বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
১২:৪০ পি.এম
ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো নতুন একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান (সাবসিডিয়ারি) গঠনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন, যা বিশ্বকাপসহ বিভিন্ন টুর্নামেন্ট আয়োজন ও পরিচালনার জন্য ২০ বিলিয়ন ডলার উদ্বৃত্ত করেছে। এই পরিকল্পনাটি ফুটবলবিশ্বে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। ফিফার সাবেক সভাপতি সেপ ব্ল্যাটারও এই পরিকল্পনাকে তীব্রভাবে সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, বিশ্বকাপ একটি বাণিজ্যিক সম্পদ নয়, বরং এটি এমন কিছু, যা কয়েকজন নির্বাহীর মালিকানায় থাকতে পারে না।
বুধবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে ফিফার অষ্টম সভাপতি ব্ল্যাটার বলেন, 'ফুটবল কোনো ব্যক্তি বা কোনো প্রতিষ্ঠানের নয়। এটি মানুষের।'
তিনি আরও বলেন, 'যদি ফিফাকে মুনাফাকেন্দ্রিক করপোরেট কাঠামোয় রূপান্তর করা হয়, তবে সংস্থাটি তার আত্মা হারাবে।' ১৯৯৮ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত টানা ১৭ বছর ফিফার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন ব্ল্যাটার।
গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ফিফা ঘোষণা করে, বিশ্বকাপ ও অন্যান্য টুর্নামেন্ট পরিচালনার জন্য তারা একটি নতুন সাবসিডিয়ারি গঠন করবে এবং এর সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ শেয়ার বাইরের বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করবে। এই পরিকল্পনাটি ইউরোপীয় ফুটবল মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে উয়েফা অভিযোগ করেছে, ফিফা কার্যত বিশ্ব ফুটবলকে বিক্রির জন্য তুলে দিচ্ছে।
ব্ল্যাটারের মতে, বিশ্বকাপকে কখনোই এমন একটি বিনিয়োগপণ্যে পরিণত করা উচিত নয়, যেখানে প্রাইভেট ইকুইটি প্রতিষ্ঠানগুলো শুধুমাত্র লাভের আশায় বিনিয়োগ করবে।
তিনি বলেন, 'ফিফা বিশ্বকাপ কোনো বাণিজ্যিক সম্পদ নয়, যা কয়েকজন নির্বাহীর মালিকানাধীন। এটি বিশ্ব ফুটবলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ।'
তিনি আরও যোগ করেন, 'ফিফা বিশ্বকাপের মালিক নয়, বরং এর অভিভাবক।'
ব্ল্যাটার জানান, এই পরিকল্পনার কথা শুনে তিনি বিস্মিত হয়েছেন এবং নিজের সভাপতিত্বকালে এমন কিছু করার কথা কখনো ভাবেননি। তার মতে, যেসব বিনিয়োগকারী প্রভাব বিস্তার ও মুনাফার লক্ষ্য নিয়ে আসে, তাদের স্বার্থ সদস্যভিত্তিক ক্রীড়া সংগঠনগুলোর মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
ব্ল্যাটারের ভাষায়, 'আধুনিক ফুটবল এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে টিকে আছে, কারণ এটি মানুষের খেলা।'
তিনি বলেন, 'এই মূলনীতির কখনোই পরিবর্তন হওয়া উচিত নয়।'
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় গভীর রাতে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতদের মারধরে একই পরিবারের পাঁচজন আহত হয়েছে এমন খবর পাওয়া গেছে। এই সময় ডাকাত দল নগদ টাকা এবং স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।
ঘটনাটি বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে সুধারাম মডেল থানার ডিউটি অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সায়মা সুলতানা নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, বুধবার দিবাগত রাত প্রায় সোয়া ৩টার দিকে নোয়াখালী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীপুর গ্রামের তাজু মিয়ার বাড়িতে ডাকাতির এই ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দিবাগত রাতে সোয়া ৩টার দিকে একদল ডাকাত বাড়ির প্রধান গেটের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে সোনাপুরের ব্যবসায়ী মোফাজ্জল হোসেন ফরহাদের ঘরের দরজা কোরাবাড়ি দিয়ে খুলে সেখানে ঢুকে পড়ে। এরপর পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মারধর করে, হাত-মুখ বেঁধে ফেলে। পরে ঘরে থাকা নগদ ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা এবং আড়াই থেকে ৩ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে পালিয়ে যায়।
ঘটনার খবর পাওয়ার পর পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এসআই সায়মা সুলতানা আরও বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে একটি ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে। এখানে পরকীয়ার জেরে ঘুমন্ত অবস্থায় স্বামীর স্পর্শকাতর অঙ্গ কেটে দেওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ভোর ৬টায়, উপজেলার বারইয়ারহাট পৌরসভার উত্তর সোনাপাহাড় এলাকায় ভয়াবহ ঘটনার সম্মুখীন হয়। এর ফলে আহত রাসেলের স্ত্রী, যিনি মনির নামেই পরিচিত, ওই ঘটনার তদন্তে পুলিশ হেফাজতে নেয়। রাসেলের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কাজনক পর্যায়ে রয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, সোনাপাহাড় এলাকায় বাস করা পিকআপ চালক মোহাম্মদ রাসেল এবং তার স্ত্রী মনির মধ্যে পরকীয়া সংক্রান্ত কারণে পারিবারিক কলহ চলছিল। বুধবার রাতে, স্বামী ও স্ত্রী উভয়েই একসঙ্গে ঘুমাতে যান। এক সময়ে, যখন রাসেল গভীর ঘুমে ছিল, তখন তার স্ত্রী মনির কৌশলে তার হাত-পা বেঁধে দেয়। এরপর, দা দিয়ে তার পা ও বিশেষ অঙ্গে এলোপাতাড়ি কোপ দেয়, যার ফলে গুরুতর ধরনের জখম হয়। আহত রাসেলকে প্রথমে স্থানীয় মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরে দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হালিম বলেন, "পরকীয়ার জের ধরে পারিবারিক কলহের কারণে স্ত্রী স্বামীকে বিশেষ অঙ্গ এলোপাতাড়ি কোপ দিয়ে জখম করেছে।" তিনি আরও জানান, খবর পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং অভিযুক্ত মনিকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আর্জেন্টিনার পশ্চিমাঞ্চলীয় সান হুয়ান প্রদেশে একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে, যা অগ্নিনির্বাপণ কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল। এই দুর্ঘটনায় সাতজন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় বুধবার (২৯ জুলাই) এই দুর্ঘটনার বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বেল ৪১২ মডেলের হেলিকপ্টারটি সান হুয়ানের ইসচিগুয়ালাস্তো প্রাকৃতিক উদ্যানে দাবানল নিয়ন্ত্রণের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল। নিহতদের মধ্যে দমকলকর্মী, পুলিশ সদস্য এবং সিভিল প্রোটেকশন বিভাগের কর্মীরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। সান হুয়ানের গভর্নর মার্সেলো অরেগো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, ‘গভীর শোকের সঙ্গে আমরা আমাদের প্রদেশে ঘটে যাওয়া হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার খবর পেয়েছি, যেখানে দুর্ভাগ্যবশত সাতজন প্রাণ হারিয়েছেন।’ জরুরি সেবা বিভাগের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, বুধবার সকালে হেলিকপ্টারটির সঙ্গে নিয়ন্ত্রণকক্ষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। হেলিকপ্টারটি পার্শ্ববর্তী লা রিওহা প্রদেশে দাবানলের আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে যাচ্ছিল। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তথ্যসূত্র: এএফপি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নাটোরের লালপুর উপজেলার সাপে কামড়ে অবরুদ্ধ গৃহবধূ লাতা খাতুন (৪০) মৃত্যু বরণ করেছেন। বুধবার (২৯ জুলাই) সন্ধ্যার সময় এই ঘটনা ঘটেছে লালপুর ইউনিয়নের জোতদৈবকী-বুধপাড়া গ্রামে।
স্থানীয় সূত্র এবং পুলিশ জানায়, জোতদৈবকী-বুধপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য মো. সাইদুর রহমানের স্ত্রী লতা খাতুন বিকেলে আনুমানিক ৫টার সময় নিজ বাড়ির খড়ের ঘরে কাজ করার সময় অজ্ঞাতনামা একটি সাপ তার ডান পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলে কামড়ায়। এ ঘটনার সময় তার স্বামী বাড়িতে ছিলেন না, তাই তিনি নিজেই কাপড় দিয়ে পা বেঁধে প্রাথমিকভাবে ক্ষতস্থানে চাপ প্রয়োগ করেন।
পরবর্তীতে, পরিবারের সদস্যরা তার দ্রুত চিকিৎসা করতে গিয়ে স্থানীয় একটি ডেবরপাড়া এলাকার এক ওঝার কাছে নিয়ে যান। সেখানে ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে চিকিৎসার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় পর তার অবস্থার অবনতি ঘটে। পরবর্তীতে সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ১৫ মিনিটে তাকে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।
হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে লতা খাতুনকে মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে মরদেহটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সংরক্ষিত রয়েছে।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ঘটনাটি নিয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং তদন্ত অব্যাহত আছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ