বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৩৪ পি.এম
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনকে কেন্দ্র করে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে বাংলাদেশের জিয়া পরিবার। এই পরিবারের রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাতিসংঘে ভাষণ দিয়েছেন রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে, এবং তার স্ত্রী খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হিসেবে একই মঞ্চে বক্তব্য রেখেছেন। এবার তাদের ছেলে তারেক রহমান জাতিসংঘের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন।
তারেক রহমান ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে বক্তব্য দেবেন। এটি জাতিসংঘে তার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম ভাষণ হবে।
বিশ্বমঞ্চে একই পরিবারের একাধিক প্রজন্মের রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধান হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ার ঘটনা বিরল হলেও এটি একেবারে নজিরবিহীন নয়। এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও আমেরিকার বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক পরিবারে এমন উদাহরণ বিদ্যমান।
জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালের ২৬ আগস্ট জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একাদশ বিশেষ অধিবেশনে ভাষণ দেন। জাতিসংঘের সরকারি নথিতে ওই ভাষণের রেকর্ডও রয়েছে, যেখানে তাকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একাধিকবার ভাষণ দিয়েছেন। ১৯৯৫ ও ২০০৫ সালের অধিবেশনের সরকারি নথিতে তার বক্তব্যের রেকর্ড সংরক্ষিত রয়েছে।
স্বাধীন বাংলাদেশের পক্ষে জাতিসংঘে প্রথম ভাষণ দেন শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭৪ সালে তিনি বাংলাদেশের পক্ষে সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দেন। পরবর্তীতে তার মেয়ে শেখ হাসিনাও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে একাধিকবার জাতিসংঘের একই মঞ্চে ভাষণ দিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের বুশ পরিবারেও বাবা ও ছেলে প্রেসিডেন্ট হিসেবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দিয়েছেন। জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ৪১তম প্রেসিডেন্ট, যিনি ১৯৮৯ থেকে ১৯৯২ সালের মধ্যে একাধিকবার জাতিসংঘে বক্তব্য দেন। তার ছেলে জর্জ ডব্লিউ বুশ ছিলেন ৪৩তম প্রেসিডেন্ট এবং ২০০১ থেকে ২০০৮ সালের মধ্যে প্রতি বছর সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন।
শ্রীলঙ্কার বন্দরনায়েকে পরিবারেও রয়েছে একই ধরনের নজির। দেশটির প্রধানমন্ত্রী এস ডব্লিউ আর ডি বন্দরনায়েকে ১৯৫৬ সালে জাতিসংঘে ভাষণ দেন। তার স্ত্রী সিরিমাভো বন্দরনায়েকে বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১৯৬০ ও ১৯৭০-এর দশকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে একাধিকবার বক্তব্য রাখেন। পরে তাদের মেয়ে চন্দ্রিকা বন্দরনায়েকে কুমারাতুঙ্গা শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি হিসেবে ১৯৯০ ও ২০০০-এর দশকে জাতিসংঘের মঞ্চে ভাষণ দেন।
পাকিস্তানের ভুট্টো পরিবারেও বাবা ও মেয়ের এমন নজির বিদ্যমান। জুলফিকার আলী ভুট্টো পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি—দুই পরিচয়েই ১৯৬০ ও ১৯৭০-এর দশকে জাতিসংঘে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। তার মেয়ে বেনজীর ভুট্টো পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১৯৮৯ ও ১৯৯৬ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দেন।
ইন্দোনেশিয়ার সুকর্ন পরিবারেও একই ধরনের উদাহরণ রয়েছে। দেশটির প্রথম প্রেসিডেন্ট আহমদ সুকর্ণ ১৯৬০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ১৫তম অধিবেশনে ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। ২০২৩ সালে ইউনেস্কো তার ওই ভাষণকে বিশ্বস্মৃতি কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করে। পরে তার মেয়ে মেঘবতী সুকর্নপুত্রি ইন্দোনেশিয়ার পঞ্চম রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে ২০০১ থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেন।
ইন্দোনেশিয়ার জোযোহাদিকুসুমো পরিবারেও রয়েছে এমন নজির। অধ্যাপক সুমিত্রো জোযোহাদিকুসুমো দেশটির স্বাধীনতার শুরুর দিকে জাতিসংঘে ইন্দোনেশিয়ার কূটনৈতিক প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন এবং গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। পরে তার ছেলে প্রাবোও সুবিয়ান্তো ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি হিসেবে ২০২৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৮০তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রথমবার ভাষণ দেবেন।
থাইল্যান্ডের শিনাওয়াত্রা পরিবারেও ভাই-বোনের জাতিসংঘের মঞ্চে উপস্থিতির নজির রয়েছে। থাকসিন শিনাওয়াত্রা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বৈঠকে থাইল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেন। তার বোন ইংলাক শিনাওয়াত্রাও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দেন।
মালয়েশিয়ার রাজাক পরিবারেও বাবা ও ছেলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতিসংঘে বক্তব্য দিয়েছেন। তুন আবদুল রাজাক ছিলেন দেশটির দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী। তার ছেলে নাজিব রাজাক ছিলেন ষষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী। মালয়েশিয়ার সরকারি নথিতে নাজিবের ২০১০, ২০১৩ ও ২০১৪ সালের সাধারণ পরিষদের ভাষণের রেকর্ড রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যেও এমন রাজনৈতিক পরিবারের নজির রয়েছে। জর্ডানের হাশেমি রাজপরিবারের বাদশাহ হুসেইন বিন তালাল এবং তার ছেলে বর্তমান বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহ—দুজনই জাতিসংঘের মঞ্চে জর্ডানের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
কাতারের আল থানি পরিবারেও বাবা ও ছেলে আমির হিসেবে জাতিসংঘে বক্তব্য দিয়েছেন। সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানি এবং বর্তমান আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি—দুজনই বিশ্বমঞ্চে কাতারের অবস্থান তুলে ধরেছেন।
সিরিয়ার আসাদ পরিবারেও বাবা ও ছেলের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের নজির রয়েছে। হাফেজ আল-আসাদ ও তার ছেলে বাশার আল-আসাদ—দুজনই রাষ্ট্রপতি হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সিরিয়ার প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
ভারতের নেহরু-গান্ধী পরিবারেও তিন প্রজন্মের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার জাতিসংঘের মঞ্চে দেখা গেছে। ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু ১৯৪৮ ও ১৯৬০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেন। তার মেয়ে ইন্দিরা গান্ধী ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১৯৬৮ ও ১৯৮৫ সালে বক্তব্য রাখেন। পরে ইন্দিরার ছেলে রাজীব গান্ধী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১৯৮৫ ও ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন।
আফ্রিকাতেও এমন কয়েকটি রাজনৈতিক পরিবারের উদাহরণ রয়েছে। গ্যাবনের বংগো পরিবার, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের কাবিলা পরিবার এবং টোগোর নাসিংবে পরিবারে বাবা ও ছেলে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
সব মিলিয়ে, জাতিসংঘের মঞ্চে একই পরিবারের একাধিক প্রজন্মের উপস্থিতি বিশ্ব রাজনীতিতে পারিবারিক রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের একটি উল্লেখযোগ্য দিক। দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে এমন পরিবারের উদাহরণও বিদ্যমান। এবার জিয়া পরিবারের তৃতীয় প্রজন্ম হিসেবে তারেক রহমানের জাতিসংঘের মঞ্চে ভাষণ দেওয়ার বিষয়টি সেই তালিকায় নতুন একটি অধ্যায় যোগ করছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সিঙ্গাপুরে গণপরিবহনে উচ্চশব্দে গান বা অডিও বাজানো, সিটে পা তুলে বসা এবং অন্যান্য অশালীন আচরণের জন্য যাত্রীদের সর্বোচ্চ ৫০০ সিঙ্গাপুর ডলার জরিমানা হতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এটি প্রায় ৪৩ হাজার টাকার সমান। বাসে খাবার ও পানীয় গ্রহণ এবং ময়লা ফেলা সংক্রান্ত বিষয়েও জরিমানা প্রযোজ্য হবে।
সোমবার একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সিঙ্গাপুরের ভূমি পরিবহন কর্তৃপক্ষ (এলটিএ) নতুন এই বিধিমালার ঘোষণা করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাস টার্মিনালে অন্য যাত্রীদের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করা অথবা বাস ও টার্মিনাল নোংরা করার মতো গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৫ হাজার সিঙ্গাপুর ডলার জরিমানা করা হতে পারে।
এলটিএ জানিয়েছে, নতুন নিয়মের উদ্দেশ্য হলো গণপরিবহনে নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা, বিবেচনা এবং আনন্দদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করা।
আগে বাস চালকরা নিয়ম ভঙ্গকারী যাত্রীদের বাস থেকে নেমে যেতে বলার ক্ষমতা রাখতেন। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী, টিকিট পরিদর্শক এবং অনুমোদিত বাসকর্মীরা সরাসরি জরিমানা ও নোটিশ জারি করতে পারবেন।
বাস চালকদের জরিমানা করার ক্ষমতা দেওয়া হয়নি, কারণ তাদের নিরাপত্তার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। যদি কোনো যাত্রী অসদাচরণ করে, তাহলে চালক তাকে বাস থেকে নেমে যেতে বলার অধিকার রাখেন। প্রয়োজনে পুলিশের সহায়তাও নেওয়া যাবে।
যাত্রীবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে এলটিএ বলেছে, গণপরিবহন একটি যৌথ সামাজিক স্থান। তাই পরিচ্ছন্ন, মার্জিত এবং স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ যাতায়াত পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রত্যেক যাত্রীর দায়িত্ব রয়েছে।
সূত্র: বিবিসি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জমির তথ্য জানার জন্য আগে ভূমি অফিস বা রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতো। তবে ডিজিটাল ভূমি সেবা চালুর ফলে এখন স্মার্টফোনের মাধ্যমে ঘরে বসেই জমির খতিয়ান ও দাগসংক্রান্ত প্রাথমিক তথ্য জানা সম্ভব হয়েছে। প্রয়োজন হলে অনলাইনে খতিয়ানের কপির জন্য আবেদন করা যাবে।
যেভাবে জমির তথ্য খুঁজবেন
প্রথমে স্মার্টফোনের Chrome ব্রাউজারে ‘e-Porcha’ লিখে সার্চ করতে হবে। এরপর সরকারি ই-পর্চা ওয়েবসাইটে গিয়ে মেনু থেকে ‘খতিয়ান’ অপশন নির্বাচন করতে হবে।
পরবর্তী ধাপে জমির বিভাগ, জেলা, খতিয়ানের ধরন, উপজেলা ও মৌজা নির্বাচন করতে হবে। সংশ্লিষ্ট রেকর্ড অনুযায়ী খতিয়ানের ধরন হিসেবে বিএস, সিএস, আরএস বা এসএ নির্বাচন করা যাবে।
এরপর খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর অথবা মালিকের নাম ব্যবহার করে জমির তথ্য খোঁজা যাবে। প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়ার পর ক্যাপচা পূরণ করে ‘অনুসন্ধান করুন’ অপশনে ক্লিক করতে হবে।
সার্চ সম্পন্ন হলে সংশ্লিষ্ট রেকর্ডে জমির মালিকের নাম, দাগ ও খতিয়ানসংক্রান্ত তথ্য এবং জমির পরিমাণ সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যাবে।
খতিয়ানের কপি চাইলে
অনলাইনে তথ্য দেখার পর প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট তথ্যের পাশে থাকা ‘আবেদন করুন’ অপশন থেকে খতিয়ানের কপির জন্য আবেদন করা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, জন্মতারিখ, ই-মেইল, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হতে পারে।
আবেদন ফরম পূরণের পর তথ্য যাচাই করে পরবর্তী ধাপে যেতে হবে। নির্ধারিত ফি থাকলে সেবায় প্রদর্শিত অনুমোদিত পেমেন্ট মাধ্যম ব্যবহার করে অনলাইনে তা পরিশোধ করা যাবে।
শুধু নাম দিয়ে দেশের সব জমি পাওয়া যাবে না।
তবে অনলাইনে জমির তথ্য খোঁজার ক্ষেত্রে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি যে, শুধুমাত্র একজনের নাম লিখে দেশের বিভিন্ন এলাকায় তার নামে থাকা সব জমির পূর্ণাঙ্গ তালিকা পাওয়া যাবে, এমনটি ধরে নেওয়া ঠিক নয়।
জমির রেকর্ড নির্দিষ্ট বিভাগ, জেলা, উপজেলা, মৌজা, খতিয়ান ও দাগের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই বাবা, দাদা বা পরিবারের অন্য কারও নামে থাকা জমি খুঁজতে সংশ্লিষ্ট এলাকার কিছু তথ্য জানা থাকলে অনুসন্ধান সহজ হয়।
অনলাইনে পাওয়া তথ্য মূলত প্রাথমিক যাচাইয়ের কাজে ব্যবহার করা উচিত। জমি কেনাবেচা, উত্তরাধিকার বা মালিকানা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে খতিয়ান, দলিল, নামজারি এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করা প্রয়োজন।
বিশেষ করে পুরোনো জমির ক্ষেত্রে বিভিন্ন সময়ের খতিয়ানে তথ্যের পরিবর্তন থাকতে পারে। তাই কোনো জমির বর্তমান মালিকানা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব বৈধ নথি মিলিয়ে দেখা জরুরি।
ফলে জমির খতিয়ান বা দাগের প্রাথমিক তথ্য জানতে এখন স্মার্টফোন থেকেই অনুসন্ধানের সুযোগ রয়েছে। এতে ভূমি-সংক্রান্ত সাধারণ তথ্য যাচাইয়ে সময় ও যাতায়াতের প্রয়োজন কিছুটা কমে আসবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশজুড়ে আবারও বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) থেকে রোববার পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে। কিছু এলাকায় মাঝারি থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। বৃষ্টির সময় দমকা হাওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের বেশিরভাগ জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। একই সময়ে ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
শুক্রবার রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায়ও বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।
শনিবার দেশের আট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এদিন সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে।
রোববার দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়ার পাশাপাশি রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক দিনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির সঙ্গে কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। সেই সঙ্গে বৃষ্টির সময় দমকা হাওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
হ্যারি কেইন ব্যালন ডি’অর সম্পর্কে লামিনে ইয়ামালের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তবে বায়ার্ন মিউনিখের ইংলিশ স্ট্রাইকার বার্সেলোনার তরুণ খেলোয়াড়ের মন্তব্যের বিরুদ্ধে কোনো আক্রমণ করেননি। তিনি বরং নিজের পারফরম্যান্সের মাধ্যমে জবাব দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
গত মৌসুমে কেইন ছিলেন অসাধারণ ফর্মে। তিনি সব প্রতিযোগিতায় ৭৩ গোল করেছেন, যা ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হিসেবে তার পারফরম্যান্সকে উজ্জ্বল করে। এই পারফরম্যান্সের পর এবারের ব্যালন ডি’অরের আলোচনায় তার নামও রয়েছে।
সম্প্রতি ইয়ামাল ব্যালন ডি’অর নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন, বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়ের হাতে এই পুরস্কার উঠা উচিত, শুধুমাত্র ৮০ গোল করার কারণে নয়। তার মতে, সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়া এবং বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় হওয়া এক বিষয় নয়।
ইয়ামালের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে প্রশ্ন করা হলে কেইন বলেন, "আমি নিজের সম্পর্কে খুব বেশি কথা বলতে চাই না। মাঠেই নিজের খেলার মাধ্যমে কথা বলি। সবাই আলাদা। লামিনে ইয়ামাল দারুণ একটি মৌসুম কাটিয়েছে, মাইকেল ওলিসেও তাই। ব্যালন ডি’অর আমার নিয়ন্ত্রণে নেই।"
কেইন ইয়ামালের উদ্দেশ্য সম্পর্কে নিশ্চিত নন। তবে তিনি বার্সেলোনার তরুণ ফরোয়ার্ডের প্রশংসা করেছেন। কেইনের ভাষায়, "সে অসাধারণ খেলোয়াড়। অনেকেই দারুণ মৌসুম কাটিয়েছে। এমবাপে, মাইকেল ওলিসে, রদ্রিও আছে এবার অনেকেই পুরস্কারটির দাবিদার।"
কেইন আরও জানিয়েছেন, ব্যালন ডি’অর জিতলে সেটি তার জন্য গর্বের বিষয় হবে। তবে তিনি পুরস্কার নিয়ে অন্যদের কতটা কথা বলছেন, সেটিকে গুরুত্ব দিতে চান না। ইংলিশ তারকা মনে করেন, ভোটাররা খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স, পরিসংখ্যান ও অর্জন বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেবেন।
কেইন বলেন, "অন্যরা যখন আমার সম্পর্কে ভালো কথা বলে, তখন বেশি গর্ব অনুভব করি। সতীর্থ, সাবেক খেলোয়াড় কিংবা অন্য কেউ আমার অর্জনের প্রশংসা করলে তা আমার কাছে বেশি অর্থবহ। নিজের সম্পর্কে নিজে বেশি কথা বলার চেয়ে সেটাই ভালো লাগে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ