ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আজ দেশের যেসব এলাকায় দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ থাকবে না


আজ দেশের যেসব এলাকায় দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ থাকবে না

জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ ও নির্মাণকাজের কারণে শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজশাহী ও বগুড়ার কিছু এলাকায় দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি (নেসকো) এর বগুড়ার বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১ এবং রাজশাহীর বিমানবন্দর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ থেকে পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

শনিবার, বগুড়ার বেশ কিছু এলাকায় টানা ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না। এ বিষয়ে নেসকো বগুড়ার বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, জাহাঙ্গীরাবাদ ক্যান্টনমেন্ট সংলগ্ন সাসেক প্রকল্পের আওতায় ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের জন্য নেসকো বগুড়ার বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১ এর আওতাধীন ৩৩ কেভি রহমান নগর এবং ৩৩ কেভি বনানী ফিডারসমূহ শাটডাউনের জন্য আগামী ১০ অক্টোবর সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মোট ১০ ঘণ্টা এই দুই ফিডারের আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জরুরি নির্মাণকাজের কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখার জন্য দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রাহকদের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

এদিকে, রাজশাহীর কিছু এলাকায় শনিবার পর্যায়ক্রমে সাড়ে ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না। নেসকো রাজশাহীর বিমানবন্দর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিদ্যুৎ লাইনের নিকটবর্তী গাছের শাখা-প্রশাখা কর্তনের জন্য নেসকো রাজশাহীর ১১ কেভি বাগধানী ফিডারের আওতাধীন দুয়ারি, কুমড়াপুকুর ও বাগসারা এলাকাসমূহে শনিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত মোট ৩ ঘণ্টা এবং তেঘর থেকে বাগধানী এলাকা পর্যন্ত সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত মোট সাড়ে ৩ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

যদি নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ হয়ে যায়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল করা হবে। নেসকো কর্তৃপক্ষ নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করার জন্য সাময়িক অসুবিধার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্প প্রশাসন ভারতীয়দের গ্রিন কার্ডের পথ আটকাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৫ পি.এম


ট্রাম্প প্রশাসন ভারতীয়দের গ্রিন কার্ডের পথ আটকাল

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি কর্মীদের স্থায়ী বসবাসের অনুমতি বা গ্রিন কার্ড পাওয়ার প্রক্রিয়ায় বড় বাধার সম্মুখীন হয়েছে বিশ্বের কয়েকটি প্রধান তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। দেশটির সরকার ইনফোসিস, টাটা কনসালট্যান্সি সার্ভিসেস, কগনিজ্যান্ট, উইপ্রো, এইচসিএল, মাইক্রোসফট, ক্যাপজেমিনি ও অ্যাডোবিকে স্থায়ী শ্রম সনদ কর্মসূচি থেকে সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর অধীনে কর্মরত ভারতীয় কর্মীদের স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পাওয়ার প্রক্রিয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। বিশ্লেষকেরা সতর্ক করেছেন যে, এই পরিস্থিতির কারণে প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মী নিয়োগ এবং আইনি শর্ত পূরণের ব্যয়ও বৃদ্ধি পেতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম দপ্তরের সচিব কিথ সন্ডারলিং এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। স্থগিতাদেশের ফলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর নতুন স্থায়ী শ্রম সনদের আবেদন গ্রহণ করা হবে না। এছাড়া, আগে জমা দেওয়া আবেদনগুলোর প্রক্রিয়াও বন্ধ থাকবে। তবে, এই পদক্ষেপের ফলে কর্মীদের বর্তমান অস্থায়ী কর্মভিসা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়েছে—এমন তথ্য প্রতিবেদনে নেই।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিদেশি দক্ষ কর্মী ও অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগের অংশ হিসেবে ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের জন্য এই সিদ্ধান্তটি গুরুত্বপূর্ণ। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শুক্রবার (৯ অক্টোবর) এ পদক্ষেপের সমালোচনা করে বলেছে, এতে দুই দেশের অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা হবে না।

স্থায়ী শ্রম সনদ কর্মসূচি কী

যুক্তরাষ্ট্রে চাকরির মাধ্যমে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পাওয়ার ক্ষেত্রে স্থায়ী শ্রম সনদ কর্মসূচি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। এই ব্যবস্থায় নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানকে প্রমাণ করতে হয় যে, বিদেশি কর্মী নিয়োগের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মীদের মজুরি বা চাকরির সুযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। সাধারণত এই প্রক্রিয়ায় নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানই আবেদন করে, কর্মী নিজে নয়।

অনেক দক্ষ বিদেশি কর্মী প্রথমে এইচ-১বি অস্থায়ী কর্মভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। পরে তারা স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পাওয়ার জন্য আবেদন করেন। ফলে, স্থায়ী শ্রম সনদ কর্মসূচিতে বাধা সৃষ্টি হলে দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার পরিকল্পনা করা কর্মীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা বাড়তে পারে।

২০০৫ সালে চালু হওয়া এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য ছিল বিদেশি কর্মীদের স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পাওয়ার প্রক্রিয়া দ্রুত করা। তবে নতুন স্থগিতাদেশের কারণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো আপাতত নতুন আবেদন করতে পারবে না এবং আগের আবেদনগুলোর প্রক্রিয়াও এগোবে না।

মাইক্রোসফটকে নিয়ে ভ্যান্সের অভিযোগ

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের অভিযোগ, কিছু প্রতিষ্ঠান মার্কিন কর্মীদের ছাঁটাই করে তাদের জায়গায় বিদেশি কর্মী নিয়োগ করছে। তার দাবি, মাইক্রোসফট গত বছর ছয় হাজার মার্কিন কর্মী ছাঁটাই করলেও ছয় হাজার ৩০০টি এইচ-১বি ভিসা এবং প্রায় তিন হাজার গ্রিন কার্ডের সুবিধা পেয়েছে।

তবে এসব সংখ্যার ভিত্তিতে ছাঁটাই হওয়া কর্মীদের প্রত্যেকের জায়গায় বিদেশি কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে কি না, তা প্রতিবেদনে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। মাইক্রোসফট জানিয়েছে, গত অর্থবছরে তাদের করা এইচ-১বি ভিসার আবেদনের প্রায় ৮০ শতাংশই ছিল আগে থেকে কর্মরত ব্যক্তিদের ভিসার মেয়াদ বাড়ানো বা তাদের অবস্থার পরিবর্তনের জন্য; নতুন কর্মী নিয়োগের জন্য নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, স্থায়ী শ্রম সনদ কর্মসূচিতে সবচেয়ে বেশি আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে মাইক্রোসফট অন্যতম।

বিশ্লেষকদের মতে, স্বল্প মেয়াদে ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর বড় ধরনের প্রভাব নাও পড়তে পারে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে অনিশ্চয়তা চললে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মী নিয়োগ, স্থানীয় কর্মী দিয়ে কাজ করানো এবং আইনি শর্ত পূরণের ব্যয় বাড়তে পারে। এতে প্রতিষ্ঠানগুলোর মুনাফার ওপর চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আইসিআইসিআই সিকিউরিটিজের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে জমা দেওয়া স্থায়ী শ্রম সনদের আবেদনের দুই শতাংশেরও কম ছিল ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর। তবে স্থায়ী বসবাসের সুযোগ অনিশ্চিত হয়ে পড়লে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত কর্মীদের প্রতিষ্ঠান ছেড়ে যাওয়ার প্রবণতা বাড়তে পারে।

ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের সংগঠন ন্যাসকম জানিয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রতিষ্ঠানগুলো এইচ-১বি ভিসার ওপর নির্ভরতা কমিয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রে স্থানীয় কর্মী নিয়োগ বাড়িয়েছে। তাদের মতে, এইচ-১বি ভিসা থেকে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পাওয়ার জন্য স্থায়ী শ্রম সনদ কর্মসূচি ব্যবহার করেন তুলনামূলক কমসংখ্যক কর্মী।

ভারতের বৃহত্তম তথ্যপ্রযুক্তি সেবা রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান টাটা কনসালট্যান্সি সার্ভিসেস জানিয়েছে, এই স্থগিতাদেশে তাদের কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা বা গ্রাহকদের সেবা দেওয়ার কাজে প্রভাব পড়বে বলে তারা মনে করছে না। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, গত দুই বছরে স্থায়ী শ্রম সনদের জন্য তাদের আবেদন ছিল খুবই কম।

ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অবস্থান

ট্রাম্প প্রশাসন এইচ-১বি ভিসা ও স্থায়ী শ্রম সনদ কর্মসূচির অপব্যবহার, মজুরি কম দেওয়া এবং ভুয়া আবেদনসংক্রান্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখার উদ্যোগ জোরদার করেছে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে শ্রম দপ্তর ‘প্রজেক্ট ফায়ারওয়াল’ নামে একটি তদারকি কার্যক্রম শুরু করে। একই বছরের সেপ্টেম্বরে বিদেশ থেকে নিয়োগ করা কর্মীদের জন্য নতুন এইচ-১বি আবেদনে এককালীন এক লাখ ডলারের ফি আরোপের ঘোষণাও আসে।

এর আগে গত মাসে কগনিজ্যান্টের গ্রিন কার্ডসংক্রান্ত আবেদন স্থগিত করা হয়। পাশাপাশি এইচ-১বি ভিসা ও স্থায়ী শ্রম সনদ ব্যবস্থায় সম্ভাব্য জালিয়াতি এবং মানব পাচারের অভিযোগ নিয়ে তদন্ত শুরু করেন কর্মকর্তারা।

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম দপ্তরের দাবি, ২০০৯ সাল থেকে সংশ্লিষ্ট ছয়টি প্রতিষ্ঠান প্রায় ৩০ লাখ বিদেশি কর্মীর জন্য আবেদন করেছে। এর মধ্যে দুই লাখ ৩০ হাজারের বেশি এইচ-১বি ভিসার অনুমোদন এবং এক লাখের বেশি স্থায়ী শ্রম সনদ পেয়েছে বলে জানিয়েছে দপ্তর।

যুক্তরাষ্ট্রে দক্ষ বিদেশি কর্মী নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক দীর্ঘদিনের। সমালোচকদের অভিযোগ, কিছু প্রতিষ্ঠান তুলনামূলক কম মজুরিতে বিদেশি কর্মী নিয়োগ করে মার্কিন কর্মীদের চাকরির সুযোগ ক্ষতিগ্রস্ত করছে। অন্যদিকে, প্রতিষ্ঠানগুলোর বক্তব্য ও খাতসংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর দাবি, বিদেশি দক্ষ কর্মী নিয়োগের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে স্থানীয় কর্মী নিয়োগও বাড়ানো হচ্ছে।

সব মিলিয়ে, নতুন স্থগিতাদেশে ভারতীয় কর্মীদের স্থায়ী বসবাসের পথ আরও অনিশ্চিত হতে পারে। তবে ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব কতটা হবে, তা নির্ভর করবে স্থগিতাদেশ কত দিন বহাল থাকে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সরকার পরবর্তী সময়ে কী পদক্ষেপ নেয় তার ওপর।

সূত্র: দ্য ইন্ডিপ্যান্ডেন্ট

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের বাজারে আজ ২২ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৫ পি.এম


দেশের বাজারে আজ ২২ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকায়

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশের বাজারে সোনার দাম বৃদ্ধি করেছে। নতুন সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে, প্রতি ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। ফলে শনিবার (১০ অক্টোবর) নতুন নির্ধারিত দামে সোনা বিক্রি হচ্ছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৯৯ টাকা বৃদ্ধি করে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা বৃদ্ধি করে ১ লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকা করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা বৃদ্ধি করে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে, গত ৫ অক্টোবর বাজুস সোনার দাম কমিয়েছিল। ওই দিন ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। একই সময়ে ২১ ক্যারেটের সোনার দাম ১ হাজার ৫৭৪ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ১৮ হাজার ৮১৭ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের সোনার দাম ১ হাজার ৩৪১ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৯০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

এছাড়া, সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

অর্থাৎ, ৫ অক্টোবর দাম কমানোর চার দিনের মধ্যে আবারও সোনার দাম বাড়িয়েছে বাজুস। নতুন করে দাম সমন্বয় না হওয়া পর্যন্ত দেশের বাজারে এই দামে সোনার গহনা বিক্রি হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বজ্র ও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৬ পি.এম


দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বজ্র ও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশ ছেড়ে চলে গেছে। আগামী ১৩ অক্টোবরের মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপের সৃষ্টি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এর ফলে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি কিছু স্থানে মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টিও হতে পারে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টা বা পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক স্থানে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে, তবে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে। এ দিন সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের অন্যত্র আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে, তবে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বৃষ্টির প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে। এ সময় খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক স্থানে এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-এক স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একইসাথে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ দিন সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

এদিকে, পূর্বাভাসে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, পরবর্তী পাঁচ দিনেও দেশে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষার্থীদের দাবিতে রুয়েটের হলে লিফট চালু করতে প্রশাসনের দৃশ্যমান তৎপরতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৭ পি.এম


শিক্ষার্থীদের দাবিতে রুয়েটের হলে লিফট চালু করতে প্রশাসনের দৃশ্যমান তৎপরতা

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) নবনির্মিত ছাত্র হল-১ এর বহুতল ভবনে লিফট চালু করার জন্য শিক্ষার্থীদের দাবির পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সরেজমিনে পর্যবেক্ষণে নেমেছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের কর্মকর্তারা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি উপস্থিত থেকে লিফটের কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন।

কাজ পরিদর্শন কালে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা নির্ধারিত তারিখে লিফট চালু না হওয়ার কারণ জানতে প্রশ্নের সম্মুখীন হন। ঠিকাদার ও লিফট সংযোগকারী প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীদের কাজ সম্পন্ন করতে বিলম্ব হওয়া এবং বারবার নির্ধারিত সময় অতিক্রম হওয়ার কারণ দর্শাতে বলা হয়। প্রকৌশলীরা তাদের গাফিলতি ও প্রশাসনকে যথাযথ অবহিত না করার বিষয়টি স্বীকার করেন।

এদিকে, লিফট চালুর প্রসঙ্গে প্রশাসন একাধিকবার সময় নির্ধারণ করে দিলেও তা বাস্তবায়ন করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান। সর্বশেষ ১০ অক্টোবর লিফট হস্তান্তরের কথা জানানো হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা সম্ভব হয়নি। পরে আগামী ১৬ অক্টোবর সকালে এটি চালু করা হবে বলে জানান তারা।

সরেজমিনে পরিদর্শনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. এইচ এম রাসেল জানান, “লিফট সংযোগকারী প্রতিষ্ঠানকে বারবার তাগাদা দেওয়া সত্ত্বেও তারা যথাসময়ে কাজ সম্পন্ন করেনি। বিভিন্ন সময়ে কালক্ষেপণ করেছে, যার ফলে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের কষ্টের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আমরা প্রতিষ্ঠানকে কঠোরভাবে নির্দেশ দিয়েছি, যেন দ্রুত লিফট চালু করে। এর মাঝে ১০ অক্টোবরের চালুর কথা থাকলেও তারা ব্যর্থ হয়েছে। এ কারণে আজ সরাসরি কাজের অগ্রগতি দেখে তাদের আবারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ১৬ অক্টোবর সকালে লিফট চালু করে দিবে বলে তারা জানিয়েছে। আমরা আশা করছি, এবার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন হলে শিক্ষার্থীদের স্বস্তি নিশ্চিত হবে।”

উল্লেখ্য, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের বারবার গাফিলতিতে লিফট স্থাপনের কাজ দীর্ঘদিন ধরে ধীরগতিতে চলেছে। এমনকি কাজ এর মাঝে বন্ধও ছিল বলে জানা যায়। ফলে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও লিফট চালু করা সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় দীর্ঘদিনের ভোগান্তি নিরসনে প্রশাসনের সরাসরি উপস্থিতি ও অগ্রগতি তদারকি শিক্ষার্থীদের কাছে একটি দৃশ্যমান পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এর আগে গত ৩ অক্টোবর দ্রুত লিফট চালুর দাবিতে উপাচার্যের বাসভবনের উদ্দেশ্যে লং মার্চ করেন ছাত্র হল-১ এর আবাসিক শিক্ষার্থীরা। প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীর আবাসিক এ হলটিতে দীর্ঘদিন ধরে লিফট চালুর দাবি জানানো হলেও কার্যকর সমাধান না আসায় তাদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। শিক্ষার্থীরা উপাচার্য বরাবর একটি লিখিত আবেদন জমা দিলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত লিফট চালুর বিষয়ে আশ্বাস দেওয়া হয়।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, নবনির্মিত ১০ তলা ভবনটিতে বসবাস শুরু করার পর থেকে ক্লাস, ল্যাব, পরীক্ষা ও ডাইনিংয়ে যাতায়াতের জন্য প্রতিদিন একাধিকবার সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করতে হচ্ছে। এতে বিশেষ করে ওপরের তলাগুলোর শিক্ষার্থীদের শারীরিক ভোগান্তি বেড়েছে। কোনো শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত নিচে নামানো কিংবা জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করাও কঠিন হয়ে পড়ে।

হল-১ এর লিফট চালু না থাকলেও একই সময়ে নির্মিত পাশের ছাত্র হল-২ এর দুটি লিফট গত ২০ আগস্ট চালু করা হয়। এ বৈষম্যের কারণে হল-১ এর শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ আরও বাড়ে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. এইচ এম রাসেল মুঠোফোনে তাদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি দায়িত্ব নিয়ে লিফট চালুর ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়েছিলেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ ৯ অক্টোবর রাতে পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের কর্মকর্তারা সরাসরি উপস্থিতি ও কাজের অগ্রগতির জবাবদিহি প্রশাসনের তৎপরতা সুস্পষ্ট করে। সর্বশেষ সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ১৬ অক্টোবর সকালে লিফট চালু হওয়ার কথা রয়েছে। শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা, এবার যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করে লিফট চালু করা হয় এবং তাদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%