ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৫০০ ড্রোন ও ৭০ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইউক্রেনে টানা ১১ ঘণ্টা রুশ হামলা


৫০০ ড্রোন ও ৭০ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইউক্রেনে টানা ১১ ঘণ্টা রুশ হামলা

রাতভর রাশিয়ার ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় কেঁপে উঠলো ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ।

টানা ১১ ঘণ্টার হামলায় নিহত হয়েছেন ২১ জন। আহত অন্তত ৯০ জন। চলমান যুদ্ধে রাজধানীতে এটিই সবচেয়ে বড় হামলা বলে দাবি ইউক্রেনের। আর মস্কো বলছে, রুশ তেল স্থাপনায় ইউক্রেনের হামলার জবাবেই চালানো হয়েছে এই আক্রমণ।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাতভর কিয়েভসহ ইউক্রেনের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ৫০০টি ড্রোন এবং ৭০টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে রাশিয়া।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

টানা ১১ ঘণ্টার হামলা বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। আহত হন বহু মানুষ। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অনেক ভবন। আবাসিক ভবন ধসে পড়ায় ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের উদ্ধারে দিনভর অভিযান চালিয়েছে জরুরি সেবা বিভাগ।

বিমান হামলার সতর্কতায় রাতভর মেট্রো স্টেশনগুলোতে আশ্রয় নেন হাজারো মানুষ। চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে রাজধানীতে এটিই সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা বলে জানিয়েছেন শহরের মেয়র।

ক্রেমলিনের দাবি, এসব হামলা শুধু সামরিক বা সামরিক সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতেই চালানো হয়েছে। মস্কোর দাবি, রাশিয়ার তেল শোধনাগার ও জ্বালানি স্থাপনায় ইউক্রেনের ধারাবাহিক হামলার জবাব হিসেবেই কিয়েভে এই ব্যাপক আক্রমণ চালানো হয়েছে। তবে রাশিয়াকে আলোচনার টেবিলে আনতেই কৌশলগত জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা জোরদারের কথা জানিয়েছিল ইউক্রেন।

হামলার পর ক্ষতিগ্রস্ত আবাসিক ভবন পরিদর্শন করেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এসময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র দ্রুত সরবরাহের আহ্বান জানান। অস্ত্র সহায়তা পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি বাড়ছে বলেও অভিযোগ করেন জেলেনস্কি।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

তিনি বলেন, ‘আমরা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার দলের কাছে দ্রুত সহায়তার আবেদন জানাচ্ছি। অস্ত্র সরবরাহে দেরির মূল্য দিচ্ছেন সাধারণ মানুষ। তারা শুধু তাদের ঘরবাড়ি হারাচ্ছেন না, হারাচ্ছেন পরিবার, সন্তান, এমনকি নিজের জীবনও।’

এদিকে, যুদ্ধে হতাহত নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ- সিএসআইএস। তাদের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ২০২২ সালে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দুই পক্ষের মোট হতাহতের সংখ্যা ২০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে রাশিয়ার হতাহতের সংখ্যা প্রায় ১৪ লাখ এবং ইউক্রেনের ৬ লাখের বেশি।

গবেষণাটি আরও বলছে, চলতি বছর এখন পর্যন্ত প্রতি একজন ইউক্রেনীয় সেনার বিপরীতে প্রায় আটজন রুশ সেনা হতাহত হয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘায়িত এই যুদ্ধ ইউরোপের নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য আরও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাখাইনের সংঘাতে সীমান্তে আতঙ্ক, অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্কতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪৬ পি.এম


রাখাইনের সংঘাতে সীমান্তে আতঙ্ক, অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্কতা

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডু টাউনশিপে আরাকান আর্মির অবস্থান লক্ষ্য করে দেশটির সরকারি জান্তা বাহিনী বিমান হামলা চালাচ্ছে। যুদ্ধবিমান থেকে বোমা নিক্ষেপ ও গোলাবর্ষণের বিকট শব্দে কেঁপে উঠছে টেকনাফ ও উখিয়ার সীমান্ত এলাকা। এমন পরিস্থিতিতে অনুপ্রবেশের আশঙ্কায় নাফ নদী ও সীমান্তজুড়ে টহল জোরদার করেছে বিজিবি ও কোস্টগার্ড। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হলেও অতীতের মতো বড় পরিসরে রোহিঙ্গা ঢলের সম্ভাবনা আপাতত কম।

 

গত দেড় বছর ধরে বাংলাদেশের সীমান্তঘেঁষা মিয়ানমারের রাখাইনের মংডু ও বুথিডং এলাকা আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় নতুন করে মংডু ও আশপাশের এলাকায় বিমান হামলা চালাচ্ছে জান্তা বাহিনী। হামলা মিয়ানমারের ভেতরে হলেও বিস্ফোরণের তীব্রতায় নাফ নদীর এপারের ঘরবাড়িও কেঁপে উঠছে। এতে সীমান্তের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

সীমান্তের বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন বলেন, "আরাকান আর্মি ও মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর মধ্যে সংঘাত চলছে। এর ফলে সীমান্তের ওপার থেকে বিমান হামলা ও বিস্ফোরণের বিকট শব্দ ভেসে আসছে। নদীর এপার থেকেও আমরা সেই শব্দ শুনতে পাচ্ছি। এতে আমরা ভীষণ আতঙ্কের মধ্যে আছি। এমন বিস্ফোরণের কারণে আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।"

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, "সীমান্তের মানুষ চরম উদ্বেগ নিয়ে দিন কাটাচ্ছে। অতীতেও এই সংঘাতের প্রভাব আমাদের ওপর পড়েছে। আমরা আর কোনোভাবেই তাদের সংঘাতের বলি হতে চাই না। নদীর এপারে বসবাসকারী মানুষের জীবন ও জীবিকা নিরাপদ রাখতে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া এবং কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করা উচিত।"

আরেক বাসিন্দা ইকবাল আজিজ বলেন, "মিয়ানমারের অভ্যন্তরে বিমান হামলার কারণে বিস্ফোরণের বিকট শব্দ টেকনাফ সীমান্তেও কম্পন সৃষ্টি করছে। দীর্ঘদিন পর আবার একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শুনে আমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছি। এসব শব্দে পুরো সীমান্ত এলাকা কেঁপে ওঠে। স্থানীয় মানুষ ভয়ের মধ্যেই দিন কাটাচ্ছে।"

সীমান্তের ওপারে টানা বিস্ফোরণের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হলেও এপারের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি ও কোস্টগার্ড সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থেকে সীমান্তজুড়ে টহল ও নজরদারি জোরদার করেছে। পাশাপাশি ড্রোনের মাধ্যমে কঠোর পর্যবেক্ষণ চালানো হচ্ছে।

অতীতের সংঘাতের কারণে বাংলাদেশকে লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিতে হয়েছে। তবে এবার তেমন বড় ধরনের ঢলের আশঙ্কা দেখছেন না অভিবাসন ও শরণার্থী বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, সংঘর্ষ যদি সীমান্তের আরও কাছাকাছি চলে আসে, তাহলে পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে।

অভিবাসন ও শরণার্থী বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর বলেন, "বাংলাদেশের জন্য এই মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সীমান্ত নিরাপত্তা আরও জোরদার করা। সীমান্তে দায়িত্বরত বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। অতীতেও দেখা গেছে, যখন সশস্ত্র সংঘাত বাংলাদেশের সীমান্তের একেবারে কাছাকাছি পৌঁছেছে, তখন গোলাবর্ষণের ঘটনা বাংলাদেশের ভূখণ্ডেও ঘটেছে। এতে সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, এমনকি প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। তাই এ ধরনের পরিস্থিতি যেন আবার সৃষ্টি না হয়, সেদিকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।"

তিনি আরও বলেন, "নতুন করে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে প্রবেশের সম্ভাবনা তৈরি হলে সে বিষয়ে সরকারের কাছে আগাম তথ্য থাকার কথা। বিশেষ করে গোয়েন্দা সংস্থা ও নিরাপত্তা বাহিনীর সমন্বিত প্রস্তুতি এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করবে-এমন সম্ভাবনা খুব বেশি নয়।"

প্রশাসনের দাবি, রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে বিজিবি ও কোস্টগার্ড সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পাশাপাশি আতঙ্কিত না হতে সীমান্তবাসীকেও আশ্বস্ত করা হয়েছে। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম অনীক চৌধুরী বলেন, "মিয়ানমারের অভ্যন্তরে মংডু ও বুথিডং টাউনশিপে গোলাবর্ষণ ও বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে। রাতের বেলায় ওপার থেকে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। বর্তমানে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও কোস্টগার্ড সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে, যাতে কোনো ধরনের রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ না ঘটে। বিস্ফোরণের শব্দে সীমান্তবর্তী এলাকার কিছু বাসিন্দা সাময়িকভাবে আতঙ্কিত হলেও বাংলাদেশে কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার ঘটনা ঘটেনি। সীমান্তবাসীকে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্যও আশ্বস্ত করা হয়েছে।"

টেকনাফস্থ ২ বিজিবির উপ-অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট ফুয়াদ রহমান বলেন, "সীমান্তে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পাশাপাশি টহলও জোরদার করা হয়েছে।"

মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের প্রভাব শুধু টেকনাফ সীমান্তেই নয়, কক্সবাজারের উখিয়া ও বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তেও পড়েছে। সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় এসব এলাকাতেও বিজিবি নজরদারি ও টহল আরও জোরদার করেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চার দিন অন্ধকারে ২২ হাজার গ্রাহক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪৯ পি.এম


চার দিন অন্ধকারে ২২ হাজার গ্রাহক

জুলাই ৩, ২০২৬: লালমনিরহাটের আদিতমারী ও কালীগঞ্জ উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের প্রায় ২২ হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহক টানা চার দিন ধরে বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছেন। ঝড়ের সময় বজ্রপাতে আদিতমারী-২ সাব-স্টেশন (হাজীগঞ্জ)-এর ১০ এমবিএ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি পাওয়ার ট্রান্সফরমার বিকল হওয়ার কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় কমলাবাড়ী, পলাশী, ভেলাবাড়ী, গোড়ল, চলবলা ও দুর্গাপুর ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। পানির সংকট, মোবাইল ফোন চার্জ দিতে সমস্যা, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা কার্যক্রম এবং দৈনন্দিন কাজকর্ম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রচণ্ড গরমে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি কষ্টে রয়েছেন।

এদিকে চলমান এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীরা বিপাকে পড়েছেন। ব্যবসায়ীরা জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় ফ্রিজে সংরক্ষিত খাদ্যসামগ্রী নষ্ট হয়ে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন তারা।

স্থানীয়রা দ্রুত বিকল ট্রান্সফরমার মেরামত বা প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন।

আদিতমারী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম মুহাম্মদ আব্দুল ফাত্তাহ জানান, বজ্রপাতে বিকল হওয়া ১০ এমবিএ ট্রান্সফরমারের কারণে প্রায় ২২ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎ সুবিধার বাইরে রয়েছেন। ঢাকা থেকে নতুন ট্রান্সফরমার আনা হয়েছে এবং তা প্রতিস্থাপনের কাজ চলছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে।

আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গুঞ্জন বিশ্বাস বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং দ্রুত বিদ্যুত সরবরাহ চালুর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ৪০ জন নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৫১ পি.এম


পাকিস্তানে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ৪০ জন নিহত

পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে যাত্রীবাহী একটি বাস মহাসড়ক থেকে খাদে পড়ে অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্মকর্তারা এ হতাহতের তথ্য জানান।

ঝব জেলার জরুরি সেবাকেন্দ্রের প্রধান সানাউল্লাহ শেরানি শুক্রবার (৩ জুলাই) বার্তা সংস্থা এ এফ পি-কে বলেন, “কোয়েটা থেকে পেশোয়ারগামী একটি যাত্রীবাহী বাস পাহাড়ি এলাকা ‘দানা সার’-এ একটি গভীর খাদে পড়ে যায়।”

বাসটি প্রায় ৭০ থেকে ৮০ ফুট (২১ থেকে ২৪ মিটার) নিচে খাদে পড়ে যায় বলেও জানান তিনি।

বেলুচিস্তান সরকারের মুখপাত্র শহীদ রিন্দ বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) জানিয়েছেন, বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের সীমান্তবর্তী প্রত্যন্ত এলাকায় শুক্রবার ভোরে দ্রুতগামী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাথুরে খাদে পড়ে যায়।

উভয় কর্মকর্তাই দুর্ঘটনায় ৪০ জন নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এছাড়া অন্তত আটজন আহত হয়েছেন।

রিন্ড এপি-কে জানান, বাসটিতে কেবল এর নিজস্ব যাত্রীই ছিল না, বরং যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে বিকল হয়ে পড়া আরেকটি বাসের যাত্রীরাও এতে উঠেছিলেন; ফলে বাসটি অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই হয়ে পড়েছিল।

তিনি আরও জানান, উদ্ধারকর্মীরা দুর্ঘটনায় নিহতদের শনাক্ত করার কাজ করছেন।

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি যাত্রীবাহী এই বাস দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।

সূত্র: আল জাজিরা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খামেনির শেষ বিদায়: চার মাস কীভাবে সংরক্ষণ করা হলো মরদেহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৫২ পি.এম


খামেনির শেষ বিদায়: চার মাস কীভাবে সংরক্ষণ করা হলো মরদেহ

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর চার মাসেরও অধিক সময় পর আগামী ৯ জুলাই তার দাফনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে তেহরান। দীর্ঘ সময় ধরে মরদেহ সংরক্ষণের বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জ ওয়াশিংটন প্রোগ্রামের চরমপন্থা ও সন্ত্রাসবাদবিরোধী বিশেষজ্ঞ ড. মোহাম্মদ ওমর ফক্স নিউজ ডিজিটালকে জানিয়েছেন, খামেনির মরদেহ রাসায়নিকভাবে সংরক্ষণ করা হয়নি। বরং তার মরদেহ শীতলীকরণ ব্যবস্থায় রাখতে হচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ, ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী রাসায়নিক পদ্ধতিতে মরদেহ সংরক্ষণের অনুমোদন নেই।

তিনি এই বিষয়ে আরও বলেন, বিশেষ পরিস্থিতির ক্ষেত্রে শিয়া ইসলামী আইন অনুযায়ী দাফন বিলম্বিত করা এবং মরদেহ শীতলীকরণ ব্যবস্থায় সংরক্ষণ করার সুযোগ রয়েছে। তবে যদি মরদেহ সম্পূর্ণ অক্ষত অবস্থায় থাকতো, তাহলে শেষ বিদায় অনুষ্ঠান একাধিকবার স্থগিত করার প্রয়োজন হতো, দাফনের স্থান পরিবর্তন থেকে শুরু করে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দাফনের সময় গোপন রাখার প্রয়োজন হতে হত। তার ভাষায়, এসব বিষয় ইঙ্গিত দেয় যে মরদেহ সংরক্ষণ করা সম্ভব হলেও তা জনসমক্ষে প্রদর্শনের উপযোগী অবস্থায় নেই।

এদিকে খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে ব্যাপক জনসমাগমের আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। কর্মকর্তাদের ধারণা, অনুষ্ঠানে দেড় থেকে দুই কোটি মানুষের উপস্থিতি হতে পারে।

শেষ বিদায় অনুষ্ঠানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে যে কোনও ধরনের সামরিক পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার জন্য কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।

উল্লেখ্য, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র অংশ হিসেবে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে নিজের বাসভবনে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। মৃত্যুর আগে তিনি টানা ৩৬ বছর ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

সূত্র: ফক্স নিউজ, রয়টার্স

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%