বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৭:৫৩ পি.এম
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন অনুষ্ঠিত হওয়ার স্থানটিই হলো মাশহাদ, এবং এখানে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই হামলার ফলে শহরটির সঙ্গে তেহরানের ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আইআরআরবি জানায়, মার্কিন হামলায় মাশহাদগামী রেলপথটি সরাসরি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে, দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, এই হামলায় দুটি গুরুত্বপূর্ণ রেলসেতু ধ্বংস হয়ে গেছে।
ইরানের ইসলামিক রিপাবলিক রেলওয়ের একজন মুখপাত্র আইআরজিসি-সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম তাসনিমকে জানিয়েছেন যে, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় যত দ্রুত সম্ভব এই রুটটি মেরামতের চেষ্টা চলছে। রাজধানী তেহরান এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদের মধ্যকার এই রেলপথটি ইরানের অন্যতম ব্যস্ততম রুট হিসেবে পরিচিত। সর্বোচ্চ নেতার দাফন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে যখন মাশহাদ শহরে লাখ লাখ মানুষের সমাগম হয়েছে, ঠিক তখনই এই কৌশলগত যোগাযোগ অবকাঠামোর ওপর মার্কিন হামলা পুরো প্রক্রিয়াকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
এই হামলার ঘটনার ঠিক এক দিন আগে বুধবার (৮ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওয়াশিংটন থেকে সরাসরি কঠোর হুমকি দিয়েছিলেন। তিনি ওয়াশিংটনে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে заяв করেছেন, ‘গত রাতে আমরা ইরানে খুব কঠোরভাবে হামলা চালিয়েছি, খুবই কঠোরভাবে। সম্ভবত আজ রাতেও তাদের ওপর ভয়াবহ হামলা চালানো হবে।’
ট্রাম্পের এই হুংকারের পরপরই ইরানের মাশহাদসহ বিভিন্ন বেসামরিক ও কৌশলগত স্থাপনায় লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালায়। ট্রাম্পের দাবি হিসাবে, তার আগের সময় ইরানকে সামান্য সতর্কবার্তা দেওয়া হলেও তারা নিজেদের সংশোধন করেনি, যার কারণে এই কঠোর পদক্ষেপের বিকল্প ছিল না।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের সঙ্গে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির নবায়ন নিয়ে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে, এই বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জানিয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নয়াদিল্লি চুক্তির গুরুত্ব বুঝতে পারবে।
বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে... চুক্তি নিয়ে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তবে বর্তমান মুহূর্তে আলোচনা সংক্রান্ত সব বিষয় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।’
শামা আরও বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বাস করে ভারত এ চুক্তির গুরুত্ব এবং দুই দেশের জন্য গঙ্গার পানির গুরুত্ব বিষয়ে অবগত।
তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, ভারত এই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এবং আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেই অভিন্ন স্বার্থকে সামনে রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে।’
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে অল্প সময় বাকি থাকলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গঠন করা দল ও কমিটি ভারতের সঙ্গে এই বিষয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করে চলেছে।
এ বিষয়ে আশাবাদের কারণ জানতে চাইলে শামা ওবায়েদ বলেন, চলমান আলোচনা সম্পর্কে এ মুহূর্তে এর বেশি কিছু বলা সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, ‘বর্তমানে এর বেশি কিছু ব্যাখ্যা করার সুযোগ নেই। আমরা আশাবাদী।’
তিনি আরও যোগ করেন, চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে প্রায় ছয় মাস বাকি রয়েছে এবং এর নবায়নের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ভারতের ওপর নির্ভর করে।
শামা বলেন, ‘আমি আগেই বলেছি, আশা করি ভারত গঙ্গা চুক্তির গুরুত্ব উপলব্ধি করবে এবং সে অনুযায়ী এগিয়ে আসবে।’
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত হয়। চলতি বছরের ডিসেম্বরে এর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা।
চুক্তিটি দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টনের কাঠামো নির্ধারণ করে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে।
অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনসহ বিভিন্ন নদী-সংক্রান্ত বিষয়ে দুই দেশ যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) মাধ্যমে আলোচনা করে থাকে। এই কমিশন যৌথ পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো হিসেবে কাজ করছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা নগরীতে দীর্ঘদিনের যানজট, সড়কে বিশৃঙ্খলা ও ক্রমবর্ধমান দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সংখ্যা কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
বর্তমানে শহরের সড়কে প্রায় ৪৮ হাজার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল করছে। তবে নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী নিবন্ধনের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১০ হাজার অটোরিকশাকে বৈধভাবে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে। যদি আমরা দেখি, একই সঙ্গে নিবন্ধিত প্রতিটি অটোরিকশায় উন্নত প্রযুক্তির নিরাপত্তা ফিচারসমৃদ্ধ বিশেষ লাইসেন্স প্লেট সংযুক্ত করা হবে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পসংক্রান্ত এক মতবিনিময় সভায়, এ ঘোষণা প্রদান করেন কুসিকের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু।
সভায় তিনি জানান, আগামী সপ্তাহ থেকেই অটোরিকশার নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হবে। নিবন্ধিত যানবাহনে চীন থেকে আমদানি করা বিশেষ লাইসেন্স প্লেট লাগানো হবে এবং এসব প্লেটে অন্তত আট ধরনের নিরাপত্তা (সিকিউরিটি ফিচার) থাকবে, যা জালিয়াতি বা নকল প্লেট ব্যবহার করা প্রায় অসম্ভব করে তুলবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, নিবন্ধনবিহীন কোনো অটোরিকশা কিংবা ভুয়া লাইসেন্স প্লেট ব্যবহারকারী যানবাহন নগরীতে চলতে পারবে না। যদি কেউ প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে নকল প্লেট ব্যবহার করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, বর্তমানে নগরীতে প্রয়োজনের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল করছে, যার ফলস্বরূপ প্রতিদিনই গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক চালক ট্রাফিক আইন অমান্য করে বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালাচ্ছেন, যার কারণে প্রায় প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও দুর্ঘটনা ঘটছে। এসব দুর্ঘটনায় মানুষ আহত হচ্ছেন, কেউ কেউ স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ববরণ করছেন এবং এমনকি প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে।
তিনি আরও বলেন, নগরবাসীর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা, যানজট কমানো এবং পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নিবন্ধনভিত্তিক অটোরিকশা পরিচালনার মাধ্যমে চালক ও যানবাহনের তথ্য সংরক্ষণ আরও সহজ হবে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারিও আরও কার্যকর হবে।
গণমাধ্যমকর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে কুসিক প্রশাসক বলেন, অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণের এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কোনো রাজনৈতিক চাপ নেই, বরং জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, রাজনীতি মানুষের কল্যাণের জন্য হওয়া উচিত এবং নগরবাসীর মধ্যে স্বল্প দূরত্বে হাঁটার অভ্যাস গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।
সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর, পর্যায়ক্রমে নিবন্ধনবিহীন অটোরিকশার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে। নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে নগরীতে শৃঙ্খলাবদ্ধ পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে, সঙ্গে যানজট কমানো এবং সড়ক দুর্ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস করা সম্ভব হবে বলেও আশা করছে কুসিক।
মতবিনিময় সভায় কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুন, নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সায়েম ভূঁইয়াসহ সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে তাঁর স্ত্রী ও পাঁচ বছর বয়সী ছেলেকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় তাদের অন্য একটি ছেলে গুরুতর আহত অবস্থায় রয়েছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে গেছেন।
বুধবার (৮ জুলাই) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে কুতুপালং ৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি-৬ ব্লকে এই ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।
নিহতদের পরিচয় হলো— রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা এহেসামুল হকের (৩৭) স্ত্রী শহীদ নুর ওরফে সুফিয়া (৩০) এবং শিশু সন্তান মোহাম্মদ শামীম (৫)। এই ঘটনায় তাদের বড় ছেলে মোহাম্মদ আফছার ওরফে বাপ্পী (১৪) গুরুতর আহত হয়েছে।
কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাঝি মোহাম্মদ হুসাইন জানান, বুধবার (৮ জুলাই) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে পারিবারিক কলহের জেরে রোহিঙ্গা এহেসামুল হক ও তার স্ত্রী শহীদ নুর ওরফে সুফিয়ার মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে এহেসামুল হক ধারালো দা দিয়ে তার স্ত্রী এবং দুই ছেলে শামীম ও বাপ্পীকে কুপিয়ে ও গলা কেটে গুরুতর জখম করে ফেলেন। এই হামলায় ঘটনাস্থলেই তার স্ত্রী ও ছোট ছেলে প্রাণ হারান।
গুরুতর আহত বড় ছেলে বাপ্পীকে স্থানীয় রোহিঙ্গাদের সহায়তায় কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন। ঘটনার পর অভিযুক্ত এহেসামুল হক পালিয়ে গেছেন বলে এসব তথ্য জানান মোহাম্মদ হুসাইন।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান জানিয়েছেন, ঘটনার দিন রাতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একই পরিবারের দুই সদস্য নিহত হওয়ার ঘটনায় মরদেহ উদ্ধারের জন্য পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছে। মরদেহ উদ্ধার হওয়ার পর সেগুলো ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান আছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামে গ্রীনহাউসে গাঁজা চাষের অভিযোগে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অর্ধশতাধিক গাঁজার গাছ জব্দ করেছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, জেলার ভূরুঙ্গামারীর সীমান্তবর্তী দক্ষিণ বাঁশজানি গ্রামে অভিযান চালিয়ে একটি সুপারি বাগান থেকে প্রায় অর্ধশতাধিক ছোট-বড় গাঁজার গাছ উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, তাপ ও বৃষ্টি প্রতিরোধী বিশেষ বেষ্টনীর ভেতরে গাছগুলোর পরিচর্যা করা হচ্ছিল। অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত বাবা-ছেলে সীমান্তের কাঁটাতারের নিচের ড্রেনেজ লাইন দিয়ে ভারতে পালিয়ে যান।
ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) মুনতাসির মামুন মুন জানিয়েছেন, সীমান্তবর্তী এলাকার মাদক কারবারিরা ভারতীয় গাঁজার বিকল্প বাজার তৈরির উদ্দেশ্যে নিজেরা গাঁজা চাষের চেষ্টা করছে। তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উদ্ধার করা গাঁজার গাছ এবং গ্রীনহাউসের বেষ্টনী জব্দ করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ