ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের জিএম জিল্লুর রহমান বদলি


হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের জিএম জিল্লুর রহমান বদলি

আরটিভিতে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. জিল্লুর রহমানকে বদলি করা হয়েছে। বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের একটি অফিস আদেশে তাকে হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি থেকে পিরোজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) জারি করা ওই অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, কাজের স্বার্থে ও জনস্বার্থে জিল্লুর রহমানকে বদলি করা হয়েছে।

এর আগে গত ২১ সেপ্টেম্বর আরটিভিতে ‘জলে কুমির, ডাঙায় বাঘ- এই পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তা’ শিরোনামে জিল্লুর রহমানের উপর একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে আরও কয়েকটি গণমাধ্যমেও সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা, গ্রাহকের বিরুদ্ধে মামলা এবং মামলা মীমাংসার নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে জিএম জিল্লুর রহমানের বিরুদ্ধে। এছাড়া চারটি সাবস্টেশন নির্মাণের জন্য ভূমি ক্রয় ও টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ বিল আদায়ের ক্ষেত্রে স্বজনপ্রীতির অভিযোগও উঠে এসেছে।

এদিকে পল্লী বিদ্যুৎ সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, জিল্লুর রহমানের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জিল্লুর রহমানের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। তার বদলির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, "বদলি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নিয়মিত কার্যক্রম; এটি কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নয়।"

অফিস আদেশে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই আদেশে কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মো. ইসমাত কামালকেও হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে বদলি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ মঈনুল হাসানের স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জিল্লুর রহমানের বদলির আদেশ প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন আইনে ফেডারেল অভিবাসন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার সুযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৪ পি.এম


নতুন আইনে ফেডারেল অভিবাসন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার সুযোগ

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নতুন একটি আইন কার্যকর হওয়ার পর ফেডারেল অভিবাসন কর্মকর্তাদের (মার্কিন অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা- আইসিই) বিরুদ্ধে মামলা করার ক্ষেত্রে সংশোধনী এনেছেন তিন মার্কিন নাগরিক। তাদের অভিযোগ, অভিবাসন কর্মকর্তারা অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করে তাদের সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করেছেন।

গভর্নর গ্যাভিন নিউসম গত মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ‘নো কিংস অ্যাক্ট’ নামে পরিচিত নতুন আইনটিতে স্বাক্ষর করেছেন। সিনেটর স্কট ওয়েনারের প্রস্তাবিত এই আইনটির ফলে ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দারা ফেডারেল কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা করতে পারবেন, যদি তারা সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘনের শিকার হন। আইনটি ২০২৫ সালের ১ মার্চ থেকে কার্যকর হবে।

আইনটি কার্যকর হওয়ার পর লস অ্যাঞ্জেলেসের আইনজীবী মারিয়া গার্সিয়া বালদিজোন তিন মার্কিন নাগরিকের হয়ে করা মামলায় সংশোধনী আনেন। এসব মামলায় যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ এবং পরিচয় প্রকাশ না করা কয়েকজন ফেডারেল কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছে।

তিন বাদীর একজন, পূর্ব লস অ্যাঞ্জেলেসের বাসিন্দা হাভিয়ের রামিরেজ, যিনি একজন মার্কিন নাগরিক। রামিরেজের অভিযোগ, ফেডারেল কর্মকর্তারা তার নিজ বাড়ির এলাকায় গিয়ে তাকে ধরে মাটিতে ফেলে দেন। ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজও মামলায় উপস্থাপন করা হয়েছে।

রামিরেজের ভাষ্য, একজন কর্মকর্তা তাকে দেখিয়ে বলেন, ‘ওকে ধরে ফেলো, সে মেক্সিকান।’ তিনি তখন নিজেকে মার্কিন নাগরিক বলে পরিচয় দেন। পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হলেও আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ কিংবা চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

রামিরেজ বলেন, তাকে কেন আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, তা তিনি বুঝতে পারেননি। কর্মকর্তারা তাকে গ্রেপ্তারে বাধা দেওয়া এবং ফেডারেল তদন্তে প্রতিবন্ধকতা তৈরির অভিযোগে আটক করেছিলেন বলে জানান তিনি।

অন্য একটি মামলার বাদী ক্যারি লোপেজ। তিনি নয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় অভিবাসন কর্মকর্তাদের দ্বারা একটি গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা দিয়ে আটকে রাখার অভিযোগ করেছেন। তার আইনজীবীর দাবি, ওই ঘটনার পর লোপেজকে আটক করা হয় এবং পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনার মানসিক ও শারীরিক আঘাতের কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই তার সন্তান জন্ম নেয় বলে তিনি দাবি করেছেন।

তৃতীয় বাদীর অভিযোগ, কয়েকজন অভিবাসন কর্মকর্তাকে কয়েকজন তরুণের সঙ্গে কথা বলতে দেখে তিনি ঘটনাটি ভিডিও করছিলেন। পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আইনজীবীর দাবি, ওই ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি হন এবং তার হাত, কাঁধ ও পিঠে আঘাত লাগে।

বাদীদের আইনজীবী মারিয়া গার্সিয়া বালদিজোন বলেন, তার মক্কেলরা অপরাধী নন। তারা নিজেদের স্বাভাবিক কাজ করছিলেন এবং তারা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। তার অভিযোগ, এরপরও তাদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

নতুন আইনটির উদ্যোক্তা সিনেটর স্কট ওয়েনার বলেন, ফেডারেল কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে মামলা করার ক্ষেত্রে যে আইনি জটিলতা ছিল, নতুন আইনটি তা দূর করবে। তার মতে, যদি কোনো ফেডারেল কর্মকর্তা সংবিধান লঙ্ঘন করেন, তবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি আদালতে গিয়ে ক্ষতিপূরণ চাইতে পারবেন।

তবে নতুন আইনটির সমালোচনাও রয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়ার কেন্দ্রীয় জেলার যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি বিল এসাইলি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন, ফেডারেল কর্মকর্তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে হলে ফেডারেল নির্বাচনে জয়ী হতে হবে এবং ক্যালিফোর্নিয়া সরকারের ওপর ফেডারেল কর্মকর্তাদের কোনো এখতিয়ার নেই।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

ক্যালিফোর্নিয়া সরকারের তথ্য অনুযায়ী, নতুন আইনের মাধ্যমে ফেডারেল কর্মকর্তাদের সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে দেওয়ানি মামলার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

সূত্র: ফক্স এলিভেন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় পথশিশু দিবস আজ, পথেই কাটছে যাদের শৈশব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৫ পি.এম


জাতীয় পথশিশু দিবস আজ, পথেই কাটছে যাদের শৈশব

আজ ২ অক্টোবর জাতীয় পথশিশু দিবস। দেশের বিভিন্ন শহরের রাস্তায় জীবন কাটাচ্ছে বহু শিশু, যারা শিক্ষা, নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও স্বাভাবিক শৈশবের সুযোগ থেকে বঞ্চিত। বিভিন্ন জরিপ ও প্রতিবেদনে তাদের কঠিন জীবনযাপন, শিশুশ্রম, নির্যাতন ও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হওয়ার চিত্র উঠে এসেছে।

বাংলাদেশে পথশিশুর মোট সংখ্যা নিয়ে সরকারি নির্দিষ্ট হিসাব হালনাগাদ নেই। তবে ২০২৪ সালের ইউনিসেফের ‘চিলড্রেন লিভিং ইন স্ট্রিট সিচুয়েশনস ইন বাংলাদেশ ২০২৪’ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশে ৩৪ লাখের বেশি শিশু মা-বাবার সরাসরি যত্ন ছাড়া পথের পরিস্থিতিতে রয়েছে। এই প্রতিবেদনটি ৪০০-এর বেশি শিশুর অভিজ্ঞতা ও দেশের বিভিন্ন জেলার পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।

স্কুলের বদলে রাস্তায় শৈশব

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ‘পথশিশু জরিপ ২০২২’ অনুযায়ী, দেশের আট বিভাগ ও ঢাকার বিভিন্ন পথশিশুদের হটস্পট থেকে ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী ৭ হাজার ২০০ শিশুর তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। জরিপে দেখা যায়, প্রায় ৪০ শতাংশ পথশিশু কখনো কোনো স্কুলে ভর্তি হয়নি। স্কুলে যাওয়া শিশুদের মধ্যে ৫৬ দশমিক ৬ শতাংশ পঞ্চম শ্রেণি শেষ করতে পারেনি। মাত্র ৮ দশমিক ৮ শতাংশ পঞ্চম শ্রেণি শেষ করতে সক্ষম হয়েছে।

একই জরিপে দেখা যায়, ৭১ দশমিক ৮ শতাংশ পথশিশু পড়তে বা লিখতে পারে না। অর্থাৎ, শৈশবের গুরুত্বপূর্ণ সময়ের একটি বড় অংশ তাদের শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে কাটছে।

জীবিকার জন্য শিশুশ্রম

‘পথশিশু জরিপ ২০২২’ অনুযায়ী, পথশিশুদের একটি বড় অংশ জীবিকার সঙ্গে যুক্ত। ছেলে পথশিশুদের ৯২ দশমিক ১ শতাংশ এবং মেয়ে পথশিশুদের ৮৪ দশমিক ৫ শতাংশ কোনো না কোনো কাজে যুক্ত রয়েছে।

কাজের ধরনেও বৈচিত্র্য রয়েছে। ২০ দশমিক ৯ শতাংশ শিশু আবর্জনা সংগ্রহ করে, ১৮ দশমিক ৪ শতাংশ ভিক্ষা বা ভিক্ষায় সহায়তা করে, ১৬ শতাংশ পরিবহন ও নির্মাণসংক্রান্ত কাজে যুক্ত এবং ১৪ দশমিক ৮ শতাংশ দোকান, রেস্তোরাঁ ও চায়ের দোকানে কাজ করে। এছাড়া ৫ শতাংশের কম শিশু ঝাড়ু দেওয়া ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে যুক্ত রয়েছে।

জরিপে আরও দেখা যায়, প্রায় অর্ধেক কর্মজীবী পথশিশুকে নয় বছর বয়সের আগেই কাজে নামতে হয়েছে। বেশির ভাগ শিশু সপ্তাহে ৩০ থেকে ৪০ ঘণ্টা কাজ করে এবং তাদের বড় অংশ সপ্তাহে এক হাজার টাকারও কম আয় করে।

কেন পথে আসে শিশুরা

‘পথশিশু জরিপ ২০২২’-এ প্রায় ৩৭ দশমিক ৮ শতাংশ শিশু জানিয়েছে, দারিদ্র্যের কারণে তারা পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পথে এসেছে। পরিবারে অশান্তি, খাদ্যসংকট, পারিবারিক বিচ্ছিন্নতা ও কাজের সন্ধানে অনেক শিশু রাস্তায় আসে। জরিপে প্রায় ১৩ শতাংশ শিশুকে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন এবং প্রায় ৬ শতাংশকে এতিম অথবা বাবা-মা জীবিত কি না সে বিষয়ে অনিশ্চিত হিসেবে পাওয়া যায়।

নিরাপদ ঘুমের জায়গাও নেই

পথশিশুদের একটি বড় অংশের স্থায়ী বা নিরাপদ আশ্রয় নেই। ‘পথশিশু জরিপ ২০২২’ অনুযায়ী, ৩০ শতাংশের বেশি শিশু জনসাধারণের খোলা জায়গায় বসবাস ও ঘুমায়। তাদের অনেকে ফুটপাত, রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল, লঞ্চঘাট, পার্ক ও অন্যান্য জনবহুল এলাকায় রাত কাটায়।

জরিপে দেখা যায়, প্রায় অর্ধেক শিশু মাটির ওপর চট, কার্টন, পলিথিন বা পাতলা কম্বল বিছিয়ে ঘুমায়। রাতে ঘুমানোর সময়ও তারা সহিংসতার শিকার হয়।

কাজের জায়গায় নির্যাতনের ঝুঁকি

পথে বসবাস ও কাজ করা শিশুদের জন্য নির্যাতনের ঝুঁকিও বড়। ‘পথশিশু জরিপ ২০২২’ অনুযায়ী, কর্মক্ষেত্রে প্রায় ৬১ দশমিক ৭ শতাংশ শিশু শারীরিক নির্যাতনের শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছে। পথচারীদের কাছ থেকেও হয়রানি ও নির্যাতনের ঘটনা পাওয়া গেছে।

এছাড়া জরিপে অংশ নেওয়া শিশুদের মধ্যে জ্বর, কাশি, মাথাব্যথা ও পানিবাহিত রোগসহ বিভিন্ন অসুস্থতার তথ্য পাওয়া গেছে। অনেক শিশুই অসুস্থ হলে সহজলভ্য স্থানীয় চিকিৎসার ওপর নির্ভর করে।

মেয়েশিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি

মেয়েশিশুদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও রয়েছে বড় ধরনের ঝুঁকি। ‘পথশিশু জরিপ ২০২২’ অনুযায়ী, পথের ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সী মেয়েশিশুদের ৬৪ শতাংশ মাসিকের সময় অস্বাস্থ্যকর কাপড় ব্যবহার করে। ৭৩ শতাংশ একই পুরোনো কাপড় বারবার ব্যবহারের কথা জানিয়েছে।

করোনায় আরও কঠিন হয়েছিল জীবন

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের সময় পথশিশুদের সংকট আরও তীব্র হয়ে ওঠে। আগের একটি জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ওই সময়ে ৭২ শতাংশ পথশিশু খাদ্যসংকটে পড়েছিল, ৬৫ শতাংশ কাজ হারিয়েছিল এবং ৫৩ শতাংশ থাকার জায়গা হারিয়েছিল।

পথে থাকা শিশুর সংখ্যা নিয়ে নেই হালনাগাদ হিসাব।

পথশিশুদের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন হিসাব পাওয়া গেলেও এগুলোর মধ্যে সময় ও পদ্ধতিগত পার্থক্য রয়েছে। ‘পথশিশু জরিপ ২০২২’ মোট পথশিশুর সংখ্যা নির্ধারণ করেনি। অন্যদিকে, ইউনিসেফের ‘চিলড্রেন লিভিং ইন স্ট্রিট সিচুয়েশনস ইন বাংলাদেশ ২০২৪’ প্রতিবেদনে ৩৪ লাখের বেশি শিশুর কথা বলা হয়েছে, যারা মা-বাবার সরাসরি যত্ন ছাড়া পথের পরিস্থিতিতে রয়েছে। তাই বিভিন্ন উৎসের সংখ্যাকে একই ধরনের হিসাব হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

জাতীয় পথশিশু দিবসে জরিপগুলোর তথ্য বলছে, পথশিশুদের জন্য শুধু সাময়িক আশ্রয় বা পুনর্বাসন নয়, তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও পরিবারভিত্তিক সুরক্ষা নিশ্চিত করাও জরুরি। একই সঙ্গে দারিদ্র্য, পারিবারিক সংকট ও শিশুশ্রমের মতো যে কারণগুলো শিশুদের পথে ঠেলে দেয়, সেগুলো মোকাবিলা না করলে নতুন করে পথশিশু তৈরি হওয়ার ঝুঁকি থেকে যাবে।

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে পথশিশুদের সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনা জরুরি। দারিদ্র্য ও খাবারের অভাবের পাশাপাশি পারিবারিক ও সামাজিক নানা সংকট শিশুদের পথে আসার অন্যতম কারণ। তাই এসব কারণ দূর করার উদ্যোগ না নিলে নতুন করে পথশিশু তৈরির প্রবণতা বন্ধ করা কঠিন হবে।

জাতীয় পথশিশু দিবস তাই শুধু পথে থাকা শিশুদের কথা মনে করার দিন নয়; বরং তাদের শিক্ষা, নিরাপত্তা, চিকিৎসা, খাবার, বাসস্থান ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনের অধিকার নিশ্চিত করার অঙ্গীকার নতুন করে স্মরণ ও তা বাস্তবায়ন করার দিন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ পালিত হচ্ছে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৫ পি.এম


আজ পালিত হচ্ছে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী

আজ ২ অক্টোবর জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস পালিত হচ্ছে। এই দিবসটি প্রতি বছর দেশের শিল্প, কৃষি ও সেবাসহ বিভিন্ন খাতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য জাতীয় পর্যায়ে সচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে পালন করা হয়।

জাতীয় উৎপাদনশীলতা সংস্থা, যা শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন, দিবসটি উপলক্ষে দেশে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হলো— ‘উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও দক্ষতার সমন্বয়’।

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী প্রদান করেছেন। রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে উল্লেখ করেন, "সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার, পণ্যের গুণগত মান বৃদ্ধি, উৎপাদন ব্যয় ও অপচয় কমানো এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অর্জনে উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর বিকল্প নেই।" তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, টেকসই উদ্ভাবন, আধুনিক প্রযুক্তি এবং দক্ষ মানবসম্পদের সমন্বিত ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশ আরও উৎপাদনশীল, প্রতিযোগিতামূলক এবং টেকসই শিল্প অর্থনীতি গড়ে তুলতে সক্ষম হবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, "শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।" তিনি উল্লেখ করেন যে, আধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, দক্ষ মানবসম্পদ এবং কার্যকর ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ে শিল্প ও সেবা খাতকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে গড়ে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, "এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারি নীতিগত সহায়তার পাশাপাশি শিল্প ও সেবা খাতের সংশ্লিষ্ট সবার সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন।" প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল অর্থনীতি, উচ্চপ্রযুক্তির কর্মসংস্থান এবং দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে সরকারের অঙ্গীকারের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি জানান, সরকারের লক্ষ্য হলো ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা।

দিবসটি উপলক্ষে শিল্প মন্ত্রণালয়ের কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ (২ অক্টোবর) সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর মিরপুর-১ চিড়িয়াখানা রোডের বিসিআইসি কলেজ প্রাঙ্গণে একটি র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। একই স্থানে জাতীয় উৎপাদনশীলতা উদ্ভাবন মেলার উদ্বোধনও করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হঠাৎ কড়া হুঁশিয়ারি পুতিনের, প্রয়োজনে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের ইঙ্গিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৬ পি.এম


হঠাৎ কড়া হুঁশিয়ারি পুতিনের, প্রয়োজনে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের ইঙ্গিত

ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মাঝে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবার একটি গুরুতর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তার বক্তব্যে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনার ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এর একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) মস্কোতে অনুষ্ঠিত ভালদাই ডিসকাশন ক্লাবের বার্ষিক সভায় পুতিন তার বক্তব্যে এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

রুশ প্রেসিডেন্ট সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, সরাসরি হামলার ক্ষেত্রে রাশিয়া সব ধরনের অস্ত্র ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। এ সময় তিনি যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের পারমাণবিক সক্ষমতা সম্পর্কে অবগত থাকার কথাও তুলে ধরেন।

পুতিন বলেন, রাশিয়া বুঝতে পেরেছে যে, তাদের মোকাবিলা করতে হচ্ছে এমন এক শত্রুর (ন্যাটো) সঙ্গে, যারা আকারে তাদের চেয়ে দ্বিগুণ বড়। এই লড়াইয়ে আমাদের প্রতিযোগিতামূলক সুবিধাগুলোকে কাজে লাগাতে হবে। তিনি আরও বলেন, "হ্যাঁ, অবশ্যই ফ্রান্স ও ব্রিটেন পারমাণবিক শক্তিধর দেশ—বিষয়টি আমরা খুব ভালোভাবেই বুঝি এবং এ সম্পর্কে আমরা পুরোপুরি অবগত। তবে বর্তমানে রাশিয়ার কাছে যে ধরনের অস্ত্র রয়েছে, তা আর কারও নেই।"

তিনি এও উল্লেখ করেন, রাশিয়া ‘কাউকে হুমকি দিচ্ছে না’। পশ্চিমা নেতারা রাশিয়া ২০২৯ বা ২০৩০ সালে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে যে বক্তব্য দিচ্ছেন, তারই জবাব দিচ্ছে মস্কো।

পুতিনের এই মন্তব্য একটি কূটনৈতিক বার্তার প্রেক্ষিতে এসেছে, যা ন্যাটো এই সপ্তাহে রাশিয়ার কাছ থেকে পেয়েছে। ওই বার্তায় পশ্চিমা সামরিক জোটটিকে সতর্ক করা হয়েছে যে, ন্যাটো যদি কালিনিনগ্রাদকে রাশিয়ার মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করে, তবে রাশিয়া পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারেও প্রস্তুত থাকবে।

রাশিয়ার এই সতর্কবার্তায় কালিনিনগ্রাদের প্রতি ন্যাটোর ক্রমবর্ধমান হুমকির বিষয়ে মস্কোর গভীর উদ্বেগের বিষয়টি উঠে এসেছে। কালিনিনগ্রাদ হলো রাশিয়ার বাল্টিক অঞ্চলের বিচ্ছিন্ন একটি ভূখণ্ড (এক্সক্লেভ), যা আয়তনে যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্যের চেয়ে কিছুটা বড়।

মস্কোর অভিযোগ, ন্যাটো কালিনিনগ্রাদকে অবরুদ্ধ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করছে সামরিক জোট ন্যাটো। তারা বলছে, তারা একটি প্রতিরক্ষামূলক জোট। একইসঙ্গে মস্কোকে ‘পারমাণবিক হুমকি’ দেওয়া বন্ধ করার আহ্বানও জানিয়েছে তারা।

এদিকে, ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর সরকার মস্কোর বিরুদ্ধে মহাদেশজুড়ে অন্তর্ঘাত ও অগ্নিসংযোগের মতো কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ‘হাইব্রিড যুদ্ধ’ জোরদার করার অভিযোগ তুলেছে। বিশেষ করে পোল্যান্ড ও বাল্টিক অঞ্চলে এমন ঘটনার সংখ্যা বেড়েছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।

গত সপ্তাহেই পোল্যান্ড জানিয়েছে, কালিনিনগ্রাদের কাছাকাছি তাদের ভূখণ্ডে একটি রুশ হেলিকপ্টার ঢুকে পড়েছিল। লিথুয়ানিয়া জানিয়েছে, রাশিয়ার কারণে তাদের জনগণ ‘নিয়মিত হুমকির মধ্যে’ রয়েছে।

জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মেরৎস গত বৃহস্পতিবার বলেন, তার দেশ আরও হাইব্রিড হামলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, যার মধ্যে ‘গুরুতর হামলাও’ থাকতে পারে। গত আগস্টে ইউক্রেনের পণ্যবাহী উড়োজাহাজের কাছাকাছি লাইপজিগ বিমানবন্দরের রানওয়েতে বিস্ফোরক বহনকারী একটি ড্রোন পাওয়ার পর এ কথা বলেন তিনি।

রাশিয়া এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে যে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরু করেছিলেন পুতিন, তার জন্যও স্পষ্টভাবে পশ্চিমাদের দায়ী করেছেন তিনি। তার দাবি, রাশিয়াকে উসকানি দেয়া হয়েছিল এবং নিজেদের রক্ষায় মস্কোকে অস্ত্র হাতে নিতে বাধ্য করা হয়েছে।

এছাড়া, রাশিয়া এখন ইউক্রেনের অর্থনৈতিক স্থাপনাগুলোতে যে হামলা চালাচ্ছে, সেটিও ইউক্রেনের রুশ তেল শোধনাগার ও কৃষ্ণসাগরে রুশ জাহাজে হামলার সরাসরি জবাব বলে দাবি করেন পুতিন। তিনি বলেন, এখন চারদিক থেকে আমাদের বলা হচ্ছে, ‘চলুন থামি’। কিন্তু শুরুটা তো তাদেরই করেছে।

বৃহস্পতিবার ভালদাই বৈদেশিক নীতি ফোরামে দেওয়া দীর্ঘ বক্তব্যে রুশ প্রেসিডেন্ট সবাইকে সতর্ক করে বলেছেন, আন্তর্জাতিক সংঘাতে উত্তেজনা বৃদ্ধির এই ধারা দ্রুতই বিপজ্জনক পরিস্থিতির দিকে মোড় নিতে পারে।

তিনি বলেন, আমাদের বুঝতে হবে যে, এমন একটি মুহূর্ত খুব দ্রুত এবং অপ্রত্যাশিতভাবে সবার সামনে চলে আসতে পারে, যখন আর কিছুই পরিবর্তন করা সম্ভব হবে না। ক্রমাগত কঠোরতর পাল্টা পদক্ষেপের মাধ্যমে উত্তেজনা বাড়ানোর এই প্রক্রিয়াটি এমন এক চূড়ান্ত পরিণতির দিকে নিয়ে যায়, যেখান থেকে আর ফিরে আসা সম্ভব নয়।

পুতিন আরও বলেন, এই উত্তেজনা বৃদ্ধির মূলে রয়েছে ঔদ্ধত্য ও অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস। এটি এমন এক পথ যা মানুষকে ধ্বংসের কিনারে নিয়ে যায়। বর্তমান সময়ে বিষয়টি আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিশ্বের প্রধান শক্তিগুলোর কাছে এমন সব অস্ত্র রয়েছে যা সমস্ত প্রাণ ধ্বংস করতে সক্ষম, অথবা অন্ততপক্ষে পৃথিবীকে এক বিপর্যয়কর অবস্থায় ঠেলে দিতে পারে। আমরা কি নিশ্চিত হতে পারি যে, এই অস্ত্রগুলো কখনোই ব্যবহৃত হবে না? অবশ্যই না।

রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, যুদ্ধের স্বয়ংক্রিয়ীকরণ ও ডিজিটালাইজেশনের ফলে যুদ্ধ এখন অনেকটা খেলায় পরিণত হচ্ছে। এর ফলে মানবতা অধঃপতনের দিকে যাচ্ছে এবং আবারও বর্বরতার দিকে ফিরে যাচ্ছে। আমাদের বিষয়টি মনে রাখতে হবে এবং এমন পরিস্থিতি এড়াতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%