ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৭২ শিক্ষানবিশ এএসপিকে বিভিন্ন জেলা ও ইউনিটে বদলি


৭২ শিক্ষানবিশ এএসপিকে বিভিন্ন জেলা ও ইউনিটে বদলি

বাংলাদেশ পুলিশের ৭২ জন নির্বাচিত শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারকে (এএসপি) বিভিন্ন জেলা ও ইউনিটে বদলি, পদায়ন ও সংযুক্ত করা হয়েছে। পুলিশ সদরদপ্তর তাদেরকে প্রশিক্ষণ শেষে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নির্ধারিত কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) পুলিশ সদরদপ্তরের পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট-৩ শাখা থেকে জারি করা পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ বদলি ও পদায়নের তথ্য জানানো হয়।

আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচিত শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের নামের পাশে উল্লিখিত পদে বা স্থানে বদলি, পদায়ন ও সংযুক্ত করা হলো।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

নথি অনুযায়ী, কর্মকর্তাদের সবাই বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকায় বাস্তব প্রশিক্ষণকালীন কর্মস্থলে ছিলেন। প্রশিক্ষণ শেষে তাদের দেশের বিভিন্ন জেলা ও পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার এম এম তারিক-উল্লাহকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি, ঢাকা; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার জামাল হোসেনকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, বিএমপি, বরিশাল; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার রাইসুল ইসলামকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি, ঢাকা; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার শাওন রেজাকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি, ঢাকা এবং শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার শাহেদুল ইসলামকে সহকারী পুলিশ সুপার, ট্যুরিস্ট পুলিশে পদায়ন করা হয়েছে।

এছাড়া শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মোকছেদুল মমিনকে সহকারী পুলিশ সুপার, সিআইডি; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. আশিকুর রহমানকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি, ঢাকা; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার আশীষ কুমার বিশ্বাসকে সহকারী পুলিশ সুপার, এপিবিএন; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার রিয়াজ খানকে সহকারী পুলিশ সুপার, শিল্পাঞ্চল পুলিশ এবং শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী হাসান আমজাদকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, কেএমপি, খুলনায় পদায়ন করা হয়েছে।

শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার হাসিবুল হাসান শিপনকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, কেএমপি, খুলনা; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার শোয়েব আহমেদকে সহকারী পুলিশ সুপার, শিল্পাঞ্চল পুলিশ; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার আবু রায়হানকে সহকারী পুলিশ সুপার, ট্যুরিস্ট পুলিশ; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার তানভীর আহমেদকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, সিএমপি, চট্টগ্রাম এবং শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোতাইনুল ইসলামকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, সিএমপি, চট্টগ্রামে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান আশিককে সহকারী পুলিশ সুপার, এপিবিএন; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. আবদুল্লাহ আল সাদমানকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, জিএমপি, গাজীপুর; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. আসাদ আহমেদ রনিকে সহকারী পুলিশ সুপার, এসআরবি এবং শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. মনজুরুল আলমকে সহকারী পুলিশ সুপার, রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়, রংপুরে পদায়ন করা হয়েছে।

পরবর্তী তালিকায় শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ সালমান আশিককে সহকারী পুলিশ সুপার, শিল্পাঞ্চল পুলিশ; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মায়িশা ফান্নানাকে সহকারী পুলিশ সুপার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা (টিআর পদে), সংযুক্ত কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল, রাজারবাগ; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার বাপী কুমার দাশকে সহকারী পুলিশ সুপার, এপিবিএন এবং শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার সরকার ফরহাদ আহমেদকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, সিএমপি, চট্টগ্রামে পদায়ন করা হয়েছে।

শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার জাহেদুল ইসলামকে সহকারী পুলিশ সুপার, শিল্পাঞ্চল পুলিশ; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামানকে সহকারী পুলিশ সুপার, এসআরবি; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. সাব্বির হোসেনকে সহকারী পুলিশ সুপার, ট্যুরিস্ট পুলিশ; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. রাশেদুল ইসলামকে সহকারী পুলিশ সুপার, এপিবিএন এবং শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার জহিরুল ইসলামকে সহকারী পুলিশ সুপার, এসআরবিতে পদায়ন করা হয়েছে।

শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. আবু সিয়ামকে সহকারী পুলিশ সুপার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা (টিআর পদে), সংযুক্ত সাইবার পুলিশ ইউনিট; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার হিমন বিশ্বাসকে সহকারী পুলিশ সুপার, এসআরবি; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. এ বি সিদ্দিককে সহকারী পুলিশ সুপার, এসআরবি; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. রিদওয়ান-উল-ইসলামকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, আরপিএমপি, রংপুর এবং শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. সাব্বির হোসেনকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, জিএমপি, গাজীপুরে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

এ ছাড়া শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. শহিদুল ইসলামকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, জিএমপি, গাজীপুর; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার সুমন চন্দ্র ক্ষত্রিয়কে সহকারী পুলিশ সুপার, শিল্পাঞ্চল পুলিশ; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. সাব্বির আহমেদকে সহকারী পুলিশ সুপার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা (টিআর পদে), সংযুক্ত সাইবার পুলিশ ইউনিট; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার সালাহ উদ্দিন কাদেরকে সহকারী পুলিশ সুপার, ট্যুরিস্ট পুলিশ; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার নাভিদ তাসনিমকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, আরএমপি, রাজশাহী এবং শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মিয়াজী আলিফ ইমরানকে সহকারী পুলিশ সুপার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা (টিআর পদে), সংযুক্ত সাইবার পুলিশ ইউনিটে পদায়ন করা হয়েছে।

তৃতীয় অংশে শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. দেলোয়ার হোসেন রনিকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, এসএমপি, সিলেট; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার এহসানুল করিমকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, কেএমপি, খুলনা; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. আবদুল্লাহ আল মাহমুদ খানকে সহকারী পুলিশ সুপার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার জুবায়ের আহমেদকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি, ঢাকা এবং শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার তাহমিনা বেগমকে সহকারী পুলিশ সুপার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা করা হয়েছে।

শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. মাকসুদুল হাসানকে সহকারী পুলিশ সুপার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা (টিআর পদে), সংযুক্ত সাইবার পুলিশ ইউনিট; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার তানভীর আহমেদকে সহকারী পুলিশ সুপার, সিআইডি; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. মইনুল হোসেন মন্ত্রীকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি, ঢাকা; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার নাজমুল সাদাতকে সহকারী পুলিশ সুপার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা (টিআর পদে), সংযুক্ত সাইবার পুলিশ ইউনিট এবং শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. সজীব মিয়াকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, কেএমপি, খুলনায় পদায়ন করা হয়েছে।

শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার নির্জন সরকারকে সহকারী পুলিশ সুপার, এসআরবি; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার খন্দকার শফিক রহমানকে সহকারী পুলিশ সুপার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. রুহুল আমিন হাওলাদারকে সহকারী পুলিশ সুপার, এপিবিএন; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. সাইফুল হককে সহকারী পুলিশ সুপার, এসআরবি এবং শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. লতিফুল হাসান বাঁধনকে সহকারী পুলিশ সুপার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা (টিআর পদে), সংযুক্ত সাইবার পুলিশ ইউনিটে পদায়ন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

এ ছাড়া শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. মোহসিন আহমেদকে সহকারী পুলিশ সুপার, এপিবিএন; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. ফাহিম ফয়সালকে সহকারী পুলিশ সুপার, ট্যুরিস্ট পুলিশ; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার প্রশান্ত ঘোষকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, বিএমপি, বরিশাল; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. আরাফাত হোসেনকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, এসএমপি, সিলেট এবং শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার আহমেদ সাদমান সাকিবকে সহকারী পুলিশ সুপার, এসআরবিতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

শেষ অংশে শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার তানজিনা সুলতানাকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, সিএমপি, চট্টগ্রাম; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার তোফাজ্জল হোছাইন সুমনকে সহকারী পুলিশ সুপার, পিবিআই; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার রনি হাওলাদারকে সহকারী পুলিশ সুপার, এসআরবি; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার পূজা রানী দাসকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, জিএমপি, গাজীপুর এবং শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. ওয়ারুখ ইয়াজদানীকে সহকারী পুলিশ সুপার, রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়, রাজশাহীতে পদায়ন করা হয়েছে।

শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. হাদিউল ইসলামকে সহকারী পুলিশ সুপার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা (টিআর পদে), সংযুক্ত সাইবার পুলিশ ইউনিট; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার নন্দীকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, সিএমপি, চট্টগ্রাম; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. শাহিন আলম শাওনকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি, ঢাকা; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. ফারহান হায়দারকে সহকারী পুলিশ সুপার, রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়, ঢাকা এবং শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার প্রকৃতি ইসলামকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, জিএমপি, গাজীপুরে পদায়ন করা হয়েছে।

সবশেষে শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার রূপম দেবনাথকে সহকারী পুলিশ সুপার, পিবিআই; শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার ত্রয়ী চাকমাকে সহকারী পুলিশ সুপার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা এবং শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. মাজহারুল ইসলামকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি, ঢাকায় পদায়ন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, উল্লিখিত সহকারী পুলিশ সুপাররা সংশ্লিষ্ট জেলায় বাস্তব প্রশিক্ষণ সন্তোষজনকভাবে শেষ করার পর বদলি হওয়া কর্মস্থলে যোগদান করবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সালমানের মতই দেখতে বন্ধুর ছেলে সুফিয়ান, নেটদুনিয়ায় ঝড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২০ পি.এম


সালমানের মতই দেখতে বন্ধুর ছেলে সুফিয়ান, নেটদুনিয়ায় ঝড়

বলিউডের অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন সাজিদ নাদিয়াদওয়ালার ছেলে সুফিয়ান নাদিয়াদওয়ালা, যিনি সালমান খানের ঘনিষ্ঠ বন্ধুর সন্তান। তার চেহারা অনেকটা তরুণ বয়সের সালমান খানের প্রতিচ্ছবি হিসেবে দেখা যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

মুম্বাইয়ে বাবা-মায়ের সঙ্গে একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার পর থেকেই সুফিয়ানের চেহারা ও স্টাইল নিয়ে তুলনা শুরু হয়েছে সালমান খানের সঙ্গে। বিশেষ করে, নেটিজেনদের মধ্যে অনেকেই সুফিয়ানের লুকে ৯০ দশকের সালমান খানের ছাপ খুঁজে পেয়েছেন।

সম্প্রতি ‘প্রেম কীতানু’ সিনেমার বিশেষ প্রদর্শনীতে বাবা সাজিদ নাদিয়াদওয়ালা ও মা ওয়ার্দা খান নাদিয়াদওয়ালার সঙ্গে হাজির হন সুফিয়ান। অনুষ্ঠানের প্রবেশপথে সালমান খানের সঙ্গেও তার দেখা হয়। দুজনকে একই স্থানে দেখে সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যে আগ্রহ আরও বেড়ে যায়।

সুফিয়ানের চেহারা নিয়ে আলোচনা নতুন নয়। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে তার কিছু ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। তখনও অনেকেই তার মুখের গড়ন, চুলের স্টাইল ও শারীরিক গঠনের সঙ্গে সালমান খানের তরুণ বয়সের মিল খুঁজে পেয়েছিলেন।

সাম্প্রতিক সময়ে নতুন করে সুফিয়ানের ছবি প্রকাশিত হওয়ার পর সেই পুরনো আলোচনা আবারও সামনে এসেছে। সামাজিক মাধ্যমে কেউ তাকে সালমান খানের ‘ইয়ঙ্গার ভার্সন’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। আবার কেউ সরাসরি তাকে ‘৯০ দশকের সালমান খান’ বলেও অভিহিত করেছেন। তার স্টাইল ও শারীরিক গঠন নিয়ে প্রশংসা করেছেন অনেকে।

এক নেটিজেন মজা করে লিখেছেন, সুফিয়ান নাকি সালমান খানের চেয়েও বেশি সালমান খানের মতো মনে হচ্ছে। এই মন্তব্যের পর তার ছবি ও ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক মাধ্যমে।

সুফিয়ান সাজিদ নাদিয়াদওয়ালা ও ওয়ার্দা খান নাদিয়াদওয়ালার ছোট ছেলে। তার বাবা সাজিদ বলিউডের পরিচিত প্রযোজক এবং সালমান খানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবেও পরিচিত। এই কারণে সুফিয়ানের সঙ্গে সালমানের ছবি বা উপস্থিতি নতুন করে আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

তবে, সুফিয়ান ভবিষ্যতে বাবার পথ অনুসরণ করে বলিউডে অভিনয়ে আসবেন কি না, সে সম্পর্কে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য জানা যায়নি।

এদিকে, সালমান খান বর্তমানে রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস’-এর ২০তম আসর নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। এর মধ্যেই সাজিদপুত্র সুফিয়ানকে ঘিরে শুরু হওয়া আলোচনা আবারও সালমান খানের তরুণ বয়সের জনপ্রিয় লুকের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়ার ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশ ভ্রমণের আহ্বান জানালেন ডেপুটি হাইকমিশনার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২০ পি.এম


মালয়েশিয়ার ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশ ভ্রমণের আহ্বান জানালেন ডেপুটি হাইকমিশনার

বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার সারাওয়াক রাজ্যের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং শিল্পখাতে সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে, বাংলাদেশ হাইকমিশন, কুয়ালালামপুরের ডেপুটি হাইকমিশনার মোসাম্মাত শাহানারা মনিকার নেতৃত্বে একটি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল কুচিংয়ে সারওয়াক ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট পেতার চাই মুইনসেং এবং সারওয়াক ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির জেনারেল সেক্রেটারির নেতৃত্বে পৃথক বৈঠক আয়োজন করে।

৩ অক্টোবর শনিবার অনুষ্ঠিত বৈঠকগুলোতে, ডেপুটি হাইকমিশনার বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও শিল্পক্ষেত্রের সম্ভাবনা তুলে ধরেন। তিনি সারাওয়াকের ব্যবসায়ী ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার এবং বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার জন্য আহ্বান জানান। বি২বি যোগাযোগ, তৈরি পোশাক, খাদ্য ও পানীয়, কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য এবং হালাল পণ্যসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাংলাদেশের আসন্ন বাণিজ্য ও রপ্তানি মেলায় অংশগ্রহণের পাশাপাশি সারাওয়াকের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশ ভ্রমণের আহ্বান জানান তিনি।

পরবর্তীতে, সারওয়াক ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির জেনারেল সেক্রেটারিসহ ফার্মাসিউটিক্যাল খাতের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের ঔষধ পণ্য, রপ্তানি ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন ডেপুটি হাইকমিশনার।

এছাড়া, বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে আগত ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের সঙ্গেও বাংলাদেশের পণ্য ও সেবা নিয়ে মতবিনিময় করেন তিনি।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রথম সচিব (প্রেস) মো. তরিকুল ইসলাম।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাল রেকর্ডে ২৪ কোটি টাকার সরকারি জমি আত্মসাতের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২০ পি.এম


জাল রেকর্ডে ২৪ কোটি টাকার সরকারি জমি আত্মসাতের অভিযোগ

চট্টগ্রামে প্রায় ২৩ কোটি ৬৮ লাখ টাকার সরকারি জমি আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) নির্বাহী প্রকৌশলীসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অনুমোদন দিয়েছে। অভিযোগটি জাল রেকর্ডপত্র তৈরি ও তা ব্যবহার করার মাধ্যমে করা হয়েছে।

রোববার (৮ অক্টোবর) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।

দুদকের অনুসন্ধান অনুসারে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলা দায়েরের সুপারিশ করা হয়েছে।

অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন— চট্টগ্রাম গণপূর্ত বিভাগের সাবেক উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাহ-আলম ফারুক, ফাতেমা বেগম, মো. ফরিদ আহমদ, মোহাম্মদ ফাহিম আহমেদ, হাসিনা মমতাজ, মোহাম্মদ ফয়েজ আহমদ, রোকেয়া সুলতানা, শাহিন সুলতানা ও মোহাম্মদ শাহ-আলম ফারুক।

দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্তরা পরস্পর যোগসাজশে অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজেদের এবং অন্যদের লাভবান করার উদ্দেশ্যে জালিয়াতি ও প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, তারা জাল রেকর্ডপত্র তৈরি করে সেগুলোকে আসল হিসেবে ব্যবহার করেছেন।

অভিযোগটি চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকার একটি জমিকে কেন্দ্র করে। জমিটি চট্টগ্রামের গোঁসাইলডাঙা মৌজায় অবস্থিত এবং এটি লিজ আউট প্ল্যানের ১৬ নম্বর প্লটের অংশ। জমির পরিমাণ ২৪ দশমিক ৯৬ শতক।

দুদকের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মৌজা রেট অনুযায়ী ওই জমির মূল্য ১৭ কোটি ১২ লাখ ৬৩ হাজার ১৪০ টাকা। জমির ভাড়া বাবদ ৬ কোটি ৫৫ লাখ ৭৬ হাজার ৯৮ টাকা যোগ হলে, সব মিলিয়ে জমির মূল্য ও ভাড়া দাঁড়িয়েছে ২৩ কোটি ৬৮ লাখ ৩৯ হাজার ২৩৮ টাকা।

অনুসন্ধান প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত ভাড়া পরিশোধ না করেই অভিযুক্তরা জমিটি ভোগদখলে রেখেছেন। জাল রেকর্ডপত্র তৈরি ও ব্যবহার এবং জমি ভোগদখলের মাধ্যমে রাষ্ট্রের বিপুল আর্থিক ক্ষতি করা হয়েছে বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় দুদক অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অনুমোদন দিয়েছে। কমিশনের চট্টগ্রাম-১ কার্যালয় থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘মব’ সৃষ্টি করে রিকশাচালক ফয়েজ আহাম্মদকে হত্যা, অতঃপর গ্রেপ্তার দুই কিশোর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২১ পি.এম


‘মব’ সৃষ্টি করে রিকশাচালক ফয়েজ আহাম্মদকে হত্যা, অতঃপর গ্রেপ্তার দুই কিশোর

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে ‘মব’ সৃষ্টি করে রিকশাচালক মো. ফয়েজ আহাম্মদকে (৪৩) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) দুই কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারের পর তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।

গ্রেপ্তার হওয়া কিশোরদের নাম হলো আশ্রাফুল ইসলাম শ্রাবন (১৬) ও আকবর হোসেন ফাহিম (১৭)। উভয়েই সোনাইমুড়ী উপজেলার শাকতলা গ্রামের বাসিন্দা। পিবিআই জানায়, তারা একটি কিশোর গ্যাং গড়ে তুলে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে অরাজকতা চালিয়ে আসছিল।

পিবিআই সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ জুন রাত ১১টা থেকে ১২ জুন রাত ১টা ৩৫ মিনিটের মধ্যে সোনাইমুড়ী উপজেলার শাকতলা ছিদ্দিকিয়া আলিয়া মাদরাসার পূর্ব পাশে এবং পরে নদোনা আছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন সড়কে ফয়েজ আহাম্মদকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পূর্বশক্রতার জেরে মাদকসেবীর অপবাদ দিয়ে পরিকল্পিতভাবে মব সৃষ্টি করে অভিযুক্ত কিশোরেরা ও তাদের সহযোগীরা তাকে লাঠিসোঁটা ও রড দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে তাকে রাস্তায় ফেলে রেখে যায় তারা। স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় ফয়েজকে উদ্ধার করে সোনাইমুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় ১২ জুন সোনাইমুড়ী থানায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় সবুজ (২২), মনা (২৫) ও জামাল (২৬)সহ অজ্ঞাতনামা আসামিও রয়েছে। মামলাটি পিবিআইয়ের তফসিলভুক্ত হওয়ায় সংস্থাটি স্বউদ্যোগে তদন্তের দায়িত্ব গ্রহণ করে। উপপরিদর্শক ফরিদ উদ্দিনকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ করা হয়।

পিবিআই জানায়, এক মাসের বেশি সময় ধরে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, নথিপত্র বিশ্লেষণ ও নিবিড় তদন্তের পাশাপাশি কয়েক দফা অভিযান চালানো হয়। এর ধারাবাহিকতায় রোববার ভোর পৌনে ৩টার দিকে শাকতলা গ্রামে অভিযান চালিয়ে এজাহারবহির্ভূত ও তদন্তে উঠে আসা দুই কিশোরকে আইনি হেফাজতে নেওয়া হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। পরে রোববার বিকেল ৩টার দিকে তাদের আদালতে হাজির করা হলে দুজনই ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

পিবিআইয়ের তদন্তে আরও জানা গেছে, ওই দুই কিশোর নিজ এলাকা ও আশপাশের এলাকার কিশোরদের নিয়ে একটি দল গড়ে তুলেছিল। দলটি এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি, অরাজক পরিস্থিতি তৈরি এবং মব সৃষ্টির মাধ্যমে জনশান্তি বিঘ্নিত করে আসছিল। ঘটনার দিন মাদক সেবনকে কেন্দ্র করে ফয়েজের সঙ্গে তাদের ও সহযোগীদের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তারা ফয়েজকে লাঠিসোঁটা ও রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে।

নোয়াখালী পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার আর এম ফয়জুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এজাহারভুক্ত আসামিদের ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%