বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৬:০৯ পি.এম
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাইনবোর্ড এলাকায় চাঁদাবাজির অভিযোগে পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে। বৃহস্পতিবার(৯ জুলাই) সকালে সিদ্ধিরগঞ্জের নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের সাইনবোর্ড মোড়ে অবস্থান নিয়ে তারা কর্মসূচি পালন করেন।
এতে নেতৃত্ব দেন সাইনবোর্ড পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা মো. খোকন সানি। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া মালিক ও শ্রমিকরা অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধ, পরিবহন খাতে নিরাপদ ও স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর একটি চক্র সাইনবোর্ড এলাকায় বিভিন্ন পরিবহন থেকে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করছে। তাদের দাবি, সিএনজি অটোরিকশা, লেগুনাসহ বিভিন্ন যানবাহন থেকে জোরপূর্বক ৫০ থেকে ১০০ টাকা করে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করা হচ্ছে। মালিক ও শ্রমিকরা ঐক্যবদ্ধভাবে ওই চক্রকে প্রতিহত করার চেষ্টা করলেও তারা এখনও বিভিন্নভাবে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং মালিক-শ্রমিকদের ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছে।
বক্তারা আরো বলেন, চাঁদাবাজির কারণে পরিবহন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং সাধারণ যাত্রীদেরও অতিরিক্ত ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। তাই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছেন তারা। দাবি বাস্তবায়ন না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন নেতারা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, সরকার দুর্গত মানুষের নিরাপত্তা ও ত্রাণ সহায়তায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।
তিনি বলেন, ভারী বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম ও পার্বত্যাঞ্চলে পাহাড়ধস এবং বন্যাজনিত দুর্যোগের ফলে এখন পর্যন্ত কক্সবাজারে ১৯ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন, বান্দরবানে ৫ জন এবং রাঙ্গামাটিতে একজনের মৃত্যু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বিধি-৩০০ এর আওতায় দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি জানান, দুর্গত এলাকায় আশ্রয় হিসেবে চট্টগ্রামে ৪১টি, কক্সবাজারে ৬৪০টি, রাঙ্গামাটিতে ২১টি, খাগড়াছড়িতে ১৩৫টি এবং বান্দরবানে ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে চট্টগ্রামে ৮ হাজার ৩৪০ জন, রাঙ্গামাটিতে ১২৬ জন, খাগড়াছড়িতে ১ হাজার ৭৫৫ জন এবং বান্দরবানে ২ হাজার ১৭৩ জন আশ্রয় গ্রহণ করেছেন।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, গত ৭ জুলাই দুর্গত পাঁচ জেলায় প্রাথমিকভাবে ১০ লাখ টাকা করে নগদ জিআর (জিডিপি) এবং ২০০ মেট্রিক টন করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। আজ পুনরায় চট্টগ্রামের জন্য ২৫ লাখ টাকা, কক্সবাজারের জন্য ২০ লাখ টাকা এবং রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের জন্য ১০ লাখ টাকা করে অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে চট্টগ্রামে ৩০০ মেট্রিক টন, কক্সবাজারে ২৫০ মেট্রিক টন এবং রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে ২০০ মেট্রিক টন করে চাল বরাদ্দ দেওয়ার কথা বলেন।
তিনি বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোর লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে মাইকিং অব্যাহত রয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে বিশুদ্ধ পানি, স্যানিটেশন, শিশু খাদ্য এবং তিনবেলা খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় মন্ত্রণালয়ের সচিব ঘটনাস্থলে অবস্থান করছেন এবং জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসন সার্বক্ষণিকভাবে কাজ করে চলেছে।
আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকেও প্রত্যেক দুর্গত জেলায় ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করছেন। পরিস্থিতির প্রয়োজনে আরও জরুরি বরাদ্দ প্রদান করা হবে।
পাহাড় ধসে বারবার প্রাণহানির বিষয়টি তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের ঢালে বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসনের জন্য সরকার প্রস্তুত রয়েছে। খাসজমি ও অন্যান্য সরকারি জমিতে তাদের জন্য ঘর নির্মাণ করা হবে। এ কাজে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সচেতনতার ভূমিকা ও সহযোগিতা কামনা করে তিনি আরও বলেন, যদি সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ করে, তবে ভবিষ্যতে পাহাড়ধসে প্রাণহানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।
ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন সংসদে ৩০০ বিধিতে জানান, পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন পার্বত্য জেলায় গতকাল ১৩০০ মেট্রিক টন চাল সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবান জেলা প্রশাসনকে ২০ লাখ টাকা করে দুর্যোগকালীন সহায়তা হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে বিশেষ বরাদ্দ আজ সকালে দেওয়া হয়েছে, যেটা তারা গ্রহণ করেছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তৈরি হওয়া বিতর্কের মধ্যে রাশেদ খান প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক অঙ্গনে তৈরি হওয়া বিতর্ক এবং তাকে জড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চলছে।
গণ-অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমান বিএনপি নেতা রাশেদ খান বুধবার (৮ জুলাই) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এই বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি অভিযোগ করেন, একটি বিশেষ মহল সুকৌশলে মীর শাহে আলমকে ‘প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ বন্ধু’ হিসেবে উপস্থাপন করে সরকার ও প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান উল্লেখ করেন, ‘স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ ও বন্ধু বিবেচনায় অনেকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। আমি বিভিন্ন টকশোতে বিরোধী পক্ষের মুখ থেকে এটাই শুনেছি যে, জনাব মীর শাহে আলম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের বন্ধু! বিষয়টি নিয়ে আমি নিজেও কনফিউশনে ছিলাম।’
তিনি আরও জানান, গতকাল মীর শাহে আলম নিজেই বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন। প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীর চেয়ে বয়সে বেশ ছোট এবং কখনও একই স্কুল-কলেজে পড়েননি। তাদের মধ্যে যে সম্পর্ক, তা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক সূত্র ধরেই গড়ে উঠেছে।
উন্নয়ন বরাদ্দের বিষয়ে রাশেদ খান বলেন, একটি মহল বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে যে মীর শাহে আলম সব বরাদ্দ বগুড়ায় নিয়ে গেছেন। অথচ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় (এলজিআরডি) থেকে উন্নয়ন বরাদ্দের তালিকায় বগুড়া ১৬ নম্বরে এবং গোপালগঞ্জ ৭ নম্বরে রয়েছে। তিনি বলেন, ‘তার (প্রতিমন্ত্রী) কোনো ভুল থাকলে অবশ্যই সেই সমালোচনা আমরা করব। কিন্তু সম্মিলিত মিথ্যাচারের পেছনে নিশ্চিত কোনো গভীর ষড়যন্ত্র আছে।’
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড তুলে ধরে রাশেদ খান জানান, তিনি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় উন্নয়নমূলক কাজে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গেও সমন্বয় করছেন। এর অংশ হিসেবে তিনি ঢাকা-১৫ আসনের উন্নয়নের জন্য জামায়াতে ইসলামীর আমিরের সঙ্গে সমন্বয় সভা করেছেন এবং বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
রাশেদ খানের ভাষ্যমতে, আওয়ামী লীগ এবং তাদের সহযোগীরাও মীর শাহে আলমের বিরুদ্ধে সোচ্চার। তিনি জানান, মাসখানেক আগে প্রতিমন্ত্রী মন্তব্য করেছিলেন যে ‘আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারবে না’, মূলত সেই ক্ষোভ এবং বর্তমান বিরোধী দলের রাজনৈতিক কৌশল–উভয়ই মীর শাহে আলমকে টার্গেট করার পেছনে কাজ করছে।
রাশেদ খানের মতে, ‘তাদের (একটি মহলের) চিন্তা হলো মীর শাহে আলমকে বিতর্কিত করতে পারলে বুঝি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার মিশন সফল হবে।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলায় বিয়ে করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হন সবুজ গাজী নামে এক মাদক মামলার পরোয়ানা ভুক্ত আসামি।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে হাইমচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাজমুল হাসান গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
এর আগে, গত বুধবার (৮ জুলাই) রাত ৯টার দিকে উপজেলার কালাচৌকিদার মোড় সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
হাইমচর থানা পুলিশ জানায়, রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার ২০১৬ সালের একটি মাদক মামলার পরোয়ানা ভুক্ত আসামি শহিদ গাজী ওরফে সবুজ গাজী হাইমচর থানার চরভাঙ্গা (পূর্ব নাম গাজীপুর) এলাকার বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। সম্প্রতি, দ্বিতীয় বিয়ে করার উদ্দেশ্যে ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে গেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিয়ের কনে দেখার প্রস্তুতির আগেই তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
হাইমচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাজমুল হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় পরোয়ানাভুক্ত আসামি সবুজকে কালাচৌকিদার মোড় এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইতঃপূর্বে তিনি আরেকটি বিয়ে করেছিলেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠালে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণ করে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, দিল্লি, নিউইয়র্ক, লন্ডন, জেনেভাসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন মিশনে সম্প্রতি বড় ধরনের রদবদল লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাম্প্রতিক রদবদল নিয়ে সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন।
এ বিষয়ে জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, "সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে চেঞ্জ হবে, রদবদল হবে, নতুন লোক আসবে। সেটা তো চলমান প্রক্রিয়া। এটা তো কোনো নতুন কিছু না। যখন সরকারের থেকে একটা স্টেটমেন্ট যাবে, সরকার থেকে প্রকাশ হবে, তখনই আপনারা জানতে পারবেন কেন, কোথায়, কীভাবে, কোন কারণে রদবদল হচ্ছে। কিন্তু এটা চলমান প্রক্রিয়া।"
এই রদবদলের পেছনে বিএনপি করা বা না করার কোনও বিষয় জড়িত কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "না না, বিএনপি করা বা কোনো বিষয় না।" তিনি আরও জানিয়েছেন, "অবশ্যই বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে, আপনি যদি প্রধানমন্ত্রীর কাজকর্মগুলো ফলো করেন, তার সিদ্ধান্তগুলো ফলো করেন— পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ প্রত্যেকটি মন্ত্রণালয়ে তিনি ইমপর্টেন্স দেন কাজকে, এফিশিয়েন্সিকে (দক্ষতাকে)। কে কতটুক কাজে পারদর্শী, কে কতটুক আন্তরিকভাবে দেশের জন্য কাজ করতে পারছে, দেশের প্রতি কার আন্তরিকতা আছে, সেটাই যেকোনো মন্ত্রণালয়ে বিবেচ্য বিষয়।"
তিনি আরও বলেন, "দেশের প্রতি ভালোবাসা, দেশের প্রতি আন্তরিকতা, কাজের প্রতি ডেডিকেশন (উৎসর্গ) এবং এফিসিয়েন্সি— এগুলোর বিচারেই যেকোনো মন্ত্রণালয়ে আমাদের রদবদল হয়। এটা চলমান প্রক্রিয়া; যখন ফাইনাল হবে, যখন সরকারের পক্ষ থেকে গ্যাজেট প্রকাশ হবে, তখন আপনারা জানতে পারবেন।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ