ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আকাশসীমা সুরক্ষায় ৩,৮০০ স্থানে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন ইরানের


আকাশসীমা সুরক্ষায় ৩,৮০০ স্থানে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন ইরানের

ইরানের সেনাবাহিনীর বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপ-সমন্বয়ক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাদেঘিয়ান জানিয়েছেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে ৩ হাজার ৮০০টিরও বেশি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছে। এই তথ্য মেহের নিউজ এজেন্সির মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) টেলিভিশনে সম্প্রচারিত একটি সাক্ষাৎকারে তিনি খাতাম আল-আনবিয়া এয়ার ডিফেন্স বেসের প্রতিষ্ঠাবর্ষিকী ও জাতীয় বিমান প্রতিরক্ষা দিবস উপলক্ষে এই বিষয়গুলো তুলে ধরেন।

সাদেঘিয়ান বলেন, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রধান চারটি দায়িত্ব হলো আকাশপথে আসা লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করা, নজরদারি চালানো, বাধা প্রদান এবং প্রয়োজনে তা ধ্বংস করা। তার মতে, আকাশ প্রতিরক্ষার মূল কাজ হলো ইরানের আকাশসীমা এবং এর বাইরেও যেকোনো উড়ন্ত বস্তুকে শনাক্ত করা। এরপর সেগুলোর পরিচয় নির্ধারণ করা হয় এবং প্রয়োজন হলে যুদ্ধবিমান বা ক্ষেপণাস্ত্রভিত্তিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

তিনি আরও বলেন, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো শত্রুপক্ষের বিমানকে তাদের মিশন সম্পন্ন করতে বাধা দেওয়া এবং প্রয়োজনে তা ধ্বংস করা।

যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির পাশাপাশি শান্তিকালেও আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে উল্লেখ করে সাদেঘিয়ান বলেন, ইরানের আকাশসীমায় প্রবেশকারী সব যাত্রীবাহী বিমান, বিভিন্ন শহরের মধ্যে চলাচলকারী উড়োজাহাজ এবং উদ্ধার কার্যক্রমসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হেলিকপ্টার ও বিমান আকাশ প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষের সমন্বয় ও অনুমতির আওতায় পরিচালিত হয়।

তিনি আরও জানান, মরুভূমি, উপকূল, দ্বীপাঞ্চল এবং পার্বত্য এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন ভৌগোলিক অঞ্চলে প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন রয়েছেন।

সাদেঘিয়ান বলেন, উন্নত রাডার নেটওয়ার্ক, ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল ব্যবস্থা এবং আধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত নজরদারি ইউনিটগুলো ২৪ ঘণ্টা ইরানের আকাশসীমা ও এর বাইরের আকাশপথ পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশকেকে শুরু এসসিও শীর্ষ সম্মেলন, অংশ নিচ্ছেন চীন-রাশিয়াসহ ৯ দেশের নেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১৪ পি.এম


বিশকেকে শুরু এসসিও শীর্ষ সম্মেলন, অংশ নিচ্ছেন চীন-রাশিয়াসহ ৯ দেশের নেতা

ইউরেশীয় অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ জোট সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) রাষ্ট্রপ্রধানদের বৈঠক শুরু হয়েছে। কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনের আয়োজক কিরগিজস্তানের প্রেসিডেন্ট সাদির জাপারভ ইয়ন্তিমাক অর্দো কমপ্লেক্সে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের স্বাগত জানান। এরপর নেতারা ঐতিহ্যবাহী দলীয় ছবিতে অংশগ্রহণ করেন।

জাপারভ উদ্বোধনী বক্তব্যে উল্লেখ করেন, এ বছর এসসিও প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পূর্তি হচ্ছে। এবারের সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে—‘টেকসই শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য একসঙ্গে’ বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, শুরুতে সীমান্ত নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দেওয়া এই সংগঠন বর্তমানে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি প্রভাবশালী বৈশ্বিক জোটে পরিণত হয়েছে।

জাপারভের বক্তব্য অনুযায়ী, এসসিওর সদস্য দেশগুলোতে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশের বেশি মানুষের বসবাস রয়েছে। পাশাপাশি, বৈশ্বিক মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় এক-চতুর্থাংশ এই দেশগুলোর অন্তর্ভুক্ত।

কিরগিজস্তানের এসসিও সভাপতিত্বের মূল দর্শন হিসেবে জাপারভ উল্লেখ করেন, ‘ঐক্যই সমৃদ্ধির ভিত্তি’—যা তার মতে ‘সাংহাই স্পিরিট’-এর মূল ভাবনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সদস্য দেশগুলো সমন্বিতভাবে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে এসসিওর উন্নয়নে নতুন অধ্যায় শুরু করবে। এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রপ্রধানদের কাউন্সিলের বৈঠক উদ্বোধন করেন।

এরপর নেতারা রুদ্ধদ্বার বৈঠকে অংশ নেন। সম্মেলনের শেষে সংগঠনের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘বিশকেক ঘোষণা’ সই করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সম্মেলনে অংশ নেওয়া নেতাদের মধ্যে রয়েছেন—

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান

বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার লুকাশেঙ্কো

কাজাখস্তানের প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ট তোকায়েভ

তাজিকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইমোমালি রহমান

উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্ট শাভকাত মির্জিয়য়েভ।

রাষ্ট্রপ্রধানদের বৈঠক শেষে ‘এসসিও প্লাস’ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এতে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

তুরস্ক এসসিওর পূর্ণ সদস্য নয়, তবে ২০১২ সাল থেকে দেশটি সংগঠনটির ‘ডায়ালগ পার্টনার’ হিসেবে যুক্ত রয়েছে।

তথ্যসূত্র: আনাদোলু

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রথমবার অবসরের পর মেসিকে নিয়ে যা বলেছিলেন রোনালদো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১৭ পি.এম


প্রথমবার অবসরের পর মেসিকে নিয়ে যা বলেছিলেন রোনালদো

আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি আন্তর্জাতিক ফুটবলকে চিরতরে বিদায় জানিয়েছেন, যিনি বিশ্বকাপে শিরোপা ধরে রাখার চেষ্টা করতে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন। ফাইনালে পরাজয়ের কয়েক সপ্তাহ পরেই সাবেক বার্সেলোনা তারকা এই অবসরের ঘোষণা দেন।

সোমবার (৩১ আগস্ট) মেসি নিশ্চিত করেছেন যে, তিনি আর কখনো আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে জড়াবেন না।

এটি তার প্রথম অবসর নয়; এর আগে তিনি আন্তর্জাতিক ফুটবলের আঙিনাকে বিদায় জানিয়েছিলেন। ২০১৬ সালের কোপা আমেরিকা ফাইনালে চিলির কাছে আর্জেন্টিনা পরাজিত হওয়ার পর মেসি প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের কথা জানান, যা গোটা ফুটবল বিশ্বকে বিস্মিত করে। সেই সময় তার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছিলেন।

২০১৬ সালের কোপা আমেরিকা ফাইনালে টাইব্রেকারে শট মিস করার পর মেসি জাতীয় দলের হয়ে আর কখনো না খেলার সিদ্ধান্ত নেন। টানা ফাইনালে পরাজয়ের দুঃখে ভেঙে পড়ার কারণে তার এই সিদ্ধান্ত বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনকে চরম ধাক্কা দিয়েছিল, বিশেষ করে তার বয়স মাত্র ২৯ বছর হওয়ায়।

রোনালদো তখন মুন্দো দেপোর্তিভোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মন্তব্য করেন, "মেসি একটি কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং মানুষের তা বোঝা উচিত।" তিনি আরও বলেন, "সে হার বা হতাশা দেখতে অভ্যস্ত নয়, রানার্সআপ হওয়া তো দূরের কথা। একটি পেনাল্টি মিস করলেই কেউ খারাপ খেলোয়াড় হয়ে যায় না। মেসিকে কাঁদতে দেখাটা কষ্টদায়ক এবং আমি আশা করি সে তার জাতীয় দলে ফিরে যাবে, কারণ তার এটি প্রয়োজন।"

পরে মেসি সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। অবসর ভেঙে জাতীয় দলের নীল-সাদা জার্সি গায়ে এই ক্ষুদে জাদুকর তার প্রত্যাবর্তন ঘটান এবং দেশের হয়ে ২০২১ ও ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকা এবং ২০২২ সালের ফিফা বিশ্বকাপ শিরোপা জেতেন।

যদিও এবারের ঘোষণার পর মেসির ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা খুবই কম, তবে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এখনো নিজের আন্তর্জাতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে চূড়ান্ত কোনো ঘোষণা দেননি।

 

 

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যক্তিগত চ্যাট গোপন রাখতে হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ফিচার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১৯ পি.এম


ব্যক্তিগত চ্যাট গোপন রাখতে হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ফিচার

ব্যক্তিগত কথোপকথনের গোপনীয়তা রক্ষার জন্য হোয়াটসঅ্যাপ ‘চ্যাট লক’ নামে একটি নিরাপত্তা ফিচার চালু করেছে। এই ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা নির্দিষ্ট চ্যাটগুলোকে সাধারণ ইনবক্স থেকে সরিয়ে একটি আলাদা সুরক্ষিত ফোল্ডারে রাখতে পারেন। ফলে অন্য কেউ ফোনটি ব্যবহার করলেও সেই কথোপকথন সহজে দেখতে পারবে না।

হোয়াটসঅ্যাপে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণে ব্যক্তিগত বার্তা, ছবি, ভিডিও এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি আদান-প্রদান হয়ে থাকে। এই কারণে ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চ্যাট লক সুবিধাটি চালু করেছে প্ল্যাটফর্মটি। লক করা চ্যাটে প্রবেশ করতে ফোনের পাসকোড, ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ফেস আইডি অথবা ব্যবহারকারীর নির্ধারিত সিক্রেট কোড প্রয়োজন হয়।

চ্যাট লক সক্ষম করতে প্রথমে যে ব্যক্তির কথোপকথন সুরক্ষিত রাখতে চান, সেই চ্যাটটি খুলতে হবে। এরপর চ্যাটের সেটিংস বা অপশন মেনু থেকে ‘চ্যাট লক’ নির্বাচন করলে কথোপকথনটি ‘লকড চ্যাটস’ ফোল্ডারে স্থানান্তরিত হবে। একবার লক করা হলে সেটি আর সাধারণ চ্যাট তালিকায় দেখা যাবে না। প্রয়োজন হলে একই পদ্ধতি অনুসরণ করে পরে আনলকও করা যাবে।

এই ফিচারের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, লক করা চ্যাটে নতুন বার্তা এলে নোটিফিকেশনে সাধারণত বার্তার বিস্তারিত তথ্য প্রদর্শিত হয় না। এর ফলে ফোনের স্ক্রিনে অন্য কারও সামনে ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ পাওয়ার ঝুঁকি কমে যায়।

নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে হোয়াটসঅ্যাপে ‘সিক্রেট কোড’ ব্যবহারের সুবিধাও রয়েছে। এই সুবিধা অ্যান্ড্রয়েড এবং আইফোন—দুই প্ল্যাটফর্মেই পাওয়া যায়। সিক্রেট কোড ব্যবহার করে শুধু চ্যাট নয়, ‘লকড চ্যাটস’ ফোল্ডারটিকেও আড়ালে রাখা সম্ভব। এতে অন্য কেউ সহজে বুঝতে পারবে না যে ফোনে কোনো লুকানো চ্যাট রয়েছে।

সিক্রেট কোড দিয়ে লুকানো চ্যাট দেখতে হলে হোয়াটসঅ্যাপের সার্চ বক্সে নির্ধারিত কোড লিখতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় ধাপ অনুসরণ করলে লক করা চ্যাটগুলো দেখা যাবে।

তবে চ্যাট লক করলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কল আসা বন্ধ হয় না। অর্থাৎ ওই ব্যক্তি হোয়াটসঅ্যাপে কল করলে ব্যবহারকারী স্বাভাবিকভাবেই কল গ্রহণ করতে পারবেন। এই ফিচারটি মূলত কথোপকথনকে সাধারণ চ্যাট তালিকা থেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

এ ছাড়া নতুন ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যাকআপ পুনরুদ্ধার (রিস্টোর) করলে পূর্বে লক করা চ্যাটগুলো সাধারণত লক অবস্থাতেই থাকে। ফলে ডিভাইস পরিবর্তনের পরও ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা বজায় রাখা সম্ভব। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চ্যাট লকের পাশাপাশি শক্তিশালী স্ক্রিন লক, বায়োমেট্রিক নিরাপত্তা এবং হোয়াটসঅ্যাপের সর্বশেষ সুরক্ষা সুবিধা ব্যবহার করলে গোপনীয়তা আরও ভালোভাবে নিশ্চিত করা যায়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসির সঙ্গে বৈঠক স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নিরপেক্ষতা নিয়ে শঙ্কায় জামায়াত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২১ পি.এম


ইসির সঙ্গে বৈঠক  স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নিরপেক্ষতা নিয়ে শঙ্কায় জামায়াত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সচিবালয় ও নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত প্রতিনিধিদল প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ পুরো কমিশনকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে ৯ দফা সুনির্দিষ্ট লিখিত দাবি পেশ করেছে। বৈঠক শেষে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম পরওয়ার সাংবাদিকদের কাছে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এই মন্তব্য করেন।

গোলাম পরওয়ার জানান, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও সর্বজনগ্রাহ্য করার লক্ষ্যে তারা এসব দাবি উত্থাপন করেছেন। তিনি কমিশনের কিছু বিষয়ে অসহায়ত্ব পরিলক্ষিত হওয়ার কথা উল্লেখ করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং নির্বাচন কমিশন কি কোনো বিশেষ দলীয় সরকারের চাপের মুখে কাজ করছে কিনা, সে বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন।

জামায়াতের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল, বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য ঘোষণা সংক্রান্ত নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করা। জামায়াতের এই নেতা জানান, দীর্ঘকাল ধরে বাংলাদেশের শিক্ষকরা প্রতিটি স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পাশাপাশি রাজনীতি ও ভোটাধিকার প্রয়োগে অংশগ্রহণ করে আসছেন। এমনকি সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারা অংশগ্রহণ করেছেন। এই অবস্থায় কেবল স্থানীয় নির্বাচনে শিক্ষকদের প্রার্থী হওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা সংবিধানের ২৭ ও ২৮ অনুচ্ছেদে বর্ণিত নাগরিকদের সমানাধিকারের নীতির সম্পূর্ণ পরিপন্থি এবং এটি একটি সুস্পষ্ট বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা। নির্বাচন কমিশনকে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করার জন্য তারা জোর তাগিদ দিয়েছেন, অন্যথায় তা আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে বলে জানান।

প্রতিনিধিদলের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল, যেসব রাজনৈতিক দলের রাজনীতি ও যাবতীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে, সেই দলের পদ-পদবিধারী নেতাদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে না দেওয়ার। নিষিদ্ধ কোনো দলের পদধারী নেতা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করাটা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে পড়ে এবং এটি জনগণের ধারণার পরিপন্থি। তাই স্বচ্ছতার স্বার্থে যেকোনো নিষিদ্ধ সংগঠনের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করার দাবি জানায় জামায়াত। তবে সাধারণ সমর্থকদের বিষয়ে কোনো বিধিনিষেধের কথা তারা উল্লেখ করেননি।

বৈঠকে সম্প্রতি ইসি সচিবালয়ে নিয়োগপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব শামসুল আলমের নিয়োগ নিয়েও তীব্র আপত্তি জানানো হয়। গোলাম পরওয়ার জানান, ওই কর্মকর্তা সরাসরি বিএনপির নির্বাচন বিষয়ক সাব-কমিটির একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন, যা সম্পূর্ণ সংবিধান ও নিরপেক্ষ নির্বাচনি ব্যবস্থার বিরুদ্ধে। গত বৈঠকেও এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল উল্লেখ করে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, কমিশন তাদের উদ্বেগের সত্যতা স্বীকার করলেও নিজেদের নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ না হওয়ার অজুহাতে বিষয়টি কেবল সরকারকে জানানোর প্রতিশ্রুতিতে সীমাবদ্ধ রেখেছে। একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের রাজনৈতিক নিয়োগ দ্রুত বাতিল করার জোর দাবি জানানো হয়।

উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষগুলোতে সম্প্রতি দলীয় ব্যক্তিদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াত। দলটির অভিযোগ, সরকারি অর্থ, এডিপি বরাদ্দ ও অন্যান্য সুবিধা ব্যবহার করে আসন্ন নির্বাচনে দলীয় সুবিধা হাসিলের পথ তৈরি করতেই তাদের এই পদে বসানো হয়েছে। তাই নির্বাচনে নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে এসব পদে নিয়োজিত প্রশাসকদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ স্থায়ীভাবে রদ করার দাবি জানান তারা।

জামায়াত স্পষ্ট করে জানিয়েছে, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর এসব পদ থেকে পদত্যাগ করলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যেন এই নির্বাচনে অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হন, সেই নিয়ম বলবৎ করতে হবে। এছাড়া নির্বাচনে মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং অন্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ব্যক্তিবর্গের যে কোনো ধরণের প্রচারণা বন্ধে কঠোর আচরণবিধি প্রণয়নেরও দাবি জানানো হয়।

সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে গোলাম পরওয়ার জানান, ইসি কিছু বিষয়ে একমত হলেও মূল জায়গায় তারা অসহায়ত্ব প্রকাশ করেছে। তবে তারা আশাবাদী যে জনদাবি ও সিভিল সোসাইটির পর্যালোচনার মুখে কমিশন এসব মেনে নিতে বাধ্য হবে। স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন যে, স্থানীয় নির্বাচন যেহেতু দলীয় প্রতীকে হচ্ছে না, তাই দল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে না; বরং স্বতন্ত্র ভিত্তিতে যার যার জায়গা থেকে আগ্রহী প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

জাতীয় নির্বাচনের জন্য গঠিত ১১ দলীয় ঐক্যের কথা তুলে ধরে তিনি স্পষ্ট করেন, সেই ঐক্য কেবল জাতীয় নির্বাচনের জন্যই সীমাবদ্ধ, স্থানীয় নির্বাচনে দলগতভাবে যার যার মতো অংশগ্রহণে কোনো বাঁধা বা সমঝোতার শর্ত থাকছে না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%