ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সাতক্ষীরায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩ জন গ্রেপ্তার


সাতক্ষীরায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩ জন গ্রেপ্তার

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানের ফলে ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে এবং বিভিন্ন মামলার তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন মাদক মামলার আসামি রয়েছেন, একজন নিয়মিত মামলার তদন্তে প্রাপ্ত নিষিদ্ধ সংগঠনের আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য এবং অপরজন চুরি মামলার আসামি।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন কলারোয়ার তুলসীডাঙ্গার মৃত হাজী আনোয়ার হোসেনের ছেলে মো. বজলুর রহমান, যিনি বাপ্পী নামেই পরিচিত (৩৬)। এছাড়া ঝিকরার মৃত আমির চাঁদ গাজীর ছেলে মো. আহসান উল্লাহ (৪৩), যিনি নিষিদ্ধ সংগঠনের আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য। অপর আসামি হলেন গয়ড়ার শহিদুল ইসলামের ছেলে মো. আমিরুল ইসলাম (৩০), যিনি চুরি মামলার আসামি।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযানের সময় ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট মামলায় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

পুলিশ জানিয়েছে, কলারোয়া থানা পুলিশের নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান মাদক ও অপরাধ দমনের জন্য অব্যাহত থাকবে। গ্রেপ্তার তিন আসামিকে ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লির আস্থা কুঞ্জে পুলিশ পরিচয়ে কিশোরীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, তিন আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৩ পি.এম


দিল্লির আস্থা কুঞ্জে পুলিশ পরিচয়ে কিশোরীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, তিন আটক

ভারতের দক্ষিণ দিল্লির আস্থা কুঞ্জ পার্কে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীকে পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে ছুরি দেখিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, যা ফার্স্ট ইনফরমেশন রিপোর্টে (এফআইআর) উঠে এসেছে। পুলিশ ইতোমধ্যে অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

এফআইআরের তথ্য অনুযায়ী, গত সোমবার কিশোরীর জন্মদিনে বান্ধবীর সঙ্গে কালকাজি মন্দিরে পূজা দিতে গিয়েছিল। পূজা শেষে বিকাল পৌনে ছয়টার দিকে তারা ইসকন মন্দিরে যাওয়ার আগে আস্থা কুঞ্জ পার্কের একটি বেঞ্চে বসে ছিল।

রাত সাতটার দিকে ৩০ থেকে ৩৫ বছর বয়সী তিন ব্যক্তি হঠাৎ করে তাদের ওপর আক্রমণ করে। তারা নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে পার্কটি ফাঁকা করতে বলে। কিশোরীর বর্ণনা অনুযায়ী, তাদের একজন তার বন্ধুকে পার্কের অন্য কোনায় নিয়ে যায়। একা পেয়ে কিশোরীটি আকুতি জানিয়ে তার মায়ের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে, আসিফ নামের এক অভিযুক্তের উদ্দেশ্যে অন্য একজন বলে, ‘আসিফ ভাই, বন্দুক বের করো।’

কিশোরী পুলিশকে দেওয়া জবানবন্দিতে জানায়, আসিফ তাকে একটি কালো রঙের বন্দুক দেখিয়ে আবার পকেটে রেখে দেয়। এরপর দুজনই ছুরি বের করে তাকে একটি অন্ধকার জায়গায় নিয়ে যায়। পার্কের বেঞ্চে আসিফ তার গলায় ছুরি ধরে প্রথমে ধর্ষণ করে এবং হেমু নামের অপর অভিযুক্তকে পাহারা দিতে বলে। পরে পর্যায়ক্রমে হেমন্ত ও মুকেশ নামের অন্য দুই অভিযুক্তও তাকে ধর্ষণ করে।

অভিযুক্তদের আসল নাম আসিফ, হেমন্ত (হেমু) ও মুকেশ (দিপু)। হেমন্ত ও মুকেশ দুই ভাই। ধর্ষণের পর কিশোরী ও তার বন্ধুকে হত্যার হুমকি দিয়ে তাদের মোবাইল ফোন ফেরত দেয় এবং পরে পার্ক থেকে বের করে দেয়। পার্ক থেকে বেরিয়ে বন্ধুকে পুরো ঘটনা জানালে সে জরুরি সেবা নম্বরে (পিসিআর) কল করে এবং পুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করে।

ঘটনার পর আসিফ ওখলা সবজি বাজারে গিয়ে নিজের মোবাইল বন্ধ করে বাইকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। মঙ্গলবার এক বন্দুকযুদ্ধের পর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। অন্যদিকে হেমন্ত ও মুকেশ প্রমাণ মেটাতে নিজেদের পোশাক ধুয়ে ফেলে এবং পরবর্তী সময়ে শ্রীনিবাসপুরীর বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার হয়। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীদের বিশ্বাস করাতে ‘জনাব’-এর মতো পুলিশি শব্দ ব্যবহার করেছিল।

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শান্তিগঞ্জে জুমার নামাজের সময় মুসল্লিকে ছুরিকাঘাত, বাবাও আহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৩ পি.এম


শান্তিগঞ্জে জুমার নামাজের সময় মুসল্লিকে ছুরিকাঘাত, বাবাও আহত

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে জুমার নামাজের সময় সেজদারত অবস্থায় নাহিদ ইসলাম (২৪) নামক এক যুবককে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার সময় তাকে রক্ষা করতে গিয়ে তার বাবা সাইফুর রহমানও (৫৫) আহত হয়েছেন।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) শান্তিগঞ্জ উপজেলার বীরগাঁও পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদে এই ঘটনা ঘটে। আহত নাহিদ ও তার বাবা সাইফুর রহমান বীরগাঁও পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

নাহিদের ভাই আবু বক্কর সিদ্দিক হিরু অভিযোগ করেছেন, মসজিদে নামাজরত অবস্থায় নাহিদ ও তার বাবার ওপর হামলা চালানো হয়। তিনি দাবি করেন, হামলার সময় জুবায়ের মেম্বার দাঁড়িয়ে থেকে হামলা করান। হামলায় রেজাউল, আফজল, জুনেল, সেবির, সুবাদসহ আরও ৭-৮ জন উপস্থিত ছিলেন বলেও তিনি জানান।

তবে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নাহিদ ও স্থানীয় ইউপি সদস্য জুবায়েরের মধ্যে পূর্ব থেকেই বিরোধ ছিল।

বীরগাঁও গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা হোসাইন জানান, পূর্ববিরোধের জেরেই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি শুনেছেন। তার মতে, প্রথমে নাহিদের ওপর হামলা হয়। পরে ছেলেকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তার বাবা সাইফুর রহমানও আহত হন।

পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান রুজেল আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জুবায়ের ও নাহিদের মধ্যে পূর্ব থেকেই বিরোধ ছিল। ওই বিরোধের কারণে নাহিদ প্রায় দেড় থেকে দুই মাস কারাভোগ করে সম্প্রতি মুক্ত হয়েছেন।

রুজেল আহমেদ জানান, আজ নাহিদ জুমার নামাজ পড়তে বীরগাঁও পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদে যান। সেখানে সেজদারত অবস্থায় তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়। এ সময় তার বাবা সাইফুর রহমানও আহত হন।

অভিযুক্ত পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য জুবায়ের আহমেদ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, আমি ওই সময় ঘটনাস্থলে ছিলাম না। ইঞ্জিনিয়ারকে সঙ্গে নিয়ে একটি ব্রিজ পরিদর্শনে ছিলাম। বেশ কিছুদিন আগে এই নাহিদ একজনকে গুরুতর আঘাত করেছে। এরপরেও সে বুক ফুলিয়ে রাস্তায় চলাফেরা করে এসব সহ্য হয়নি বলে এই হামলা হয়েছে বলে খবর পেয়েছি।

শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিল্লোল চাকমা জানান, পূর্বের বিরোধের কারণে ঘটনাটি ঘটেছে। যারা আহত হয়েছেন তাদের এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে এখনও কোনও অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইতালির স্কুলে বোরকা নিষিদ্ধ, বিদেশি শিক্ষার্থীদের সংখ্যা সীমিত করার বিল পাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৪ পি.এম


ইতালির স্কুলে বোরকা নিষিদ্ধ, বিদেশি শিক্ষার্থীদের সংখ্যা সীমিত করার বিল পাস

ইতালির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বোরকা ও নিকাব পরিধান নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি বিদেশি শিক্ষার্থীদের শ্রেণীকক্ষে সংখ্যা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে রাখার একটি বিতর্কিত বিল অনুমোদন করেছে দেশটির মন্ত্রিসভা। নিয়ম লঙ্ঘনের জন্য সর্বোচ্চ ১ হাজার ১৪০ ডলার (প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা) জরিমানার প্রস্তাব করা হয়েছে। খবর আল জাজিরার।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির মন্ত্রিসভা জরুরি অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে এই প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়। এর আগে গত রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) নিজের রাজনৈতিক দল ‘ব্রাদার্স অব ইতালি’র যুব সমাবেশে এই সিদ্ধান্তের প্রাথমিক রূপরেখা প্রকাশ করেছিলেন তিনি।

নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী, আগামী বছর থেকে স্কুলে মুখ ঢাকা বোরকা ও নিকাব পরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। পাশাপাশি ইতালীয় ভাষায় পারদর্শী নয়, এমন শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশে সীমিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জরুরি অধ্যাদেশ হওয়ায় এটি অবিলম্বে কার্যকর হওয়ার সুযোগ রয়েছে; তবে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য ৬০ দিনের মধ্যে পার্লামেন্টে পাস করাতে হবে। ইতালির প্রেসিডেন্ট সের্জিও মাত্তারেলা ইঙ্গিত দিয়েছেন, নতুন কোনো নিয়ম যাতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার অধিকারে বাধা না হয়ে দাঁড়ায়, সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে।

মেলোনি সরকারের এই পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। বিরোধী নেতাদের অভিযোগ, আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে চরম ডানপন্থী জনপ্রিয়তাকে সামাল দিতে সরকার শিক্ষার্থীদের মূল সমস্যা এড়িয়ে ‘সাংস্কৃতিক সংঘাত’ উসকে দিচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারী-পুরুষের শার্টের বোতামের বিপরীত দিকের কারণ কি?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৪ পি.এম


নারী-পুরুষের শার্টের বোতামের বিপরীত দিকের কারণ কি?

পুরুষদের শার্টের বোতাম ডান দিকে এবং নারীদের বাম দিকে কেন থাকে, এ প্রশ্নটি কি কখনো আপনার মনে এসেছে? এ সম্পর্কে সঠিক তথ্য কেউই নিশ্চিতভাবে জানেন না।

তবে ইতিহাসবিদদের মধ্যে একটি ধারণা প্রচলিত রয়েছে যে, পুরুষদের শার্টের বোতাম ডান দিকে থাকার পেছনে অস্ত্র রাখার ব্যবস্থার প্রভাব রয়েছে। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাশন ইতিহাসবিদ ড. ক্লো চ্যাপিন টাইমের সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেন যে, পুরুষদের পোশাকের বোতাম ডান দিকে থাকার এই রীতি সামরিক বাহিনীর প্রভাবিত।

যদি শার্টে বন্দুক লুকানো থাকে, তবে হাত দ্রুত পৌঁছানো সহজ হয়। ডান দিকে বোতাম থাকলে ডান হাতটি শার্ট বা জ্যাকেটের মধ্যে সহজে প্রবেশ করতে পারে। আবার কিছু পণ্ডিতের মতে, তরবারি রাখার সঙ্গেও এর সম্পর্ক থাকতে পারে। এ বিষয়ে জেন্টলম্যান’স ওয়ারড্রোবের পল কিয়ার্স গার্ডিয়ানকে জানান, অধিকাংশ মানুষই তলোয়ার বাম দিকে পরিধান করেন, যাতে এটি ডান হাতে সহজে ধরা যায়।

বেশিরভাগ ইতিহাসবিদ ও গবেষকরা একমত যে, পুরুষদের শার্টের বোতাম ডান দিকে থাকার কারণ অস্ত্রের ব্যবস্থাপনা। অর্থাৎ, যখন শার্টের বোতাম ডান পাশে থাকে, তখন অস্ত্র বাম পাশে রাখলে ডান হাত দিয়ে তা সহজে বের করা সম্ভব।

তাহলে নারীদের পোশাকের বোতাম বাম দিকে কেন? শার্ট ব্র্যান্ড এলিজাবেথ ও ক্লার্কের প্রতিষ্ঠাতা মেলানি মুরের মতে, ১৩ শতকে বোতাম আবিষ্কৃত হওয়ার সময় ধনী নারীদের পোশাক ভারি ছিল। সেই সময়ে ধনী নারীরা দাসীর সাহায্য ছাড়া পোশাক পরিধান করতে পারতেন না।

এক্ষেত্রে পোশাকের বোতাম লাগানোর কাজও দাসীরাই করতেন। তাই বাম পাশে বোতাম লাগানো হত, যাতে দাসীরা সহজে লাগাতে পারেন। এটি সম্ভবত তখন থেকেই প্রচলিত ধারণা হয়ে উঠেছে।

আরেকটি তত্ত্ব হলো, বেশিরভাগ নারী বাম হাতে শিশুদের ধরেন। এতে বুকের দুধ খাওয়ানো সহজ হয়, এজন্য শার্টের বোতাম বাম দিকে রাখা হয়। যাতে জরুরি মুহূর্তে তারা সহজে বোতাম খুলতে পারেন।

তবে অতীতের এই ধারণাকে এখন আর গুরুত্ব দেয় না বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফ্যাশন সংস্থা। বর্তমানে নারীদের শার্টের বোতামও ডান দিকে রাখা হয়।

সূত্র: ইনসাইডার/টাইম/গার্ডিয়ান

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%