বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:২০ পি.এম
ইলিশের ভরা মৌসুম চলছে, তবে নদীতে কাঙ্ক্ষিত ইলিশের অভাব দেখা দিয়েছে। সরবরাহের অভাবে চাঁদপুরের বিভিন্ন মাছের আড়ত ও বাজারে জাতীয় মাছটির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এক কেজি ওজনের একটি ইলিশ কিনতে ক্রেতাদের ২ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকা খরচ করতে হচ্ছে। একই অর্থের বিনিময়ে পাওয়া যাচ্ছে প্রায় আড়াই থেকে তিন মণ আলু। এর ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্তের অনেক পরিবারে ইলিশ ক্রয় করা এখন সম্ভব হয়ে উঠছে না।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চাঁদপুরের বড়স্টেশন মাছের আড়তে গিয়ে দেখা যায়, ইলিশের দাম অত্যন্ত চড়া। বড় আকারের ইলিশের সরবরাহ কম থাকার কারণে দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। ৬০০ থেকে ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছোট আকারের ইলিশের দাম ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে।
চাঁদপুর সদর, মতলব উত্তর, মতলব দক্ষিণ, হাইমচর ও ফরিদগঞ্জ উপজেলার মাছের বাজারেও একই চিত্র লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অন্যান্য মাছের তুলনায় ইলিশের দাম অনেক বেশি।
কিছু মৎস্য ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, নদী থেকে ইলিশের সরবরাহ কমে যাওয়াই দাম বৃদ্ধির একটি প্রধান কারণ। আড়তে মাছের পরিমাণ কম হলেও ক্রেতাদের চাহিদা রয়েছে। ফলে সরবরাহ কম এবং চাহিদা বেশি থাকায় বাজারে ইলিশের দাম বেড়ে গেছে।
নদীতেও ইলিশের সংকটের চিত্র দেখা যাচ্ছে। জেলেরা জানিয়েছেন, আগের মতো জালে ইলিশ ধরা পড়ছে না। অনেক সময় নদীতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অবস্থান করেও আশানুরূপ মাছ ধরা পড়ছে না।
মাছ ধরতে নৌকার জ্বালানি, শ্রমিক, বরফ ও খাবারের জন্য প্রতিদিন খরচ হচ্ছে। এতে অনেক জেলে লোকসানে পড়ছেন এবং কেউ কেউ পেশা পরিবর্তনের কথা ভাবছেন।
এক জেলে বলেন, "নদীতে মাছ না থাকলে আমাদের কষ্টটা কেউ বোঝে না। জাল ফেলতে যে খরচ হয়, অনেক সময় সেই টাকাটাও ওঠে না। মাছ পেলে সংসার চলে, না পেলে ধারদেনা করতে হয়। কিস্তি আর মহাজনের ঋণের টাকা ঠিকমতো পরিশোধ করতে পারছি না। ছেলে-সন্তানদের নিয়ে খুব অভাবে আছি।"
ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে ইলিশের দাম এত বেড়ে গেছে যে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের অনেকের পক্ষে এখন ইলিশ কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে।
এক ক্রেতা বলেন, "এক কেজি ইলিশের দাম যদি আড়াই হাজার টাকার ওপরে হয়, তাহলে পরিবারে ইলিশ খাওয়ানো কঠিন। একই টাকায় অনেক কেজি আলু বা অন্য মাছ কেনা যায়।"
মৎস্য ব্যবসায়ীরা বলছেন, নদীতে ইলিশের সরবরাহ বাড়লে বাজারে দাম কমতে পারে। তবে কবে নাগাদ ইলিশের সরবরাহ বাড়বে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না তারা।
মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক বলেন, "ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে আমরা সব সময় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে থাকি। জাটকা সংরক্ষণ, নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ধরা বন্ধ এবং অবৈধ জালের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নদীতে ইলিশের বিচরণ ও সরবরাহ বাড়লে বাজারে দামও স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উল্লেখ করেছেন যে, মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের কোনো বিকল্প নেই।
তিনি আরও বলেছেন, "মানবিক বিবেচনায় বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে।" সংকটের স্থায়ী সমাধানে রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের কোনো বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও কার্যকর ও সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
জাতিসংঘের শরণার্থী-বিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালেহর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর আবাসস্থল হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্কে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর সরকারী প্রেস সচিব একেএম নাজমুল হক এ তথ্য জানান।
সহকারী প্রেস সচিব জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি এবং এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ও সমন্বিত ভূমিকা নিয়ে বৈঠকে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হয়।
দ্বিপাক্ষিক এই বৈঠকে রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এ সময় বারহাম সালেহ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করেন। সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জের মাধবপুর পৌরবাসীর নিরাপদ পানি সরবরাহের উদ্দেশ্যে নির্মিত ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টটি, যেটির ব্যয় ছিল প্রায় ৫ কোটি ৮ লাখ টাকা, চালুর এক বছরের মধ্যেই বন্ধ হয়ে গেছে। তিন বছর ধরে অচল থাকার কারণে পৌরবাসী এই প্রকল্পের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্ল্যান্টটির নির্মাণকাজ শুরু হয়, যা শ্যামলী পাড়ার উত্তরে স্টেডিয়ামের পূর্ব পাশে পৌরসভার জায়গায় নির্মিত হয়। নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পর ২০২২ সালের ২৮ জুন প্ল্যান্টটি মাধবপুর পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করা হয়।
সূত্রে জানা গেছে, প্ল্যান্টটির ঘণ্টায় ২ লাখ লিটার পানি পরিশোধনের সক্ষমতা রয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, গভীর নলকূপ থেকে পানি উত্তোলন করে পরিশোধনের পর ৪৫০ ঘনমিটার ধারণক্ষমতার ওভারহেড ট্যাংকে সংরক্ষণ করার কথা ছিল। পরে পাইপলাইনের মাধ্যমে পৌরবাসীর মধ্যে ওই পানি সরবরাহের পরিকল্পনা ছিল।
হস্তান্তরের পর প্ল্যান্টটি চালু হয় এবং প্রায় এক বছর কার্যক্রম চলে। তবে ২০২৩ সালের পর থেকে এটি আর সচল হয়নি। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় প্ল্যান্টের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এদিকে, পানি উত্তোলনের জন্য স্থাপন করা তিনটি গভীর নলকূপও বর্তমানে নষ্ট হয়ে গেছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে পানি সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় পাইপলাইনও পুরোপুরি স্থাপন করা হয়নি। ফলে প্ল্যান্টটি পুনরায় চালু করতে হলে একাধিক অবকাঠামো মেরামত ও সংস্কারের প্রয়োজন হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা পবিত্র রায় বলেন, "প্ল্যান্টটি চালু হওয়ার পর কিছুদিন পৌরবাসী পানি পেয়েছেন। এরপর দীর্ঘদিন ধরে এটি বন্ধ। তিনটি গভীর নলকূপও নষ্ট হয়ে গেছে। প্ল্যান্টটি দ্রুত মেরামত করে নিয়মিত পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।"
পৌর নাগরিক নয়ন মিয়া মন্তব্য করেন, "জনগণের অর্থে কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা দুঃখজনক। বছরের পর বছর পড়ে থাকলে যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে সরকারি অর্থের অপচয় আরও বাড়বে। দ্রুত এটি সচল করার পাশাপাশি কেন দীর্ঘদিন বন্ধ রয়েছে, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।"
মাধবপুরের সাবেক মেয়র হাবিবুর রহমান মানিক বলেন, "প্ল্যান্টটি বন্ধ থাকায় পৌরবাসী কষ্ট করছেন। তার দায়িত্বকালেও এটি চালু ও সচল রাখার বিষয়ে একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। দ্রুত প্রয়োজনীয় মেরামত করে প্ল্যান্টটি চালু করা প্রয়োজন।"
মাধবপুর পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম জানান, প্ল্যান্টটি চালুর বিষয়ে পৌর কর্তৃপক্ষ একাধিকবার উদ্যোগ নিয়েছে। তবে বিভিন্ন ধরনের জটিলতার কারণে এটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে।
মাধবপুর পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসান বলেন, মাধবপুরে যোগদানের পর তিনি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট ও ওভারহেড ট্যাংক পরিদর্শন করেছেন। প্ল্যান্টটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকার বিষয়টি তিনি জানতে পেরেছেন। কীভাবে দ্রুত এটি সচল করা যায়, তা গুরুত্ব দিয়ে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
মাধবপুরের জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী তুষার পাল বলেন, প্ল্যান্টটি মেরামতের জন্য তাঁদের পক্ষ থেকে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। সংস্কারের জন্য বড় বাজেট প্রয়োজন।
প্রায় ২৫ হাজার পৌরবাসীর জন্য নির্মিত এ প্ল্যান্টটি দ্রুত সংস্কার করে পুনরায় চালু এবং নিরাপদ পানি সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রত্যাশা, প্রয়োজনীয় মেরামত, নষ্ট গভীর নলকূপ সংস্কার এবং পানি সরবরাহের অবকাঠামো সম্পন্ন করে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থার অবসান ঘটানো হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
টি-টোয়েন্টি সিরিজের পর ওয়ানডে ফরম্যাটেও ইংল্যান্ডের শক্তি প্রদর্শনের আশঙ্কা ছিল। তবে প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কা স্বাগতিকদের সহজে ছাড় দেয়নি। ইংল্যান্ডকে একসময় নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের মাধ্যমে চাপের মধ্যে ফেলে দেয় তারা, কিন্তু ব্যাটিং ব্যর্থতার কারণে সফরকারীরা শেষ পর্যন্ত ম্যাচটিকে জমাতে পারেনি। চেস্টার-লি-স্ট্রিটের রিভারসাইড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত প্রথম ওয়ানডেতে ইংল্যান্ড ৮৯ রানের জয় নিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে এগিয়ে গেল।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত টসে ইংল্যান্ড প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং ৪৮.১ ওভারে ২৬৫ রানে অলআউট হয়। শ্রীলঙ্কার ইনিংস ১৭৬ রানে শেষ হয়।
ইংল্যান্ডের জয়ে অলরাউন্ডার উইল জ্যাকসের অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। তিনি দুর্দান্ত স্পিন বোলিংয়ের মাধ্যমে শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং লাইনআপকে ভেঙে ফেলে ক্যারিয়ারের প্রথমবার ওয়ানডে ও লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে পাঁচ উইকেট অর্জন করেন। ২৭ বছর বয়সী এই ক্রিকেটারের পারফরম্যান্স ছিল চমকপ্রদ।
ইংল্যান্ডের শুরুটা ছিল ভালো। টম ব্যান্টন ১০ রানে আউট হলেও পাওয়ারপ্লের ১০ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৬৪ রান সংগ্রহ করে স্বাগতিকরা। এরপর ২৯ বলে ৩২ রান করে আউট হন বেন ডাকেট।
জো রুট ও হ্যারি ব্রুকের ব্যাটিংয়ের মাধ্যমে ইনিংসের ভিত্তি শক্তিশালী হতে থাকে। ওয়ানডেতে টানা সপ্তম হাফসেঞ্চুরির পথে থাকা রুটকে ৪৪ রানে বোল্ড করেন অভিষিক্ত সাচিন্দু। পরে অধিনায়ক ব্রুক ৬৯ বলে ৭টি বাউন্ডারিতে ৬৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন।
একপর্যায়ে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ১৮২ রান। সেখান থেকে শ্রীলঙ্কা ঘুরে দাঁড়ায় এবং মাত্র ২৯ রানের মধ্যে চার উইকেট তুলে নিয়ে ইংল্যান্ডকে বড় সংগ্রহে পৌঁছাতে বাধা দেয়। জস বাটলার ৩৩ বলে ৩১ রান করেন।
শেষদিকে ৪৭ বলে ৪৬ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন উইল জ্যাকস। তার ব্যাটিংয়ের কারণে ইংল্যান্ড কোনোমতে ২৬৫ রানের সংগ্রহ পায়।
জয়ের জন্য ২৬৬ রানের লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নেমে শ্রীলঙ্কা শুরু থেকেই চাপের মধ্যে পড়ে। কামিন্দু মেন্ডিস ২৭ রানে আউট হওয়ার পর সফরকারীরা নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে। জ্যাকসের স্পিনে একপর্যায়ে ১০৫ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে তারা ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে।
তবে ওয়েলালাগে একপ্রান্ত আগলে লড়াই চালিয়ে যান। তিনি ৩৬ বলে ৪৫ রান করেন এবং দলের পরাজয়ের ব্যবধান কমান। শেষ পর্যন্ত ১৭৬ রানে ৭ উইকেট হারানোর পর একই ওভারে চার বলের মধ্যে তিন ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে শ্রীলঙ্কার ইনিংসের ইতি টানেন জ্যাকস। তিনি ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন।
এটি ওয়ানডে ও লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে জ্যাকসের প্রথম ফাইফার।
তিন ম্যাচের সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে আগামী বৃহস্পতিবার হেডিংলিতে অনুষ্ঠিত হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্যসচিব রবিউল ইসলাম নয়ন মন্তব্য করেছেন যে, যুবদলকে ককটেল বা সহিংসতার ভয় দেখিয়ে দমিয়ে রাখা সম্ভব নয়। তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, যদি কোনো পক্ষ দেশে নতুন করে বিশৃঙ্খলা বা নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করে, তাহলে রাজপথে তাদের প্রতিহত করা হবে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদল আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
নয়ন আরও বলেন, একসময় পল্টন ময়দানে পুলিশ সারাদিন যুবদল ও বিএনপির নেতাকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল। তিনি দাবি করেন, গুলি করতে করতে একপর্যায়ে পুলিশের গুলি শেষ হয়ে গেলে যুবদল ও বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশ সদস্যদের হাত উঁচু করে ব্যারাকে পাঠিয়ে দিয়েছিল।
সম্প্রতি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ককটেল নিক্ষেপের প্রসঙ্গ টেনে নয়ন বলেন, "ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলকে ককটেলের ভয় দেখাবেন না। ঢাকা মহানগর যুবদল কামান ফেস করে এসেছে, চায়না রাইফেল ফেস করে এসেছে, একে-৪৭ রাইফেলের গুলি ফেস করে এসেছে।"
তিনি যোগ করেন, যুবদল শৃঙ্খলা বজায় রেখেই তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তবে, যুবদলের দিকে চোখ রাঙানো কিংবা রাজনৈতিক অঙ্গনে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করা হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
নয়ন মন্তব্য করেন, অতীতে যেভাবে স্বৈরাচারের পতন ঘটানো হয়েছে, তেমনিভাবে নতুন করে যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করবে, তারা জনরোষের মুখে পড়বে।
অতীতের রাজনৈতিক সংঘাত ও প্রতিরোধের প্রসঙ্গ তুলে ধরে নয়ন বলেন, পল্টন ময়দানে চরম প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও যুবদল ও বিএনপির নেতাকর্মীরা পিছু হটেননি। তিনি নেতাকর্মীদের রাজপথে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান, যাতে দেশে কোনো মহল অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে না পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ