ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শেখ হাসিনার কর্মকাণ্ড প্রধান চ্যালেঞ্জ তারেক রহমানের ভারত সফরে: প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির


শেখ হাসিনার কর্মকাণ্ড প্রধান চ্যালেঞ্জ তারেক রহমানের ভারত সফরে: প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির

ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের কর্মকাণ্ডকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের ক্ষেত্রে প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

সোমবার (৫ অক্টোবর) ঢাকায় সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ আয়োজিত বঙ্গোপসাগর সংলাপ-এর ফাঁকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

হুমায়ুন কবির বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের ওপর জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশে নবনির্বাচিত সরকারের চ্যালেঞ্জগুলো ভারতকে উপলব্ধি করতে হবে। তার মতে, আওয়ামী লীগের নির্বাসিত নেতাদের কর্মকাণ্ড ভারত বা দুই দেশের সম্পর্কের কোনো উপকারে আসছে না।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর হলে সেটি হবে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সফর। তবে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে, যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের দিল্লিতে অবস্থান এবং সেখান থেকে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা।

হাসিনাকে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখতে ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানান হুমায়ুন কবির। তিনি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান দমনে প্রায় দুই হাজার বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হওয়ার জন্য শেখ হাসিনাকে দায়ী করে তাকে সন্ত্রাসী হিসেবেও উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা হাসিনা সরকারের পতনে দেশের মানুষ জীবন দিয়েছে। তাই অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন সূচনা প্রয়োজন।

তবে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় আলোচনা অব্যাহত রয়েছে এবং সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইতিবাচক কিছু লক্ষণ দেখা যাচ্ছে বলেও জানান তিনি। তার দাবি, ভারত হাসিনা ও তার সহযোগীদের কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার উল্লেখ করে হুমায়ুন কবির বলেন, উপযুক্ত সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর হবে বলে তিনি আশাবাদী। প্রধানমন্ত্রী কখনোই ভারত সফরে যাবেন না—এমন কথা বলেননি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর ভূমিকার প্রশংসা করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, তিনি দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। দিল্লি তার মতামতকে গুরুত্ব দিলে সব পর্যায়ে আলোচনার জন্য বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির আওয়ামী লীগ নেতৃত্বকে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার ক্ষেত্রে প্রধান অন্তরায় হিসেবেও উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সব বিষয়ে আলোচনার জন্য প্রস্তুত। তবে সেই আলোচনা হতে হবে পারস্পরিক সহযোগিতা ও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে। দুই সরকার জাতীয় স্বার্থকে সামনে রেখে আলোচনায় বসলে সব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

ঢাকায় বসে কেউ ভারতের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারবে না উল্লেখ করে দিল্লির কাছ থেকেও একই ধরনের পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

এর আগে সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশ বিশ্ব ও আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে শক্তিশালী সম্পর্ক বজায় রাখবে। তবে পররাষ্ট্রনীতিতে কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনও বজায় রাখা হবে। পরিবর্তিত বাংলাদেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইবি রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রতিবাদ, রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৪ পি.এম


ইবি রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রতিবাদ, রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি (ইবিরিইউ) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে পেশাগত দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের ওপর দেশীয় অস্ত্রধারী ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মো. সাকিব আসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলম এক যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে এই প্রতিবাদ জানান।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, রোববার (৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার সময় ছাত্রদলের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ওই এলাকায় অবস্থান নেয়। সাংবাদিকরা দেশীয় অস্ত্র বহনের দৃশ্য ধারণ করতে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলায় দৈনিক সমকালের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মাঈনুল ইসলাম রাজু, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিনিধি আরিফ উজ্জামান কোরবান, দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিনিধি নূর আহসান মৃদুল এবং আগামীর সময়ের প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলামসহ অন্তত ৭/৮ সাংবাদিক আহত হন। গুরুতর আহত জাহিদুল ইসলামের মাথায় আঘাত লেগেছে বলেও গণমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে।

গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, হামলাকারীদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্রের ভিডিও ধারণ করতে এগিয়ে গেলে দৈনিক সমকালের প্রতিনিধিকে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। আজকের পত্রিকার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধির মোবাইল ফোন কেড়ে নিতে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করা হয় এবং একপর্যায়ে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিনিধিকেও মারধর করা হয়। পরে ঘটনাস্থলে অন্যান্য সাংবাদিকরা উপস্থিত হলে দ্য ডেইলি স্টার ও আগামীর সময়ের প্রতিনিধির ওপরও ‘সন্ত্রাসী কায়দায়’ হামলা চালানো হয়।

নেতৃবৃন্দ জানান, এটি কেবল গর্হিত কাজ নয় বরং স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত এবং কণ্ঠরোধের একটি দুরভিসন্ধির অংশ। পেশাগত দায়িত্ব পালনে সাংবাদিকদের মারধর, মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা, হুমকি দেওয়া এবং পেশাগত কাজে বাধা দেওয়া স্বাধীন সাংবাদিকতার মৌলিক অধিকারের পরিপন্থি এবং সরাসরি ফৌজদারি অপরাধ। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার পরিচয় উঠে এসেছে, যা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে।

ইবিরিইউ অবিলম্বে হামলার ঘটনায় নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছে। একই সঙ্গে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের দেওয়া তিন দফা দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে স্বাধীন ও নিরাপদে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে।

ইবিরিইউ মনে করে, সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় কেবল দুঃখপ্রকাশ বা সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস যথেষ্ট নয়। এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটিয়েছে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। রাষ্ট্রীয় বিচারহীনতার দীর্ঘসূত্রিতা ও দলীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা না থাকায় বারংবার হামলা করার দুঃসাহস পাচ্ছে নেতাকর্মীরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামদানি শাড়ি ও বেলি ফুলের সাজে মায়াবতী পূর্ণিমার নজরকাড়া লুক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৫ পি.এম


জামদানি শাড়ি ও বেলি ফুলের সাজে মায়াবতী পূর্ণিমার নজরকাড়া লুক

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূর্ণিমা। একসময় রোমান্টিক সিনেমার নায়িকা হিসেবে তার জনপ্রিয়তা ছিল তুঙ্গে। "মনের মাঝে তুমি", "হৃদয়ের কথা", "আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা" এবং "ভালোবাসার লাল গোলাপ"সহ বেশ কিছু সিনেমায় তার অভিনয় আজও দর্শকদের কাছে উপভোগ্য হয়ে রয়েছে।

অভিনয়ের পাশাপাশি সৌন্দর্য এবং রুচিশীল সাজের জন্যও ভক্তদের নজর কাড়েন পূর্ণিমা। বাঙালিয়ানার ছোঁয়া কিংবা আধুনিক সাজ—যেভাবেই তিনি হাজির হন, তার উপস্থিতি সবসময় আলাদা করে নজর কাড়ে।

সম্প্রতি জামদানি শাড়িতে নিজেকে সাজিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ কিছু ছবি প্রকাশ করেছেন এই অভিনেত্রী। ছবিগুলোতে তাকে দেখা গেছে বাঙালি নারীর চিরচেনা সাজে। পরনে নান্দনিক জামদানি শাড়ি, আর খোঁপায় ফুলের মালা। ঐতিহ্যবাহী এই সাজে পূর্ণিমার সৌন্দর্যে ফুটে উঠেছে স্নিগ্ধতা ও আভিজাত্যের মিশেল।

ছবিগুলোর সঙ্গে পূর্ণিমা লিখেছেন, ‘জামদানির আবহ আর কখনো পুরোনো না হওয়া সৌন্দর্য...’। এই ছোট্ট বাক্যেই তিনি নিজের সাজের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন।

পূর্ণিমার এবারের সাজে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে তার স্বাভাবিক সৌন্দর্য। অতিরিক্ত চাকচিক্যের বদলে জামদানির ঐতিহ্য এবং খোঁপায় ফুলের মালার সরল সৌন্দর্যকেই প্রাধান্য দিয়েছেন তিনি। এতে পুরো সাজে তৈরি হয়েছে মায়াবী ও নান্দনিক আবহ।

ছবিগুলো প্রকাশের পর পূর্ণিমার ভক্তদের অনেকেই মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন। বাঙালি ঐতিহ্যের সঙ্গে নিজের সৌন্দর্যকে মিলিয়ে অভিনেত্রীর এই সাজ যেন আবারও মনে করিয়ে দিল, সময় বদলালেও জামদানির আবেদন কখনো পুরোনো হওয়ার নয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৫ পি.এম


জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছে মন্ত্রিসভা। এ সংক্রান্ত অভিনন্দন প্রস্তাবটি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই বিষয়ে একটি অতিরিক্ত গেজেট জারি করা হয়।

গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বক্তব্য রেখেছেন। এটি বাংলাদেশের জন্য একটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ ও ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

গেজেটে আরও উল্লেখ রয়েছে, এর আগে প্রধানমন্ত্রীর বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালের ২৬ আগস্ট জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ১১তম বিশেষ অধিবেশনে বক্তব্য রেখেছিলেন। এরপর তার মা প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯৬ সালের ১ অক্টোবর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪৮তম অধিবেশনে বক্তব্য দেন।

একই পরিবারের তিন সদস্যের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করার ঘটনাকে বিরল ও অনন্য ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

এতে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী চার দিনের সফরে মোট ২৩টি আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার পাশাপাশি তিনি সাতটি উচ্চপর্যায়ের সভায় বক্তব্য দেন।

এছাড়া ১১টি দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং জাতিসংঘসহ ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

মন্ত্রিসভার অভিনন্দন প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ দেশের অঙ্গীকার ও প্রত্যাশাকে বিশ্বপরিসরে তুলে ধরার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

এ প্রেক্ষাপটে, গত ২৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাবটি গৃহীত হয়।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত গেজেটে বলা হয়েছে, মন্ত্রিসভা বৈঠকে গৃহীত ওই অভিনন্দন প্রস্তাব সর্বসাধারণের অবগতির জন্য প্রকাশ করা হলো।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশমিকা: বিজয়কে রোজ ১৫ বার ‘ভালোবাসি’ বলি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৬ পি.এম


রাশমিকা: বিজয়কে রোজ ১৫ বার ‘ভালোবাসি’ বলি

দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার তারকা বিজয় দেবারাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। দীর্ঘ আট বছরের সম্পর্কের পর তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন গুঞ্জন থাকলেও, এতদিন তারা প্রকাশ্যে কিছু বলেননি। তবে বিয়ের পর নিজেদের সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করছেন এই তারকা দম্পতি।

সম্প্রতি, ভারতীয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর শুভঙ্কর মিশ্রের সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে নিজেদের দাম্পত্য জীবন ও ভালোবাসার সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেন বিজয় ও রাশমিকা। সাক্ষাৎকারে বিজয় জানান, সম্পর্কের সৌন্দর্য বজায় রাখতে ভালোবাসার প্রকাশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, রাশমিকা প্রতিদিন তাকে অন্তত ১০ থেকে ১৫ বার ‘আই লাভ ইউ’ বলেন।

বিজয় আরও বলেন, "আমরা সম্পর্কের দিক দিয়ে সবচেয়ে ম্যাচিওর। ওর দিকে দেখুন, কীভাবে আমার সঙ্গে কথা বলে। ভালোবাসার ব্যাপারটা সবসময় নিশ্চিত করে।" তিনি উল্লেখ করেন যে, রাশমিকা প্রতিদিন তাকে অন্তত ১০ থেকে ১৫ বার ‘আই লাভ ইউ’ বলার পাশাপাশি, এই ভালোবাসার প্রকাশের গুরুত্বও তুলে ধরেন।

সাক্ষাৎকারে একটি বিষয় বিশেষভাবে নজর কাড়ে। কথা বলার সময় বিজয় ও রাশমিকা পরস্পরকে পা দিয়ে স্পর্শ করে রেখেছিলেন। এই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, বিজয় জানান, শারীরিক স্পর্শও তাদের ভালোবাসা প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

তার ভাষায়, "এটা আমাদের সবসময় চলতে থাকে। আসলে, কোনো না কোনোভাবে শারীরিক স্পর্শ থাকা লাগেই। এটাই আমাদের ভালোবাসার ধরন।"

দীর্ঘদিন পর আবারও একসঙ্গে পর্দায় হাজির হচ্ছেন বিজয় ও রাশমিকা। ‘রানাবালি’ নামের সিনেমাটি আগামী ১৬ অক্টোবর মুক্তির কথা রয়েছে। বর্তমানে সিনেমাটির প্রচারণা নিয়েই তারা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%