ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রবাসীর ৫ ফুট চওড়া ব্যতিক্রমী ঘরে তিন সন্তানকে নিয়ে বসবাস মামলার কারণে


প্রবাসীর ৫ ফুট চওড়া ব্যতিক্রমী ঘরে তিন সন্তানকে নিয়ে বসবাস  মামলার কারণে

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে একটি ব্যতিক্রমী বসতঘর মাত্র এক শতাংশ জমিতে তৈরি হয়েছে। ৮৫ ফুট লম্বা ও মাত্র ৫ ফুট চওড়া এই ঘরের ছবি এবং ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে অনেক মানুষ এটি দেখতে ভিড় করছেন।

ঘরটির মালিক সৌদি আরবপ্রবাসী মো. শাহজালাল। দাউদকান্দি উপজেলার স্বল্পপেন্নাই গ্রামে ডোবা ভরাট করে চলতি বছরের জুন মাসে প্রায় আড়াই লাখ টাকা ব্যয়ে টিনের ছাউনি ও বেড়ার এই ঘরটি নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে এটি শাহজালালের পরিবারের একমাত্র বসতঘর হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

শাহজালালের স্ত্রী খাদিজা আক্তার জানান, ২০১৩ সালে তাদের বিয়ে হয়। শাহজালাল তখন দেশে মাইক্রোবাস চালাতে শুরু করেছিলেন। পরে তিনি ইরাকে চলে যান এবং কয়েক বছর পর দেশে ফেরেন। এরপর ২০২০ সালের জানুয়ারিতে সৌদি আরবে পাড়ি জমান। প্রবাসে পাঠানো টাকায় চলতি বছরের জুন মাসে এই ঘরটি নির্মিত হয়।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

তিনি আরও জানান, ২০১৬ সালে শাহজালাল তার বাবার কাছ থেকে এক শতাংশ নিচু জমি কেনেন। একই সময়ে তিনি পৈত্রিক ভিটায় একটি পাকা বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করলে স্বজনদের সঙ্গে জায়গা নিয়ে একাধিক মামলা হয়। এসব মামলার কারণে তিনি প্রায় সবকিছুই হারিয়ে ফেলেন। একসময় স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নিয়ে স্বজনদের বাড়িতে কখনো আবার খোলা আকাশের নিচেও থাকতে হয়েছে।

ঘরটি মাত্র ৫ ফুট চওড়া হলেও এতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা রয়েছে। প্রবেশমুখে রান্নাঘর, খাবার রাখার জায়গা, শোয়ার কক্ষ, পোশাক রাখার স্থান, পানি তোলার মোটর এবং শৌচাগারও রয়েছে। ঘরের সামনে চলাচলের জন্য এবং পেছনে বসার জন্য আলাদা জায়গা রাখা হয়েছে।

খাদিজা আক্তার জানান, ছোট ঘর হলেও তারা তিন সন্তানকে নিয়ে এখানে বসবাস করছেন। রাতের বেলায় ছোট চৌকিতে সবাই মিলে ঘুমান। জায়গার অপ্রতুলতার কারণে অতিরিক্ত শোয়ার ব্যবস্থা আলাদাভাবে করতে হয়।

ঘরটি দেখতে প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ এখানে আসছেন। দর্শনার্থীদের ভাষ্য, নিজের চোখে না দেখলে এত ছোট জায়গায় একটি পরিবার কীভাবে বসবাস করছে, তা বিশ্বাস করা সত্যিই কঠিন।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

স্থানীয় বাসিন্দা মো. রিয়াজ উদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পরিবারটির নিজের কোনো থাকার জায়গা ছিল না। অনেক কষ্টের পর তারা একান্তই অল্প জায়গার মধ্যেই মাথা গোঁজার জন্য একটি স্থায়ী ঠিকানা পেয়েছেন।

গৌরীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য জাহানারা আক্তার জানান, শাহজালাল দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকা সত্ত্বেও সীমিত আয়ের কারণে বড় জায়গা কেনার সুযোগ পাননি। এলাকায় এক শতাংশ ডোবার জমির দামও অত্যন্ত বেশি। তাই বাধ্য হয়ে তারা অল্প জায়গাতেই তাদের স্বপ্নের ঘর তৈরি করেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকার দিনের বেলা ঘরে ঢুকে একজন নারী চিকিৎসককে হ ত্যা করা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:০৪ এম


ঢাকার দিনের বেলা ঘরে ঢুকে একজন নারী চিকিৎসককে হ ত্যা করা হয়েছে

ঢাকার দক্ষিণখান থানার ফায়দাবাদ এলাকার জামতলা গলিতে, দুর্বৃত্তরা একজন নারী চিকিৎসককে হত্যা করেছে। সারা রোকসানা পিনুকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার ঘটনাটি ঘটে ভবনের দ্বিতীয় তলার এক ফ্ল্যাটে।

পুলিশের উত্তরা বিভাগের উপ-কমিশনার মির্জা তারেক আহমেদ বেগ জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকালে ঘরের গ্রিল কেটে ভেতরে ঢুকে ওই নারীর ওপর হামলা চালানো হয়েছে। খুন হওয়ার পর ঘরের কিছু জিনিসপত্রও লুট করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

নিহত সারা রোকসানা পিনু কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের ভূইয়া বাড়ির শিক্ষক মজিবুল হক বাচ্চুর মেয়ে। তার দুই স্কুল পড়ুয়া ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সময় ওই নারী একা ছিলেন।

পারিবারিক সদস্যরা জানিয়েছেন, দুর্বৃত্তরা বাসার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে সারা রোকসানাকে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। তারপরে বাসায় থাকা স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।

নিহতের ছেলে জানিয়েছে, "আমি বাসায় ছিলাম না। পরে এসে দেখি আমার আম্মুকে গেস্ট রুমে হত্যা করা হয়েছে। গ্রিল কেটে খুনি বাসায় ঢুকেছে। বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। আমার আম্মুর কাছে যত স্বর্ণ ও টাকা ছিল, সব নিয়ে গেছে।"

তিনি আরও বলেন, "স্বর্ণালংকারের জন্যই দুর্বৃত্তরা বাসায় ঢুকেছে বলে আমাদের ধারণা। তবে বাসার কিছু জিনিসপত্র ও প্যাকেট এখনো পড়ে রয়েছে। পুলিশ আলামত সংগ্রহ ও তদন্ত শেষ করার পর সেগুলোতে হাত দেওয়া হবে।"

পুলিশ জানায়, ঘটনার সময় সারা রোকসানা বাসায় একাই ছিলেন। তার স্বামী প্রতিদিনের মতো অফিসে ছিলেন এবং মেয়ে স্কুলে পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মির্জা তারেক আহমেদ বেগ জানান, "বিকেল ৩টার পর গ্রিল কেটে বাসার ভেতরে প্রবেশ করে দুর্বৃত্তরা ওই নারীকে শ্বাসরোধে হত্যা করে।" একই সঙ্গে ঘরের বিভিন্ন মালামালও লুট করা হয়েছে।

তিনি বলেন, "ভুক্তভোগী নারীকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘরের জিনিসপত্র লুটের ঘটনাও ঘটেছে।"

দক্ষিণখান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাবিব জানান, সাধারণত স্কুল ছুটির পরে নিহত নারী মেয়েকে স্কুল থেকে নিয়ে আসতেন। কিন্তু ওই দিন তিনি স্কুলে না যাওয়ায় মেয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে নিজেই বাসায় ফিরে আসে। বাসায় এসে পরিস্থিতি দেখে আবার স্কুলে ফিরে শিক্ষকের কাছে বিষয়টি জানায়। পরে শিক্ষক তার বাবাকে খবর দেন।

এসআই হাবিব আরো জানান, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দেখতে পায়। তখন নিহতের স্বামী ও ছোট মেয়ে সেখানে উপস্থিত ছিলেন। পরে পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করা হয়।

তিনি আরো বলেন, ঘটনাস্থলের গ্রিল কাটা অবস্থায় পাওয়া গেছে। বাসার আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় ছিল। তবে কীভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, কী কী মালামাল খোয়া গেছে এবং এর সাথে কারা জড়িত, তা তদন্ত শেষ হওয়ার আগে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্কুলছাত্রীকে ফিল্মি স্টাইলে তুলে নিয়ে পুকুরপাড়ে পালাক্রমে ধর্ষণ, ফরিদপুরের সদরপুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:১৩ এম


স্কুলছাত্রীকে ফিল্মি স্টাইলে তুলে নিয়ে পুকুরপাড়ে পালাক্রমে ধর্ষণ,  ফরিদপুরের সদরপুর

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় বসতঘরের জানালা ভেঙে এক অষ্টম শ্রেণির স্কুলছাত্রী (১৫) অপহরণের পর সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা মোটরসাইকেলসহ দুই অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন। বর্তমানে ভুক্তভোগী কিশোরী ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনিকল ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত ১টার দিকে উপজেলার ভাষাণচর ইউনিয়নে একটি গ্রামে এই নির্মম ঘটনা ঘটে। ঘটনার রাতে কিশোরীর চাচা জানান, কিশোরী এবং তার দাদির চোখের চিকিৎসার জন্য তিনি ও কিশোরীর মা ফরিদপুরের একটি হাসপাতালে ছিলেন। বাড়িতে কিশোরীর ছোট ভাই ও ছোট বোন ছিল। ঠিক রাত ১টার সময় ১০ থেকে ১৫ জনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাড়িটি ঘিরে ফেলে। তারা প্রথমে দরজা খুলতে চাপ দেয়। কিন্তু ভেতর থেকে দরজা না খোলায় তারা জানালা ভেঙে কিশোরীকে জোরপূর্বক টেনে-হিঁচড়ে বাইরে নিয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, স্বজন ও প্রতিবেশীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা হামলার হুমকি দিয়ে এলাকার মানুষজনের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। পরে কিশোরীকে মোটরসাইকেলে করে পাশের গ্রামের একটি পুকুরপাড়ে নিয়ে গিয়ে তিন যুবক পালাক্রমে ধর্ষণ করে। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, রাত ৩টার দিকে কিশোরী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে অভিযুক্তরা তাকে বাড়ির উঠানে ফেলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় স্থানীয়রা ধাওয়া দিয়ে দুই যুবককে একটি মোটরসাইকেলসহ আটক করেন। পরে তাদের গণপিটুনি দিয়ে সদরপুর থান পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন হেলাল মৃধা (২০) ও রইস শিকদার (১৬)।

ভুক্তভোগীর মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “শাশুড়ির অপারেশনের জন্য হাসপাতালে ছিলাম। খবর পেয়ে বাড়ি ফিরে মেয়ের এই অবস্থা দেখে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছি। আমার মেয়েকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। আমি জড়িত সবাইকে সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।”

কিশোরীর ছোট বোন জানায়, দুর্বৃত্তরা জানালা ভেঙে ঘরে ঢুকে তার বোনের চুল ধরে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) শামছুল আজম বলেন, “এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। এলাকাবাসী যে দুইজনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে, তারা বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।”

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের ব্যাপক পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ‘যেকোনো উন্মত্ততার’ জবাব দিতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:২৪ এম


ইরানের ব্যাপক পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ‘যেকোনো উন্মত্ততার’ জবাব দিতে

তেহরান একটি ব্যাপক পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির একজন জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তা, যদি যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অবকাঠামোয় হামলা চালায়।

ইরানের সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মার্কিন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের সম্ভাব্য হামলা সম্পর্কে তারা ‘উন্মত্ততা’ হিসেবে দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করছেন। তবে, এমন হামলা হলে, তাদের জবাব দেওয়ার জন্য ইরান প্রস্তুত রয়েছে।

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ইরানের পাল্টা পরিকল্পনায় ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি অবকাঠামোকে সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ৪০ দিনের যুদ্ধ এবং পরবর্তী সপ্তাহগুলোতে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী নিজেদের সক্ষমতা ও পাল্টা জবাব দেওয়ার দৃঢ়তা ইতোমধ্যে প্রমাণ করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক একাধিক হুমকির প্রেক্ষিতে এসেছে এ বক্তব্য। ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন, পরমাণু ইস্যুতে তেহরান একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে অতিরিক্ত সময় নিচ্ছে। এ কারণে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতু ও অন্যান্য বিভিন্ন অবকাঠামোয় নতুন করে হামলার নির্দেশ দেওয়ার হুমকিও তিনি দিয়েছেন।

এর আগে, ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ৪০ দিনের মার্কিন-ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের সময়ও ট্রাম্প ইরানের অবকাঠামোয় হামলার হুমকি দিয়েছিলেন। তিনি উল্লেখ করেছিলেন যে, তেহরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মেনে না নেয়, তাহলে এসব হামলা চালানোর হুমকি বহাল থাকবে।

তাসনিমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ওই সময়ের হামলায় ইরানের বিভিন্ন স্থাপনাসহ বেসামরিক এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আইনে দক্ষিণাঞ্চলীয় মিনাব শহরে একটি স্কুলে হামলায় ১৬০ জনের বেশি ছাত্রী নিহত হওয়ার দাবি করা হয়েছে। তেহরানে হাসপাতাল, আবাসিক এলাকা ও একটি সিনাগগেও হামলার অভিযোগ উঠেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোজ খাচ্ছেন মাল্টিভিটামিন? জানুন সত্যিই কতটা উপকারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৩১ এম


রোজ খাচ্ছেন মাল্টিভিটামিন? জানুন সত্যিই কতটা উপকারী

শরীর সুস্থ রাখতে অনেকেই প্রতিদিন মাল্টিভিটামিন খেয়ে থাকেন। অনেকের ধারণা, এতে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ে, হৃদ্‌যন্ত্র ভালো থাকে এবং বয়সের সঙ্গে স্মৃতিশক্তিও ঠিক থাকে। তবে গবেষণা বলছে, মাল্টিভিটামিন নিয়ে এমন ধারণার পক্ষে এখনো পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাল্টিভিটামিন খাওয়ার আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিজের খাদ্যাভ্যাস মূল্যায়ন করা। প্রতিদিনের খাবার থেকেই প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাওয়া গেলে আলাদা করে মাল্টিভিটামিনের প্রয়োজন নাও হতে পারে।

এ পর্যন্ত হওয়া কয়েকটি বড় গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত মাল্টিভিটামিন খেলে হৃদ্‌রোগ বা মানসিক সক্ষমতা কমে যাওয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে—এমন প্রমাণ মেলেনি। কিছু গবেষণায় নির্দিষ্ট বয়সী মানুষের স্মৃতিশক্তি ও চিন্তাশক্তিতে সামান্য ইতিবাচক প্রভাব দেখা গেলেও, সব গবেষণায় একই ফল পাওয়া যায়নি।

আরও একটি বড় গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন মাল্টিভিটামিন খেলেও মৃত্যুঝুঁকি কমে না। তাই শুধু সুস্থ থাকার আশায় নিয়মিত মাল্টিভিটামিন খাওয়ার আগে প্রয়োজন ও উপকারিতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া জরুরি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শরীরে কোনো ভিটামিনের ঘাটতি আছে কি না, তা চিকিৎসকের পরামর্শে পরীক্ষা করে নেওয়াই ভালো। পাশাপাশি প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পুষ্টিকর খাবার রাখাই সুস্থ থাকার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

এছাড়া প্রয়োজন ছাড়া অতিরিক্ত মাত্রায় কোনো ভিটামিন খাওয়া ঠিক নয়। বিশেষ করে ভিটামিন এ ও ভিটামিন ই বেশি মাত্রায় গ্রহণ করলে শরীরের ক্ষতি হতে পারে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, মাল্টিভিটামিনকে সুস্থ থাকার একমাত্র ভরসা না করে, সুষম খাদ্য, নিয়মিত ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের দিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

সূত্র: হার্ভার্ড হেলথ 

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%