বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:১১ পি.এম
ফ্রান্স থেকে অবৈধভাবে ব্রিটেনে প্রবেশের লক্ষ্য হিসেবে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার দুটি পৃথক প্রচেষ্টায় চার অভিবাসীর মৃত্যু ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই তারিখে ফরাসি কর্তৃপক্ষের উদ্ধৃতি দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর নিশ্চিত করেছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বুধবার রাতের দিকে সমুদ্র উপকূলীয় শহর হারদেলোর কাছে এক ডিঙ্গি নৌকা ডুবে যাওয়ার ফলে একজনের মৃত্যু হয়। সেখান থেকে বেশ কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
অন্যদিকে, একই দিন ডানকার্ক বন্দরের নিকটে সমুদ্র থেকে আরও তিন অভিবাসনপ্রত্যাশীর মরদেহ উদ্ধার করার বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উন্নত জীবনের প্রার্থনায় বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা ঝুঁকি নিয়ে ছোট নৌকায় করে সমুদ্রপথে ফ্রান্স থেকে ব্রিটেনে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। এই বিপজ্জনক রুট পার হওয়ার সময় প্রায়ই হৃদয়বিদারক নৌডুবির ঘটনাগুলো ঘটে, যার ফলে বহু মানুষের প্রাণ গেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কমান্ডারের সঙ্গে বিরোধের কারণে দখলদার ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর (আইডিএফ) গিভাতি ব্রিগেডের তজাবার ব্যাটালিয়নের কয়েক ডজন সেনা তাদের ঘাঁটি ছেড়ে চলে গেছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) এই ঘটনা ঘটে ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলের এসদে তেইমান সামরিক ঘাঁটিতে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘টাইমস অব ইসরায়েল’ এই খবর জানিয়েছে, যে কোনো ধরনের অনুমতি ছাড়াই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সেনারা ঘাঁটি ত্যাগ করেন। তবে তারা নিজেদের ব্যবহৃত অস্ত্রগুলো ঘাঁটিতে রেখে গেছেন।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানায় যে, ব্যাটালিয়ন কমান্ডার ইউনিটের জন্য সজ্জাসংক্রান্ত কয়েকটি সাইনবোর্ড খুলে ধ্বংস করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এই নির্দেশের পরই সেনাসদস্যদের সঙ্গে তার মধ্যে তীব্র বিরোধ সৃষ্টি হয়।
আইডিএফের দাবি, সাইনবোর্ডগুলোতে এমন কিছু বিষয় ছিল যা ইউনিটের নতুন সদস্যদের সভ্যতার উল্টো বা অসম্মানকরূপে উপস্থাপন করত। তবে প্রতিবাদী সেনাদের দাবি, সাইনবোর্ডগুলো তাদের ব্যাটালিয়নের দীর্ঘকালীন ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ ছিল।
ঘটনার বিষয়ে এক বিবৃতিতে আইডিএফ জানায়, পুরো বিষয়টি বর্তমানে তদন্তের আওতায় রয়েছে এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কমান্ডাররা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন। সেনাবাহিনীর মূল্যবোধ ও শৃঙ্খলার সঙ্গে এ ধরনের আচরণ মানানসই নয় বলেও উল্লিখিত হয়।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীতে জ্যেষ্ঠ ও জুনিয়র সেনাদের মধ্যে বৈষম্যমূলক আচরণ কিংবা অসন্তোষের কারণে একযোগে ঘাঁটি ত্যাগের ঘটনা কিন্তু নতুন নয়। অতীতে বিভিন্ন পদাতিক ইউনিটে এই ধরনের বেশ কিছু ঘটনা ঘটেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, চিকিৎসকের ভালো আচরণ রোগীকে অর্ধেক সুস্থ করে দেয়।
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, রাজধানীর মহাখালীতে জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে (নিপসম) অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই বিষয়টি উল্লেখ করেন। এটি ছিল ২০২৫-২৬ অর্থবছরের রাজস্বখাতে পরিচালিত গবেষণা কার্যক্রমের ফলাফল প্রকাশের উপলক্ষে আয়োজন।
তিনি বলেন, একজন ডাক্তারের হাসিমুখ এবং সহমর্মিতাপূর্ণ আচরণ রোগীকে অর্ধেক সুস্থ করে দেয়। একজন ডাক্তার রোগীকে সুস্থ করে তুলতে পারেন। অসুস্থ এবং অসহায় মানুষের জন্য ডাক্তার হয়ে থাকে শেষ সম্বল।
এছাড়াও, স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, মানুষের চিকিৎসা শুধুমাত্র ট্যাবলেট কিংবা ওষুধের মাধ্যমে সীমাবদ্ধ নয়। ভালো কথা বলা এবং সঠিক পরামর্শ দেওয়া চিকিৎসার বড় অংশ। যখন একজন রোগী বিছানায় কাতর অবস্থায় আছেন, তখন ডাক্তার যা বলেন, রোগী সেটিতে সম্মতি দেয়। চিকিৎসকদের উচিত নিজেদেরকে মানবিক মানুষে রূপান্তরিত করা, যাতে তারা শুধু ওষুধ নয়, আচরণ দিয়েও রোগীকে সুস্থ করে তুলতে পারেন।
ক্যানসার এবং কিডনি রোগীদের সংখ্যা বৃদ্ধির উপর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, দেশে মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে কিডনি এবং ক্যানসার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। কিডনি এবং ক্যানসারের রোগীদের ভয়াবহ কষ্ট সহ্য করতে হয় এবং তাদের কষ্টের সীমা থাকে না।
স্বাস্থ্য খাতে গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ব্রিজ অথবা রাস্তা নির্মাণ করে ভোট চাওয়ার রাজনৈতিক যুগ পার হয়ে গেছে। মানুষের প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে কাজ করতে হবে এবং জনগণের চাহিদার আলোকে দেশকে গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে গ্রামীণ মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে গবেষণা এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল, বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের (বিএমআরসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সায়েবা আক্তার এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস প্রমুখ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর সীমান্ত এলাকায় ভারত থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে আনা ২৮টি গরু ও একটি স্টিলের নৌকা জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বুধবার (২৯ জুলাই) ভোররাতে বিজিবির ২৮ ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ বাঙালভিটা বিওপি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুণ্ডা উত্তর ইউনিয়নের বাকাতলা এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় চোরাচালানের উদ্দেশ্যে আনা ২৮টি ভারতীয় মাঝারি আকারের গরু এবং একটি স্টিলবডি নৌকা জব্দ করা হয়।
বিজিবি জানায়, জব্দকৃত গরুগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ২৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা। তবে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাচালানকারীরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
সুনামগঞ্জ ২৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ কে এম জাকারিয়া কাদির জানান, উদ্ধারকৃত গরুগুলো আইনানুগ প্রক্রিয়ায় সুনামগঞ্জ কাস্টমস কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির টহল ও নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ার ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন ফেটারম্যান ওয়াশিংটনের ব্লেয়ার হাউসে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকের সময় ফেটারম্যান হাফপ্যান্ট এবং হুডি পরে পায়ের উপর পা তুলে অংশ নেন। বৈঠক শুরু হওয়ার পর প্রোটোকল নিয়ে আলোচনা চললেও ফেটারম্যান ইসরায়েলের প্রতি তার দৃঢ় সমর্থন প্রকাশ করেছেন। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ওই বৈঠকে নেতানিয়াহু ফেটারম্যানকে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পর্কের একজন সাহসী সমর্থক হিসেবে প্রশংসা করেন। নেতানিয়াহু বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ ও দুই দেশের বন্ধুত্বের পক্ষে নির্ভীকভাবে কথা বলার জন্য ফেটারম্যান বিশ্বজুড়ে প্রশংসা পাচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, আপনি সত্যকে নির্ভয়ে তুলে ধরেছেন। ইসরায়েলের জনগণের পক্ষ থেকে আপনাকে ধন্যবাদ জানাই। শুধু ইসরায়েল নয়, বিশ্বের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করা মানুষের পক্ষ থেকেও আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
ফেটারম্যান জবাবে বলেন, সিনেটে দায়িত্ব পালনের সময় ইসরায়েলের পাশে দাঁড়ানো তার জন্য একটি বড় সম্মানের বিষয়। তিনি একাধিকবার ইসরায়েল সফরের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে দেশটিকে অলৌকিক রাষ্ট্র বলে অভিহিত করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, ইসরায়েল ইস্যুতে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির অবস্থান তাকে হতাশ করেছে। নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানিকে অযোগ্য বলে তিনি কটাক্ষ করেন এবং বলেন, তার বক্তব্য অযৌক্তিক। তিনি বলেন, শুধুমাত্র আমি নিজেই দলের মধ্যে এর প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম।
ফেটারম্যান আরও বলেন, আমি কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির বিবেক হয়ে থাকতে চাই। গাজায় হামাসকে ধ্বংস করা, হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান এবং ইরানের সামরিক সক্ষমতা লক্ষ্য করে পরিচালিত পদক্ষেপগুলোকে তিনি সবসময় ন্যায়সঙ্গত যুদ্ধ হিসেবে দেখেছেন।
তিনি বলেন, অনেকেই ভুলে গেছেন কেন এসব সামরিক পদক্ষেপ প্রয়োজন হয়ে উঠেছিল। ফেটারম্যান তার অবস্থানের জন্য কোনো অনুশোচনা নেই এবং সব পরিস্থিতিতে ইসরায়েলের পাশে থাকার কথা জানান।
বৈঠকের শেষে নেতানিয়াহু আবারও ফেটারম্যানের প্রশংসা করে বলেন, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে তার ভূমিকা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
সূত্র : পিএমও ইসরায়েল
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ