ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাবি’তে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সেমিনার ও বৃত্তি প্রদান


রাবি’তে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সেমিনার ও বৃত্তি প্রদান

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক একটি সেমিনার ও ‘রেনু স্মৃতি ট্রাস্ট বৃত্তি’ প্রদান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকালে মমতাজউদ্দিন ভবনে দর্শন বিভাগের আয়োজনে এই সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিভাগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন প্রফেসর মো. আরিফুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাবি উপাচার্য প্রফেসর মো. ফরিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর মো. আব্দুল আলিম এবং উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) প্রফেসর মামুনুর রশীদ। এই সেমিনারে রিসোর্স পারসন হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট মনোরোগ ও মাদকাসক্তি রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মো. রাকিবুজ্জামান চৌধুরী।

সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে দর্শন সমিতির কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. মোতাছিম বিল্লাহও বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে প্রক্টর প্রফেসর মো. মাহবুবর রহমান, ছাত্র-উপদেষ্টা প্রফেসর এ এইচ এম খুরশীদ আলম, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক প্রফেসর এস এম কামরুজ্জামান, বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্যদের উপস্থিতি ছিল। এই অনুষ্ঠানে বিভাগের স্নাতক (সম্মান) ১ম বর্ষের ৪ জন করে শিক্ষার্থীকে ‘রেনু স্মৃতি ট্রাস্ট বৃত্তি’ প্রদান করা হয়। উপাচার্য বৃত্তিপ্রাপ্তদের হাতে চেক প্রদান করেন। অনুষ্ঠানটিতে সঞ্চালনা করেন বিভাগের শিক্ষিকা ড. আফরোজা সুলতানা।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তীব্র তাপপ্রবাহে ইংল্যান্ডে ২ হাজার ৭০০ মানুষের মৃত্যু : গবেষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪৬ পি.এম


তীব্র তাপপ্রবাহে ইংল্যান্ডে ২ হাজার ৭০০ মানুষের মৃত্যু : গবেষণা

গবেষণা অনুযায়ী, গত মে ও জুন মাসে তীব্র তাপপ্রবাহের ফলে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে অন্তত ২ হাজার ৭০০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। আজ সোমবার প্রকাশিত একটি গবেষণা প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণায় ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন, যুক্তরাজ্যের আবহাওয়া দপ্তর (মেট অফিস) এবং লন্ডন স্কুল অব হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিনের বিশেষজ্ঞরা তথ্য উপস্থাপন করেছেন। তারা আবহাওয়ার তথ্য, জলবায়ু মডেল ও তাপপ্রবাহের সময় অতিরিক্ত মৃত্যুর হার সম্পর্কিত বিভিন্ন গবেষণা বিশ্লেষণ করে এই অনুমান নির্ধারণ করেছেন।

যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের বেশিরভাগ অঞ্চলে মে ও জুন মাসে নজিরবিহীন দুটি তাপপ্রবাহ দেখা দেয়। ইংল্যান্ডে ওই সময় মাসিক সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড ভেঙে মে মাসে ৩৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং জুনে ৩৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়।

গবেষণায় আবহাওয়া অফিসের জলবায়ু বিশ্লেষণ দলের বিজ্ঞান ব্যবস্থাপক মার্ক ম্যাকার্থির বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, ‘যুক্তরাজ্য এবং পশ্চিম ইউরোপের সব অঞ্চলের জন্যই এগুলো ছিল চরম মাত্রার তাপপ্রবাহ। বিশেষ করে বছরের শুরুর দিকে এবং এই সময়ে এমন তীব্র তাপপ্রবাহ দেখা দেওয়া ছিল অত্যন্ত ব্যতিক্রমী ঘটনা।’

সাম্প্রতিক তাপপ্রবাহের মৃত্যুর সরকারি তথ্য-উপাত্তের ওপর ভিত্তি করে যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য সুরক্ষা সংস্থা (ইউকেএইচএসএ) আগামী সপ্তাহগুলোতে তাপজনিত মৃত্যুর আনুমানিক হিসাব আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করবে।

সোমবার প্রকাশিত গবেষণায় ব্যবহৃত মডেলগুলো চরম তাপে জড়িত ঝুঁকির মাত্রা এবং জলবায়ু পরিবর্তন মানব সুস্থতার জন্য যে ক্রমবর্ধমান হুমকি তৈরি করছে, তা তুলে ধরতে সহায়তা করে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা সংস্থার (ইউকেএইচএসএ) সেন্টার ফর ক্লাইমেট অ্যান্ড হেলথ সিকিউরিটি-এর প্রধান লিয়া বেরাং ফোর্ড।

গবেষণায় বলা হয়েছে, ২১ থেকে ২৯ মে পর্যন্ত তীব্র গরমের কারণে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে প্রায় ৫৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর ১৮ থেকে ২৮ জুনের মধ্যে তাপপ্রবাহের কারণে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ২ হাজার ২০০ মানুষ।

গবেষকরা জলবায়ু পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেছেন। তাদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপপ্রবাহ আরও তীব্র ও ঘনঘন হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যাচ্ছে।

গবেষকরা বলছেন, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব না থাকলে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বর্তমানের তুলনায় ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম থাকত।

জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে সরকারকে পরামর্শ দেওয়ার দায়িত্বে থাকা সংস্থা ক্লাইমেট চেঞ্জ কমিটি (সিসিসি) গত বছর সতর্ক করে বলেছিল, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় যুক্তরাজ্য এখনও ‘প্রস্তুত নয়’।

গত মে মাসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানায়, ‘২০৫০ সালের মধ্যে ব্রিটেনের প্রায় ৯২ শতাংশ বাড়ি অতিরিক্ত গরম হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে থাকবে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় কর্মক্ষেত্রে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার সীমা নির্ধারণ এবং হাসপাতাল ও স্কুলের মতো সরকারি ভবনে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা স্থাপনে বিনিয়োগের জন্য সরকারকে সুপারিশ করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্নীতি দমনে শুধু তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রমই যথেষ্ট নয়: ফারজানা শারমীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৫১ পি.এম


দুর্নীতি দমনে শুধু তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রমই যথেষ্ট নয়: ফারজানা শারমীন

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন মন্তব্য করেছেন যে, দুর্নীতি দমনে শুধু তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রম যথেষ্ট নয়। এর জন্য কার্যকর প্রতিরোধ সৃষ্টি, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং সর্বস্তরের মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণও অপরিহার্য।

তিনি উল্লেখ করেছেন, দুর্নীতি হলো উন্নয়ন চলার পথে অন্যতম বড় প্রতিবন্ধকতা, যা জনগণের আস্থাকে ক্ষুণ্ন করে, বিনিয়োগকে নিরুৎসাহিত করে এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় ঘটায়।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেছেন, কোনো দেশের জন্য রাতারাতি দুর্নীতিমুক্ত হয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। তবে রাজনৈতিক সদিচ্ছা, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ দুর্নীতি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

আজ সচিবালয়ে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে সুসংহত ও শক্তিশালী করার মাধ্যমে একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তোলাই বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য। তিনি বলেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর জনগণের আস্থা পুনর্গঠন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে আরও কার্যকর করা, সামাজিক সুরক্ষা সম্প্রসারণ, দারিদ্র্য হ্রাস, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের মাধ্যমে সরকার একটি টেকসই উন্নয়নভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কাজ করছে।

বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার রাজনৈতিক বাস্তবতা তুলনা করে তিনি আরও বলেন, দুই দেশই রাজনৈতিক অস্থিরতা ও পরিবর্তনের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছে।

এ সময় তিনি বলেন, যে কোনো রাজনৈতিক রূপান্তরের পর জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করা এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির ধারাবাহিকতা বজায় রেখে চলা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এই জন্য গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, আইনের শাসন, স্বাধীন ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক সুযোগ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

ফারজানা শারমীন বলেছেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য কখনোই সংঘাত বা সহিংসতার মাধ্যমে সমাধান হওয়া উচিত নয়, বরং সংবিধানসম্মত ও গণতান্ত্রিক উপায়ে তা হতে হবে।

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী আরও বলেছেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে জনগণের অধিকার রক্ষা করা, বিশেষ করে তরুণদের ন্যায়সংগত প্রত্যাশা পূরণ করা এবং জনসেবাকে আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করার লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। সরকারের সঙ্গে জনগণের নিবিড় সংযোগ এবং কার্যকর সেবা নিশ্চিত করাই একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি।

সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার কল্যাণমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবে সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারিত করছে।

এর মধ্যে একটি উদ্যোগ হলো ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি, যা কেবল আর্থিক সহায়তার জন্য নয়, বরং মানবসম্পদ উন্নয়ন ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ভিত্তিতে বিবেচিত হচ্ছে।

ফারজানা শারমীন আরও জানান, পরিবারই একটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি। তাই পরিবারকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে সামগ্রিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা সম্ভব।

তিনি জানান, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত প্রান্তিক পরিবারের নারী প্রধানদের প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সরাসরি আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। এই সহায়তা ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিতরণ করা হবে, যাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি নারীর আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি পায়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কর্মসূচির পরীক্ষামূলক পর্যায়ে ৬৭ হাজারের বেশি পরিবারকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং আগামীতে পর্যায়ক্রমে দেশের নিম্ন আয়ের প্রায় ১ কোটি ৬১ লাখ পরিবারকে এর আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি জানান, ২০৩০ সালের মধ্যে আরও বিস্তৃত জনগোষ্ঠীকে এই কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।

ফারজানা শারমীন বলেছেন, এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে কেবল আর্থিক সহায়তা দেওয়া নয়, বরং দরিদ্র পরিবারের সন্তানদের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ এবং দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি করা।

তিনি উল্লেখ করেছেন, দীর্ঘমেয়াদে এটি দারিদ্র্যের চক্র ভাঙতে এবং উৎপাদনশীল মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।

তার মতে, সামাজিক সুরক্ষা ব্যয়কে সরকারের ব্যয় হিসেবে নয়, বরং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটি কৌশলগত বিনিয়োগ হিসেবে দেখা উচিত।

বাংলাদেশের দারিদ্র্য পরিস্থিতি সম্পর্কে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত কয়েক দশকে দেশ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। তবে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি, সরবরাহ ব্যবস্থার বিঘ্ন, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং অন্যান্য বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের কারণে নতুন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

এসবে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সরকার এক দিকে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি জোরদার করছে, অন্যদিকে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, শিক্ষা ও দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর সমান গুরুত্ব দিচ্ছে।

ফারজানা শারমীন বলেছেন, শুধু ভাতা বা সহায়তা দিয়ে দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব নয়; এর জন্য প্রয়োজন টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উৎপাদনমুখী কর্মসংস্থান।

সরকার পরিচালনায় নতুন নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন মন্তব্য করেছেন যে, ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য নতুন চিন্তা, নতুন দৃষ্টিভঙ্গি এবং নতুন পরিকল্পনা প্রয়োজন। শুধু দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকাই অভিজ্ঞতার একমাত্র মানদণ্ড নয়। দক্ষতা, পেশাদারিত্ব, বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ গ্রহণ এবং জনগণের প্রতি জবাবদিহিতার মধ্য দিয়েই একটি কার্যকর সরকার পরিচালনা সম্ভব।

বর্তমান সরকার তথ্য-উপাত্তভিত্তিক নীতিনির্ধারণ ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে ফারজানা শারমীন জানান।

আঞ্চলিক সহযোগিতা বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি, স্থিতিশীলতা ও যৌথ সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আঞ্চলিক সহযোগিতাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে। বাংলাদেশ সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

একই সঙ্গে বিমসটেকের মাধ্যমে বাণিজ্য, জ্বালানি, যোগাযোগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু সহনশীলতা এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ সম্প্রসারণে কাজ করতে আগ্রহী।

ফারজানা শারমীন বলেছেন, প্রতিযোগিতার চেয়ে সহযোগিতা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জন্য অধিক কল্যাণকর এবং এ অঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য।

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী জানান, শ্রীলঙ্কা সফরের সময় দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও সরকারি প্রতিনিধিদের সঙ্গে তার ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। এসব বৈঠকে সামাজিক সুরক্ষা, দারিদ্র্য বিমোচন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি এবং বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। উভয় দেশই অভিজ্ঞতা বিনিময় ও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে ফারজানা শারমীন মন্তব্য করেন, দক্ষিণ এশিয়ায় বহু নারী রাষ্ট্র পরিচালনায় দক্ষ নেতৃত্বের পরিচয় রেখেছেন। বাংলাদেশেও নারীদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের দীর্ঘ ঐতিহ্য বিদ্যমান। সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রতিটি স্তরে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি এবং শিক্ষা ও কর্মসংস্থানে সমান সুযোগ সৃষ্টি করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা সম্পর্কের বিষয়ে তিনি উল্লেখ করেছেন, দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বন্ধুত্বের ভিত্তিতে দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক বিদ্যমান। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ওষুধশিল্প, কৃষি, পর্যটন, ডিজিটাল উদ্ভাবন এবং সামাজিক কল্যাণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

ফারজানা শারমীন আশা প্রকাশ করেছেন যে, নিয়মিত উচ্চপর্যায়ের সংলাপ, ব্যবসায়িক যোগাযোগ এবং জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বিনিময় বৃদ্ধি পেলে, বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হবে এবং দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি ও উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পিরোজপুরে জেলা প্রশাসকের অভিভাবকত্বে একটি এতিম কন্যার বিয়ের ব্যবস্থা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৫৩ পি.এম


পিরোজপুরে জেলা প্রশাসকের অভিভাবকত্বে একটি এতিম কন্যার বিয়ের ব্যবস্থা

পিরোজপুরের জেলা প্রশাসকের অভিভাবকত্বের মাধ্যমে সরকারি শিশু পরিবারে সুহানি আক্তার নামের এক এতিম কন্যার বিয়ের আয়োজন করা হয়েছে জেলা প্রশাসন ও সমাজ সেবা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে।

গতকাল রোববার রাতে পিরোজপুর সরকারি শিশু পরিবার ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশে অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে এ বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

এটি একটি বিশেষ অনুষ্ঠান ছিল যেখানে কনের অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করেন আবু সাঈদ, পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কনে সুহানি আক্তারকে বরের হাতে তুলে দেন এবং নবদম্পতির সুখী, সুন্দর ও সমৃদ্ধ দাম্পত্য জীবনের জন্য শুভকামনা জানান।

সরকারি শিশু পরিবার সূত্রে জানা যায়, পিতৃহীন ও মাতৃহীন সুহানি আক্তার ২০১৫ সালে সরকারি শিশু বিভাগে আশ্রয় গ্রহণ করেছিলেন। সেখানেই তিনি বেড়ে ওঠেন এবং পরিপূর্ণ বয়সে পিরোজপুর সদর উপজেলার জুজখোলা গ্রামের রাকিব শেখের সঙ্গে এক লাখ এক টাকা দেনমোহরে তাঁর বিয়ে সম্পন্ন হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন। এছাড়াও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম খান, সদস্য সচিব সাইদুল ইসলাম কিসমত, সমাজসেবা অধিদপ্তর পিরোজপুরের উপপরিচালক মো. ইকবাল করিম এবং সরকারি শিশু পরিবারের উপ-তত্ত্বাবধায়ক শাবানা খানমসহ জেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

এ ঘটনায় সরকারি শিশু পরিবারে আনন্দমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সেখানে বসবাসরত এতিম ও দুস্থ শিশুরা তাদের সহপাঠীর নতুন জীবনের সূচনার দিক থেকে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে। পুরো শিশু পরিবার ক্যাম্পাসে হাসি, শুভেচ্ছা ও আবেগের ঢল নামে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, অভিভাবকহীন শিশুদের পাশে দাঁড়ানো একটি সামাজিক ও মানবিক দায়িত্ব। এসময় বক্তারা ব্যতিক্রমী এ উদ্যোগের জন্য জেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা অধিদপ্তরকে ধন্যবাদ জানান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা, উপসাগরীয় কয়েকটি দেশও লক্ষ্যবস্তু হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৫৬ পি.এম


হরমুজকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা, উপসাগরীয় কয়েকটি দেশও লক্ষ্যবস্তু হয়েছে

হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী রোববার ইরানের বিরুদ্ধে নতুন দফায় হামলা চালিয়েছে। একই সময়ে ওয়াশিংটনের উপসাগরীয় কয়েকটি মিত্র দেশও ইরানের হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে পরিগণিত হয়েছে।

সর্বশেষ সংঘাতটি ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে হওয়া একটি অন্তর্বর্তী চুক্তিকে নতুন করে দুর্বল করে দিয়েছে। এই ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই এর প্রভাবে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরণের ধাক্কা লেগেছে।

ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক্সে জানায়, রোববার রাত ২১০০ জিএমটি থেকে সর্বশেষ হামলা শুরু হয়। এর আগে রাতে প্রায় ১৪০টি হামলা চালানো হয়।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ ও পশ্চিম ইরানের বিস্তীর্ণ এলাকায় হামলা পরিচালনা করেছে। হামলার মধ্যে হরমুজ প্রণালীর কাছে কেশম দ্বীপ, বন্দর আব্বাস এবং ইরাক সীমান্তবর্তী খুজিস্তান প্রদেশও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

চুক্তি ঘোষণার পর থেকে তেলের দাম কমছিল। তবে সোমবার টোকিওতে ফিউচার লেনদেন শুরু হলে তেলের দাম সাড়ে ৩ শতাংশের বেশি বেড়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক ডব্লিউটিআই অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৭৪ ডলারের ওপরে গিয়ে দাঁড়িয়েছে।

ইরান জানায়, রোববার সন্ধ্যায় তাদের দক্ষিণাঞ্চলের দুটি দ্বীপও হামলার শিকার হয়েছে। অন্যদিকে কুয়েত জানায়, সীমান্ত চৌকি এবং একটি অফশোর তেল প্ল্যাটফর্মে হামলা হয়েছে। এর আগে তেহরান একাধিকবার কুয়েতে থাকা মার্কিন স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।

নতুন করে সংঘাতের সূচনা ঘটে রোববার ভোরে হরমুজ প্রণালীতে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার পর। ওই হামলার ফলে জাহাজটিতে আগুন ধরে যায় এবং নাবিকরা সেটি ছেড়ে যেতে বাধ্য হন।

কৌশলগত এই নৌপথের নিয়ন্ত্রণ ইরানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চাপ সৃষ্টির হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। দেশটির সর্বোচ্চ নেতার একজন উপদেষ্টা রোববার মন্তব্য করেছেন, এটি ‘ডজনখানেক পারমাণবিক বোমার’ চেয়েও বেশি গুরুত্ব বহন করে।

এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চলতি সপ্তাহে যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক সমাধান টিকিয়ে রাখতে মধ্যস্থতাকারীরা প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, রোববারের মার্কিন হামলা ‘হরমুজ প্রণালীতে আবারও অনিরাপত্তা সৃষ্টি করেছে’ এবং ‘এ অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার সব প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করে দিয়েছে।'

কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি - রোববার সন্ধ্যায় ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, কেশম দ্বীপে অন্তত ১০টি ‘শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র’ হামলা আক্রমণ করেছে। তারা আরও জানায়, কেশমের পূর্বে উপসাগরীয় ফারুর দ্বীপে হামলায় একজন টেলিযোগাযোগ কর্মী নিহত এবং আরও দুজন আহত হয়েছেন।

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা সোমবার ভোরে জানায়, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় মাহশাহরের একটি পানি পাম্পিং স্টেশনে মার্কিন হামলায় একজন নিহত এবং চারজন আহত হয়েছেন।

রোববার কুয়েত জানিয়েছে, দেশটির উত্তরাঞ্চলের তিনটি স্থল সীমান্ত চৌকি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া একটি অফশোর তেল খনন প্ল্যাটফর্ম ‘শত্রুপক্ষের একটি ড্রোনের’ লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। এতে একজন আহত হয়েছেন।

তেহরান জানায়, রোববার ভোরে তারা হরমুজে দুটি জাহাজে হামলা করেছে। এর মধ্যে একটি জাহাজে আগুন ধরে যায়। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, জবাবে তারা প্রায় ১৪০টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। ইরানের গণমাধ্যম বন্দর আব্বাস, সিরিক, জাস্ক, কেশম এবং খুজিস্তান প্রদেশে বিস্ফোরণের খবর দিয়েছে। এতে একজন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন বলেও জানানো হয়েছে।

মার্কিন হামলার জবাবে ইরান দ্রুত পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানায়। এএফপির সাংবাদিক এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনে সাইরেন বেজে ওঠে এবং বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

কুয়েত জানিয়েছে, তারা হামলা প্রতিহত করার চেষ্টা করছে। জর্ডান জানিয়েছে, ইরানের তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র দেশটির ভেতরে এসে পড়েছে। ইরানের বিপ্লবী গার্ড জানিয়েছে, তারা ওমানেও হামলা চালিয়েছে। দেশটি খুব কমই হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়।

ওমানের রাজধানী মাসকাট ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছে। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে চেষ্টা করা দেশটির জন্য এটি একটি বিরল পদক্ষেপ।

হরমুজ প্রণালী নিয়ে আলোচনা করার জন্য ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে আতিথ্য দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এ হামলার ঘটনা ঘটে। নয়াদিল্লি জানিয়েছে, রোববার হরমুজ প্রণালীতে সাইপ্রাসের পতাকাবাহী একটি কনটেইনার জাহাজে হামলার ঘটনায় একজন ভারতীয় নাবিক নিখোঁজ হয়ে গেছে। অন্যদিকে মাসকাট জানিয়েছে, তারা একটি বাণিজ্যিক জাহাজের ২৩ জন নাবিককে উদ্ধার করেছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি যুদ্ধের প্রথম দিন তার বাবা ও পূর্বসূরি নিহত হওয়ার প্রতিশোধ নেওয়ার প্রতিজ্ঞা করেছেন। তিনি বলেছেন, যাদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে, ইরান তাদের একটি তালিকা প্রস্তুত করেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শনিবার বলেছেন, তাকে হত্যার কোনো চেষ্টা হলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ‘সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দেবে।’

মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের শীর্ষ কূটনীতিক ইসহাক দার রোববার ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচির সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলে উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছেন। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার বলেন, ‘সংলাপ ও কূটনীতিই বিরোধ নিষ্পত্তি এবং টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার একমাত্র কার্যকর পথ।’

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসও শান্তির আহ্বান জানিয়েছেন। তার মুখপাত্র বলেন, ‘এই হামলা অবশ্যই বন্ধ হতে হবে।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%