ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আবু হানিফ: সরকারকে দ্বিমুখী প্রোপাগান্ডা মোকাবিলা করতে হচ্ছে


আবু হানিফ: সরকারকে দ্বিমুখী প্রোপাগান্ডা মোকাবিলা করতে হচ্ছে

গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ মন্তব্য করেছেন যে, সরকারকে দ্বিমুখী প্রোপাগান্ডা মোকাবিলা করতে হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্যটি করেন।

আবু হানিফ তার পোস্টে উল্লেখ করেন, সরকার বর্তমানে দ্বিমুখী প্রোপাগান্ডার মুখোমুখি। একদিকে সংসদে থাকা বিরোধীদল বিভিন্ন বিষয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে দিচ্ছে। অন্যদিকে, জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানে পরাজিত শক্তি, পলাতক নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা বিদেশে বসে নিয়মিতভাবে সরকারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে।

আরও পড়ুন: সদরঘাটে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের আকস্মিক পরিদর্শন

তিনি আরও বলেন, নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগ এবং বর্তমান বিরোধীদল সরকারের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর ক্ষেত্রে একত্রিত। এসব প্রোপাগান্ডার মোকাবিলার জন্য সরকারের উচিত দ্রুততার সঙ্গে সঠিক তথ্য জনগণের সামনে উপস্থাপন করা, কারণ বিলম্ব হলে জনগণের মাঝে ভুল বার্তা চলে যাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংখ্যালঘু বলতে কোনো শব্দ নেই, আমরা সবাই বাংলাদেশি: ডিএনসিসি প্রশাসক আবদুস সালাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:১৪ পি.এম


সংখ্যালঘু বলতে কোনো শব্দ নেই, আমরা সবাই বাংলাদেশি: ডিএনসিসি প্রশাসক আবদুস সালাম

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম মন্তব্য করেছেন, ‘বাংলাদেশে সংখ্যালঘু বলতে কোনো শব্দ নেই, আমরা সবাই পরিচয়ে বাংলাদেশি এবং এ দেশের সমান নাগরিক।’

তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমার যে অধিকার, আমার অন্য ধর্মাবলম্বী বন্ধুরও ঠিক একই অধিকার রয়েছে।

আমরা কোনো বিভেদ চাই না; সব ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে পারস্পরিক প্রীতি ও সৌহার্দ্য নিয়ে শান্তিতে বসবাস করতে চাই।’

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ওয়ারীতে অবস্থিত ঢাকা খ্রিস্টিয়ান কবরস্থানের প্রাচীন সমাধিগুলোর সংরক্ষণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিএসসিসি প্রশাসক আরও বলেন, ‘দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই আমি আদি ঢাকার বিলুপ্তপ্রায় ঐতিহ্য ও রূপ ফিরিয়ে আনার জন্য নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আদি ঢাকাকে কেন্দ্র করেই আজকের এই মেগাসিটি গড়ে উঠেছে।

এর ঐতিহাসিক স্থানগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম। তাই অতীতের কোনো নিদর্শন আর নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না।’

ওয়ারী এলাকার অতীত ঐতিহ্য স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘একসময় নদীবেষ্টিত যোগাযোগব্যবস্থা ও নগর সুবিধার কারণে ওয়ারী ছিল ঢাকার সবচেয়ে বনেদি ও অভিজাত এলাকা। প্রখ্যাত ব্যক্তিরা এখানে বসবাস করতেন।

পাশে অবস্থিত বলধা গার্ডেনসহ পুরো এলাকার পরিবেশ আগের উন্নত ও সুশৃঙ্খল অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সিটি করপোরেশন কাজ করছে।’

প্রশাসক আরো বলেন, ঐতিহ্যবাহী এই কবরস্থানের শান্ত ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখা হবে। সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে এখানকার রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, আলোকায়ন ও পরিচ্ছন্নতা জোরদার করা হবে।

এ সময় কবরস্থানটির সার্বিক রক্ষণাবেক্ষণের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে ডিএসসিসির তহবিল থেকে ৫ লাখ টাকা অনুদানের ঘোষণা দেন তিনি। ভবিষ্যতে প্রয়োজনে আরো অর্থ সহায়তার প্রতিশ্রুতিও দেন প্রশাসক।

আদি ঢাকার ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরে তিনি বলেন, রাস্তা সরু হলেও তা পরিচ্ছন্ন রাখা হবে এবং পর্যাপ্ত আলো নিশ্চিত করা হবে।

এলাকাভিত্তিক শৃঙ্খলা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে ভাসমান জনগোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কর্মকর্তা ও এলাকাবাসীকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘আব্বা’ ডেকেও রেহাই পেলেন না মহিপুরের ছাত্রদল নেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:১৫ পি.এম


‘আব্বা’ ডেকেও রেহাই পেলেন না মহিপুরের ছাত্রদল নেতা

মহিপুরের ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান ফারুক সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ করেছেন যে, ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তাকে তুলে নিয়ে মারধর ও নির্যাতন করা হয়েছে। পটুয়াখালীর মহিপুরে এই ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সামনে এই অভিযোগ তুলে ধরেন ফারুক।

সংবাদ সম্মেলনে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মহিপুর সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক কামরুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ শাখার সভাপতি রবিউল ইসলাম, এবং মহিপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহসভাপতি মেহেদী হাসানসহ আরও অনেকে।

ফারুক লিখিত বক্তব্যে বলেন, একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে সাক্ষী হওয়ার কারণে তার ওপর হামলা চালানো হয়।

এ ঘটনায় তিনি মাসুদ রানা, আমিরুল ইসলাম ফাহিম ও রাশেদসহ ১০ থেকে ১৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।

ফারুক জানান, গত ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে মহিপুর থেকে সাদা পোশাকে কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে তাকে তুলে নিয়ে যান। তাদের হাতে ওয়াকিটকি ছিল। এরপর তাকে মোটরসাইকেলে বসিয়ে কলাপাড়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আমিরুল ইসলাম ফাহিমের নেতৃত্বে কয়েকজন তাকে দফায় দফায় মারধর ও নির্যাতন করেন। তিনি দাবি করেন, রাত ১টা পর্যন্ত তাকে নির্যাতন করা হয়েছে। পুরো ঘটনাটি সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, "আমি তাদের পা ধরে আব্বা বলে ডেকেছি। বলেছি আমার বাবা নেই, আপনারাই আমার বাবা। আমার মা অসুস্থ-এ ঘটনা জানলে তিনি মারা যেতে পারেন। তারপরও তারা আমাকে ছাড়েনি।"

পরে তার দুই বন্ধু, মহিপুর ইউনিয়ন শাখা ছাত্রদল নেতা কামরুল ইসলাম শাওন ও রবিউল ইসলাম খবর পেয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় ফারুককে উদ্ধার করে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। দীর্ঘ ১৫ দিন চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার পর ২৬ সেপ্টেম্বর আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বরিশালে নেওয়া হয় বলে জানান ফারুক।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ঘটনার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। এতে তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। বর্তমানে তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় রয়েছেন।

ফারুক বলেন, "একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে কোনো বিয়ের অনুষ্ঠানে সাক্ষী হওয়া অপরাধ হতে পারে না। ডিবি পরিচয় দিয়ে কাউকে তুলে নেওয়া এবং নির্যাতন করা গুরুতর অপরাধ। আমরা এমন বর্বরতার অবসান চাই।"

সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযুক্ত মাসুদ রানা, রাশেদ ও আমিরুল ইসলাম ফাহিমসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

অন্যদিকে, অভিযুক্ত আমিরুল ইসলাম ফাহিম ও মাসুদ রানা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

ফাহিম জানান, ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই এবং তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। মাসুদ রানাও তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে সিসিটিভি ফুটেজে তাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে।

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার জানান, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার সত্যতা অনুসন্ধানে পুলিশ কাজ করছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানে বিদেশি তরুণীকে মাদক খাইয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:১৫ পি.এম


পাকিস্তানে বিদেশি তরুণীকে মাদক খাইয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের লাহোরে ব্যবসার উদ্দেশ্যে আসা আজারবাইজানের ২০ বছর বয়সী এক তরুণীকে অচেতন করে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত তিন অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং মূল আসামিকে পালাতে সহায়তা করার অভিযোগে তার দুই আত্মীয়কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

এই ঘটনার সময়কাল শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) তাদের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আজারবাইজানের রাজধানী বাকুর বাসিন্দা ওই তরুণী দুই সপ্তাহ আগে টেক্সটাইল ব্যবসার কাজে পাকিস্তানে আসেন। তিনি জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছেন, গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে ডিএইচএ এলাকার একটি ক্যাফে থেকে তিন ব্যক্তি কৌশলে তাকে একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে যান।

অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, ফ্ল্যাটে নিয়ে যাওয়ার পর তরুণীকে মদ্যপানের পাশাপাশি জোরপূর্বক চেতনানাশক বা নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করানো হয়। এরপর তিনজন মিলে তাকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করে এবং মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে শহরের গাজী ইন্টারচেঞ্জ এলাকার নির্জন স্থানে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

লাহোর পুলিশের ডিআইজি (অপারেশনস) ফয়সাল কামরান জানিয়েছেন, তিন অভিযুক্ত—আহমেদ তানভীর, আলী ও মহসিনকে গ্রেপ্তারে পুলিশ দল মাঠে নেমেছে। মূল অভিযুক্ত তানভীরের সর্বশেষ অবস্থান শিয়ালকোট এলাকায় শনাক্ত করা হয়েছে এবং আসামিরা যাতে দেশ ছাড়তে না পারে, সেজন্য তাদের নাম ‘নো-ফ্লাই’ তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে।

এটি উল্লেখযোগ্য যে, লাহোরে চার মাসের মধ্যে এটি বিদেশি নারীকে ধর্ষণের দ্বিতীয় ঘটনা। এর আগে গত জুন মাসে এক ডাচ ও ভেনেজুয়েলীয় নারীকে একই কায়দায় ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে, যেখানে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এক ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ের জড়িত থাকার কথা শোনা গিয়েছিল।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পবিপ্রবিতে ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে অশালীন অঙ্গভঙ্গি, পলাতক যুবক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:১৬ পি.এম


পবিপ্রবিতে ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে অশালীন অঙ্গভঙ্গি, পলাতক যুবক

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) নির্মাণাধীন চাঁদ সুলতানা হলের এক নির্মাণ শ্রমিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি সুফিয়া কামাল হলের নারী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে অশালীন অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শন করেছেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ অনুযায়ী, সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে মামুন (২৫) নামের ওই শ্রমিক বারবার অশালীন অঙ্গভঙ্গি করেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন গ্রুপে ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি, হলের নারী শিক্ষার্থীরা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

এক ভুক্তভোগী নারী শিক্ষার্থী বলেন, ‘এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে। কিছুদিন আগে সকালে ফজরের নামাজ পড়ে আমি ছাদে হাঁটতে গেলে নির্মাণাধীন ভবন থেকে একজন আমার ছবি তোলেন। সে সময় তার ফোনের ফ্ল্যাশ জ্বলতে দেখি। এছাড়া তারা প্রায়ই পার্শ্ববর্তী ভবন থেকে আমাদের দিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকিয়ে থাকেন।’

এ বিষয়ে কবি বেগম সুফিয়া কামাল হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক মো. ইফতেখারুল আলম বলেন, ‘ঘটনার পর আমরা ঘটনাস্থলে যাই। নির্মাণাধীন হল থেকে যেসব স্থান দিয়ে ছাত্রীদের দেখা যায়, সেসব জায়গায় প্রাথমিকভাবে নিরাপত্তাবেষ্টনী দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্টদের বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মীদের হেফাজতে রাখা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপযুক্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আবুল বাশার খান বলেন, ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর আমরা তিনজনকে আটক করেছি। তাদের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। যে শ্রমিক এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে, সে বর্তমানে পলাতক রয়েছে। তাকে পালিয়ে যেতে যারা সহযোগিতা করেছে, তাদের শনাক্ত করে ওই শ্রমিককে আটক করার চেষ্টা চলছে। তাকে আটক করার পর থানায় মামলা করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%