প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
মাত্র ১০ দিনের ব্যবধানে ফের বঙ্গোপসাগরে দুর্যোগের কবলে পড়েছেন জেলেরা। সাগরে লঘুচাপের কারণে আবহাওয়া বিভাগ মোংলাসহ দেশের চারটি সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করেছে।
এই অবস্থায় উত্তাল সাগরে টিকতে না পেরে অনেক ফিশিং ট্রলার গত তিনদিন ধরে সুন্দরবনসহ বাগেরহাটের বিভিন্ন স্থানে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। যার ফলে তারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।
এর মধ্যে বাগেরহাটের অনেক ফিশিং ট্রলারও সুন্দরবনে আশ্রয় নিয়েছে। তার মধ্যে সুন্দরবনের মেহেরআলী খালে অবস্থান নেওয়া ‘এফবি সখিনা’ ট্রলারের মাঝি মোশারেফ হোসেন তার বর্তমান পরিস্থিতি কথা জানিয়েছেন। শুক্রবার বিকালে মোবাইল ফোনে তিনি বলেন, বিশাল বিশাল ঢেউ ও তীব্র ঝড়ো বাতাস বইতে থাকায় সাগরে টিকতে না পেরে গত তিনদিন ধরে তারা মেহেরআলী খালে আছেন।
সুন্দরবনের কটকা খালে আশ্রয় নেওয়া আরেক একটি ফিশিং ট্রলারের মাঝি নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, সাগর খুবই উত্তাল। প্রবল বেগে ঝড়ো বাতাসের সঙ্গে হালকা মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হচ্ছে। এই অবস্থায় হাজারো ফিশিং ট্রলার সাগরে টিকতে না পেরে তিনদিন ধরে মেহেরআলী, আলোরকোল, ভেদাখালী, নারিকেলবাড়ীয়া, কটকা, কচিখালীসহ সুন্দরবনের বিভিন্ন খালে নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছেন। আবার অনেক ফিশিং ট্রলার উপকূলের মৎস্য বন্দরে চলে গেছে।
শরণখোলা ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি মো. আবুল হোসেন জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে উত্তাল সাগরে মাছ ধরতে না পেরে গত তিনদিন ধরে বাগেরহাটসহ বিভিন্ন জেলার হাজারের বেশি ফিশিং ট্রলার নিরাপদ আশ্রয়ে আছে। সাগরে মাছ আহরণে ৫৮ দিনের অবরোধের পরে গত এক মাসে জেলেরা ৩ দফা মাছ ধরা বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন। এতে জেলে ও মৎস্যজীবীদের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে বলে জানান তিনি।
বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, আশ্রয়ে থাকা জেলেদের যাতে কোনো ধরনের অসুবিধা না হয় সে বিষয়ে বনরক্ষীরা নজর রাখছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন