ৫৮ দিনের অবরোধের পরে গত এক মাসে জেলেরা ৩ দফা মাছ ধরা বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন। এতে জেলে ও মৎস্যজীবীদের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে বলে জানান তিনি।

বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, আশ্রয়ে থাকা জেলেদের যাতে কোনো ধরনের অসুবিধা না হয় সে বিষয়ে বনরক্ষীরা নজর রাখছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%