বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:৫৯ পি.এম
খুলনা মহানগরীর ৮টি ওয়ার্ডের ৪৪৫টি পরিবারের মধ্যে মা ও শিশু পুষ্টি খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) আলাদা অনুষ্ঠানে খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোর হাতে এ খাদ্য তুলে দেন।
এই পুষ্টি খাদ্য বিতরণ করা হয় ‘লাইভলিহুড সাপোর্ট ফর আরবান পুওর কমিউনিটিস ইন বাংলাদেশ (এলএসইউপিসিবি)’ প্রকল্পের আওতায়, যা দাতা সংস্থা ইউএনডিপি’র অর্থায়নে এবং খুলনা সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে।
বিকেলে নগরীর ৫নং ওয়ার্ড অফিসে মা ও শিশু পুষ্টি খাদ্য বিতরণ অনুষ্ঠানে কেসিসি প্রশাসক শিশুদের পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানোর পাশাপাশি, শিশুদের হাত ধোয়া এবং নিজেদের চারপাশ পরিষ্কার রাখার বিষয়ে বিশেষ করে মায়েদের সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে ডেঙ্গু সংক্রমণ বিস্তার লাভ করছে। মায়েদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শিশুদের মশাবাহিত রোগের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে নিজ নিজ বাড়ির পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে নগরীর দৌলতপুর থানার ১ থেকে ৬নং ওয়ার্ডের ৩শটি পরিবারের প্রত্যেককে পুষ্টিকর খাদ্য হিসেবে ৩০টি ডিমসহ ডাল ও ভোজ্যতেল বিতরণ করা হয়।
পরে খালিশপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত একই প্রকল্পের অপর অনুষ্ঠানে ১৩ ও ১৫ নং ওয়ার্ডের ১৪৫টি পরিবারের মাঝে পুষ্টিকর খাদ্য বিতরণ করা হয়। এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
পৃথক পৃথকভাবে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেসিসি’র ৫নং ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গাজী সালাউদ্দিন এবং ১৫নং ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী মো. ইমরুল হাসান টিটো।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক এম মুর্শিদ কামাল, শেখ ইমাম হোসেন, আব্দুল জলিল হাওলাদার, অ্যাডভোকেট ফজলে হালিমা লিটন, হাবিবুর রহমান বিশ্বাস ও কাজী একরাম মিন্টু।
অন্যান্যের মধ্যে কমিউনিটি ভলেন্টিয়ার রাজিয়া সুলতানা, কেয়া সুলতানা, রেশমা খাতুন, ফারহানা আক্তার, আফরোজা খাতুন, শুকরিয়া সুলতানা, স্বপ্না আক্তারসহ সিডিসি নেত্রীবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন প্রকল্পের সিনিয়র কমিউনিটি ভলেন্টিয়ার শিউলি মোর্শেদা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ তদন্ত থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আইনজীবী কার্ট ওলসেন। তবে তিনি বিচার বিভাগ থেকে পদত্যাগ করছেন না। বরং তিনি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী হিসেবে চাকরিতে বহাল থাকবেন বলে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিভাগটির এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন।
ওলসেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও জো বাইডেনের আমলের কর্মকর্তাদের নিয়ে চলমান তথাকথিত ‘বৃহৎ ষড়যন্ত্র’ তদন্তে যুক্ত ছিলেন। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ফ্লোরিডার দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলার মার্কিন অ্যাটর্নিকে পাঠানো একটি ই-মেইলে তিনি ওই তদন্ত থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
এর আগে, তার ই-মেইলকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে বিচার বিভাগের মিয়ামি ও ওয়াশিংটনের কর্মকর্তারা মনে করেছিলেন, ওলসেন পুরো বিচার বিভাগ থেকেই পদত্যাগ করছেন। পরে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তার পদত্যাগের খবর প্রকাশিত হলে, তিনি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানান, তিনি আইনজীবী হিসেবে বিচার বিভাগে কাজ চালিয়ে যেতে চান।
ওলসেনের ভূমিকা নিয়ে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করা হলে, অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঙ্ক বলেন, ওলসেন পদত্যাগ করেননি এবং তিনি আগের জায়গাতেই কাজ করছেন। তবে পরে বিচার বিভাগের এক কর্মকর্তা বিষয়টি পরিষ্কার করে জানান, ওলসেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী হিসেবে চাকরিতে থাকলেও ‘বৃহৎ ষড়যন্ত্র’ তদন্তে আর দায়িত্ব পালন করবেন না।
নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে, এরপর তিনি কী দায়িত্ব পালন করবেন। কারণ তদন্ত থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তার নিরাপত্তা অনুমতিপত্র নিয়ে সমস্যা দেখা দিয়েছিল বলে বিষয়টি সম্পর্কে জানেন এমন দুই ব্যক্তি জানিয়েছেন। ওই অনুমতিপত্র না থাকায় গোপন নথি ও তথ্য পর্যালোচনার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে তার পক্ষে যুক্ত থাকা কঠিন হয়ে পড়ে।
এই তদন্তে ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপ নিয়ে গোয়েন্দা মূল্যায়ন এবং সাবেক বিশেষ কৌঁসুলি জ্যাক স্মিথের মাধ্যমে ট্রাম্পের গোপন নথি সংরক্ষণসংক্রান্ত তদন্তের মতো বিষয়ও রয়েছে।
ওলসেন উত্তর ক্যারোলিনার মধ্যাঞ্চলীয় জেলার মার্কিন অ্যাটর্নির কার্যালয়ে বদলি হয়ে নির্বাচনসংক্রান্ত বিষয়ে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলেও দুই সূত্র জানিয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি সেখানে যাবেন কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
এদিকে, চলতি বছর ‘বৃহৎ ষড়যন্ত্র’ তদন্ত এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত সাবেক কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান জন ব্রেনানের বিরুদ্ধে চলা তদন্ত থেকে সরে দাঁড়ানো তৃতীয় কৌঁসুলি হলেন ওলসেন। এর আগে এপ্রিল মাসে মারিয়া মেডেটিস লংকে তদন্ত থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তিনি তদন্তে থাকা প্রমাণের শক্তি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছিলেন। পরে তার জায়গায় দায়িত্ব নেন জো ডি জেনোভা। তিনিও সেপ্টেম্বর মাসে তদন্ত পরিচালনার পদ্ধতি নিয়ে বিচার বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিরোধের মধ্যে পদত্যাগ করেন।
ওলসেন চলতি বছরের বসন্তে ফ্লোরিডার দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলার মার্কিন অ্যাটর্নির কার্যালয়ে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী হিসেবে যোগ দেন। এর আগে তিনি হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্টের নিয়োগে নির্বাচন নিরাপত্তা ও অখণ্ডতাবিষয়ক পরিচালক হিসেবে কাজ করেছিলেন বলে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা জানিয়েছে।
২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফল বদলে দেওয়ার প্রচেষ্টাতেও ওলসেন যুক্ত ছিলেন। সে সময় তিনি টেক্সাসের অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটনের সঙ্গে কাজ করে সুপ্রিম কোর্টের মাধ্যমে নির্বাচনের ফল বাতিলের আহ্বান জানিয়েছিলেন। চলতি বছর জর্জিয়ার ফুলটন কাউন্টির নির্বাচনসংক্রান্ত মামলাটি নিয়ে তিনি কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থায় সুপারিশ করেছিলেন। পরে তদন্তকারীরা ২০২০ সালের নির্বাচনের ব্যালট ও অন্যান্য সামগ্রীসহ বেশ কয়েকটি বাক্স জব্দ করে।
এছাড়া ২০২০ সালের নির্বাচন নিয়ে অ্যারিজোনাসহ আরও কয়েকটি বিষয়ে তিনি বিচার বিভাগে সুপারিশ করেছিলেন বলেও সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে।
সূত্র: সিবিএস নিউজ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তান দাবি করেছে যে, আফগানিস্তানে সন্ত্রাসীদের অবস্থানে বিমান হামলা চালিয়ে অন্তত ২২ জন জঙ্গিকে হত্যা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অপারেশন গজব লিল-হক-এর আওতায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আফগানিস্তানের দুটি স্থানে সন্ত্রাসী ক্যাম্প ও আস্তানায় হামলা চালানো হয়। হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল ফিতনা আল-খাওয়ারিজ, ফিতনা আল-হিন্দুস্তান এবং তাদের সহযোগীরা।
পাকিস্তান সরকারের দাবি, হামলায় সুনির্দিষ্টভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে এবং প্রাথমিক হিসাবে ২২ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি, আস্তানাগুলোতে মজুত বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদও ধ্বংস করা হয়েছে।
তথ্য মন্ত্রণালয় আরও জানায়, আফগানিস্তান থেকে পাকিস্তানের নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি হচ্ছে। তবে ইসলামাবাদ দাবি করেছে যে, হামলায় বেসামরিক হতাহতের ঘটনা এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়া হয়েছিল।
২০২১ সালে আফগান তালেবান ক্ষমতায় ফিরে আসার পর পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া ও বেলুচিস্তানে আন্তসীমান্ত সন্ত্রাসী হামলার সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছে ইসলামাবাদ। পাকিস্তান কাবুলকে তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে হামলা চালানো বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছে। যদিও আফগান কর্তৃপক্ষ পাকিস্তানের এই অভিযোগগুলো অস্বীকার করে আসছে।
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তান অপারেশন গজব লিল-হক শুরু করে। দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত উত্তেজনার পর ২০২৫ সালের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি হলেও জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর কার্যকলাপ নিয়ে এখনো দুই দেশের মধ্যে বিরোধ বিদ্যমান। সূত্র: জিও নিউজ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে ৬ উইকেটে পাকিস্তানের কাছে পরাজিত হয়ে বাংলাদেশের সোনা জয়ের স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল। বৃষ্টির কারণে ১৩ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১১১ রান সংগ্রহ করে। পাকিস্তান ১১.৩ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে জয়লাভ করে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বৃষ্টির কারণে নির্ধারিত সময়ের প্রায় দেড় ঘণ্টা পর ম্যাচ শুরু হয়। পরে দুই দলের ইনিংস ১৩ ওভারে সীমাবদ্ধ করা হয়।
বাংলাদেশের ব্যাটিং শুরু থেকেই চাপের মধ্যে ছিল। দলীয় ১৭ রানে তানজিদ হাসান ৭ রান করে আরাফাত মিনহাসের বলে শাহিবজাদা ফারহানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। এরপর অধিনায়ক লিটন দাসও ২ রান করে সাইম আইয়ুবের বলে বোল্ড হন।
আরাফাত মিনহাসের বলে ১ রান করে আউট হন পারভেজ হোসেন ইমন। এরপর সাইফ হাসান ১৯ রান করে সুফিয়ান মুকিমের বলে এলবিডব্লিউ হন, ফলে ৫০ রানের আগেই বাংলাদেশ চার উইকেট হারায়।
পঞ্চম উইকেটে তাওহীদ হৃদয় ও মোসাদ্দেক হোসেন কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। তাদের জুটিতে বড় সংগ্রহের আশা দেখা দেয়। তবে ২৫ বলে ৪২ রান করে হৃদয় ফিরে গেলে জুটি ভেঙে যায়। পরে ১১ রান করা মোসাদ্দেককেও ফেরান মুকিম। ফলে ৯৯ রানে ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। শেষ দিকে শেখ মেহেদী ও রিশাদ হোসেনের ব্যাটে ১১১ রান পর্যন্ত পৌঁছায় দল। ইনিংসের শেষ বলে রানআউট হন শেখ মেহেদী।
লক্ষ্য তাড়ায় পাকিস্তানকে শুরুতেই চাপে ফেলে বাংলাদেশ। প্রথম ওভারে মেহেদীর বলে হৃদয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে ১ রান করে ফিরে যান শাহিবজাদা ফারহান। দ্বিতীয় ওভারে নাসুম আহমেদের বলে ১৫ রান করে আউট হন মাজ সাদাকাত।
চতুর্থ ওভারে মুস্তাফিজুর রহমানের বলে ১২ বলে ২১ রান করে সাইম আইয়ুবও ক্যাচ দেন। এরপর সপ্তম ওভারে ১৪ রান করে আউট হন উসমান খান। ফলে পাকিস্তানের চার উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশ ম্যাচে ভালো অবস্থানে ছিল।
তবে দশম ওভারে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। মুস্তাফিজের এক ওভারে পাঁচটি বাউন্ডারিতে ২৩ রান তুলে নেয় পাকিস্তান। দুই ওভারে ৪১ রান দিয়ে চাপের মধ্যে পড়ে যান এই বাঁহাতি পেসার।
শেষ পর্যন্ত আব্দুল সামাদের ১৫ বলে অপরাজিত ৩০ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ৯ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে পাকিস্তান। এ হারের মধ্য দিয়ে এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনাল থেকেই বাংলাদেশের বিদায় হলো।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশে আন্তঃসংযুক্ত ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা সম্প্রসারণের ফলে বাংলা কিউআরভিত্তিক লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
গত ৯০ দিনে বাংলা কিউআর লেনদেনের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৩ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং লেনদেনের অর্থমূল্য প্রায় ৫ গুণ বেড়েছে। আগামী ১ নভেম্বর থেকে পারসন-টু-পারসন (পিটুপি) লেনদেন চালু হবে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসাইন খান এই তথ্য তুলে ধরেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, বর্তমানে ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যানশিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) গ্রাহকরা মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে দেশের প্রায় ৩৯ লাখ মার্চেন্টের কাছে বাংলা কিউআর স্ক্যান করে অর্থ পরিশোধের সুযোগ পাচ্ছেন।
২০২৬ সালের জুনে দৈনিক গড়ে ১ লাখ বাংলা কিউআর পেমেন্ট সম্পন্ন হতো, যার অর্থমূল্য ছিল গড়ে ২৮ কোটি টাকার বেশি। বর্তমানে দৈনিক গড়ে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ বাংলা কিউআর পেমেন্ট হচ্ছে, যার অর্থমূল্য প্রায় ১৪৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে দেশীয় বাংলা কিউআরের মাধ্যমে লেনদেন সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ১ জুলাই থেকে সব ধরনের প্রোপ্রাইটারি কিউআরের স্থলে বাংলা কিউআর প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলা কিউআর লেনদেনের পারফরম্যান্স, প্রচার ও মূল্য নির্ধারণে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
এছাড়া আগামী ১ অক্টোবর থেকে বাংলা কিউআরভিত্তিক পেমেন্ট গ্রহণে মার্চেন্টদের উৎসাহিত করতে সংশ্লিষ্ট মার্চেন্ট হিসাবে অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে প্রদান করা হবে। একই সময় থেকে বাংলা কিউআর পেমেন্টে অধিগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট (এমডিআর) সর্বোচ্চ ১ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে এবং ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠানের ইন্টারচেঞ্জ রিইমবার্সমেন্ট ফি (আইআরএফ) শূন্য করা হয়েছে। এর ফলে বাজার পর্যায়ে বাংলা কিউআর পেমেন্টের খরচ কমবে।
এদিকে, সেপ্টেম্বর মাসে বাংলা কিউআরের মাধ্যমে গড় লেনদেনের পরিমাণ বেড়ে ৪ হাজার ১০১ টাকায় উন্নীত হয়েছে, যা জুনে ছিল ২ হাজার ৮০০ টাকা।
আরিফ হোসাইন খান বলেন, আগামী ১ নভেম্বর থেকে বাংলা কিউআর কোডভিত্তিক পারসন-টু-পারসন (পিটুপি) লেনদেন চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে একজন গ্রাহক অন্য গ্রাহকের বাংলা কিউআর স্ক্যান করে অথবা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অ্যাপে ছবি আপলোড করে অর্থ স্থানান্তর করতে পারবেন।
গ্রাহকের আস্থা বাড়াতে ব্যর্থ বাংলা কিউআর লেনদেনের অর্থ দ্রুততম সময়ে ফেরতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য ২৭ সেপ্টেম্বর পৃথক গাইডলাইন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ