০১:২১ পি.এম
বৃষ্টি কমে আসার ফলে রাঙ্গামাটির বন্যা পরিস্থিতি উন্নতির পথে রয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে সাধারণ মানুষ ও সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জেলার সবচেয়ে বেশি প্লাবিত উপজেলা বাঘাইছড়ির অধিকাংশ ইউনিয়নে পানির স্তর নেমে গেছে। এর ফলে আশ্রয় কেন্দ্রগুলো ছাড়তে শুরু করেছেন মানুষ। তবে পশ্চিম লাইল্যাঁঘোনা ইউনিয়নে এখনও পানিবন্দি হয়ে থাকা দেড় শতাধিক পরিবার সংকটে রয়েছে।
অন্যদিকে, বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়া ইউনিয়নে পানি সম্পূর্ণরূপে নেমে গেছে। তাই ক্ষয়ক্ষতির চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সেখানে অনেক বাড়িঘর পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে, যার ফলে মানুষ মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন।
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার
ফারুয়া বাজার কমিটির সভাপতি মো. হারুন জানিয়েছেন, 'বন্যায় বাজার ও আশেপাশের এলাকার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বর্তমানে পুরো বাজার ও আশেপাশের এলাকা প্রায় আড়াই ফুট পলিমাটির নিচে নিমজ্জিত অবস্থায় আছে। পলি অপসারণ করে জীবনযাত্রা স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করা হচ্ছে। যদিও, আর্থিক ক্ষতি এখনও নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি।'
রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী বলেন, 'রাঙ্গামাটির বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। বাঘাইছড়ির অধিকাংশ এলাকায় পানি নেমে গেছে এবং কিছু আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থানকারী মানুষ বাড়ি ফিরে গেছেন। অন্যদিকে বিলইছড়ির ফারুয়া ইউনিয়নের পানি সম্পূর্ণভাবে নেমে গেছে। গতকাল উপজেলা প্রশাসন সেখানে ত্রাণ বিতরণ করেছে এবং ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ণের কাজ চলছে।' তিনি আরো যোগ করেন, বরকল ও জুরাছড়ির বন্যা পরিস্থিতিও উন্নতির দিকে যাচ্ছে।
তিনি এও জানান, 'আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানকারী পরিবারের তিন বেলা খাবার দেওয়া হচ্ছে। তাছাড়া বানভাসি মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করছে উপজেলা প্রশাসন, আর্মি, বিজিবি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা।'
আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন